শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬

গল্প

সবুজ গাঁয়ে

আয়েশা বেগম
প্রিন্ট ভার্সন
সবুজ গাঁয়ে

নিলয়-মধুমিতা দম্পতি নিশ্চয় আজ পেছনে ফেলে আসা দিনগুলোর বর্ণনা পড়ে বিস্মিত হবে। ভাববে- এমন ছিল আমাদের দিনগুলো? স্মৃতিকাতর এবং আবেগাপ্লুত হবে- তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।

গল্পটা যখন লেখা হচ্ছে, ঘটনা তার প্রায় আড়াই দশক আগের। মধুমিতা সদ্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ডাক্তারি পাস করে বের হলো। ‘ইন্টার্নশিপ’ও শেষ করল এই কলেজ থেকেই। হোস্টেলে থেকে লেখাপড়া করেছে। বাবা-মা দুজনই গ্রামের বাড়িতে। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান মধুমিতা। সেই মেয়ে ভাবল- বাবা-মাকে ছেড়ে কোথাও যাবে না। গ্রামেই ডাক্তারি করবে। বিসিএস দিয়ে সে ক্যাডারভুক্ত হলো। প্রথম পোস্টিংও হলো উপজেলা রূপগঞ্জে। তার গ্রামের বাড়ি রহমতপুর থেকে ঘণ্টাখানিকের পথ। মধুমিতা ভাবল সকাল ৮টা-২টা চাকরির ডাক্তারি করবে। তারপর সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়িতে বসে রোগী দেখবে। যারা স্বাভাবতই হবেন তার আত্মীয়স্বজন, গ্রামের মানুষ অথবা পড়শি গ্রামের।

সবুজ লতাপাতায় ঘেরা গ্রামখানি ছবির মতন। এই গ্রামেই মধুমিতা বড় হয়েছে। মায়ের মতো গ্রামকে সে সারা জীবন ভালোবাসবে। এখানেই থেকে যাবে সে। এরকম ভাবনায় মধুমিতার মন আনন্দে ভরে গেল। গ্রামের সোজা-সরল মানুষগুলোকেও ভালোবাসবে। আপদে-বিপদে তাদের পাশে দাঁড়াবে। এর চেয়ে বড় চাওয়া-পাওয়ার আর কিছু নেই।

মনে পড়ছে স্কুল-কলেজের সহপাঠী, ভালোবাসার বন্ধু, সারা জীবনের স্বপ্ন-পুরুষ নিলয়কে। নিলয় কি মধুমিতাকে একইভাবে মনে রেখেছে? সেই যে ছয় বছর আগে মধুমিতা ঢাকায় গেল ডাক্তারি পড়তে, আর নিলয় চলে গেল রাজশাহীতে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে। তারপর আর ঈদে-চাঁদে ছাড়া দেখা নেই। তখন খুবই কষ্টসাধ্য অ্যানালগ ফোনে, মাঝে মধ্যে -দু’চার মিনিট কথা হয়েছে। তাতে কারোই মন ভরতো না। একটা অতৃপ্তির তৃষ্ণা যেন থেকেই যেত। কিন্তু পড়াশোনার চাপে দুজনই নিজেদের আবেগ-অনুভূতি গুটিয়ে রেখেছে, ছাইচাপা আগুনের মতো।

নিলয় পাস করে চাকরি নিয়ে রাজশাহীতে আছে। তার বাবা-মা রহমতপুর গ্রামেই থাকেন। নিলয়ও তাদের একমাত্র সন্তান।

নির্দিষ্ট তারিখে মধুমিতা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জয়েন করল। তার বাবা-মা খুবই খুশি। মেয়ে গ্রামেই থাকবে। তাদের কাছেই থাকবে।

