শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫

গল্প

লাল সূর্য, সবুজ ঘাসের গালিচা

সালাহ উদ্দিন পাঠান
প্রিন্ট ভার্সন
লাল সূর্য, সবুজ ঘাসের গালিচা

খুব নিস্তব্ধ আজকের রাত। কটা বাজতে পারে কিংবা এখন কয় প্রহর, তা যেমন ধারণা করা যাচ্ছে না, তেমনি বুঝতে পারার কোনো উপায় নেই-বাইরের প্রকৃতিটি কেমন! গরমকালের এ সময় প্রকৃতি একেবারে নিথর থাকতে পারে। কিন্তু এ রাত সে রাত নয়, এ রাত হচ্ছে নিকষ কালো অন্ধকারের চেয়েও ভয়াবহ। এখন প্রায় রাতেই আকাশ গুড়ুম গুড়ুম শব্দে কাঁপে কিংবা দেখা যায় খাকি পোশাকের ভীতিকর টহল। যা এখন মানুষের জন্য আতংকের বিষয়। এই সময়ে দিন আর রাতকে একই আবর্তের ক্ষণ মনে হয়। যেখানে মানুষের জীবনযাপন, আশা-নিরাশা সর্বদাই কম্পমান থাকে।

তখন আমি সদ্য কিশোর। ঘরের অন্ধকারে গুমোট আবহ ভেদ করে কিছু ফিসফাঁস কথা শোনা যাচ্ছে। পাশের ঘরে আব্বা-আম্মার ফিসফিসানি কিছুটা আমি ঠাহর করতে পারি।

     আব্বা বলেন, ‘তোমাকে আমি বোঝাবার অনেক চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু তোমার কোনো রেসপন্স পাচ্ছি না কেন?’

     আম্মা জবাব দেন, ‘আমি কী বলবো! দেশের যে অবস্থা, সেখানে আমরা তো কেউই নিরাপদ না।’

     আব্বা বলেন, ‘আমি বাজারে গেলেও খাকি ফোর্স পিছনে লাগে। আমাকে ফলো করে।’

     -আমি সেদিন পাশের বাড়ির ভাবির কাছ থেকে পানসুপারি ধার আনতে গিয়েছিলাম। রাস্তায় কিছু বাঙালিই আমাকে উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করে। ‘এরা কারা?’- আম্মা জিজ্ঞেস করেন।

     -আস্তে কথা বলো, এরা রাজাকার। আর্মির দোসর।

     -তাহলে এখন আমরা কী করব?

     -জিনিসপত্র, বিশেষ করে কাপড়চোপড় কিছু গুছিয়ে ফেল। সকাল হলেই আমরা গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেব। আমি অফিসে যাচ্ছি না। তাতেও সমস্যা। তাই এভাবে আর চলা যাবে না। সেটা ঠিকও হবে না।

ভোরের সূর্য তখন কেবলই লাল আভা ছড়াচ্ছে। আমরা শহরের বাসা থেকে বের হলাম। আমরা মানে আব্বা-আম্মা, ছোট তিন ভাই এবং আমি। মেইন রোডে উঠে দেখি পুরো এলাকা নীরব। রাস্তায় একটা কুকুর পর্যন্ত নেই! বেশ কিছু সময় অপেক্ষার পর দুটি রিকশা পেলাম। মুক্তিযুদ্ধের সেই দিনগুলোতে রিকশা আর ঘোড়া বা গরুর গাড়ি ছাড়া অন্য কোনো বাহন দেখা যেত কদাচিৎ। আমি আর আব্বা প্রথম রিকশায় উঠলাম। আমার কোলে দেড় বছর বয়সি ছোট ভাই শোয়েব। আর পিছনের রিকশায় আম্মা, ছোট দুই ভাই শাহীন, সাহনূর। তখন মে মাসের প্রথম সপ্তাহ।

     ময়মনসিংহ শহরে রামকৃষ্ণ মিশনের সামনে আসতেই হঠাৎ এক বিকট আওয়াজে থামতে হলো। আমাদের সামনে-পিছনে খাকি পোশাকে পাকিস্তানি সেনা। একজন জোরে ধমকে উঠল, ‘ঠেরো, আপ কিধার যাতা হ্যাঁয়?’

