শিরোনাম
প্রকাশ: ০১:৪৪, শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে

বিশ্বব্যাপী এই যে ধ্বংসলীলা চলছে- এ নিশ্চয়ই থামবে, কিন্তু কোথায় গিয়ে থামবে এবং কীভাবে, সে প্রশ্ন এখন সর্বত্র। স্বভাবতই। এর মধ্যেই খেলাও চলছে নানা রকমের। যেমন নির্বাচনের খেলা। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সদ্য সাবেক মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনকে একটা খেলা বলেছিলেন। অনুসারীরা তাঁর সে কথার প্রতিধ্বনি তুলেছেন, গানও বাঁধেন। কিন্তু ওই যে নিয়ম আছে, কারও জন্য যা খেলা অনেকের জন্য তা মরণ, সেটা যাবে কোথায়? সেটা ঠিকই ঘটেছে। করোনাকালে, পাঁচটি রাজ্যে নির্বাচন দিয়ে ভারতের নির্বাচন কমিশন যে দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছিল, তার জন্য কমিশনের বিরুদ্ধে খুনের মামলা করা যায় বলেও রায় দিয়েছিলেন চেন্নাইয়ের হাই কোর্ট। নির্বাচন কমিশন স্বাধীন বটে, কিন্তু তার চেয়েও স্বাধীন হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর দুর্দান্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এঁদের নেতৃত্বে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার রাজ্য-দখলে রীতিমতো যুদ্ধ ঘোষণা করে। তবে বিদেশি কোনো শত্রুর বিরুদ্ধে নয়, নিজের দেশের মানুষদের বিরুদ্ধেই। ঠিক যেভাবে কোনো দেশের সামরিক বাহিনী যুদ্ধ ঘোষণা করে থাকে, যখন তারা সামরিক শাসন জারি করে। সামরিক বাহিনীর ওই যুদ্ধ, কখনো কখনো তা-ও রক্তপাতহীন হয়। বিজেপির যুদ্ধ কিন্তু তেমন নয়। এই যুদ্ধ মানুষের মাথা খায়- বাইরের এবং ভিতরের। এদের অনুসারীরা মানুষ হত্যা করে এবং মানুষের মস্তিষ্ক দখল করে সেখানে স্থায়ী বিকার ঘটায়। মোদির লক্ষ্য ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র বানানো। তবে হিন্দুত্বের আধ্যাত্মিক স্বার্থে নয়, নিজেদের বস্তুগত স্বার্থে। সেজন্যই রাজ্য-দখলে তাঁদের যুদ্ধ তৎপরতা।

