শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:২৪, শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ

নিরঞ্জন রায়
অনলাইন ভার্সন
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ

কিছুদিন আগে এক ব্যবসায়ী আমাকে ব্যাংকঋণ নিয়ে তার দুঃখের কথা জানালেন। সেই ব্যবসায়ী একটি ব্যাংক থেকে তাঁর ব্যবসার প্রয়োজনে কিছু ঋণ গ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে আছে কয়েক ধরনের ঋণ, যেমন—ওভারড্রাফট, মেয়াদি ঋণ বা টাইম লোন এবং এলসি (লেটার অব ক্রেডিট)।

এই ঋণ সুবিধা নিয়ে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছিলেন না। বিশেষ করে টাইম লোন নিয়ে তাঁর বেশ সমস্যা হচ্ছিল। তাই তিনি ব্যাংকের শাখায় আবেদন করেছিলেন, টাইম লোন বাতিল করে ওভারড্রাফটের পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য। এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিত সেই ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখার ব্যবস্থাপক তাঁকে জানান, প্রথমে নির্ধারিত হারে ডাউন পেমেন্টের অর্থ জমা দিতে হবে, তাহলে তাঁর এই প্রস্তাবটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠাবে অনুমোদনের জন্য।

সেই ব্যবসায়ীর ঋণ খেলাপি হয়নি, তাহলে তাঁকে কেন শুধু ঋণের ধরন পরিবর্তনের জন্য ডাউন পেমেন্টের অর্থ জমা দিতে হবে, তা সেই ব্যবসায়ী কিছুতেই বুঝতে পারছিলেন না। আর এ কারণেই তিনি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন ভালোভাবে বোঝার জন্য। সেই ব্যবসায়ীর কথা শুনে আমি বললাম, ‘আমি নিজেই তো আপনার মতো কিছু বুঝতে পারছি না, তাহলে আপনাকে বোঝাব কিভাবে।’
বিষয়টি ভালো করে জানার জন্য আমি পরিচিত কয়েকজন শাখা ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলেছি।


কিন্তু তাঁরাও আমাকে বিষয়টি সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেননি। তবে সবাই একটি কথা পরিষ্কার করে বলেছেন, তাঁদের প্রধান কার্যালয় থেকে যেভাবে বলবে সেভাবেই ঋণ প্রস্তাব পাঠাতে হবে। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। আমি যখন তাঁদের পাল্টা প্রশ্ন করলাম, আপনারা তো এ ব্যাপারে ইস্যুকৃত সার্কুলার মেনে কাজ করবেন। প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশের অপেক্ষায় থাকেন কেন? আমার এমন কথা শুনে অধিকাংশই চুপ করে ছিলেন।

তবে দু-একজন সাহস করে একটি অপ্রিয় সত্য কথা বলে ফেলেছেন। তাঁরা আমাকে স্পষ্ট বলে দিলেন, ‘স্যার, আপনি উন্নত দেশের ব্যাংকে চাকরি করেন, তাই আমাদের অবস্থা বুঝবেন না। এখানে সার্কুলার অনেক পরে। আগে হেড অফিসের কথামতো কাজ করতে হবে। না হলে আপনি এখানকার ব্যাংকে চাকরিই করতে পারবেন না।’ কথাগুলো শুনে ভাবলাম। আসলেই তো তাই। বাংলাদেশে ব্যাংকে সার্কুলারের গুরুত্ব অনেক পরে। সেখানে চেয়ারম্যান যেভাবে বলবেন, এমডি (ম্যানেজিং ডিরেক্টর) সেভাবেই ব্যাংক চালাবেন। আবার এমডি যেভাবে বলবেন, অন্য ব্যাংকাররা সেভাবেই কাজ করবেন।

