শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:৫৭, শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬ আপডেট: ১৭:০৪, শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

পর্ব-০১

রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে জড়ো হয়েছিলেন অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের লাখো নেতাকর্মী। সেই সমাবেশ থেকে পেশ করা দাবির বিষয়ে ওই সময়ের স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সুরাহা না হওয়ায় সমাবেশ অব্যাহত থাকে। ৫ মে দিন গড়িয়ে রাত হলে ‘অপারেশন ফ্ল্যাশ আউট’ নাম দিয়ে এক ভয়াবহ অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ফলে মতিঝিল-শাপলা চত্বর এলাকা বিভীষিকাময় হয়ে ওঠে। শান্তিপূর্ণ অবস্থান পণ্ড করতে চালানো সেই অভিযানে হতাহতের ঘটনা আজো রহস্যাবৃত। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে পরিচালিত ওই নির্মমতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের দাবি হেফাজতসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের। মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের রিপোর্ট অনুযায়ী, শাপলা চত্বরে ‘অপারেশন ফ্ল্যাশ আউট’ নাম দিয়ে ভয়াবহ ক্র্যাকডাউনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হামলায় হেফাজত ইসলামের ৬১ জন শহীদ হন। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার তদন্ত প্রায় শেষের দিকে। শুধু ঢাকাতেই ৩২ জনকে হত্যার তথ্য পাওয়া গেছে। ৭ জুনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হবে।

এই দিনের ভয়াবহ ঘটনা নিয়ে ‘শহীদনামা’ নামের একটি জীবনী স্মারক প্রকাশ করেছে শাপলা স্মৃতি সংসদ। তাগলীবে দ্বীন ফাউন্ডেশনের সার্বিক সহযোগিতায় ও আল্লামা মামুনুল হক, শায়খ মুসা আল হাফিজ ও মাওলানা আবুল হাসানাত জালালীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই স্মারকের গ্রন্থনা ও সংকলন করেছেন আশরাফুল ইসলাম সাদ। স্মারকগ্রন্থটির চুম্বকাংশ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হবে বাংলাদেশ প্রতিদিনের অনলাইন সংস্করণে।

‘শহীদনামা’ স্মারকগ্রন্থটি এক রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল। ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত বর্বর গণহত্যা এবং ২০২১ সালের মোদিবিরোধী আন্দোলনে শাহাদাতবরণকারী শত শত অজানা শহীদের আত্মত্যাগ, বেদনাভরা প্রস্থান ও জীবনের ক্ষণিক দ্যুতি- এই গ্রন্থে স্থান পেয়েছে তাঁদের পরিচয় ও সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্তের মাধ্যমে।

গ্রন্থটি প্রয়াসের মূল উদ্দেশ্য হলো একটি সংরক্ষণযোগ্য দলিল তৈরি করা, যা ইতিহাসের গহ্বরে চাপা পড়ে যাওয়া নির্মম সত্যগুলোকে সামনে আনবে। যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানতে পারে, কীভাবে রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগ, তথ্য গোপন ও ইতিহাস বিকৃতির প্রেক্ষাপটে হাজারো দেশপ্রেমিক মানুষ তাঁদের রক্ত উৎসর্গ করেছিলেন। এই গ্রন্থ শুধু নামের তালিকা নয়, এটি ইতিহাসের একটি জীবন্ত অংশ, যা আত্মত্যাগ, সংগ্রাম ও প্রত্যয়ের নিঃশব্দ স্ফুলিঙ্গ।

এই উদ্যোগটি তাগলীবে দ্বীন ফাউন্ডেশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় শাপলা স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে বাস্তবায়িত হয়েছে। এই গ্রন্থে প্রকাশিত শহীদদের তালিকা নিঃসন্দেহে পূর্ণাঙ্গ নয়। অনেক শহীদের পরিচয় পাওয়া যায়নি, অনেকে এখনো নিরুদ্দেশ। অনেকে শহীদের মর্যাদা পেয়েছেন বটে, কিন্তু পরিবার বা সমাজে তাঁদের নিয়ে কথা বলা ভয় বা ভীতির কারণে কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক যুগের বেশি সময় পেরিয়ে আসার পরও অনেক শহীদ পরিবার এখনো ট্রমার মধ্যে আছেন। আওয়ামী জাহিলিয়াতের দমন-পীড়নে তাঁরা নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করতে সাহস পান না। কারো কারো কাছে তথ্য ছিল, কিন্তু দীর্ঘদিনে হারিয়ে গেছে।