মোদিদের বিশেষ লক্ষ্য ছিল পশ্চিমবঙ্গ। ওই রাজ্যে সাম্প্রদায়িকতা তেমন একটা পাত্তা পায়নি। পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতিতে ধর্মনিরপেক্ষতার চর্চা আছে। বামপন্থিরা সেখানে একটানা চৌত্রিশ বছর রাজ্য পরিচালনা করেছেন। এবং সে সময়ে আর যা-ই ঘটুক হিন্দু জাতীয়তাবাদ তৎপর হতে পারেনি। ব্যতিক্রমী এই রাজ্যটা তাই জয় করা চাই। জয় করতে পারলে হিন্দু জাতীয়তাবাদের রথের পক্ষে সর্বত্রগামী হবার পথটা আরও পরিষ্কার হবে। হাসি-হাসিমুখে সদ্য সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাকে খেলা বলেছিলেন, সেটা তাঁর জন্য আসলে একটা যুদ্ধই ছিল। তাই বলে তিনি যে হিন্দু জাতীয়তাবাদের শত্রুপক্ষ ছিলেন, এমনও কিন্তু নয়। আমরা কী করে ভুলি যে তাঁর হাত ধরেই বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশের সুড়ঙ্গ খুঁড়তে পেরেছিল। দুশমন বামদের হটানোর জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস হিন্দুত্ববাদী বিজেপির সঙ্গে যে নির্বাচনি আঁতাত গড়েছিল, তাতে বামজোট তখনকার মতো হার মানেনি সত্য, কিন্তু মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ওই প্রথম প্রবেশ করার সুযোগ পেয়ে যায়। তারপর বহুবিধ প্রলোভন দেখিয়ে এবং হিন্দুত্ববাদের মাহাত্ম্য অনবরত প্রচার করে, বিজেপি অগ্রসর হতে থাকে। শুরু করে রাজ্য বিধানসভায় মাত্র একটি আসন জিতে; পরেরবার পেয়েছে তিনটি। তারপর পেল গুনে গুণে সাতাত্তরটি। এবারে দুই-তৃতাংশ। এই বিজয় অভিযানে গেরুয়াধারীদের পোশাকে মানুষের রক্তের বিস্তর ছাপ পড়েছে। টার্গেট করেছিল ২০০ আসন পাবে, সে লক্ষ্য অর্জনের জন্য এমন কোনো কাজ নেই যা তারা বাকি রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর দপ্তরের কাজের দায়িত্ব শিকেয় তুলে রেখে, পশ্চিমবঙ্গ দখলে নানা ছক কষেছেন, তাঁর অতি দুর্ধর্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কেন্দ্রীয় দায়িত্ব ফেলে পশ্চিমবঙ্গে ঘাঁটি গেড়ে বসেছিলেন। অন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও নেতারাও কিছু কম করেননি। আর যেটা অভিনব ঘটনা, কখনো ঘটেনি, সেটা হলো ভোট ধরবার মানসে প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী ভিন্ন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ‘বাংলাদেশ-প্রত্যাগত’ অভিযোগ তুলে ৯১ লাখ ভোটারের ভোট বাতিল করেছে এসআইআর বাস্তবায়ন করে। মতুয়া সম্প্রদায়ের ভোটাধিকার পর্যন্ত হরণ করেছে। মুসলিম ভোটারদের তো করেছেই। এসআইআর-এ বাতিল করা ৯১ লাখ ভোটারের ট্রাইব্যুনালে আপিলের বিধান থাকলেও, নির্বাচনের আগপর্যন্ত বাতিল করা ভোটারদের ভোট প্রদানের সুযোগ হয়নি।

টাকা ঢালা হয়েছে অঢেল। নগদ প্রাপ্তির লোভ দেখিয়ে তৃণমূলের কর্মীদের তো বটেই, ওই দলের বড় বড় চাঁইদেরও পক্ষপুটে টেনে নিয়েছে বিজেপি। অন্য রাজ্য থেকে লোক এনেছে, পরামর্শক এনেছে ভাড়া করে। গণমাধ্যম তো অনেকভাবেই কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে এবং অধিকাংশই পুঁজিওয়ালাদের মালিকানাধীন, যারা স্বভাবগত কারণেই বিজেপি সরকারের অনুগত। গণমাধ্যমে বিজেপির পক্ষে এবং তৃণমূলের বিপক্ষে তুমুল প্রচারণা চালিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের দিক থেকে সমুদয় কলকবজা, যন্ত্রপাতি ব্যবহারে কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল না। বিজেপির নিরঙ্কুশ পশ্চিমবঙ্গ দখল তাই অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও নাটকীয় শঠতার নির্বাচনি কৌশল প্রয়োগে। আর অত্যাশ্চর্য ঘটনা হলো- পশ্চিমবঙ্গে অতদিন ধরে যারা শাসন করেছিল, সেই তৃণমূল কংগ্রেস এবারের নির্বাচনে ৮০টি আসন পেয়েছে। এর প্রধান কারণ তাদের জনবিচ্ছিন্নতা। তারা শাসন করেছে ঠিকই, কিন্তু সাধারণ মানুষের সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক গড়ে না তুলে বৈরী সম্পর্কের পাশাপাশি ক্ষমতার দৌরাত্ম্যে দুর্নীতির চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছিল। নিজেদের প্রতিষ্ঠা দেখে ভেবেছে যে ভোটের মধ্য দিয়েই তারা আজীবন ক্ষমতায় থাকতে পারবে; বিশ্বে কোথাও যা ঘটেনি তারই দৃষ্টান্ত তারা পশ্চিমবঙ্গে স্থাপন করবে। বাংলা আজ যা ভাবে, ভারতবর্ষ তা ভাবে পরের দিন; এ কথা তো চালু আছেই! ওদিকে বামফ্রন্টে সিপিআইএম-ই ছিল প্রধান, স্বঘোষিত রূপেই তারা কমিউনিস্ট, কিন্তু কমিউনিস্টদের যেটা প্রধান গুণ- সমাজ বিপ্লবে বিশ্বাস- সেটাকে বিকশিত না করে নিজেদের তাঁরা সংসদীয় দল হিসেবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট ছিলেন। বিপ্লবের স্বপ্নের পরিবর্তে সুযোগসুবিধা বিতরণ করে তাঁরা মহোৎসাহে সংসদীয় সীমায় আটকে থাকলেন। জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে থাকলেন। একসময় যখন তাঁরা টের পেলেন যে পায়ের তলায় মাটি নেই, জনগণ বিপক্ষে চলে গেছে এবং তৃণমূলের মমতাদিদি বাম-হটাও আওয়াজ দিচ্ছেন এবং আরএসএস বিজেপিকে সঙ্গী করে এককাট্টা হয়ে। সিপিএম তখন তৃণমূলকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করাটাই নির্বাচনে জেতার প্রধান উপায় ঠাওরাল। কিন্তু সুবিধা করতে পারল না। গড়িয়ে পড়ে গেল।

