শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

দ্রোহ ও প্রেমের দ্বৈতসত্তা

গাউসুর রহমান
প্রিন্ট ভার্সন
দ্রোহ ও প্রেমের দ্বৈতসত্তা

বাংলা কবিতায় রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (১৯৫৬-১৯৯১) এক ক্ষণজন্মা কিন্তু কালজয়ী প্রতিভার নাম। এই স্বল্পায়ু জীবনে তিনি যে গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ কাব্যিক অভিঘাত সৃষ্টি করে গেছেন, তা তাঁকে বিশ শতকের বাংলা কবিতার শেষাংশে, বিশেষত সত্তর দশকের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর কাব্যের মূল বৈশিষ্ট্য প্রেম এবং দ্রোহের এক শক্তিশালী ও দুর্লভ সংশ্লেষণ, যা তাঁর কবিতাকে দিয়েছে অপ্রতিরোধ্য তীব্রতা ও প্রত্যক্ষতা। জীবনের প্রতি তীব্র অনুরাগ, সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং ব্যক্তিগত অনুভূতির শৈল্পিক রূপায়ণ তাঁর সৃষ্টিকে স্বতন্ত্র মাত্রা দিয়েছে। কবির অকাল প্রয়াণ তাঁর জীবন ও কাব্যকে এক মহাকাব্যিক ট্র্যাজেডিতে রূপান্তরিত করেছে, যা তাঁর পাঠকপ্রিয়তাকে সময়ের সাথে সাথে আরও গভীর করেছে। তাঁরই রচিত বিখ্যাত পঙ্ক্তি-

“চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়- বিচ্ছেদ নয়/চলে যাওয়া মানে নয় বন্ধন ছিন্ন করা আর্দ্র রজনী/চলে গেলে আমারও অধিক কিছু থেকে যাবে আমার না-থাকা জুড়ে”

যেন তাঁর নিজের ক্ষেত্রেই এক অমোঘ ভবিষ্যদ্বাণী। রুদ্রর ‘না-থাকা জুড়ে’ বাস্তবিকই তাঁর সৃষ্টিকর্ম এমনভাবে রয়ে গেছে, যা তাঁকে বাংলা কবিতায় এক চিরস্থায়ী আসনে আসীন করেছে। রুদ্রর কবিসত্তা মূলত তিনটি প্রধান স্তম্ভের ওপর দণ্ডায়মান। স্বৈরাচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে অনমনীয় দ্রোহ, মানবীয় সম্পর্কের গভীরতম প্রদেশ উন্মোচনকারী প্রেম এবং এই দুইয়ের সংমিশ্রণে জাত এক চিরন্তন তারুণ্যের দীপ্তি। যা তাঁকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম তরুণ প্রজন্মের কাছে প্রাসঙ্গিক করে রেখেছে।

রুদ্রর কবিসত্তার নির্মাণ ও বিকাশে তাঁর সমকালের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষিত এক নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেছিল। সত্তর দশক ছিল বাংলাদেশের জন্য এক অস্থির ও দিকচিহ্নহীন সময়। সদ্য স্বাধীন দেশে গণতন্ত্রের পথচলা বারবার ব্যাহত হচ্ছিল সামরিক হস্তক্ষেপে। মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন ও আকাক্সক্ষার সঙ্গে বাস্তবতার অমিল সাধারণ মানুষের মনে গভীর হতাশা ও স্বপ্নভঙ্গের জন্ম দিয়েছিল। বিশেষত আশির দশকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সামরিক স্বৈরাচার দেশজুড়ে অবরুদ্ধ, অস্থিতিশীল ও ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল। এই অন্ধকার সময়ে যখন বাকস্বাধীনতা সংকুচিত এবং নাগরিক অধিকার ভূলুণ্ঠিত, তখন রুদ্রর কবিতা হয়ে ওঠে প্রতিরোধের অগ্নিশর্মা দলিল। তিনি কাব্যকে নিছক নান্দনিক শিল্পচর্চার নিরাপদ আশ্রয়ে আবদ্ধ রাখেননি, বরং তাকে সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন। তাঁর কবিতায় সেই দমবন্ধ করা সময়ের ‘কারফিউ, গুলি, নিখোঁজ, শহীদদের রক্ত’ কেবল শব্দ হিসেবে আসেনি, বরং জীবন্ত ও রক্তমাখা বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে। তাঁর দ্রোহ ছিল মেকি বুদ্ধিজীবিতার বিরুদ্ধে, সুবিধাবাদের বিরুদ্ধে এবং রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরাসরি ও আপসহীন ঘোষণা। তাঁর প্রজন্মের কবিদের মধ্যে তিনিই বোধহয় সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করেছিলেন।