উপজেলার হাসপাতালটি পঞ্চাশ বেডের। পাঁচজন ডাক্তার প্রথম থেকেই আছেন। জয়েন করে তাদের সঙ্গে আলাপ-পরিচয়ে মধুমিতার ভালো লাগল। রোগী দেখাশোনা করতে হবে অফিস টাইমের ভিতরেই। অনেক সময় নাইট ডিউটিও করতে হবে। সিস্টার আছেন আটজন। তারাও বেশ হাসিখুশি। তাদেরও ভালো লাগল মধুমিতার। আটটা-দুইটা ডিউটি করে মধুমিতা বাড়ি ফেরে। খাওয়াদাওয়া ও সামান্য বিশ্রাম নিয়ে সন্ধ্যে পর্যন্ত ঘরে বসে রোগী দেখে। বাড়ির বাইরে প্রবেশপথে বড় করে সাইন বোর্ড টানানো হয়েছে। গ্রামের মানুষ, আত্মীয়স্বজন যা ভিজিট দেয় মধুমিতা হাসিমুখে তাই নেয়। টাকার জন্য তার মধ্যে হাহাকার কোনো দিনই ছিল না, নেই। কারণ তার প্রতিজ্ঞা গ্রামের দরিদ্র মানুষগুলোর সেবা করা। তাদের পাশে দাঁড়ানো।

একদিন বিকালে মধুমিতা নিলয়দের বাড়িতে বেড়াতে গেল। খুব চেনা পথ। নিলয়দের বাড়ির দূরত্ব তাদের বাড়ি থেকে বেশি নয়। নিলয়ের বাবা-মা মধুমিতাকে কাছে পেয়ে যেন তাদের নিলয়েল স্পর্শই পেলেন। আদর-যত্ন করলেন। ভাবলেন, মধুমিতাকেই ছেলের বউ করে ঘরে নিয়ে আসবেন। সুখেই থাকবে ওরা। দুজনে একসঙ্গেই পড়াশোনা করেছে। এই গ্রামেই ওদের বেড়ে ওঠা। সব সময়ই দুজনের বাড়িতে যাতায়াত ছিল। এবার অনেক দিন পর মধুমিতা নিলয়দের বাড়িতে আসলো। রাতের খাবার খেয়ে মধুমিতা বাড়ি ফিরল। নিলয়ের বাবা তাকে এগিয়ে দিলেন। মধুমিতা এইক্ষণে রঙিন কল্পনায় বিভোর হয়ে গেল। সময় যেন আর কাটে না। কবে নিলয়কে দেখবে। এখন শুধু অপেক্ষা আর অপেক্ষা। নিলয়কে জীবনে আপন করে পেলে সে আর কিছু চায় না জীবনে।

দিন কয়েক পরে নিলয় ছুটি নিয়ে গ্রামে আসল। এসেই মধুমিতার কথা শুনল তার মায়ের কাছে। শিহরিত হলো। ভাবল, ইস কত দিন মধুমিতাকে দেখে না। আবেগে নিলয় রোমাঞ্চিত হলো। কেমন হয়েছে দেখতে মধুমিতা! ওর চোখ দুটো মায়াভরা যেন স্বপ্ন আঁকা। দেখা হলে এখন কীভাবে কেমন করে মধুমিতার সঙ্গে কথা বলতে হবে। এরকম ভাবনায় উচ্ছ্বসিত হলো।

পরের দিন নিলয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মধুমিতার অফিসে গেল। মধুমিতার রুমে তখন আর কেউ ছিল না। নিলয় পর্দা সরিয়ে বলল,

- আসতে পারি?

মধুমিতা চোখ না তুলেই বলল-

- ইয়েস। কাম ইন।

নিলয় ঢুকেই মধুমিতাকে ডাকলো।

-মধুমিতা, কেমন আছ?

মধুমিতা হতচকিত। আনন্দ, আবেগে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। তারপর নিলয়ের হাতে হাত রেখে বলল,

- ভালো আছি। তুমি কেমন?