মমতা অবশ্য পশ্চিমবঙ্গ দখলের ব্যাপারে বিজেপিকে প্রথম চোটে তেমন একটা সুবিধা করে দিতে পারেননি। তবু হাতে ধরে যে রাজ্যে নিয়ে এসেছিলেন, তার প্রসাদ হিসেবে কেন্দ্রীয় মোদি সরকারের অধীনে মন্ত্রিত্ব পেয়েছিলেন। রেলমন্ত্রী হয়ে তিনি কোনো ত্রুটি করেননি। দলের কর্মীদের মধ্যে চাকরি, ঠিকাদারি, দানখয়রাত ইত্যাদি যত রকমের সুবিধা সম্ভব উদার হস্তে বিতরণ করেছেন। তাতে তাঁর জনপ্রিয়তা বাড়ল, সিপিএমের ক্যাডাররা পর্যন্ত ভবিষ্যৎ রয়েছে তৃণমূলেই, এটা টের পেয়ে সেদিকেই রওনা দিল। সুবিধাপ্রাপ্তির আশায় শিল্পী-সাহিত্যিকরাও অনেকে দেখা গেল ‘খাঁটি বাঙালি মেয়ে’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই ঝুঁকেছেন। বামফ্রন্টের শাসনের অবসান ঘটল এবং মমতা মুখ্যমন্ত্রী হলেন। বামরা মাঠে নেই, এই অবস্থায় তৃণমূলের প্রত্যক্ষ সহায়তায় বিজেপি সুবিধা পেয়ে গেল। তারা সবেগে এগোতে থাকল। বিজেপির রাজনৈতিক এজেন্ডা হিন্দুত্ববাদের ডাকে সাড়াও পাওয়া গেল।

শূন্য থেকে বিজেপি জিতেছে, এমন জয় তৃণমূল এবং বামফ্রন্টও কখনো পায়নি। কিন্তু এর কারণ কি বিজেপির জনপ্রিয়তা? মোটেই নয়। দলের দাঙ্গাবাজ উগ্রবাদী মস্তানদের পক্ষে জনপ্রিয় হওয়ার কোনো কারণই নেই। দুর্নীতি, অত্যাচার, দুঃশাসন, সব দিক দিয়েই তৃণমূল সরকার আগের সরকারগুলোকে হারিয়ে দিয়েছে- এ তারই ফল। আগে জিতেছিলেন তিনি স্রেফ বিজেপির নিরঙ্কুশ সমর্থন ও সহায়তার কারণে। যে বিজেপিকে তিনি ডেকে এনেছিলেন, যারা তাঁকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করেছিল, তারাই এবার তাঁকে কেন্দ্রীয় ক্ষমতার প্রভাবে কৌশলে হটিয়ে জয়ী হলো। বিজেপির হিন্দু জাতীয়তাবাদের আওয়াজে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরা রীতিমতো ভড়কে গেছিল। রাক্ষসকে ঠেকানোর জন্য তারা মমতাকে জয়ী করে এসেছিল। রাক্ষসের ভয়ে দৈত্যের শরণাপন্ন হওয়া! রাক্ষস তো একদম গিলে খাবে, দৈত্য অত দূর যাবে না। ওই একই শঙ্কায় বামপন্থিদের ভোটও গিয়ে পড়েছে তাদের শত্রু পক্ষে। এবার অবশ্য বামরা একটি আসন পেয়েছে, শূন্য হয়নি। বিজেপির বিজয় অপ্রত্যাশিত বৈকি, তৃণমূল নিজেও এতটা আশা করেনি।

তা ছাড়া এই পরাজয়ে তৃণমূল দলটি নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। সন্দেহ নেই যে বিজেপি আরও এগোবে। বিজেপি-সমর্থক দুজন আইনজীবী সংবিধান থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ ও ‘সমাজতন্ত্র’ শব্দ দুটিকে মুছে ফেলার আবদার জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপিল রুজু করেছিলেন। এবার যুক্ত হয়েছে হিন্দুস্তান কেবলই হিন্দুদের, অহিন্দুদের নয়, তারা বহিরাগত, তাদের দেশছাড়া করতে হবে; বিশেষ করে অহিন্দু জনগোষ্ঠীকে।

মমতার পথ ধরে বিজেপির ফ্যাসিবাদী তৎপরতা যতই বৃদ্ধি পাবে, ততই আশা করা যাবে যে তার পতন ঘনিয়ে আসছে। হিটলারের বেলাতে যেমনটা ঘটেছিল। তার মানে অবশ্য এটা নয় যে পুঁজিবাদের নানান কিসিমের ফ্যাসিবাদী তৎপরতা দুনিয়া থেকে অচিরেই বিদায় নেবে। না, নেবে না। তাকে বিদায় করার জন্য দরকার হবে সামাজিক বিপ্লবের। কোনো এক দেশে নয়, অধিকাংশ দেশে এবং শেষ পর্যন্ত সব দেশেই। হায়, গণতন্ত্র তো দেখছি বিদায় নিচ্ছে- বলে যে আর্তধ্বনি শোনা যাচ্ছে, তার অন্তর্নিহিত মর্মবাণীটি হচ্ছে এই যে, শুধু গণতন্ত্র নয়, মানুষের অস্তিত্বই আজ যেন হুমকির মুখে এবং তার জন্য অন্য কেউ দায়ী নয়, দায়ী হচ্ছে পুঁজিবাদের চরমকালে পরম অত্যাচার।

♦ লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
প্রেসিডেন্ট জিয়া ও জনসার্বভৌমত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির দর্শন
প্রেসিডেন্ট জিয়া ও জনসার্বভৌমত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির দর্শন
শহীদ জিয়া: অগ্রসরমান বাংলাদেশের রূপকার
শহীদ জিয়া: অগ্রসরমান বাংলাদেশের রূপকার
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রচিন্তার জনক
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রচিন্তার জনক
নিম্নমধ্যবিত্তের যে গল্প কেউ জানে না!
নিম্নমধ্যবিত্তের যে গল্প কেউ জানে না!
সর্বশেষ খবর
সিদ্ধিরগঞ্জে আওয়ামী লীগ-যুবলীগের ৫ নেতাকর্মী গ্রেফতার
সিদ্ধিরগঞ্জে আওয়ামী লীগ-যুবলীগের ৫ নেতাকর্মী গ্রেফতার

১ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়‌কে যানজট
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়‌কে যানজট

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

উত্তরবঙ্গকে কৃষি হাব গড়তে ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে: গভর্নর
উত্তরবঙ্গকে কৃষি হাব গড়তে ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে: গভর্নর

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নওগাঁ সীমান্তে পুশইন ব্যর্থ, বিএসএফ ফেরত নিয়েছে দাবি বিজিবির
নওগাঁ সীমান্তে পুশইন ব্যর্থ, বিএসএফ ফেরত নিয়েছে দাবি বিজিবির

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্লাস্টিকের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ করলো বসুন্ধরা শুভসংঘ
প্লাস্টিকের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ করলো বসুন্ধরা শুভসংঘ

২২ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

গাংনীতে তরুণদের খেলাধুলায় ফেরাতে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফুটবল বিতরণ
গাংনীতে তরুণদের খেলাধুলায় ফেরাতে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফুটবল বিতরণ

২৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে যৌথ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-তুরস্কের
প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে যৌথ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-তুরস্কের

৩১ মিনিট আগে | জাতীয়

কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলের মৃত্যু
কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলের মৃত্যু

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানকে সমর্থনের অভিযোগে কুয়েতি টিভি উপস্থাপিকার কারাদণ্ড
ইরানকে সমর্থনের অভিযোগে কুয়েতি টিভি উপস্থাপিকার কারাদণ্ড

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আদমদীঘিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের গাছের চারা রোপণ
আদমদীঘিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের গাছের চারা রোপণ

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাংনী সিমান্তে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টা, কঠোর অবস্থানে বিজিবি-গ্রামবাসী
গাংনী সিমান্তে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টা, কঠোর অবস্থানে বিজিবি-গ্রামবাসী

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লালমাইয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
লালমাইয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

৪৩ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

কুমিল্লায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২
কুমিল্লায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে রবিবার
নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে রবিবার

৪৫ মিনিট আগে | জাতীয়

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু

৪৮ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাদারীপুরে সচেতনতামূলক র‌্যালি
ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাদারীপুরে সচেতনতামূলক র‌্যালি

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জেতা হচ্ছে না আর্জেন্টিনার? কোয়ার্টারে মুখোমুখি মেসি-রোনালদো!
টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জেতা হচ্ছে না আর্জেন্টিনার? কোয়ার্টারে মুখোমুখি মেসি-রোনালদো!

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় জিসিসি অঞ্চলের বিমান চলাচলে বড় বিপর্যয়
মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় জিসিসি অঞ্চলের বিমান চলাচলে বড় বিপর্যয়

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জীবননগরে বসুন্ধরা শুভসংঘের চারা বিতরণ
জীবননগরে বসুন্ধরা শুভসংঘের চারা বিতরণ

৫৪ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আমিরাতে দোয়া মাহফিল
জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আমিরাতে দোয়া মাহফিল

৫৯ মিনিট আগে | পরবাস

মুন্সীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম
মুন্সীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সংসদীয় সভা
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সংসদীয় সভা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল শোকজ নোটিশের জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল শোকজ নোটিশের জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে লোকজন সরিয়ে নিল বিএসএফ
পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে লোকজন সরিয়ে নিল বিএসএফ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি
মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ​জয়পুরহাটে দোয়া মাহফিল
জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ​জয়পুরহাটে দোয়া মাহফিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আওতামুক্ত : তথ্যমন্ত্রী
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আওতামুক্ত : তথ্যমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ঠাকুরগাঁও সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা, বিজিবির সঙ্গে পাহারায় স্থানীয়রা
ঠাকুরগাঁও সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা, বিজিবির সঙ্গে পাহারায় স্থানীয়রা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
তপুর জোড়া গোলে ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
তপুর জোড়া গোলে ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ে করলেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী, বর কে
বিয়ে করলেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী, বর কে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশিসহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন ধূলিসাতের পথে
বাংলাদেশিসহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন ধূলিসাতের পথে

১৯ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সাবেক মেয়র মনজুর ও সাবেক এমপি সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
সাবেক মেয়র মনজুর ও সাবেক এমপি সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

১৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির
ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উঠে দাঁড়িয়েছে দাবি করা সেই গাছ কেটে ফেললো প্রশাসন
উঠে দাঁড়িয়েছে দাবি করা সেই গাছ কেটে ফেললো প্রশাসন

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অস্ট্রেলিয়ায় এক লাখ তেলাপোকা জব্দ, মূল্য দেড় লাখ ডলার
অস্ট্রেলিয়ায় এক লাখ তেলাপোকা জব্দ, মূল্য দেড় লাখ ডলার

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের ‘ঝিমুনি’: ‘কমান্ডার-ইন-স্লিপ’ বলে ডেমোক্র্যাটদের উপহাস
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের ‘ঝিমুনি’: ‘কমান্ডার-ইন-স্লিপ’ বলে ডেমোক্র্যাটদের উপহাস

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩
বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটকাল যুক্তরাষ্ট্র
ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটকাল যুক্তরাষ্ট্র

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মমতার তৃণমূলের নতুন কমিটি, স্বপদেই বহাল অভিষেক
মমতার তৃণমূলের নতুন কমিটি, স্বপদেই বহাল অভিষেক

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা
ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেভারিটদের তালিকায় থেকেও কেন মহাবিপদে আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স?!
ফেভারিটদের তালিকায় থেকেও কেন মহাবিপদে আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স?!

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের
কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা
৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপে প্রথমবার ইতিহাস গড়তে আসছে ৫ নতুন দেশ
বিশ্বকাপে প্রথমবার ইতিহাস গড়তে আসছে ৫ নতুন দেশ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের মঞ্চ প্রস্তুত : নারী ফুটবলে নতুন অধ্যায়ের সামনে বাংলাদেশ
শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের মঞ্চ প্রস্তুত : নারী ফুটবলে নতুন অধ্যায়ের সামনে বাংলাদেশ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত
টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল
নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাহজালালের কার্গো শেডে আগুনে ফ্লাইং অপারেশনে সমস্যা হয়নি: নির্বাহী পরিচালক
শাহজালালের কার্গো শেডে আগুনে ফ্লাইং অপারেশনে সমস্যা হয়নি: নির্বাহী পরিচালক

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শত্রু শিবিরে খেলা, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে একাট্টা ইরানি ফুটবলাররা
শত্রু শিবিরে খেলা, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে একাট্টা ইরানি ফুটবলাররা

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের
যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১৫ বছরেই জাতীয় দলে সূর্যবংশী, বাদ অধিনায়ক: ভারতের পরিকল্পনায় যে বড় চমক লুকিয়ে
১৫ বছরেই জাতীয় দলে সূর্যবংশী, বাদ অধিনায়ক: ভারতের পরিকল্পনায় যে বড় চমক লুকিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল: ভাগ্য নির্ধারণে নজর থাকবে যাদের দিকে
বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল: ভাগ্য নির্ধারণে নজর থাকবে যাদের দিকে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনসিপি'র ছায়া বাজেট ঘোষণা: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে জোর
এনসিপি'র ছায়া বাজেট ঘোষণা: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে জোর

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে শঙ্কিত যুক্তরাষ্ট্র, সর্বোচ্চ সতর্কর্তা জারি
ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে শঙ্কিত যুক্তরাষ্ট্র, সর্বোচ্চ সতর্কর্তা জারি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হ্যাটট্রিক শিরোপার সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না মারিয়া
হ্যাটট্রিক শিরোপার সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না মারিয়া

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সীমান্তে বিজিবি জনগণ সতর্ক
সীমান্তে বিজিবি জনগণ সতর্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপিতে এক নেতা এক পদ
বিএনপিতে এক নেতা এক পদ

প্রথম পৃষ্ঠা

তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর
তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিটেনে অলিখিত ভিসা নিষেধাজ্ঞার কবলে বাংলাদেশ
ব্রিটেনে অলিখিত ভিসা নিষেধাজ্ঞার কবলে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্রান্সের সামনে ‘মৃত্যুকূপ’
ফ্রান্সের সামনে ‘মৃত্যুকূপ’

মাঠে ময়দানে

ভ্যাট রিটার্নে আসছে বড় পরিবর্তন
ভ্যাট রিটার্নে আসছে বড় পরিবর্তন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বরিশালের বাজারে ইলিশের হাহাকার
বরিশালের বাজারে ইলিশের হাহাকার

পেছনের পৃষ্ঠা

মারিয়াদের হ্যাটট্রিক শিরোপার হাতছানি
মারিয়াদের হ্যাটট্রিক শিরোপার হাতছানি

মাঠে ময়দানে

সরকারের দখলে নেই সরকারি সম্পত্তি
সরকারের দখলে নেই সরকারি সম্পত্তি

প্রথম পৃষ্ঠা

জার্সি পতাকা উন্মাদনায় দেশ
জার্সি পতাকা উন্মাদনায় দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অভিনব মোটরসাইকেল
অভিনব মোটরসাইকেল

শনিবারের সকাল

অযত্নে ম্লান ইতিহাসের দুর্লভ নিদর্শন
অযত্নে ম্লান ইতিহাসের দুর্লভ নিদর্শন

শনিবারের সকাল

ভাইরাল সেই বাসের লাইসেন্স বাতিল
ভাইরাল সেই বাসের লাইসেন্স বাতিল

পেছনের পৃষ্ঠা

আলোচিত হত্যা মামলার রায় কাল
আলোচিত হত্যা মামলার রায় কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

কঠিন শাস্তির মুখে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল
কঠিন শাস্তির মুখে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ ছাড়লেন কলকাতার মেয়র
পদ ছাড়লেন কলকাতার মেয়র

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজির দাম অল্প কমলেও স্বস্তি ফেরেনি বাজারে
সবজির দাম অল্প কমলেও স্বস্তি ফেরেনি বাজারে

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিব খানের উদ্বেগ
শাকিব খানের উদ্বেগ

শোবিজ

আইভরি কোস্টে হোঁচট ফ্রান্সের
আইভরি কোস্টে হোঁচট ফ্রান্সের

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসের বিল পাসে ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প
যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসের বিল পাসে ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প

প্রথম পৃষ্ঠা

তুরস্কের সহযোগিতা চাইল জামায়াত
তুরস্কের সহযোগিতা চাইল জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

কৃষিপণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার আজারবাইজান
কৃষিপণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার আজারবাইজান

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেরি থেকে আবার পদ্মায় বাস
ফেরি থেকে আবার পদ্মায় বাস

প্রথম পৃষ্ঠা

হারিয়ে যাচ্ছে গুইংগারহাট খাল
হারিয়ে যাচ্ছে গুইংগারহাট খাল

পেছনের পৃষ্ঠা

ডলার প্রতারণা করতেন তারা
ডলার প্রতারণা করতেন তারা

দেশগ্রাম

আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?

প্রথম পৃষ্ঠা

দিল্লির হোটেলে আগুনে নিহত কুমিল্লার সোহাগ
দিল্লির হোটেলে আগুনে নিহত কুমিল্লার সোহাগ

পেছনের পৃষ্ঠা

শুধু রামিসা নয়, দ্রুততম বিচার হোক সব হত্যার
শুধু রামিসা নয়, দ্রুততম বিচার হোক সব হত্যার

সম্পাদকীয়

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকায় ফেরত যাচ্ছে জাহাজ
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকায় ফেরত যাচ্ছে জাহাজ

পেছনের পৃষ্ঠা