তাঁর দ্রোহী সত্তার শ্রেষ্ঠতম শৈল্পিক প্রকাশ ঘটেছে ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ কবিতাটিতে। এটি কেবল একটি কবিতা নয়, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে স্বপ্নভঙ্গের এক অবিস্মরণীয় মহাকাব্যিক দলিল। কবিতাটির প্রতি পঙ্ক্তিতে মিশে আছে শোক, ক্রোধ এবং তীব্র হাহাকার। কবি যখন লেখেন,

“আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই/আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি,”

তখন তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনার বর্ণনা থাকে না, বরং তা হয়ে ওঠে জাতির ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডির শৈল্পিক রূপায়ণ। তিনি প্রত্যক্ষ করেন, যে পতাকার জন্য লক্ষ প্রাণ বিসর্জিত হয়েছে, সেই পতাকা তখন নিরাপদ নয়। সুযোগসন্ধানী শক্তি আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। তাই তাঁর ক্ষুব্ধ উচ্চারণ: “জাতির পতাকা আজ খামচে ধরেছে সেই পুরোনো শকুন।” এই ‘পুরোনো শকুন’ কেবল একটি প্রতীক নয়, এটি সেইসব শক্তির সুস্পষ্ট ইঙ্গিত করে, যারা দেশকে পেছনের দিকে ঠেলে দিতে চেয়েছিল। এই কবিতায় রুদ্র পতাকার চিরাচরিত সংজ্ঞাকে পুনর্নির্মাণ করেন। তাঁর কাছে পতাকা তখন আর নিছক এক কাপড়ের টুকরো থাকে না, হয়ে ওঠে আত্মত্যাগের জীবন্ত প্রতীক। তিনি ঘোষণা করেন :

“স্বাধীনতা-আমার প্রিয় মানুষের রক্তে কেনা অমূল্য ফসল/ধর্ষিতা বোনের শাড়ী ওই আমার রক্তাক্ত জাতির পতাকা।”

এই পঙ্ক্তিদ্বয়ের মধ্য দিয়ে তিনি স্বাধীনতা ও পতাকার ধারণাকে একাধারে ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত বেদনার সঙ্গে একীভূত করে তোলেন, যা কবিতাটিকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেয়।

একইভাবে, ‘কথা ছিলো সুবিনয়’ কবিতায় তিনি স্বাধীনতার অঙ্গীকার ভঙ্গের আক্ষেপকে তীব্র শ্লেষের সঙ্গে প্রকাশ করেছেন। এই কবিতায় তিনি সরাসরি রাষ্ট্র ও শাসকদের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দেন। যে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, তার বিচ্যুতি তাঁকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছিল। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন সেই অলিখিত সামাজিক চুক্তির কথা, যেখানে বলা হয়েছিল সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হবে। কিন্তু বাস্তবে যখন তিনি দেখেন শ্রেণি-বৈষম্য, শোষণ আর দুর্নীতির বিস্তার, তখন তাঁর কণ্ঠস্বর হতাশা ও ক্রোধে ফেটে পড়ে। তাঁর কবিতা এভাবেই ব্যক্তি রুদ্রর প্রতিবাদ থেকে উত্তরণ লাভ করে জনতার সম্মিলিত কণ্ঠস্বরে পরিণত হয়। তাঁর অদম্য উদ্দীপনা, প্রতিবাদ ও সাহসিকতার শিল্পভাষ্য তাঁকে কেবল একজন কবি হিসেবেই নয়, বরং তারুণ্যের এক দীপ্ত প্রতীক হিসেবে স্থাপন করেছে। তিনি দেখিয়েছিলেন, কবিতা কীভাবে জলপাই রঙের ট্যাংকের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানোর সাহস জোগাতে পারে।