আব্বা উত্তর দিলেন, ‘হামলোগ গাঁওকা ওয়াতন ম্যায় যাতা হু।’

          -ওয়াতন কাঁহা হ্যাঁয়

          -ভালুকা ম্যায় হ্যাঁয়।

আর্মি আব্বাকে জিজ্ঞেস করে, ‘তুম মুসলমান হুঁ?’

উত্তর দেওয়ার পর কালেমা বলতে বললে আব্বা উচ্চস্বরে কালেমা বলেন, আমরা নিষ্কৃতি পাই।

     আর. কে মিশন রোড এলাকার ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছার পর আরেক পরিস্থিতি। গুলির খোসা, ভাঙা ইট-পাথর, লোহার পাত এবং কাচের ভাঙা বোতলের ছড়াছড়ি এখানে-সেখানে। মনে হয় এখানে হানাদার সেনাদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া একপ্রস্থ এর মধ্যে হয়ে গেছে। পুরো বাসস্ট্যান্ডে একটি মাত্র বাস। তাও মুড়ির টিন মার্কা। দরোজা ভিতর থেকে বন্ধ। ড্রাইভার তার সিটে বসে পা হুইলের ওপর তুলে দিয়ে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। পিছনের সিটে হেলপার বিড়ি ফুঁকছে। অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পর হেলপার খুব বিরক্ত হয়ে গেট খুলে দিলে আমরা উঠে বসলাম।

     আব্বা ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করলেন, বাস কখন ছাড়বা?

     ড্রাইভার জবাব দিল, ‘এইডার কোনো টাইম নাই। পরিস্থিতি বালা না। কাইল রাইতে এইহানে পাক আর্মি আর মুক্তিযোদ্ধার লগে গন্ডগোল-গোলাগুলি অইছে।’ দুই হানাদার মরছে।

     -তবু তোমরা যাবে তো?

     -অপেক্ষা করুইন, দেহা যাউক।

     পরিবেশ-পরিস্থিতি এখন খুব প্রতিকূলে। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হইছে। এর মধ্যে অনেক মানুষই বাড়ি-ঘর ছাড়ছে। তারা ট্রেনিং নিয়ে যুদ্ধ করছে।

     আল্লাহর রহমতে দীর্ঘক্ষণ পরে হলেও, অল্পকিছু যাত্রী নিয়েই আমাদের গন্তব্যের যাত্রা শুরু হয়। এমনিতে ধীরগতিতে চলছে মুড়ির টিন বাস, তার ওপর ঘনঘন আর্মির চেকিংয়ে পড়তে হয়।

     সন্ধ্যার দিকে আমরা মামার বাড়ি পৌঁছলেও, সেখানে মহা বিব্রতকর পরিবেশ। মামাদের আত্মীয়-স্বজনের কেউ কেউ মুক্তিযুদ্ধে গেছে। আবার একটি পক্ষ আল-বদর, আল-শামস্ কমিটির নামে এলাকায় খবরদারি করছে। আতংক ছড়াচ্ছে। রাতে আমাদের যত্ন-আত্তি পাওয়া তো দূরের কথা, উল্টো এক বিভীষিকায় পড়তে হলো। মামাদের গ্রামের আল-বদর গ্রুপ আমাদের নানা জেরায় ফেলল। শহর থেকে যে আমরা এলাম, তো কী বার্তা নিয়ে এসেছি? মুক্তিযোদ্ধাদের খোঁজখবর দিতে পারব কিনা! কেউ কেউ আব্বাকে হাজারটা প্রশ্নের সামনে দাঁড় করাল।

একজন বলে উঠল, ‘মিয়া সাহেব, আপনি তো সরকারি চাকরি করেন। তাহলে চাকরি রেখে এখানে খুঁটি গাড়তে এসেছেন কেন? উদ্দেশ্যটা কী?’      

বর্তমান পরিস্থিতিতে এমন যুুক্তিহীন প্রশ্নের কী জবাব দেবেন। আব্বা! তার নীরবতাকে আবার অনেকে সন্দেহ করে বসল।

     আরেকজন বলল, ‘ঐ মিয়া? আপনে কী মুক্তিযুদ্ধে যাওনের লাইগ্যা বউ-পোলাপানরে এইখানে রাইখ্যা যাইতে আইছুইন?’