নিলয়ও বলল,

- ভালো আছি। সব ভালো মধুমিতা। ইস্ কতদিন তোমাকে দেখিনি! ‘তুমি কি সেই আগের মতোই আছো? নাকি অনেকখানি বদলে গেছ?’ গুনগুনিয়ে গাইলো নিলয়।

মধুমিতা বলল,

- তাহলে পরীক্ষা নাও।

নিলয় বলল, এখন এখানে নয়। পরীক্ষা তোলা থাক উপযুক্ত সময়ের জন্য।

মধুমিতা উচ্ছ্বসিত হয়ে প্রায় কেঁদে ফেলল। অশ্রু গড়ালো...

- আরে একি! কি করছো মধুমিতা?

চোখ মুছে তাড়াতাড়ি আত্মস্থ হলো মধুমিতা। বললো-

- বসো নিলয়।

সেদিন রোগীর তেমন চাপ ছিল না।

ওরা দুজন অনেকক্ষণ গল্প করল।

ওয়ার্ডে ডিউটি করে অফিস টাইম পার করে মধুমিতা আর নিলয় একসঙ্গে বাড়ি ফিরল। নিলয়কে দেখে মধুমিতার মা-বাবা খুবই আনন্দিত। দুপুরের খাবার খেয়ে ওরা দুজন কিছুক্ষণ গল্প করল। বিকেলে চা-নাশতা করল। আজ অনেক ভালোলাগা আর ভালোবাসা নিয়ে ঘরে ফিরল নিলয়।

মধুমিতাদের বাড়ি থেকে কয়েকটা উঠোন পেরোলেই নিলয়দের বাড়ি।

সেদিন থেকে রোজই মধুমিতা আর নিলয়ের দেখা হয়। কথা হয়।

কখন যে নিজেদের মাঝে ওরা গভীর নিবিড়ভাবে হারিয়ে গেল, বুঝতেই পারল না। কবে ওদের মনের বাসনা পূর্ণ হবে? কবে ওরা এক মন এক প্রাণ হবে? তার অপেক্ষা আর অপেক্ষা।

শুক্রবার মধুমিতার অফিস নেই। খুব জরুরি না হলে রোগী দেখা নেই। হাতে প্রচুর সময়। নিলয়ের ছুটিগুলোও বাবা-মার সান্নিধ্য আর মধুমিতার সঙ্গে গল্প করে কাটালো।

এক সময় নিলয়ের ছুটি শেষ হলো। সে রাজশাহী ফিরে গেল।

রুটিন অনুযায়ী মধুমিতা অফিস করে। বাড়িতে বসে রোগী দেখে। সন্ধ্যেটা এভাবেই কাটে মধুমিতার।

ওদিকে এবার রাজশাহী গিয়ে নিলয়ের আর সময় কাটে না। কবে যে আবার গ্রামের বাড়ি যাবে! মধুমিতার সঙ্গে দেখা হবে! মুখোমুখি বসে কথা বলবে। বেড়াবে। মধুমিতাকে ছাড়া যেন কিছুই ভালো লাগছে না। মধুমিতাও দিন গোনে। ফোনে সামান্য কথা বলে মন ভরে না। দিন যেতে থাকল প্রকৃতির নিয়মে।

ইতোমধ্যে মধুমিতা জানতে পারল আরেকজন নতুন ডাক্তার এই হাসপাতালে জয়েন করছেন শিগগিরই। মধুমিতা ভাবল, ভালোই হবে। কাজের চাপ কমবে। দুই দিন পরের কথা। মধুমিতা হাসপাতালে পৌঁছে কমন রুমে গেল। নতুন ডাক্তারকে দেখল। পরিচয় হলো তার সঙ্গে। নাম আসাদুজ্জামান। ভালোই লাগল মধুমিতার। ডা. আসাদ অবিবাহিত। মধুমিতাকে প্রথম দেখেই তার ভালো লেগে গেল। বাবা-মাকে নিয়ে উপজেলা রূপগঞ্জেই থাকেন। মধুমিতাকে দেখে ডা. আসাদের মনে এক নতুন দোলা লাগল। বারবার তিনি মধুমিতার দিকে তাকালেন। ভাবলেন, এ তো মহাসুন্দরী! চোখ দুটো যেন আরও সুন্দর। পাখির নীড়ের মতো...। কথায় কথায় জানতে পারলেন ডা. মধুমিতাও অবিবাহিত। তখনই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন ডা. আসাদ। যে করেই হোক ডা. মধুমিতার মন জয় করতে হবে। মধুমিতা সেদিনকার মতো অফিস করে বাড়িতে আসলো। প্রতিদিনকার মতোই সন্ধ্যে পর্যন্ত রোগী দেখল।

