পথ
সবাই যায়
কেউ গন্তব্যে, কেউ ভুলে।
শৈশব
শৈশব কখনো ফুরোয় না
শুধু বদলে যায় খেলনা।
জরুরি বিজ্ঞপ্তি
বেদনার পলি জমে নাব্যতা হারাচ্ছে মন,
একজন ড্রেজার চাই জরুরি প্রয়োজন।
মানবাধিকার
পায়ে শিকল, নিপীড়িতের বুকে হাহাকার-
কাগজেই শুধু লেখা থাকে মানবাধিকার!
স্বপ্নবাজ
বিষাদের ছায়া কী মলিন, কী তীব্র অন্তরজ্বালা!
তবুও তো ভালোবাসি, গাঁথি স্বপ্নের মালা।
দিদৃক্ষা
তোমাকে দেখার অসুখ
কেড়েছে নিদ্রা, কেড়েছে সুখ!
ধূম্রজাল
কাছে এলে উত্তাপে পুড়ি, দূরে গেলে আঁধারে মরি!
তুমি আলো, না কি অগ্নিগিরি?
সুখ
ভেঙেছ পাঁজর, ভাঙতে পারনি বুক
দিনশেষে এটাই আমার সুখ।
বিবেক
চতুর্দিকে হতাশ সবাই, জনসমুদ্রে মানুষ কই!
কেউ ভাবি না একটিবারও, নিজে আগে মানুষ হই।
মধ্যবিত্ত
কী যে ভেবে বসে লোকে,
বুক ফাটলেও মুখ ফোটে না পাহাড়সম শোকে।
প্রবোধ
যে পাখি নীড়হীন, আকাশই তার ঘর
বিশাল আকাশ ভাঙতে পারে- কোন সে এমন ঝড়?
জীবন
নদীর মতো এঁকেবেঁকে বয়ে যায় বন্ধুর পথ,
কান্নাহাসির স্মৃতি হয়ে পূর্ণ করে ফেরার শপথ।
প্রায়শ্চিত্ত
শহর ঘুমিয়ে গেলেও জেগে থাকি আমি
একটি ভুলের মাশুল এত বেশি দামি!
উপেক্ষা
অবহেলার প্রাণঘাতী বিষ দিচ্ছ ক্ষতমূলে
আমিও যে মানুষ, তুমি সেটাও গেছ ভুলে!
জ্ঞাতব্য
আমাকে কাচের মতোই ভাঙতে চাচ্ছ নিত্য
কাচ কাটতেও হীরা লাগে, মনে রেখো এই সত্য!
মুখোশ
বাইরে উদারতার বেশ, মনে প্রতিহিংসার রোষ
চিনতেই পারি না, কোনটা মুখ আর কোনটা মুখোশ।
চ্যালেঞ্জ
হে ক্রুদ্ধ পৃথিবী, তোমার রক্তচক্ষু নির্বিষ হবে আজি!
দ্যাখ, সব ব্যথা নস্যি করে আমি কী হাসিমুখ সাজি!
শান্তি
একটুখানি শান্তির দেবে কি কেউ খোঁজ?
আমি সুখের দামে দুঃখ কিনি রোজ!
দ্ব্যর্থক
প্রেম কি স্বর্গীয় সুধা, না কি কেবলই অলীক মায়া?
কাছে গেলে স্বপ্নভঙ্গ, দূর থেকে মনে হয় বটের ছায়া।
শীত
চারিদিকে ঠান্ডা ভীষণ, দেশজুড়ে তীব্র শীত
ছিন্নমূলের হাহাকারে মানবতার কাঁপছে ভিত।