     আব্বা বললেন, ‘দেখুন, শহরের অবস্থা ভালো না। প্রতিদিনই গোলাগুলি হয়। বাসায় বাসায় তল্লাশি করে আর্মিরা। এ অবস্থায় আমরা কারও সাতে-পাঁচে যেতে পারি না। তো কী করব?’

     একজন বলে, ‘আপনের বাসায় তল্লাশি অইলে তো আপনে অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধাগরে আঙ্গর খবর পাচার কইববেন, কন হাঁচা কিনা?’

     এ কথার কী জবাব দেবেন আব্বা? বলেন, ‘বিপদে পড়ে আত্মীয়দের এখানে এসেছি। আপনারাও এ গ্রামেরই মানুষ। এমন সম্ভাষণ পেলে তো কেউ স্বস্তিতে থাকতে পারবে না।’

     কয়েকজন চিল্লিয়ে বলে, ‘অত কথার দরকার নাই, কাইল সকালে অন্যহানে চইলা যাইবান কইলাম। নাইলে কপালে খারাবি আছে।’

এরপর আর এখানে থাকা যায় না! মামা আমাদের নিয়ে রাতেই তাদের বছর-চুক্তির কামলা আলামতের বাড়িতে রেখে গেলেন। সেখানে অনেক কষ্টে পড়া গেল। পানি আছে তো জগ নেই। চাল আছে তো ডাল নেই। রাতে চাল ভাজা করে আম্মা আমাদের খাওয়ালেন। সকালে এখানে আরেক পরিস্থিতি দেখতে পেলাম। প্রায় বাড়ি-ঘরই পুরুষশূন্য। পুরুষরা মুক্তিযুদ্ধে গেছে। নারীরা বেহাল অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। স্বাধীনতাবিরোধী চক্রটি নারীদের ওপর কুনজর দিচ্ছে! এ বাড়ির কর্তা আলামত মুক্তিযুদ্ধে গেছেন- এ অবস্থায় আমরা এখানে থাকলে সমূহবিপদের আশঙ্কা।

আলামতদের বাড়ি থেকে এবার আমাদের গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে আমরা একটু ঘুরপথে রওনা দিলাম। কারণ সহজ পথের বেশ কয়েক জায়গায় নাকি পাকিস্তানি সেনারা অবস্থান নিয়েছে। ঘুরপথে দেখা দিল আরেক বিড়ম্বনা। এই এলাকার নামকরা নারাঙ্গীর পুল কয়েকদিন আগে আর্মিরা ডিনামাইটে উড়িয়ে দিয়ে গেছে। নারাঙ্গী একটি ছোট নদী। কিন্তু ভরা বর্ষার বর্তমান আবহে টইটম্বুর হয়ে আছে। আমার কোলে বরাবরই ছোট ভাই শোয়েব থাকে। আব্বার হাতে কিছু বোঝা থাকায় আম্মা ছোট দুই ভাই শাহীন আর সাহনূরকে সামলান।

     নদীর পারে একরকম দৈবক্রমেই একটি কলার ভেলা একটি গাছের সঙ্গে আটকে থাকা অবস্থায় দেখতে পেলাম। সেই ভেলায় চড়ে পর্যায়ক্রমে আমরা ওপারে পৌঁছাই। সেখানে কোনো যানবাহন না পাওয়ায়, প্রায় সাত মাইল আমাদের বাড়ির পথে হাঁটতে হবে। কী আর করা! আমরা হেঁটেই রওনা দিলাম। যুদ্ধকালীন এ সময়ে শহরের চেয়ে গ্রামীণ পরিবেশ আরও কঠিন।

দূরে একটি পুকুর ঘাটে কিছু লোকের জটলা দেখে আমরা উৎসুক হয়ে সেদিকে গেলাম। লোকজনের মধ্যে চাপা উত্তেজনা। কিছু লোকের তর্ক-বিতর্ক চলছিল। আমরা কাছে যেতেই তাদের সহানুভূতি পাওয়া গেল।

      ভিড়ের মাঝের একজন বলে-দেশের এই টালমাটাল অবস্থায় আপনারা কেমনে বাড়ি ছাড়লেন? বাচ্চা-কাচ্চা নিয়া বিরাট ঝুঁকি নিয়া ফালাইছেন না?’