তারপরও, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর কাব্যবিশ্ব কেবল দ্রোহের অগ্নিস্ফুলিঙ্গে সীমাবদ্ধ ছিল না; এর সমান্তরালে প্রবাহিত হয়েছে স্বপ্ন, প্রেম এবং সুন্দরের প্রতি গভীর মগ্নতার ফল্গুধারা। রাজনৈতিক প্রতিবাদের পাশাপাশি মানুষের সূক্ষ্মতম অনুভূতি, ব্যক্তিগত আকাক্সক্ষা, দুঃখ-বেদনা, প্রেম-বিরহ এবং নির্জনতার আর্তি তাঁর কাব্যভাষার অন্যতম প্রধান উপজীব্য। রুদ্রর প্রেমের কবিতাগুলো তাঁর দ্রোহী কবিতার মতোই তীব্র, প্রত্যক্ষ এবং অকপট। তাঁর প্রেম কখনো পেলব রোমান্টিকতায় আচ্ছন্ন নয়, বরং তাতে রয়েছে শরীরী আকাক্সক্ষা, মানসিক টানাপোড়েন এবং অস্তিত্বের গভীর সংকটবোধ। তাঁর প্রেম প্রায়শই পাওয়া না-পাওয়ার দ্বন্দ্বে দোদুল্যমান মিলনের তীব্র আনন্দের পাশাপাশি বিচ্ছেদের হাহাকারও সমানভাবে মূর্ত হয়ে ওঠে। ‘দূরত্ব জানে শুধু একদিন খুব বেশি নিকটে ছিলাম- অমলিন পরিচয়’-এই একটি পঙ্ক্তিতেই তিনি নৈকট্য ও দূরত্বের চিরন্তন দর্শনকে প্রকাশ করেছেন। তাঁর কবিতায় একাকিত্ব ও নির্জনতার বোধ অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বিদ্যমান। এই একাকিত্ব কেবল ব্যক্তিগত প্রেমহীনতার ফল নয়, বরং এটি একজন সৃজনশীল শিল্পীর সামাজিক বিচ্ছিন্নতাবোধেরও প্রতিচ্ছবি। পারিপার্শ্বিক ভণ্ডামি, আদর্শের অবক্ষয় এবং স্বপ্নের ক্রমান্বয়িক মৃত্যু তাঁকে একপর্যায়ে গভীর একাকিত্বের দিকে ঠেলে দিয়েছিল, যা তাঁর প্রেমের কবিতায়ও ছায়া ফেলেছে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রুদ্রর কাব্যিক স্বর ও ধরনেও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘উপদ্রুত উপকূল’ বা এরপর ‘ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম’-এ যে উচ্চকণ্ঠ দ্রোহ এবং সরাসরি রাজনৈতিক স্লোগানধর্মী প্রকাশভঙ্গি ছিল, তা তাঁর পরবর্তী পর্যায়ের কাব্যগ্রন্থ ‘দিয়েছিলে সকল আকাশ’-এ এসে অনেকটাই নমনীয় ও অন্তর্মুখী হয়ে ওঠে। এই পর্বে তিনি সমাজের বিরুদ্ধে উন্মুক্ত সংগ্রামের পরিবর্তে আত্মগত অন্বেষণ ও নির্জনতার দিকে অধিক মনোনিবেশ করেন। দ্রোহের আগুন তখনো নিভে যায়নি, কিন্তু তা রূপান্তরিত হয়েছিল গভীর ও দার্শনিক বিষণ্নতায়। এই পরিবর্তন তাঁর কবি হিসেবে পরিপক্বতারই পরিচায়ক। তাঁর কাব্যশৈলীর স্বতন্ত্র ও উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো, প্রথাগত বাংলা ব্যাকরণের বিরুদ্ধে সচেতন শৈল্পিক বিদ্রোহ। তিনি তাঁর লেখায় মূর্ধন্য ‘ণ’-এর ব্যবহার সচেতনভাবে বর্জন করে সর্বত্র দন্ত্য ‘ন’ ব্যবহার করতেন। এই আপাত-ছোট্ট পরিবর্তনটি আসলে ছিল অনুশাসন ও প্রথার বিরুদ্ধে তাঁর নিরন্তর প্রতিবাদেরই এক ভাষাগত রূপ। এর মাধ্যমে তিনি নিজের একটি স্বতন্ত্র কাব্যিক পরিসর নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন, যা প্রতিষ্ঠিত কাঠামোর বাইরে দাঁড়িয়ে কথা বলবে।