এই বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন ব্যাংকারের সঙ্গে আলোচনা করে আরো একটি বিষয় বুঝতে পেরেছি, তা হচ্ছে—অধিকাংশ ব্যাংকার ভালোভাবে জানেনই না যে ঋণ পুনঃতফসিল (রিস্ক্যাজুয়াল) এবং ঋণ পুনর্গঠনের (রিস্ট্রাকচার) মধ্যে পার্থক্য আছে। আমার লেখার শুরুতে যে ব্যবসায়ীর কথা উল্লেখ করেছি, তাঁর আবেদনটি ছিল মূলত ঋণ পুনর্গঠনের, ঋণ পুনঃতফসিলের নয়। যা হোক সেই ব্যাংকারদের সঙ্গে কথা বলে যা বুঝলাম তাতে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে ঋণ পুনর্গঠনের ধারণাটাই সেভাবে প্রচলিত নয়। আমরা যখন দেশে ব্যাংকে কাজ করেছি তখনও এই ঋণ পুনর্গঠনের প্রচলন ছিল না এবং এত বছর পরে এসে এখনো এর প্রচলন নেই। কার্যকর ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় ঋণ পুনর্গঠন এবং ঋণ পুনঃতফসিল দুটি পৃথক এবং স্বতন্ত্র ব্যবস্থা। এই দুই পদ্ধতি একদিকে যেমন বহুল ব্যবহৃত, অন্যদিকে তেমনি এই দুইয়ের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য বিদ্যমান।

ঋণ পুনর্গঠন মূলত নিয়মিত ভালো ঋণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। পক্ষান্তরে ঋণ পুনঃতফসিল খেলাপি ঋণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। প্রথমোক্তটি একটি ঋণকে ভালো রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। আর শেষোক্তটি খেলাপি ঋণকে ভালো করার প্রচেষ্টা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ঋণ পুনর্গঠন একটি ব্যাংকের ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিভাগের নিয়মিত কার্যক্রম। এ জন্য বিশেষ কোনো নিয়ম বা শর্ত মেনে চলার বাধ্যবাধকতা নেই, যেমন—ডাউন পেমেন্ট প্রদানের বাধ্যবাধকতা না থাকা। শুধু ব্যাংকের ক্রেডিট পলিসির মধ্যে থাকলেই এই সুবিধা ঋণগ্রহীতাদের দেওয়া যেতে পারে। পক্ষান্তরে ঋণ পুনঃতফসিল ব্যাংকের একটি বিশেষ ব্যবস্থা, যা বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ঋণদাতা ব্যাংকের বিশেষ নিয়ম ও শর্ত মেনে প্রদান করতে হয়। ঋণ পুনর্গঠন ব্যাংকের সাধারণ সেবা এবং ঋণ চুক্তির অংশ, তাই গ্রাহকের এই সুবিধা পাওয়ার অধিকার আছে। গ্রাহক চাইলে ব্যাংক এই সুযোগ গ্রাহককে দিতে বাধ্য। অবশ্যই গ্রাহকের সেই চাওয়া ব্যাংকের ক্রেডিট পলিসির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। কিন্তু ঋণ পুনঃতফসিল ব্যাংকের একটি ঐচ্ছিক সুবিধা, যা কোনো ঋণখেলাপিকে দেওয়া হবে কি না, তা ব্যাংকের একান্তই নিজস্ব ব্যাপার। এই সুবিধা নেওয়ার জন্য গ্রাহক তাঁর অধিকার হিসেবে দাবি করতে পারেন না। গ্রাহক অনুরোধ করতে পারেন, কিন্তু ব্যাংক সেটা মানবে কি না, তা ব্যাংকের একান্তই নিজস্ব ব্যাপার। যেমন—ব্যাংক খেলাপি ঋণ আদায়ের লক্ষ্যে কৌশল হিসেবে চাইলে খেলাপি ঋণগ্রহীতাকে সম্পূর্ণ ঋণের টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলতে পারে, আবার ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা দিয়েও ঋণ আদায়ের চেষ্টা চালাতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংক মাঝে মধ্যে খেলাপি ঋণ আদায়ের উদ্দেশ্যে ঋণ পুনঃতফসিল সংক্রান্ত বিভিন্ন সার্কুলার ইস্যু করে। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে ঋণদানকারী ব্যাংক খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল করতে বাধ্য। ব্যাংক চাইলে করবে, না চাইলে করবে না। তবে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল করতে হলে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত সার্কুলার মেনে করতে হবে।