     আব্বা বললেন, ‘কয়েকদিন আগে থেকেই আমরা শহর ছাড়া। আজ এখানে, কাল ওখানে করে দিনাতিপাত করছি। কিন্তু এখানে জটলা কেন?’

     -একজন বলেন, ‘আর কইয়েন না, আঙ্গর ভাতিজা মুক্তিযুদ্ধে গেছে। কই আছে। কেউ জানে না। এর মইধ্যে রাজাকাররা কেমনে জানি খবর পাইছে ঈমান আলী বাড়িত আইছে। এই ভুয়া খবরেই রাজাকাররা আর্মি লইয়া গত রাইতে এলাকা চইষ্যা গেছে।’ আর যা করছে তা এই নারী-শিশুদের সামনে বর্ণনা করা যাইবো না। ইবলিসের দল!

     আব্বা বললেন, ‘আপনারা সাবধানে থাকবেন!’

     এবার আমরা আমাদের গ্রামের পথ ধরলাম। আমাদের গ্রামে প্রায় সবার ঘরই মাটির। চালা ঘর অথবা ছনের ঘর। বাড়িতে কোনো বয়স্ক পুরুষ নেই। শিশু, বাচ্চা ছেলে ছাড়া। এর কারণ হলো- আব্বার আপন বড়ভাই, আলতাব জ্যাঠা ছাব্বিশে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর থেকেই অজ্ঞাত স্থানে চলে গেছেন। দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর হঠাৎ এক রাতে বাড়ির সবার সঙ্গে দেখা করেন অল্প সময়ের জন্য। তার কাঁধে স্টেনগান, আর কোমরের থলিতে গ্রেনেড ছিল। তখন জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সেক্টরে শামিল হয়েছেন আলতাব জ্যাঠা। এ তো খুব সাংঘাতিক ব্যাপার! আমরা গর্ববোধ করলাম। কিন্তু ভয়ও জাগলো রাজাকার বাহিনীর কাছে খবর গেলে, গোটা গ্রাম জ্বালিয়ে দেবে হানাদার বাহিনী। আব্বা খুব ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও শুধু আমাদের কথা ভেবে মুক্তিযুদ্ধে যেতে পারেননি। এ আফসোস তার সারা জীবনের।

আমাদের গ্রাম টিলা আর লাল মাটির। তখনকার চালের সঙ্গে লাল মাটির ছোট কণার মিশেল থাকত। ভাত খেতে গেলে লাল মাটির কণা দাঁতে লাগে। কিচমিচ করে। কষ্ট হলেও তাই গিলতে হয়। কারণ, এর কোনো বিকল্প নেই। যুদ্ধদিনের শেষ সময়ে মানুষের মনে এক ধরনের অস্থিরতা কাজ করে। কী হয় না হয়! দেশ কি স্বাধীন হবে?

     এই অস্থির সময়ের মধ্যে একদিন খবর এলো, ধলিয়া হাই স্কুলের সামনে হানাদার বাহিনী তাঁবু গেড়েছে। তারা যে কোনো সময় আসতে পারে। আব্বা আমাদের বাড়ির সবাইকে উল্টোদিকে শুকনির বিলের কাছে নিয়ে গেলেন। বিলের পাড়ে বিশাল বিস্তৃত পাট খেত। তখন পাট গাছ বেশ লম্বা হয়েছে। আমরা পাট খেতের ভিতরে লুকিয়ে থাকলাম।

     হঠাৎ বিলের অন্য পার থেকে বিকট গুড়ুম গুড়ুম আওয়াজ হলো। আমরা চমকে কুঁকড়ে গেলাম। ব্যাপার কী! হানাদার বাহিনী এখানে এসে গেল নাকি? খবর অনুযায়ী তো এখান থেকে ধলিয়া হাই স্কুল এক মাইল দূরে। তাহলে কী আমরা ভুল খবর পেয়েছিলাম! হতে পারে। আমরা সবাই পাট খেতে মাটির সঙ্গে একবারে লেপ্টে গেলাম। এ অবস্থায় দূর থেকে দেখতে পেলাম- আমাদের বাড়িঘরসহ পুরো গ্রাম যেন জ্বলছে। দাউ দাউ করে জ্বলা আগুনের লেলিহান শিখা অনেক ওপরে লাল সূর্যের আকার ধারণ করেছে। যার রশ্মি চারদিকে আগুনের ফুলকি হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। আমরা পাট খেতের সবুজ ঘাসের ওপর শুয়ে আছি। যেন অগ্নিকুণ্ডটি লাল সূর্য আর তার নিচে সবুজ ঘাসের গালিচায় একটি সদ্যোজাত স্বাধীন সত্তা উঁকি দিচ্ছে!