রাতে শোবার আগে নিয়মমাফিক নিলয়কে বেতনের জমানো টাকায় সদ্য কেনা দুর্মূল্য মোবাইল ফোন করল। ওপাশ থেকে নিলয় বলল,

- হ্যালো মধুমিতা। এখনো ঘুমাওনি। রাত বারোটা বাজে।

- হ্যাঁ। একটু একটু করে পড়াশোনা করছি। এফসিপিএস ডিগ্রিটা নিতে হবে। প্রচুর পড়াশোনার দরকার। তারপর, তুমি কেমন আছ?

- ভালো আছি। মধুমিতা। সামনের মাসে ছুটি নিয়ে আসছি তোমার কাছে।

- আচ্ছা। ভালোই হবে।

এই শোনো। আমাদের হাসপাতালে নতুন একজন ডা. জয়েন করলেন।

- ভালোই তো। দল ভারী হলে কাজের চাপ কম হবে।

- আচ্ছা, রাখি নিলয়।

- আচ্ছা, গুড নাইট।

- গুড নাইট।

কথা বললে মধুমিতার মন কিছুটা শান্ত হয়। মনে মনে ভাবল মধুমিতা- এবার নিলয় আসলে ওর সঙ্গে রাজশাহীতে বেড়াতে যাবে। মধুমিতা কমপক্ষে এক সপ্তাহের ছুটি নেবে। বেড়াতে পারলে ভালোই লাগবে। চার-পাঁচ দিন পরের কথা।

মধুমিতা অফিসে নিজের রুমে। এমন সময় ডা. আসাদ মধুমিতার সঙ্গে আলাপ করতে আসলেন।

- আসতে পারি?

মধুমিতা বলল,

- ইয়েস, কাম ইন। ও, আপনি?

ডা. আসাদ চেয়ারে বসতে বসতে বললেন,

- কেমন আছেন মধুমিতা?

- জি, ভালো। মধুমিতা সহজভাবেই উত্তর দিলো।

কিছুক্ষণ নীরবতার পর আসাদ বললেন,

- আপনার বাড়িতে কে কে আছেন?

- আব্বা আর আম্মা।

- আপনার সঙ্গে আলাপ পরিচয়ে খুব ভালো লাগল।

- আমিও খুশি হয়েছি। আমাদের দল ভারি হলো। কাজের চাপ কমবে। মাঝেমধ্যে কমন রুমে জমিয়ে আড্ডা দেওয়া যাবে। ভালোই লাগবে। মধুমিতা ডা. আসাদের সম্পর্কে প্রায় সব কথা শুনেছে। তাই আর বেশি কিছু জিজ্ঞাসা করল না। শুধু বলল,

- চা খান...

- জি, তা খেতে পারি।

মধুমিতা কলিংবেল টিপল। বেয়ারাকে বলল গরম শিঙাড়া আর চা দিতে। কিছুক্ষণের মধ্যে বেয়ারা চা-নাশতা নিয়ে এলো। চা খেতে খেতে মধুমিতা বলল,

- ডা. আসাদ, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে আমার ডিউটি আছে। দশটা থেকে দুইটা পর্যন্ত।

- ও হ্যাঁ, ঠিকই বলেছেন। আপনার অনেকটা সময় নিলাম।

মধুমিতা তড়িঘড়ি উত্তর দিল,

- না, না। তাতে কোনো অসুবিধে নেই। ভালোই লাগলো আপনার সঙ্গে গল্প করে। কিছুটা সময়ও কাটলো।