রুদ্রর সাহিত্যিক প্রভাব শুধু কবিতার পাতায় সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি গানও লিখেছেন। তাঁর লেখা গান তাঁকে প্রাতিষ্ঠানিক সাহিত্য জগতের বাইরে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে দিয়েছে। বিশেষত, “আমার ভিতর বাহিরে অন্তরে অন্তরে আছো তুমি হৃদয় জুড়ে” গানটি কালজয়ী জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এই গানের প্রতিটি শব্দে যে গভীর মর্মার্থ রয়েছে, তা বাঙালি শ্রোতার চিরায়ত প্রেমবোধকে স্পর্শ করে। একইভাবে, “ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো” গানটি বিচ্ছেদের বেদনাকে অপার্থিব সৌন্দর্যে মণ্ডিত করেছে। গানের মাধ্যমে রুদ্র প্রমাণ করেছেন যে, গভীর দর্শন ও কাব্যিকতাকে সহজ ভাষায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। তাঁর গান কবির কাব্যিক সত্তারই এক সম্প্রসারিত রূপ, যা তাঁর আবেদনকে বহুমাত্রিক ও সর্বজনীন করে তুলেছে।

স্বল্পদৈর্ঘ্য জীবনের সীমিত সময়ের কাব্য-সাধনায় রুদ্র যে ঈর্ষণীয় পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, তা সমসাময়িক অনেক কবির জন্যই ছিল অচিন্ত্যনীয়। তাঁর কবিতা যেমন সাধারণ পাঠকের কাছে সমাদৃত হয়েছে, তেমনই বিদগ্ধ সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। দেশের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানও রুদ্রর প্রতিভা সম্পর্কে উচ্চ ধারণা পোষণ করতেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে, রুদ্র তাঁর জীবনের শেষ ভাগে এসে “পথের স্বাতন্ত্র্য অর্জন করেছিলেন।” এই স্বীকৃতি একজন তরুণ কবির জন্য ছিল বিশাল পাওয়া। রুদ্রর কবিতা ছিল তাঁর জীবনেরই প্রতিচ্ছবি, অস্থির, আবেগপ্রবণ, আপসহীন এবং প্রচণ্ডভাবে জীবন্ত। তাঁর জীবনযাপনেও ছিল বোহেমিয়ান বেপরোয়া ভঙ্গি, যা তাঁর কবিতায় প্রতিফলিত হয়েছে। এই দ্রোহ ও প্রেমের দ্বৈত সত্তা, ব্যক্তিগত জীবনে ভাঙাগড়ার তরঙ্গ এবং শিল্পে তার অকপট প্রকাশ, সবকিছু মিলিয়েই রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ হয়ে ওঠেন কিংবদন্তি।

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর উত্তরাধিকার কেবল সাহিত্যিক আলোচনা বা অ্যাকাডেমিক গবেষণায় সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাঁর মৃত্যুর পর প্রতিবছর তাঁর জন্মদিন ও মৃত্যুবার্ষিকীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা এবং তাঁর নিজ গ্রাম বাগেরহাটের মিঠেখালিতে ‘রুদ্রমেলা’ অনুষ্ঠিত হয়। এই মেলা প্রমাণ করে যে, রুদ্র কোনো বিস্মৃত কবি নন, বরং তিনি এখনো মানুষের চেতনা ও ভালোবাসায় জীবন্ত। নতুন প্রজন্মের কবি ও পাঠকদের কাছে রুদ্র অবিনাশী অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর কবিতা আজও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মশাল জ্বালায়, প্রেমিকের হৃদয়ে ভালোবাসার সুর তোলে এবং স্বপ্নচারী তরুণের চোখে আদর্শের আগুন জ্বেলে দেয়।