এই বিভাগের আরও খবর
এক কুড়ি দ্বিপদী
এক কুড়ি দ্বিপদী
বকুলপুর কতদূর
বকুলপুর কতদূর
ফাঁদ
ফাঁদ
বাংলা কবিতায় শীত
বাংলা কবিতায় শীত
নৈঃশব্দ্য ভাঙার গান
নৈঃশব্দ্য ভাঙার গান
শীতকালীন সৌন্দর্য
শীতকালীন সৌন্দর্য
মানুষের ভবিষ্যৎ
মানুষের ভবিষ্যৎ
বইয়ের দোকান
বইয়ের দোকান
বাংলা সাহিত্যের সেকাল-একাল : চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার
বাংলা সাহিত্যের সেকাল-একাল : চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার
আলোটা একটু পরে জ্বালান
আলোটা একটু পরে জ্বালান
চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক সাহিত্যচর্চা
চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক সাহিত্যচর্চা
তোমার কণ্ঠস্বর
তোমার কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ খবর
শীতে সুস্থ থাকবেন যেভাবে
শীতে সুস্থ থাকবেন যেভাবে

এই মাত্র | জীবন ধারা

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় হালুয়াঘাটে দোয়া মাহফিল
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় হালুয়াঘাটে দোয়া মাহফিল

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় হালুয়াঘাটে দোয়া মাহফিল
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় হালুয়াঘাটে দোয়া মাহফিল

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে এক বছরে ৬৪৩ বেওয়ারিশ লাশ
রাজধানীতে এক বছরে ৬৪৩ বেওয়ারিশ লাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শরিয়তের দৃষ্টিতে দুনিয়াপ্রীতির মাপকাঠি
শরিয়তের দৃষ্টিতে দুনিয়াপ্রীতির মাপকাঠি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, কর্মবিরতি ঘোষণা
ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, কর্মবিরতি ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা তারেক রহমানের
ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা তারেক রহমানের

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় অন্তর্বর্তী ফিলিস্তিনি সরকার গঠন, ট্রাম্পের সমর্থন
গাজায় অন্তর্বর্তী ফিলিস্তিনি সরকার গঠন, ট্রাম্পের সমর্থন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

নির্বাচনে গুজব আতঙ্ক
নির্বাচনে গুজব আতঙ্ক

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঘর গোছাতে ব্যস্ত বিএনপি প্রার্থীরা
ঘর গোছাতে ব্যস্ত বিএনপি প্রার্থীরা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সিলেটকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে রাজশাহী
সিলেটকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে রাজশাহী

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের মামলা দায়ের
ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের মামলা দায়ের

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে সিলেটের যেসব এলাকায়
শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে সিলেটের যেসব এলাকায়

৪ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

হাসপাতালে মাহমুদুর রহমান মান্না
হাসপাতালে মাহমুদুর রহমান মান্না

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সোনারগাঁয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ৮ ডাকাত পুলিশের হাতে আটক
সোনারগাঁয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ৮ ডাকাত পুলিশের হাতে আটক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নথি জব্দ ও সংশ্লিষ্টদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার দাবি
খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নথি জব্দ ও সংশ্লিষ্টদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার দাবি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে ছিনতাইকারী নিহত
ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে ছিনতাইকারী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির
ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাগতিয়া দরবারে পবিত্র মিরাজুন্নবী (দ.) ও সালানা ওরসে হযরত গাউছুল আজম (রা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত
কাগতিয়া দরবারে পবিত্র মিরাজুন্নবী (দ.) ও সালানা ওরসে হযরত গাউছুল আজম (রা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