২০১৩ সালের ৫ মে রাতে শাপলা চত্বরে পরিচালিত যে রাষ্ট্রীয় অভিযান হয়েছিল, তা ছিল আধুনিক বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের এক নির্মম উদাহরণ। সেদিনের গণসমাবেশে অংশগ্রহণকারী হাজারো মানুষ রাতারাতি নিখোঁজ হয়ে যান, অসংখ্য লাশ গুম হয়ে যায়, পরিবারের সদস্যরা আর কখনো প্রিয়জনের মুখ দেখতে পাননি। কিন্তু রাষ্ট্র সেই ঘটনা গোপন রাখে, অস্বীকার করে। গণহত্যার বদলে প্রচার করা হয় ‘অপারেশন’ কিংবা ‘অভিযান’ শব্দ। অথচ তথ্য বলছে ভিন্ন কথা।

২০১৩ সালের ১২ মে গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৫ মে রাতে হেফাজতের অবস্থান তুলে দিতে যে অভিযান পরিচালিত হয়, তাতে ব্যবহৃত হয় অন্তত ১ লাখ ৫৫ হাজার গোলাবারুদ। অপারেশনে অংশ নেয় ৭ হাজার ৫৮৮ সদস্য। এই সংখ্যা শুধু শাপলা চত্বরমকেন্দ্রিক; পরদিন ৬ মে ঢাকার উপকণ্ঠ কাঁচপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ, সানারপাড়সহ অন্যান্য অঞ্চলে হেফাজত কর্মীদের হটাতে আরও প্রায় ১০ হাজার রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। হাটহাজারী ও বাগেরহাটে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষেও গোলাগুলি চলে। সারা দেশের ঘটনাগুলো বিবেচনায় নিলে ব্যবহৃত গোলাবারুদের সংখ্যা ২ লাখ ছাড়িয়ে যায় বলে অনুমান।

সরকারি হিসাবে ৮০ হাজার টিয়ারশেল, ৬০ হাজার রাবার বুলেট, ১৫ হাজার শর্টগানের গুলি ও ১৫ হাজার সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহৃত হয়। পিস্তল ও রিভলবারের ৩৫০ রাউন্ড গুলি ছাড়া আরও বহু ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহৃত হয়, যার সুনির্দিষ্ট হিসাব নেই। এসব তথ্য থেকেই অনুমেয়, কত ভয়াবহ ও ব্যাপক ছিল সেদিনের হত্যাযজ্ঞ। অথচ রাষ্ট্র এখনো সেই ঘটনার স্বীকৃতি দেয়নি, তদন্ত হয়নি, বিচার তো দূরের কথা।

এই স্মারকগ্রন্থের মাধ্যমে সেই চাপা পড়ে যাওয়া কাহিনির একটি ক্ষুদ্র অংশ উন্মোচনের চেষ্টা করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য কাউকে দোষারোপ করা নয়, বরং ইতিহাসকে সত্যের আলোয় তুলে ধরা। ইতিহাস বিকৃত হলে জাতি পথ হারায়, চেতনা ভোঁতা হয়ে যায়। সত্য চাপা থাকলে তা একসময় বিস্ফোরিত হয় এবং সেই বিস্ফোরণ হয় আরও ভয়াবহ। তাই আমরা চাইনি, এই শহীদদের আত্মত্যাগ সময়ের অতলে হারিয়ে যাক। তাঁদের রক্তের ঋণ শোধ করা না গেলেও স্মরণে রাখা, সম্মানে রাখা- এটাই ন্যূনতম দায়িত্ব।

এই স্মারকগ্রন্থে হেফাজতের আন্দোলনের পটভূমি সম্পর্কেও সংক্ষিপ্ত বিবরণ রাখা হয়েছে। কারণ শহীদদের কথা জানাতে গেলে তাঁদের আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জানা জরুরি। কেবল নাম-ঠিকানার তালিকা দিলে ইতিহাস পূর্ণ হয় না; সে ইতিহাসকে অর্থবহ করতে হয় প্রেক্ষাপট ও প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ নিজেই একদিন এই শহীদানদের নিয়ে আরও বড় ও সুসংগঠিত কাজ করবে। তখন এই স্মারকগ্রন্থ হয়তো তাদের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে। কিংবা সময়ের নিরিখে এটি হয়ে উঠবে একটি প্রাথমিক খসড়া- যে খসড়া পরিপূর্ণতা পাবে ভবিষ্যতের কর্মে ও কণ্ঠে। এই ক্ষুদ্র প্রয়াসকে তেমন একটি মহতী উদ্যোগের সূচনা বলেই মনে করা হচ্ছে।