ব্যবসায়ীদের ব্যাংকঋণের টাকা সুবিধাজনকভাবে ব্যবহার করার সুবিধার্থে ঋণ পুনর্গঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কেননা, যে ব্যবসার প্রয়োজনে ঋণ গ্রহণ করা হয়, সেই ব্যাবসায়িক কার্যক্রম প্রতিনিয়ত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে চলে। আর ব্যবসার পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অর্থের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হয়। পক্ষান্তরে ঋণ গ্রহণ বা ঋণচুক্তি সম্পাদন করা হয় একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য, যেমন—তিন বা পাঁচ বছরের জন্য। এই সময়ের মধ্যে ঋণের অর্থের সফল ব্যবহার নিশ্চিত করার স্বার্থে গৃহীত মোট ঋণের পরিমাণ ঠিক রেখে ঋণের ধরন পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয়। যেমন—একজন ঋণগ্রহীতার ওভারড্রাফট সুবিধা কমিয়ে টাইম লোনের পরিমাণ বাড়িয়ে নেওয়া বা এর বিপরীত অবস্থার প্রয়োজন হতে পারে। আবার টার্ম লোনের মাসিক কিস্তির পরিমাণ ব্যবসার নগদ প্রবাহ বা ক্যাশ-ফ্লোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিশোধ করার স্বার্থে ঋণের মেয়াদ ১০ বছর থেকে বাড়িয়ে ১৫ বছর করার প্রয়োজন হতে পারে। এমনকি বেশি সুদের হারের ঋণ থেকে কম সুদের হারের ঋণে পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে। ঋণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঋণের মেয়াদকালে এ রকম অনেক পরিবর্তনের আবশ্যিকতা দেখা দেয়, যা পরিবর্তনের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধার বিশেষ প্রয়োজন।

ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা থাকলে একদিকে যেমন ব্যবসায়ীরা ব্যাংক ঋণের টাকা খুবই কার্যকরভাবে ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করতে পারেন, অন্যদিকে ঋণখেলাপি হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা যায়। আমাদের দেশের ব্যাংকিং খাতে যে বিশাল অঙ্কের খেলাপি ঋণ, তার অনেক কারণের মধ্যে একটি কারণ হচ্ছে—ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা না থাকা এবং সেই সুবিধা ঋণ পরিচালনা কার্যক্রমে ব্যবহার না করা। অথচ ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর এই ব্যবস্থার ব্যবহার আমাদের দেশের ব্যাংকিং খাতে সেভাবে নেই বললেই চলে। দু-একটি ব্যাংক হয়তো বিচ্ছিন্নভাবে এই ব্যবস্থা অনুসরণ করে থাকতে পারে। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিভিত্তিক এই ব্যবস্থার প্রচলন নেই বললেই চলে। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রতিনিধিদের বিষয়টি চালু করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ কথা ঠিক, এই ব্যবস্থা চালু করতে গেলে প্রথমেই দেশে ব্যাপকভিত্তিক ঋণচুক্তি বা কম্প্রিহেনসিভ ক্রেডিট অ্যাগ্রিমেন্টের মাধ্যমে ডকুমেন্টেশনের কাজ সম্পন্ন করার ব্যবস্থা প্রচলন করতে হবে। বিষয়টি কিভাবে হতে পারে, তা সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে গেলে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন, যার সুযোগ এখানে সীমিত।

লেখক : সার্টিফায়েড অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং স্পেশালিষ্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা

এই বিভাগের আরও খবর
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
প্রেসিডেন্ট জিয়া ও জনসার্বভৌমত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির দর্শন
প্রেসিডেন্ট জিয়া ও জনসার্বভৌমত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির দর্শন
শহীদ জিয়া: অগ্রসরমান বাংলাদেশের রূপকার
শহীদ জিয়া: অগ্রসরমান বাংলাদেশের রূপকার
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রচিন্তার জনক
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রচিন্তার জনক
নিম্নমধ্যবিত্তের যে গল্প কেউ জানে না!
নিম্নমধ্যবিত্তের যে গল্প কেউ জানে না!
সর্বশেষ খবর
কুমিল্লায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২
কুমিল্লায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে রবিবার
নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে রবিবার

১ মিনিট আগে | জাতীয়

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু

৪ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাদারীপুরে সচেতনতামূলক র‌্যালি
ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাদারীপুরে সচেতনতামূলক র‌্যালি

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জেতা হচ্ছে না আর্জেন্টিনার? কোয়ার্টারে মুখোমুখি মেসি-রোনালদো!
টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জেতা হচ্ছে না আর্জেন্টিনার? কোয়ার্টারে মুখোমুখি মেসি-রোনালদো!

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় জিসিসি অঞ্চলের বিমান চলাচলে বড় বিপর্যয়
মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় জিসিসি অঞ্চলের বিমান চলাচলে বড় বিপর্যয়

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জীবননগরে বসুন্ধরা শুভসংঘের চারা বিতরণ
জীবননগরে বসুন্ধরা শুভসংঘের চারা বিতরণ

৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আমিরাতে দোয়া মাহফিল
জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আমিরাতে দোয়া মাহফিল

১৫ মিনিট আগে | পরবাস

মুন্সীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম
মুন্সীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সংসদীয় সভা
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সংসদীয় সভা

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল শোকজ নোটিশের জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল শোকজ নোটিশের জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৩১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে লোকজন সরিয়ে নিল বিএসএফ
পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে লোকজন সরিয়ে নিল বিএসএফ

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি
মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ​জয়পুরহাটে দোয়া মাহফিল
জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ​জয়পুরহাটে দোয়া মাহফিল

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আওতামুক্ত : তথ্যমন্ত্রী
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আওতামুক্ত : তথ্যমন্ত্রী

৪৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ঠাকুরগাঁও সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা, বিজিবির সঙ্গে পাহারায় স্থানীয়রা
ঠাকুরগাঁও সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা, বিজিবির সঙ্গে পাহারায় স্থানীয়রা

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নানাবিধ হুমকির মুখে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য
নানাবিধ হুমকির মুখে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য

৪৯ মিনিট আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

এক ধাপে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল দাবি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের
এক ধাপে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল দাবি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

বুড়িগঙ্গার কাছে এখন আর যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল
বুড়িগঙ্গার কাছে এখন আর যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল

৫৪ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

৩ দিনের সফরে কাল রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
৩ দিনের সফরে কাল রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ
স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মরণোত্তর জাতিসংঘ ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড’ পদক পেলেন ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
মরণোত্তর জাতিসংঘ ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড’ পদক পেলেন ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন বাজেটে থাকবে ‘রিকভারি ও রিকনসিলিয়েশন’ প্রকল্প: অর্থ উপদেষ্টা
নতুন বাজেটে থাকবে ‘রিকভারি ও রিকনসিলিয়েশন’ প্রকল্প: অর্থ উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ বছরে প্রথমবার! সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়ে এ কেমন একাদশ গড়লেন গম্ভীর?
১৫ বছরে প্রথমবার! সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়ে এ কেমন একাদশ গড়লেন গম্ভীর?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের ম্যাচে কেন বারবার ডাক পড়ে এই বাংলাদেশির?
ভারতের ম্যাচে কেন বারবার ডাক পড়ে এই বাংলাদেশির?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডে কারও গাফিলতি মিললে কঠোর ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী
বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডে কারও গাফিলতি মিললে কঠোর ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

‘ওরা শুধু টাকা চেনে!’ , সমালোচনার ঝড়ে সিদ্ধান্ত বদলালো ফিফা
‘ওরা শুধু টাকা চেনে!’ , সমালোচনার ঝড়ে সিদ্ধান্ত বদলালো ফিফা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শ্মশানে পানির ব্যবস্থা করলেন মীর হেলাল
শ্মশানে পানির ব্যবস্থা করলেন মীর হেলাল