টাঙ্গাইলে বাসে নারীকে ধর্ষণ: চালক ও সহকারীর জবানবন্দি
টাঙ্গাইলে বাসে নারীকে ধর্ষণ: চালক ও সহকারীর জবানবন্দি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেড় কোটি টাকার মাদক উদ্ধার, গ্রেফতার ৩
যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেড় কোটি টাকার মাদক উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডি.নেটের গভর্নিং বডি চেয়ারপারসন হলেন অধ্যাপক হাবিব
ডি.নেটের গভর্নিং বডি চেয়ারপারসন হলেন অধ্যাপক হাবিব

৬ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

মানব পাচারকে কেন্দ্র করে টেকনাফে গোলাগুলি, কিশোরী নিহত
মানব পাচারকে কেন্দ্র করে টেকনাফে গোলাগুলি, কিশোরী নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পোশাক শিল্পে গ্লোবাল ক্যারিয়ারের সুযোগ দিচ্ছে আইএসইউ
পোশাক শিল্পে গ্লোবাল ক্যারিয়ারের সুযোগ দিচ্ছে আইএসইউ

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতার রিয়াজ
৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতার রিয়াজ

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংকট মেটাতে মধ্যস্থতা করতে চান পুতিন
ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংকট মেটাতে মধ্যস্থতা করতে চান পুতিন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চেক প্রতারণায় দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষিকাকে বরখাস্ত
চেক প্রতারণায় দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষিকাকে বরখাস্ত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
‘স্বাধীন ইরান’ অবিলম্বে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে: পাহলভি
‘স্বাধীন ইরান’ অবিলম্বে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে: পাহলভি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস
কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের
যে কারণে একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন
জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন

১৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানে হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে যে তিন দেশ
ইরানে হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে যে তিন দেশ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে দম্পতি ও শিশু সন্তানসহ নিহত ৬
উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে দম্পতি ও শিশু সন্তানসহ নিহত ৬

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাকী ৩২ আসনে কাদের সমর্থন দেবে, জানাল ইসলামী আন্দোলন
বাকী ৩২ আসনে কাদের সমর্থন দেবে, জানাল ইসলামী আন্দোলন

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ওসমান হাদির ভাই ওমরকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ
ওসমান হাদির ভাই ওমরকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির পতন হলে ঘোরতর বিপদে পড়বে ভারত?
খামেনির পতন হলে ঘোরতর বিপদে পড়বে ভারত?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, যাত্রীদের ভোগান্তি
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, যাত্রীদের ভোগান্তি

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে চার শর্তে ইরানের সাথে সমঝোতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
যে চার শর্তে ইরানের সাথে সমঝোতা করবে যুক্তরাষ্ট্র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে হুমকি দিয়েই কি বড় বিপদে পড়লেন ট্রাম্প?
ইরানকে হুমকি দিয়েই কি বড় বিপদে পড়লেন ট্রাম্প?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব আসনে লড়বে এনসিপি
যেসব আসনে লড়বে এনসিপি

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

উত্তরায় ভবনে আগুনের সূত্রপাত যেভাবে
উত্তরায় ভবনে আগুনের সূত্রপাত যেভাবে

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিপদই কি আরবদের শেখালো ইরানকে রক্ষা করা ছাড়া ‍উপায় নাই?
বিপদই কি আরবদের শেখালো ইরানকে রক্ষা করা ছাড়া ‍উপায় নাই?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল
এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে বেগম জিয়াকে ধারণ করতে হবে’
‘বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে বেগম জিয়াকে ধারণ করতে হবে’

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের ভার্চুয়াল বৈঠক
তারেক রহমানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের ভার্চুয়াল বৈঠক

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে ২০ আসন পেলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
যে ২০ আসন পেলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির
ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৮০০ বিক্ষোভকারীর ফাঁসি কার্যকর স্থগিত করেছে ইরান: হোয়াইট হাউস
৮০০ বিক্ষোভকারীর ফাঁসি কার্যকর স্থগিত করেছে ইরান: হোয়াইট হাউস

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থ যুদ্ধের পর যে ভয়ংকর সত্য সামনে এলো
আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থ যুদ্ধের পর যে ভয়ংকর সত্য সামনে এলো