‘শহীদনামা’ স্মারকগ্রন্থটি কেবল তথ্যের সংগ্রহ নয়, এটি একটি শোকগাথা, একটি ইতিহাসচর্চার সূচনা, একটি স্মৃতিচারণ, একটি প্রত্যয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানুক- রাষ্ট্র যখন নীরব থাকে, তখনো কেউ কেউ ইতিহাস লেখে। সেই ইতিহাস লেখা হয় চোখের জল, সাহসিকতা, আত্মত্যাগ আর অদম্য বিশ্বাস দিয়ে। এর আলোকবর্তিকা যেন জ্বলে থাকে প্রতিটি হৃদয়ে, প্রতিটি কালপরিক্রমায়।

[ধারাবাহিকভাবে চলবে] 

 

এই বিভাগের আরও খবর
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
প্রেসিডেন্ট জিয়া ও জনসার্বভৌমত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির দর্শন
প্রেসিডেন্ট জিয়া ও জনসার্বভৌমত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির দর্শন
শহীদ জিয়া: অগ্রসরমান বাংলাদেশের রূপকার
শহীদ জিয়া: অগ্রসরমান বাংলাদেশের রূপকার
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রচিন্তার জনক
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রচিন্তার জনক
নিম্নমধ্যবিত্তের যে গল্প কেউ জানে না!
নিম্নমধ্যবিত্তের যে গল্প কেউ জানে না!
সর্বশেষ খবর
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সংসদীয় সভা
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সংসদীয় সভা

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

৫ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল শোকজ নোটিশের জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল শোকজ নোটিশের জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে লোকজন সরিয়ে নিল বিএসএফ
পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে লোকজন সরিয়ে নিল বিএসএফ

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি
মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ​জয়পুরহাটে দোয়া মাহফিল
জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ​জয়পুরহাটে দোয়া মাহফিল

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আওতামুক্ত : তথ্যমন্ত্রী
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আওতামুক্ত : তথ্যমন্ত্রী

১৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ঠাকুরগাঁও সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা, বিজিবির সঙ্গে পাহারায় স্থানীয়রা
ঠাকুরগাঁও সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা, বিজিবির সঙ্গে পাহারায় স্থানীয়রা

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নানাবিধ হুমকির মুখে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য
নানাবিধ হুমকির মুখে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য

২০ মিনিট আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

এক ধাপে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল দাবি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের
এক ধাপে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল দাবি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের

২০ মিনিট আগে | জাতীয়

বুড়িগঙ্গার কাছে এখন আর যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল
বুড়িগঙ্গার কাছে এখন আর যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল

২৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

৩ দিনের সফরে কাল রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
৩ দিনের সফরে কাল রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

৩০ মিনিট আগে | জাতীয়

স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ
স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

মরণোত্তর জাতিসংঘ ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড’ পদক পেলেন ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
মরণোত্তর জাতিসংঘ ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড’ পদক পেলেন ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

নতুন বাজেটে থাকবে ‘রিকভারি ও রিকনসিলিয়েশন’ প্রকল্প: অর্থ উপদেষ্টা
নতুন বাজেটে থাকবে ‘রিকভারি ও রিকনসিলিয়েশন’ প্রকল্প: অর্থ উপদেষ্টা

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

১৫ বছরে প্রথমবার! সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়ে এ কেমন একাদশ গড়লেন গম্ভীর?
১৫ বছরে প্রথমবার! সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়ে এ কেমন একাদশ গড়লেন গম্ভীর?

৫২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের ম্যাচে কেন বারবার ডাক পড়ে এই বাংলাদেশির?
ভারতের ম্যাচে কেন বারবার ডাক পড়ে এই বাংলাদেশির?

৫৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডে কারও গাফিলতি মিললে কঠোর ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী
বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডে কারও গাফিলতি মিললে কঠোর ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

‘ওরা শুধু টাকা চেনে!’ , সমালোচনার ঝড়ে সিদ্ধান্ত বদলালো ফিফা
‘ওরা শুধু টাকা চেনে!’ , সমালোচনার ঝড়ে সিদ্ধান্ত বদলালো ফিফা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শ্মশানে পানির ব্যবস্থা করলেন মীর হেলাল
শ্মশানে পানির ব্যবস্থা করলেন মীর হেলাল