- আমারও ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ডিউটি। আচ্ছা, আসি।

ডা. আসাদ বের হয়ে গেল। মধুমিতা যথাসময়ে ওয়ার্ডে গেল। রোগীদের সেবায় মনোনিবেশ করল। দুই দিন পর। নিলয় ছুটি নিয়ে বাড়ি আসলো। রাতে মধুমিতার সঙ্গে দেখা হলো। কথা প্রসঙ্গে মধুমিতা বলল,

- কাল সকালে রেডি হয়ে এসো। একসঙ্গে আমার অফিসে যাবো। গ্রাম থেকে উপজেলা প্রায় এক ঘণ্টার রাস্তা। কোনো অসুবিধা হয় না মধুমিতার। অটোতে যাওয়া-আসা করে। প্রায় সবাই ওকে চেনে এবং ডাক্তার বলেই বোধ হয় বিশেষ সমাদর করে। পরদিন সকালে একসঙ্গে মধুমিতা আর নিলয় হাসপাতালে গেল। মধুমিতার রুমে গিয়ে দুজন বসল। কিছুক্ষণ পর ডা. আসাদ আসলেন মধুমিতার রুমে। মধুমিতা ডা. আসাদকে নিলয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিল। মধুমিতা বলল,

- উনি নিলয়। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। রাজশাহীতে থাকেন। আমরা দুজনই স্কুল-কলেজ জীবনের সহপাঠী এবং ভালো বন্ধু। শিগগিরই আমরা বিয়েও করতে যাচ্ছি। বিয়ের কথা শুনে ডা. আসাদের মুখটা মলিন হলো। কিছুক্ষণ কোনো কথাই বলতে পারলেন না। সহজ হওয়ার জন্য মধুমিতা বলল,

- চা খাবেন ডা. আসাদ? আপত্তি নেই তো?

- না, না আপত্তি থাকবে কেন?

চা, শিঙাড়া খেয়ে তিনজনই মধুমিতার রুম থেকে বের হলেন।

ডা. আসাদ ডিউটিতে চলে গেলেন। মধুমিতা হাসতে হাসতে নিলয়ের দিকে তাকিয়ে বলল,

- বুঝতে পেরেছ?

- কী?

আরে। এখানে আসার পর থেকেই ডা. আসাদ আমার পেছনে ঘুরঘুর করছিলেন। তাই আসল কথাটা জানিয়ে দিলাম। যাতে আর আমাকে নিয়ে অলীক স্বপ্ন না দেখে! নিলয় ডা. আসাদের জন্য কৃত্রিম সহানুভূতি প্রকাশ করে বলল- আহা বেচারা! মধুমিতা হাসলো মুখ টিপে। বলল,

- তাহলে এতক্ষণ তুমি বসে না থেকে বাড়ি চলে যাও। বিকেলে এসো। একসঙ্গে চা-নাশতা করবো-

- আচ্ছা।

নিলয় চলে গেল। মধুমিতা সেদিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে ওয়ার্ডে এগেলো। বাড়ি ফিরে বিকেলে মধুমিতা নাশতা বানাতে বসলো। মা-ও সাহায্য করলেন। যথাসময়ে নিলয় এলো। চা-নাশতা খাওয়ার পর নিলয়কে মধুমিতা নিজের ঘরে নিয়ে গেল। অনেকক্ষণ গল্প-গুজবের পর ওরা সবাই একসঙ্গে রাতের খাবার খেল। বেশ রাত হয়ে গেল। নিলয় বাড়ি ফিরল।

পরদিন শুক্রবার। নিলয়ের বাবা-মা মধুমিতাদের বাড়িতে আসলেন নিলয় আর মধুমিতার বিয়ের কথাবার্তা পাকা করার জন্য। মধুমিতার মা-বাবা বললেন,