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জিরা ভেজানো পানি পান করছেন? জেনে নিন কতটা উপকারী
জিরা ভেজানো পানি পান করছেন? জেনে নিন কতটা উপকারী

১৭ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ঢাকায় শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
ঢাকায় শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ
নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যে আসনগুলোতে লড়বে জামায়াত
যে আসনগুলোতে লড়বে জামায়াত

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘পে কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের পর বাস্তবায়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার’
‘পে কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের পর বাস্তবায়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার’

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক
প্রার্থিতা ফিরে পেলেন গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা
খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ আছে: ফিফা প্রেসিডেন্ট
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ আছে: ফিফা প্রেসিডেন্ট

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জামায়াত আমিরের সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতীয় কূটনীতিক
জামায়াত আমিরের সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতীয় কূটনীতিক

প্রথম পৃষ্ঠা

টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশন কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা
টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশন কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের সম্ভাবনা!
বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের সম্ভাবনা!

মাঠে ময়দানে

পাঁচ ঝুঁকিতে অর্থনীতি
পাঁচ ঝুঁকিতে অর্থনীতি

পেছনের পৃষ্ঠা

জোটে উচ্চকক্ষের সমীকরণ
জোটে উচ্চকক্ষের সমীকরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

অস্ত্র উদ্ধারে অসহায় পুলিশ
অস্ত্র উদ্ধারে অসহায় পুলিশ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সমীকরণে স্বস্তিতে বিএনপি
সমীকরণে স্বস্তিতে বিএনপি

নগর জীবন

লাশের সঙ্গে ২১ দিন বসবাস
লাশের সঙ্গে ২১ দিন বসবাস

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসপাতালে সৌদি বাদশাহ সালমান
হাসপাতালে সৌদি বাদশাহ সালমান

প্রথম পৃষ্ঠা

নান্দনিক লিচু চত্বর
নান্দনিক লিচু চত্বর

শনিবারের সকাল

মৃত্যুঞ্জয়ী খালেদা জিয়া
মৃত্যুঞ্জয়ী খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

মাচাদোর দেওয়া নোবেল পদক নিলেন ট্রাম্প
মাচাদোর দেওয়া নোবেল পদক নিলেন ট্রাম্প

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজশাহীতে শিক্ষা গিলছে কোচিং
রাজশাহীতে শিক্ষা গিলছে কোচিং

নগর জীবন

ভারতে বাঙালি শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা, তুলকালাম
ভারতে বাঙালি শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা, তুলকালাম

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানে ৮০০ ফাঁসি স্থগিত ঘোষণা
ইরানে ৮০০ ফাঁসি স্থগিত ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

সড়কে চোখ আটকে যায় ফুলের শোভায়
সড়কে চোখ আটকে যায় ফুলের শোভায়

নগর জীবন

খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করতে হবে
খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ভয়াবহ আগুনে ঝরল ছয় প্রাণ
ভয়াবহ আগুনে ঝরল ছয় প্রাণ

প্রথম পৃষ্ঠা

যে দেশেই গণভোট হয়েছে সরকার পক্ষ নিয়েছে
যে দেশেই গণভোট হয়েছে সরকার পক্ষ নিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লায় দুজনকে গুলি করে হত্যা
কুমিল্লায় দুজনকে গুলি করে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

চালক ও সহকারীর আদালতে জবানবন্দি
চালক ও সহকারীর আদালতে জবানবন্দি

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিজিটাল গুজব আতঙ্ক
ডিজিটাল গুজব আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের
একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম এনপিএর আত্মপ্রকাশ
নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম এনপিএর আত্মপ্রকাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ
ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ

পেছনের পৃষ্ঠা

চেক জালিয়াতি মামলায় দণ্ড, বরখাস্ত
চেক জালিয়াতি মামলায় দণ্ড, বরখাস্ত

দেশগ্রাম

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

খবর

উত্তুরে ল্যাঞ্জাহাঁস এখন বিপদগ্রস্ত
উত্তুরে ল্যাঞ্জাহাঁস এখন বিপদগ্রস্ত

পেছনের পৃষ্ঠা

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন
কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন

পেছনের পৃষ্ঠা