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৩০০ রানের মহাতাণ্ডব! ভারত-অস্ট্রেলিয়া যা পারেনি, তা-ই করে দেখাল নেপাল
৩০০ রানের মহাতাণ্ডব! ভারত-অস্ট্রেলিয়া যা পারেনি, তা-ই করে দেখাল নেপাল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাহ, অলৌকিক কিছু আর হলো না: বিশ্বকাপের আগেই মহাবিপদে জার্মানি
নাহ, অলৌকিক কিছু আর হলো না: বিশ্বকাপের আগেই মহাবিপদে জার্মানি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্ত্রীর ফোনে বক্তৃতার মাঝেই থামলেন গাভাস্কার, তারপর যা ঘটল…
স্ত্রীর ফোনে বক্তৃতার মাঝেই থামলেন গাভাস্কার, তারপর যা ঘটল…

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে শঙ্কিত যুক্তরাষ্ট্র, সর্বোচ্চ সতর্কর্তা জারি
ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে শঙ্কিত যুক্তরাষ্ট্র, সর্বোচ্চ সতর্কর্তা জারি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ বছরেই জাতীয় দলে সূর্যবংশী, বাদ অধিনায়ক: ভারতের পরিকল্পনায় যে বড় চমক লুকিয়ে
১৫ বছরেই জাতীয় দলে সূর্যবংশী, বাদ অধিনায়ক: ভারতের পরিকল্পনায় যে বড় চমক লুকিয়ে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নগর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি, ইঁদুরের উপদ্রবে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
নগর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি, ইঁদুরের উপদ্রবে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীর বনশ্রীতে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
রাজধানীর বনশ্রীতে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
শাকিব-বুবলীর ঘরে এলো কন্যাসন্তান, নাম শারলিন খান
শাকিব-বুবলীর ঘরে এলো কন্যাসন্তান, নাম শারলিন খান

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

তপুর জোড়া গোলে ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
তপুর জোড়া গোলে ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ে করলেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী, বর কে
বিয়ে করলেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী, বর কে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সাহারা মরুভূমিতে ট্রাক বিকল, তৃষ্ণায় ৪৯ জনের মৃত্যু
সাহারা মরুভূমিতে ট্রাক বিকল, তৃষ্ণায় ৪৯ জনের মৃত্যু

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশিসহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন ধূলিসাতের পথে
বাংলাদেশিসহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন ধূলিসাতের পথে

১৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সাবেক মেয়র মনজুর ও সাবেক এমপি সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
সাবেক মেয়র মনজুর ও সাবেক এমপি সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

১২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির
ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উঠে দাঁড়িয়েছে দাবি করা সেই গাছ কেটে ফেললো প্রশাসন
উঠে দাঁড়িয়েছে দাবি করা সেই গাছ কেটে ফেললো প্রশাসন

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অস্ট্রেলিয়ায় এক লাখ তেলাপোকা জব্দ, মূল্য দেড় লাখ ডলার
অস্ট্রেলিয়ায় এক লাখ তেলাপোকা জব্দ, মূল্য দেড় লাখ ডলার

২২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের ‘ঝিমুনি’: ‘কমান্ডার-ইন-স্লিপ’ বলে ডেমোক্র্যাটদের উপহাস
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের ‘ঝিমুনি’: ‘কমান্ডার-ইন-স্লিপ’ বলে ডেমোক্র্যাটদের উপহাস

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩
বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটকাল যুক্তরাষ্ট্র
ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটকাল যুক্তরাষ্ট্র

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মমতার তৃণমূলের নতুন কমিটি, স্বপদেই বহাল অভিষেক
মমতার তৃণমূলের নতুন কমিটি, স্বপদেই বহাল অভিষেক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেভারিটদের তালিকায় থেকেও কেন মহাবিপদে আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স?!
ফেভারিটদের তালিকায় থেকেও কেন মহাবিপদে আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স?!

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের
কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা
ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে প্রথমবার ইতিহাস গড়তে আসছে ৫ নতুন দেশ
বিশ্বকাপে প্রথমবার ইতিহাস গড়তে আসছে ৫ নতুন দেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শপথের তিন দিনের মাথায় মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন কংগ্রেস নেতা রামালিঙ্গা রেড্ডি
শপথের তিন দিনের মাথায় মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন কংগ্রেস নেতা রামালিঙ্গা রেড্ডি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা
৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শত্রু শিবিরে খেলা, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে একাট্টা ইরানি ফুটবলাররা
শত্রু শিবিরে খেলা, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে একাট্টা ইরানি ফুটবলাররা

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাহজালালের কার্গো শেডে আগুনে ফ্লাইং অপারেশনে সমস্যা হয়নি: নির্বাহী পরিচালক
শাহজালালের কার্গো শেডে আগুনে ফ্লাইং অপারেশনে সমস্যা হয়নি: নির্বাহী পরিচালক

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত
টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল
নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এনসিপি'র ছায়া বাজেট ঘোষণা: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে জোর
এনসিপি'র ছায়া বাজেট ঘোষণা: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে জোর