- ছেলে মেয়ে দুজন দুজনাকে ভালো জানে। সুতরাং দেখার তো কিছু নেই। সবকিছু যেন ভালো হয়, এই দোয়াই করি। ছুটি শেষে নিলয় রাজশাহী ফিরল। নিলয় মধুমিতাকে বলেছে, বিয়ের পর রাজশাহী বেড়াতে নিয়ে যাবে। বিশেষ বিশেষ জায়গা ঘুরে দেখবে। তারপর হানিমুন করতে যাবে কক্সবাজারে।

এক সপ্তাহ পর নিলয় ছুটি নিয়ে বাড়ি আসলো। মধুমিতাও ছুটি নিলো। দুজনে মিলে রূপগঞ্জে গিয়ে বিয়ের বাজার করল। আত্মীয়স্বজন, সহকর্মীদের দাওয়াত করলো। নির্দিষ্ট দিনেই গ্রামীণ প্রথা মেনে, আনন্দ-উৎসবে বিয়ে হলো। দুজন দুজনকে একান্ত আপন করে পেল। জীবন মধুর আনন্দে ভরে উঠল। সবুজ গাঁয়ের বনে জঙ্গলে নাম না জানা ফোটা ফুলের সুরভি নবদম্পতির মনপ্রাণ সুঘ্রাণময় করে দিল।

 

এই বিভাগের আরও খবর
শিস থেকে কবিতা গান
শিস থেকে কবিতা গান
শুভসন্ধ্যা
শুভসন্ধ্যা
মাছরাঙার চোখ
মাছরাঙার চোখ
তোমার জন্য
তোমার জন্য
বই
বই
ভেজাল
ভেজাল
আরেক ফাল্গুন
আরেক ফাল্গুন
প্রথম প্রেম
প্রথম প্রেম
হাইফেন-ব্রিজ
হাইফেন-ব্রিজ
দ্রোহ ও প্রেমের দ্বৈতসত্তা
দ্রোহ ও প্রেমের দ্বৈতসত্তা
তিনটি কবিতা
তিনটি কবিতা
অদৃষ্টপূর্ব
অদৃষ্টপূর্ব
সর্বশেষ খবর
ভোট কেনাবেচার প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি
ভোট কেনাবেচার প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি

২১ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানে সামরিক কনভয়ে বিস্ফোরণ
ইরানে সামরিক কনভয়ে বিস্ফোরণ

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লার এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩ রেজাল্ট শিট জব্দ
ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লার এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩ রেজাল্ট শিট জব্দ

৪৭ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বগুড়ায় ভোটকেন্দ্রের সামনে ছাত্রদল নেতাকে ছুরিকাঘাত
বগুড়ায় ভোটকেন্দ্রের সামনে ছাত্রদল নেতাকে ছুরিকাঘাত

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভোটকেন্দ্রে কি সেলফি তোলা যাবে?
ভোটকেন্দ্রে কি সেলফি তোলা যাবে?

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মির্জাগঞ্জে ভোট কেনার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক, মুচলেকায় মুক্ত
মির্জাগঞ্জে ভোট কেনার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক, মুচলেকায় মুক্ত

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কাল সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কাল সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ভূপাতিত বিমানের সংখ্যা নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন ট্রাম্প
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ভূপাতিত বিমানের সংখ্যা নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপালগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ
গোপালগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পিএসএলে দল পেলেন নাহিদ-ইমন
পিএসএলে দল পেলেন নাহিদ-ইমন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টাকা উদ্ধারের নামে অনেকের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে : আসিফ মাহমুদ
টাকা উদ্ধারের নামে অনেকের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে : আসিফ মাহমুদ

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যাচাই শেষে আটক কৃষকদল নেতা মুক্ত
যাচাই শেষে আটক কৃষকদল নেতা মুক্ত

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশে চীনকে মোকাবিলায় নতুন কৌশল ওয়াশিংটনের
বাংলাদেশে চীনকে মোকাবিলায় নতুন কৌশল ওয়াশিংটনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু
বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ১১
জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ১১