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
শাকিব-বুবলীর ঘরে এলো কন্যাসন্তান, নাম শারলিন খান
শাকিব-বুবলীর ঘরে এলো কন্যাসন্তান, নাম শারলিন খান

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

তপুর জোড়া গোলে ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
তপুর জোড়া গোলে ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ে করলেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী, বর কে
বিয়ে করলেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী, বর কে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশিসহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন ধূলিসাতের পথে
বাংলাদেশিসহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন ধূলিসাতের পথে

১৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সাবেক মেয়র মনজুর ও সাবেক এমপি সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
সাবেক মেয়র মনজুর ও সাবেক এমপি সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

১২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির
ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উঠে দাঁড়িয়েছে দাবি করা সেই গাছ কেটে ফেললো প্রশাসন
উঠে দাঁড়িয়েছে দাবি করা সেই গাছ কেটে ফেললো প্রশাসন

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অস্ট্রেলিয়ায় এক লাখ তেলাপোকা জব্দ, মূল্য দেড় লাখ ডলার
অস্ট্রেলিয়ায় এক লাখ তেলাপোকা জব্দ, মূল্য দেড় লাখ ডলার

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের ‘ঝিমুনি’: ‘কমান্ডার-ইন-স্লিপ’ বলে ডেমোক্র্যাটদের উপহাস
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের ‘ঝিমুনি’: ‘কমান্ডার-ইন-স্লিপ’ বলে ডেমোক্র্যাটদের উপহাস

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩
বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটকাল যুক্তরাষ্ট্র
ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটকাল যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মমতার তৃণমূলের নতুন কমিটি, স্বপদেই বহাল অভিষেক
মমতার তৃণমূলের নতুন কমিটি, স্বপদেই বহাল অভিষেক

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা
ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

ফেভারিটদের তালিকায় থেকেও কেন মহাবিপদে আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স?!
ফেভারিটদের তালিকায় থেকেও কেন মহাবিপদে আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স?!

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের
কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে প্রথমবার ইতিহাস গড়তে আসছে ৫ নতুন দেশ
বিশ্বকাপে প্রথমবার ইতিহাস গড়তে আসছে ৫ নতুন দেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা
৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত
টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শত্রু শিবিরে খেলা, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে একাট্টা ইরানি ফুটবলাররা
শত্রু শিবিরে খেলা, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে একাট্টা ইরানি ফুটবলাররা

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাহজালালের কার্গো শেডে আগুনে ফ্লাইং অপারেশনে সমস্যা হয়নি: নির্বাহী পরিচালক
শাহজালালের কার্গো শেডে আগুনে ফ্লাইং অপারেশনে সমস্যা হয়নি: নির্বাহী পরিচালক

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের মঞ্চ প্রস্তুত : নারী ফুটবলে নতুন অধ্যায়ের সামনে বাংলাদেশ
শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের মঞ্চ প্রস্তুত : নারী ফুটবলে নতুন অধ্যায়ের সামনে বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল
নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের
যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপি'র ছায়া বাজেট ঘোষণা: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে জোর
এনসিপি'র ছায়া বাজেট ঘোষণা: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে জোর

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন নিয়মে বিশ্বকাপ ম্যাচ অনির্দিষ্টকাল বন্ধ থাকতে পারে যে কারণে
মার্কিন নিয়মে বিশ্বকাপ ম্যাচ অনির্দিষ্টকাল বন্ধ থাকতে পারে যে কারণে

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল: ভাগ্য নির্ধারণে নজর থাকবে যাদের দিকে
বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল: ভাগ্য নির্ধারণে নজর থাকবে যাদের দিকে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হ্যাটট্রিক শিরোপার সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না মারিয়া
হ্যাটট্রিক শিরোপার সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না মারিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সীমান্তে বিজিবি জনগণ সতর্ক
সীমান্তে বিজিবি জনগণ সতর্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপিতে এক নেতা এক পদ
বিএনপিতে এক নেতা এক পদ

প্রথম পৃষ্ঠা

তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর
তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিটেনে অলিখিত ভিসা নিষেধাজ্ঞার কবলে বাংলাদেশ
ব্রিটেনে অলিখিত ভিসা নিষেধাজ্ঞার কবলে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্রান্সের সামনে ‘মৃত্যুকূপ’
ফ্রান্সের সামনে ‘মৃত্যুকূপ’

মাঠে ময়দানে

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ভ্যাট রিটার্নে আসছে বড় পরিবর্তন
ভ্যাট রিটার্নে আসছে বড় পরিবর্তন

পেছনের পৃষ্ঠা

বরিশালের বাজারে ইলিশের হাহাকার
বরিশালের বাজারে ইলিশের হাহাকার

পেছনের পৃষ্ঠা

মারিয়াদের হ্যাটট্রিক শিরোপার হাতছানি
মারিয়াদের হ্যাটট্রিক শিরোপার হাতছানি

মাঠে ময়দানে

জার্সি পতাকা উন্মাদনায় দেশ
জার্সি পতাকা উন্মাদনায় দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

সরকারের দখলে নেই সরকারি সম্পত্তি
সরকারের দখলে নেই সরকারি সম্পত্তি

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিনব মোটরসাইকেল
অভিনব মোটরসাইকেল

শনিবারের সকাল

অযত্নে ম্লান ইতিহাসের দুর্লভ নিদর্শন
অযত্নে ম্লান ইতিহাসের দুর্লভ নিদর্শন

শনিবারের সকাল

ভাইরাল সেই বাসের লাইসেন্স বাতিল
ভাইরাল সেই বাসের লাইসেন্স বাতিল

পেছনের পৃষ্ঠা

আলোচিত হত্যা মামলার রায় কাল
আলোচিত হত্যা মামলার রায় কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

কঠিন শাস্তির মুখে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল
কঠিন শাস্তির মুখে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ ছাড়লেন কলকাতার মেয়র
পদ ছাড়লেন কলকাতার মেয়র

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজির দাম অল্প কমলেও স্বস্তি ফেরেনি বাজারে
সবজির দাম অল্প কমলেও স্বস্তি ফেরেনি বাজারে

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিব খানের উদ্বেগ
শাকিব খানের উদ্বেগ

শোবিজ

যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসের বিল পাসে ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প
যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসের বিল পাসে ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প

প্রথম পৃষ্ঠা

আইভরি কোস্টে হোঁচট ফ্রান্সের
আইভরি কোস্টে হোঁচট ফ্রান্সের

মাঠে ময়দানে

কৃষিপণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার আজারবাইজান
কৃষিপণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার আজারবাইজান

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেরি থেকে আবার পদ্মায় বাস
ফেরি থেকে আবার পদ্মায় বাস

প্রথম পৃষ্ঠা

তুরস্কের সহযোগিতা চাইল জামায়াত
তুরস্কের সহযোগিতা চাইল জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

হারিয়ে যাচ্ছে গুইংগারহাট খাল
হারিয়ে যাচ্ছে গুইংগারহাট খাল

পেছনের পৃষ্ঠা

ডলার প্রতারণা করতেন তারা
ডলার প্রতারণা করতেন তারা

দেশগ্রাম

আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?

প্রথম পৃষ্ঠা

দিল্লির হোটেলে আগুনে নিহত কুমিল্লার সোহাগ
দিল্লির হোটেলে আগুনে নিহত কুমিল্লার সোহাগ

পেছনের পৃষ্ঠা

শুধু রামিসা নয়, দ্রুততম বিচার হোক সব হত্যার
শুধু রামিসা নয়, দ্রুততম বিচার হোক সব হত্যার

সম্পাদকীয়

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকায় ফেরত যাচ্ছে জাহাজ
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকায় ফেরত যাচ্ছে জাহাজ

পেছনের পৃষ্ঠা