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ বাংলা সাহিত্যে ধূমকেতুর মতো আবির্ভূত হয়েছিলেন। তাঁর জীবন ছিল সংক্ষিপ্ত, কিন্তু সৃষ্টিকর্মের দ্যুতি অম্লান। তিনি দ্রোহের আগুনে পুড়িয়েছেন সামাজিক ও রাজনৈতিক ভণ্ডামিকে। আবার প্রেমের স্নিগ্ধ আলোয় সিক্ত করেছেন মানব মনের গভীরতম প্রদেশ। তাঁর কবিতা একই সঙ্গে সময়ের দলিল এবং সময়ের ঊর্ধ্বে অবস্থিত এক চিরন্তন আবেদন। দ্রোহ, প্রেম ও তারুণ্যের যে ত্রিবেণীসংগম তিনি তাঁর কাব্যে ঘটিয়েছেন, তা-ই তাঁকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক স্বতন্ত্র ও অমোচনীয় স্থান দিয়েছে। তাঁর অকাল মৃত্যু বাংলা কবিতার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি, কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া সৃষ্টি তাঁকে অমরত্ব দান করেছে। তিনি দেখিয়েছেন, কবির শারীরিক প্রস্থান হলেও তাঁর কণ্ঠস্বর প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ধ্বনিত হতে পারে। রুদ্র তাই কেবল সত্তরের কবি নন, তিনি বাংলা কবিতার চিরসবুজ, চির দ্রোহী এবং চিরপ্রেমিক এক যুবরাজ।

এই বিভাগের আরও খবর
অলিখিত
অলিখিত
আলোর উৎসব
আলোর উৎসব
অবসন্ত
অবসন্ত
লক্ষ্মী
লক্ষ্মী
মহান মুক্তিযুদ্ধ
মহান মুক্তিযুদ্ধ
একটি শিশিরভেজা চিরকুট
একটি শিশিরভেজা চিরকুট
ভ্যালেন্টাইনস ডে
ভ্যালেন্টাইনস ডে
অপেক্ষা-দ্রষ্টব্য বাতাস
অপেক্ষা-দ্রষ্টব্য বাতাস
যদি তুমি ভালোবাসো
যদি তুমি ভালোবাসো
ফ্যাট ও ফাটল
ফ্যাট ও ফাটল
হৃদয়ে বসন্ত চোখে কুয়াশা
হৃদয়ে বসন্ত চোখে কুয়াশা
ভাষার সৌন্দর্য
ভাষার সৌন্দর্য
সর্বশেষ খবর
এইআইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ‘ফাঁকা’ বই প্রকাশ করলেন ১০ হাজার লেখক
এইআইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ‘ফাঁকা’ বই প্রকাশ করলেন ১০ হাজার লেখক

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক
সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

পোশাক রপ্তানিতে ভাটার টান
পোশাক রপ্তানিতে ভাটার টান

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ভারত সফর বাতিল করলেন র‍্যাপার ফ্লিপারচি
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ভারত সফর বাতিল করলেন র‍্যাপার ফ্লিপারচি

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছবে, হুঁশিয়ারি ইরানের
তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছবে, হুঁশিয়ারি ইরানের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের
ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ঘোষণা আইসিসির
বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ঘোষণা আইসিসির

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ
দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক
বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের নিন্দা এনসিপির
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের নিন্দা এনসিপির

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মৃত্যুর শরবত সবাইকেই পান করতে হবে
মৃত্যুর শরবত সবাইকেই পান করতে হবে

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঢাকাস্থ বদলগাছী সমিতির ইফতার
ঢাকাস্থ বদলগাছী সমিতির ইফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত
ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ
কুমিল্লায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঘুমের মধ্যে বালিশে লালা ঝরা হতে পারে গুরুতর শারীরিক সমস্যার পূর্বাভাস
ঘুমের মধ্যে বালিশে লালা ঝরা হতে পারে গুরুতর শারীরিক সমস্যার পূর্বাভাস

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

দুবাই ছাড়ছেন মানুষ, রাস্তায় পড়ে থাকছে হাজারো পোষা প্রাণী
দুবাই ছাড়ছেন মানুষ, রাস্তায় পড়ে থাকছে হাজারো পোষা প্রাণী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্পটিফাইয়ে এক বছরে দেড় হাজারের বেশি শিল্পী পেলেন ১০ লাখ ডলারের রয়্যালটি
স্পটিফাইয়ে এক বছরে দেড় হাজারের বেশি শিল্পী পেলেন ১০ লাখ ডলারের রয়্যালটি

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলতেই মেজাজ হারালেন সাবেক এমপি ওমর ফারুক
টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলতেই মেজাজ হারালেন সাবেক এমপি ওমর ফারুক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার
শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩ মাদক কারবারিসহ গ্রেফতার ১৯
সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩ মাদক কারবারিসহ গ্রেফতার ১৯

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রূপগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলের হামলায় বাবা ও বড় ভাই আহত
রূপগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলের হামলায় বাবা ও বড় ভাই আহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে ১৮ মামলার আসামি দিপু আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার
নারায়ণগঞ্জে ১৮ মামলার আসামি দিপু আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নীলফামারীতে চোরাই গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ১
নীলফামারীতে চোরাই গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ১

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিনে ভারত থেকে এলো ৫ হাজার টন ডিজেল
দুই দিনে ভারত থেকে এলো ৫ হাজার টন ডিজেল

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইথিওপিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসে ৩০ জনের প্রাণহানি
ইথিওপিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসে ৩০ জনের প্রাণহানি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খণ্ডিতভাবে ডেপুটি স্পিকার চাচ্ছি না, আমরা চাই প্যাকেজ: জামায়াত আমির
খণ্ডিতভাবে ডেপুটি স্পিকার চাচ্ছি না, আমরা চাই প্যাকেজ: জামায়াত আমির

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান
দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল
ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প
৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল
ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?
অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার
ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারী ও বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নতুন হামলা চালাল ইরান
ভারী ও বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নতুন হামলা চালাল ইরান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো
মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’
‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান
মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?
রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি
গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুতুবদিয়ার সৈকতে পাঁচ দিন ধরে পড়ে আছে মৃত তিমি
কুতুবদিয়ার সৈকতে পাঁচ দিন ধরে পড়ে আছে মৃত তিমি

২০ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের
বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি
আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরান আক্রান্ত হলে সমগ্র বিশ্বকে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে’
‘ইরান আক্রান্ত হলে সমগ্র বিশ্বকে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে’

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধজাহাজে হামলায় নিহত ৮৪ নাবিকের মরদেহ ইরানি দূতাবাসে হস্তান্তরের নির্দেশ
যুদ্ধজাহাজে হামলায় নিহত ৮৪ নাবিকের মরদেহ ইরানি দূতাবাসে হস্তান্তরের নির্দেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্য ছাড়লেন ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক
মধ্যপ্রাচ্য ছাড়লেন ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো স্পেন
ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো স্পেন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের
দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর রাডারের পরীক্ষা নিচ্ছে ইরান?
ন্যাটোর রাডারের পরীক্ষা নিচ্ছে ইরান?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন

সম্পাদকীয়

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

পেছনের পৃষ্ঠা

১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায়  প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার
১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার

নগর জীবন

জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে
জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন
কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন

পেছনের পৃষ্ঠা

জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা
জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা

দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা

প্রথম পৃষ্ঠা

যানজটে আটকে গেল ট্রেন
যানজটে আটকে গেল ট্রেন

নগর জীবন

জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম
জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম

নগর জীবন

ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট
ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট

পেছনের পৃষ্ঠা

ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!

প্রথম পৃষ্ঠা

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা
অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি
হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি
কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার
স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার

শোবিজ

নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ
নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ
সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ

নগর জীবন

স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

দেশগ্রাম

আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা
অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা

নগর জীবন

সংসদ অধিবেশন
সংসদ অধিবেশন

সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার
বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার

নগর জীবন

সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নগর জীবন

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু

নগর জীবন

খুলনায় ডিলারদের তেল সরবরাহ বন্ধ
খুলনায় ডিলারদের তেল সরবরাহ বন্ধ

নগর জীবন

জুনে চালু হতে পারে ই-হেলথ কার্ড
জুনে চালু হতে পারে ই-হেলথ কার্ড

নগর জীবন

ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি
ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি

শোবিজ

সরকার জাতিকে জুলাই গণ অভ্যুত্থান ভুলিয়ে দিতে চায়
সরকার জাতিকে জুলাই গণ অভ্যুত্থান ভুলিয়ে দিতে চায়

নগর জীবন