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

খোসাসহ পেয়ারা খাচ্ছেন? কী হয় জেনে নিন
খোসাসহ পেয়ারা খাচ্ছেন? কী হয় জেনে নিন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

মার্শের অণ্ডকোষে রক্তক্ষরণ : বিশ্বকাপ মিশন কী শেষ অজি অধিনায়কের?
মার্শের অণ্ডকোষে রক্তক্ষরণ : বিশ্বকাপ মিশন কী শেষ অজি অধিনায়কের?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তৎপরতা, স্যাটেলাইট চিত্র কি বলছে?
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তৎপরতা, স্যাটেলাইট চিত্র কি বলছে?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপেই টি-টোয়েন্টিতে ফিরতে পারেন স্মিথ
বিশ্বকাপেই টি-টোয়েন্টিতে ফিরতে পারেন স্মিথ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড
‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোট ঘিরে টাকা ছড়াচ্ছে জামায়াত: সিইসির কাছে অভিযোগ বিএনপির
ভোট ঘিরে টাকা ছড়াচ্ছে জামায়াত: সিইসির কাছে অভিযোগ বিএনপির

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান
রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ কাতারের আমিরের
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ কাতারের আমিরের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‌‘গণবিপ্লবী উদ্যোগ’র আত্মপ্রকাশ
নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‌‘গণবিপ্লবী উদ্যোগ’র আত্মপ্রকাশ

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

লাকসামে আচরণবিধি লঙ্ঘন, দুই বিএনপি কর্মীকে জরিমানা
লাকসামে আচরণবিধি লঙ্ঘন, দুই বিএনপি কর্মীকে জরিমানা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন অভিষেক
হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন অভিষেক

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিদ্ধিরগঞ্জে কেন্দ্রের ভেতরে জামায়াত নেতার অবস্থান নিয়ে উত্তেজনা
সিদ্ধিরগঞ্জে কেন্দ্রের ভেতরে জামায়াত নেতার অবস্থান নিয়ে উত্তেজনা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কুমিল্লায় ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার
কুমিল্লায় ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পিএসএল নিলামে উপেক্ষিত হৃদয়-তাসকিন-তানজিমরা
পিএসএল নিলামে উপেক্ষিত হৃদয়-তাসকিন-তানজিমরা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমেরিকার কাছে ভারতকে বিক্রি করে দিয়েছেন মোদি: রাহুল গান্ধী
আমেরিকার কাছে ভারতকে বিক্রি করে দিয়েছেন মোদি: রাহুল গান্ধী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন ৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী
তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন ৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

৬ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতার বিএনপিতে যোগদান
৬ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতার বিএনপিতে যোগদান

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির ৭৪ লাখ টাকাসহ আটক
বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির ৭৪ লাখ টাকাসহ আটক

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেওয়াই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: পিসিবি চেয়ারম্যান
বাংলাদেশের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেওয়াই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: পিসিবি চেয়ারম্যান

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সব যান বন্ধ নয়: কারা চলাচলে ছাড় পাচ্ছে
সব যান বন্ধ নয়: কারা চলাচলে ছাড় পাচ্ছে

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রতিশোধ নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে পাকিস্তান, পেছনে পড়ল ভারত
প্রতিশোধ নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে পাকিস্তান, পেছনে পড়ল ভারত

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডাবের পানি স্বাস্থ্যের জন্য এতটা কার্যকর কেন?
ডাবের পানি স্বাস্থ্যের জন্য এতটা কার্যকর কেন?

১৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ইন্টারনেট বন্ধ নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধন
ইন্টারনেট বন্ধ নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধন

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে চার উপায়ে জানবেন ভোটার নম্বর
যে চার উপায়ে জানবেন ভোটার নম্বর

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটকেন্দ্রে যেসব কাজ করতে পারবে না পুলিশ
ভোটকেন্দ্রে যেসব কাজ করতে পারবে না পুলিশ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশের সব দোকান-শপিং মল আজ বন্ধ, খোলা কবে?
দেশের সব দোকান-শপিং মল আজ বন্ধ, খোলা কবে?