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন নিয়মে বিশ্বকাপ ম্যাচ অনির্দিষ্টকাল বন্ধ থাকতে পারে যে কারণে
মার্কিন নিয়মে বিশ্বকাপ ম্যাচ অনির্দিষ্টকাল বন্ধ থাকতে পারে যে কারণে

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের
যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হ্যাটট্রিক শিরোপার সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না মারিয়া
হ্যাটট্রিক শিরোপার সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না মারিয়া

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সীমান্তে বিজিবি জনগণ সতর্ক
সীমান্তে বিজিবি জনগণ সতর্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপিতে এক নেতা এক পদ
বিএনপিতে এক নেতা এক পদ

প্রথম পৃষ্ঠা

তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর
তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিটেনে অলিখিত ভিসা নিষেধাজ্ঞার কবলে বাংলাদেশ
ব্রিটেনে অলিখিত ভিসা নিষেধাজ্ঞার কবলে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্রান্সের সামনে ‘মৃত্যুকূপ’
ফ্রান্সের সামনে ‘মৃত্যুকূপ’

মাঠে ময়দানে

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ভ্যাট রিটার্নে আসছে বড় পরিবর্তন
ভ্যাট রিটার্নে আসছে বড় পরিবর্তন

পেছনের পৃষ্ঠা

বরিশালের বাজারে ইলিশের হাহাকার
বরিশালের বাজারে ইলিশের হাহাকার

পেছনের পৃষ্ঠা

মারিয়াদের হ্যাটট্রিক শিরোপার হাতছানি
মারিয়াদের হ্যাটট্রিক শিরোপার হাতছানি

মাঠে ময়দানে

জার্সি পতাকা উন্মাদনায় দেশ
জার্সি পতাকা উন্মাদনায় দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

সরকারের দখলে নেই সরকারি সম্পত্তি
সরকারের দখলে নেই সরকারি সম্পত্তি

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিনব মোটরসাইকেল
অভিনব মোটরসাইকেল

শনিবারের সকাল

অযত্নে ম্লান ইতিহাসের দুর্লভ নিদর্শন
অযত্নে ম্লান ইতিহাসের দুর্লভ নিদর্শন

শনিবারের সকাল

আলোচিত হত্যা মামলার রায় কাল
আলোচিত হত্যা মামলার রায় কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

ভাইরাল সেই বাসের লাইসেন্স বাতিল
ভাইরাল সেই বাসের লাইসেন্স বাতিল

পেছনের পৃষ্ঠা

কঠিন শাস্তির মুখে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল
কঠিন শাস্তির মুখে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ ছাড়লেন কলকাতার মেয়র
পদ ছাড়লেন কলকাতার মেয়র

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজির দাম অল্প কমলেও স্বস্তি ফেরেনি বাজারে
সবজির দাম অল্প কমলেও স্বস্তি ফেরেনি বাজারে

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিব খানের উদ্বেগ
শাকিব খানের উদ্বেগ

শোবিজ

যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসের বিল পাসে ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প
যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসের বিল পাসে ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প

প্রথম পৃষ্ঠা

আইভরি কোস্টে হোঁচট ফ্রান্সের
আইভরি কোস্টে হোঁচট ফ্রান্সের

মাঠে ময়দানে

কৃষিপণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার আজারবাইজান
কৃষিপণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার আজারবাইজান

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেরি থেকে আবার পদ্মায় বাস
ফেরি থেকে আবার পদ্মায় বাস

প্রথম পৃষ্ঠা

তুরস্কের সহযোগিতা চাইল জামায়াত
তুরস্কের সহযোগিতা চাইল জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

হারিয়ে যাচ্ছে গুইংগারহাট খাল
হারিয়ে যাচ্ছে গুইংগারহাট খাল

পেছনের পৃষ্ঠা

ডলার প্রতারণা করতেন তারা
ডলার প্রতারণা করতেন তারা

দেশগ্রাম

আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?

প্রথম পৃষ্ঠা

দিল্লির হোটেলে আগুনে নিহত কুমিল্লার সোহাগ
দিল্লির হোটেলে আগুনে নিহত কুমিল্লার সোহাগ

পেছনের পৃষ্ঠা

শুধু রামিসা নয়, দ্রুততম বিচার হোক সব হত্যার
শুধু রামিসা নয়, দ্রুততম বিচার হোক সব হত্যার

সম্পাদকীয়

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকায় ফেরত যাচ্ছে জাহাজ
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকায় ফেরত যাচ্ছে জাহাজ

পেছনের পৃষ্ঠা