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচন শেষে কখন রাস্তায় ফিরবে মোটরসাইকেল
নির্বাচন শেষে কখন রাস্তায় ফিরবে মোটরসাইকেল

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটারদের কেন্দ্রে আনার জন্য যানবাহন ব্যবহার নিষিদ্ধ: ইসি
ভোটারদের কেন্দ্রে আনার জন্য যানবাহন ব্যবহার নিষিদ্ধ: ইসি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গৃহকর্মীকে নির্যাতন; আদালতে উঠে এলো বিমানের সাবেক এমডির বাসার লোমহর্ষক বর্ণনা
গৃহকর্মীকে নির্যাতন; আদালতে উঠে এলো বিমানের সাবেক এমডির বাসার লোমহর্ষক বর্ণনা

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নিজেকে ভোট দিতে পারছেন না তাসনিম জারা ও ববি হাজ্জাজ
নিজেকে ভোট দিতে পারছেন না তাসনিম জারা ও ববি হাজ্জাজ

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড
‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পাকিস্তান পাশে না দাঁড়ালে কী হতো বাংলাদেশের সঙ্গে
পাকিস্তান পাশে না দাঁড়ালে কী হতো বাংলাদেশের সঙ্গে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিরাজগঞ্জে ‘ভোট কিনতে’ গিয়ে জনতার ধাওয়া খেয়ে পালালো জামায়াত নেতা
সিরাজগঞ্জে ‘ভোট কিনতে’ গিয়ে জনতার ধাওয়া খেয়ে পালালো জামায়াত নেতা

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ঠাকুরগাঁও আমিরকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে: জামায়াত
ঠাকুরগাঁও আমিরকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে: জামায়াত

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মহানাটকীয় টাই, ডাবল সুপার ওভারে আফগানদের বিশ্বকাপ স্বপ্নে ধাক্কা
মহানাটকীয় টাই, ডাবল সুপার ওভারে আফগানদের বিশ্বকাপ স্বপ্নে ধাক্কা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইন্ডিয়ান সুপার লিগের আয় কমে গেছে ৯৭ শতাংশ
ইন্ডিয়ান সুপার লিগের আয় কমে গেছে ৯৭ শতাংশ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অ্যালেন-সাইফার্টের ঝড়ে নিউজিল্যান্ডের বিশ্ব রেকর্ড
অ্যালেন-সাইফার্টের ঝড়ে নিউজিল্যান্ডের বিশ্ব রেকর্ড

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোট কেনার সময় সূত্রাপুর থানা জামায়াতের আমির আটক, কারাদণ্ড
ভোট কেনার সময় সূত্রাপুর থানা জামায়াতের আমির আটক, কারাদণ্ড

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল শুক্রবার: ইসি সানাউল্লাহ
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল শুক্রবার: ইসি সানাউল্লাহ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোট বেশি পড়লে বিএনপি, কম পড়লে জামায়াত সুফল পাবে : বিআইডিডি
ভোট বেশি পড়লে বিএনপি, কম পড়লে জামায়াত সুফল পাবে : বিআইডিডি

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আটক ঠাকুরগাঁও জামায়াতের আমির রমেকের সিসিইউতে ভর্তি
আটক ঠাকুরগাঁও জামায়াতের আমির রমেকের সিসিইউতে ভর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানের সঙ্গে আলোচনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি রণতরী পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে আলোচনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি রণতরী পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় ‘টাকা বিতরণের’ অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক
কুমিল্লায় ‘টাকা বিতরণের’ অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন বলে দেখার সুযোগ নেই: মাহদী আমিন
সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন বলে দেখার সুযোগ নেই: মাহদী আমিন

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক