শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

হাইফেন-ব্রিজ

আযাদ কালাম
প্রিন্ট ভার্সন
হাইফেন-ব্রিজ

গল্প

ব্রিজটার বয়স কত আর, চল্লিশ কিংবা পঁতাল্লিশ। হঠাৎ বয়সের প্রসঙ্গ কেন? তাহলে প্রসঙ্গ কী? প্রসঙ্গ ব্রিজ। যে ব্রিজ দিয়ে প্রতি মুহূর্তে তাকে যাওয়া-আসা করতে হয়। প্রতি মুহূর্ত! কাকে? আবার প্রশ্ন! সারা দিন কতজনই তো ব্রিজ পারাপার হয়। না। সবার সাথে তার একটা মৌলিক তফাত পাওয়া গেছে। অন্যরা চব্বিশ ঘণ্টায় একবার, দুবার; ধরে নেয়া যায় দশবার। তিনি প্রতি মুহূর্তে। অদ্ভুত তো! কীভাবে সম্ভব? তার কি আর কোনো কাজ নাই? আছে তো। অজস্র কাজ তার। ব্রিজ পেরোনোও অন্যতম কাজ।

বুঝা গেছে, থাক ভাই। এতো প্যাঁচঘোচ খোলা আমাদের সাধ্যের বাইরে। আমরা দেখতে পাই বা না পাই, তিনি সত্যি সত্যি প্রতি মুহূর্তে ব্রিজ পেরোচ্ছেন। ব্রিজ দিয়ে যারা পারাপার হয় তাদের সবাইকে তিনি দেখেন। তাকে কেউ দেখে না, উপলব্ধি করতে পারে। ব্রিজ পেরোচ্ছে মানুষ, গাড়ি; জীবজন্তুও। তাদের মধ্যে একজন, প্রতিদিন আসেন, পার হন না। নিজে আসেন না, মানে আসতে পারেন না। কেউ তাকে দিয়ে যায়। একেক দিন একেকজন পশ্চিম শহরতলি থেকে ব্রিজের মাঝ বরাবর নির্দিষ্ট একটি জায়গায় দিয়ে যায়। ওখানে মাদুরের মতো এক টুকরো চট বিছিয়ে তিনি বসে পড়েন। মাথার ওপরে পলিথিনের একটি ছাউনির মতো টানিয়ে দেওয়া হয়। ওই পলিথিন রোদ-বৃষ্টি-ঝড়-বাতাস কিছুই আটকাতে পারে না। ওটা সান্ত্বনা। অর্থাৎ, মাথার ওপরে একটা কিছু আছে, এই আরকি। এই ভরসায় তিনি দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, হয়তো বছরের পর বছর দিব্যি টিকে আছেন। এটা কি ব্রিজের বাস্তবতা নাকি মানুষের?

ব্রিজে নিত্যদিনের দুজনকে পাওয়া গেল। একজন থামেন না, প্রতি মুহূর্ত পারাপার হন। আরেকজন, পারাপার হন না, বসে থাকেন। বসে থাকাজন সন্ধ্যা হতে হতে চলে যান। চলে যান বলতে যেভাবে কেউ দিয়ে যায়, সেভাবেই নিয়ে যায়।

সার্বক্ষণিক চলাচলকারীকে কেউ দেখেনি, অনুভব করেছে প্রবলভাবে। বসে থাকাজনকে দেখা যায়। অনেকে খেয়াল করে না। যারা খেয়াল করে তারা দেখে, মলিন চেহারা। ময়লা, ছেঁড়া জামাকাপড়-টুপি, দাড়ি। কিছু চাওয়ার ভঙ্গিতে হাত পেতে ব্রিজের ফুটপাতে বসে থাকেন। পায়ে হেঁটে যারা ব্রিজ পেরোয়, বসে থাকা লোকটা তাদের হাঁটাচলায় বিঘ্ন ঘটান। বলা দরকার, এই পায়ে হাঁটাদের বিঘ্নসৃষ্টিটুকুই তার জীবিকার উৎস্য। যারা সাঁই সাঁই করে পেরোয় তাদের থেকে বসে থাকা লোকটি কিচ্ছু পান না। বরং বিঘ্নভোগীরাই কেউ কেউ টাকাপয়সা দেয়। কী বিচিত্র! যাদের বিঘ্ন হচ্ছে তারা তাদের বিঘ্ন দূর করার বদলে বিঘ্ন জিইয়ে রাখার জন্য বিঘ্নকারীকে দক্ষিণা দিচ্ছে।

ব্রিজে আজকাল প্রায়ই জানজট থাকে। ট্রাক, বাস, অটো, ভ্যান, সাইকেল,  মোটরসাইকেল, পথচারী সবটা মিলে এমন অবস্থা দাঁড়ায়, তখন ফুটপাতটাও জটের কবলে চলে যায়। মনে হয় একটা পিঁপড়াও বুঝি আর কোনোদিন ফাঁসতে পারবে না। জানবাহনে অসহায়ভাবে বসে থাকাদের চোখের দিকে তাকানো যায় না। কেউ বুঝতে পারে না জটটা কত সময় স্থায়ী হবে। জটে আটকে থাকাদের মলিন লোকটির ওপর বিরক্ত হতে দেখা যায়। এ সময় বিঘ্নভোগীরা টাকাপয়সার বদলে খিস্তি করে, গালি দেয়। আকাশ থেকে ব্রিজটা হাইফেন চিহ্নের মতো দেখায়। প্রকৃতপক্ষে ব্রিজতেও হাইফেনই। একেকটা ব্রিজ সৃষ্টির পেছনে একেকরকম কাহিনি থাকে। আমাদের ব্রিজের কাহিনিটা রাজনৈতিক। তার আগে বলে নিই, এই ব্রিজের প্রায় এক কিলোমিটার ভাটিতে ব্রিটিশযুগের একটা রেলব্রিজ আছে। সম্বন্ধবিচারে রেলব্রিজটা সড়কব্রিজের বড় ভাই।

বলছিলাম, আমাদের ব্রিজটা সৃষ্টির নেপথ্যে রাজনৈতিক কাহিনি আছে। ব্রিজটা জন্মাবার অনেক আগে রেলব্রিজটার জন্ম। তারপর অনেক বছর নদীটা কোনো ব্রিজ প্রসব করতে পারেনি। রেলব্রিজে ট্রেন চলতে পারলেও, হেঁটে চলা মানুষ এবং অন্যান্য জান চলতে পারে না। নদীর এক পাড়ে শহর আরেক পাড়ে শহরতলি। দুটি জনপদের বসবাস কাছাকাছি হলেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন। এখানে খেয়াঘাট ছিল। খেয়া পারাপার অত্যন্ত সীমিত। এটা বাংলাদেশের উত্তর জনপদের গল্প। এ অঞ্চল ধরতে গেলে নৌকোর ব্যবহার জানেই না। সাঁতরে পার হওয়ার মতো ছোট নদী নয় পুনর্ভবা। দিনাজপুরের মতো একটি প্রাচীন শহরের সাথে পশ্চিম জনপদ বিচ্ছিন্নই থেকে যাবে? চাগিয়ে উঠতে থাকলো মানুষের চাহিদা, ‘ব্রিজ চাই, একটা ব্রিজ চাই।’

বড় বড় নেতা, মন্ত্রী, সরকার প্রধানরা ভোটের দরকারে সফরে এলেই ব্রিজের দাবির মুখে পড়তে হয়, ‘ব্রিজ চাই, একটা ব্রিজ।’

দাবি আর প্রতিশ্রুতির ধস্তাধস্তি শেষে হাজির হলো ধোঁকাবাজির সমাধান। রেলব্রিজের ওপর বসলো কাঠের পাটাতন। নেতার ভাষণে প্রস্ফুটিত হলো ধোঁকার রহস্য।

‘ভাইসব, রেলব্রিজের খুব কাছে আরেকটা ব্রিজ হলে রেলব্রিজটা ভেঙে পড়বে পানির তোড়ে।’

কাঠের পাটাতনের সীমিত চলাচলে দুর্ঘটনার দ্বার উন্মোচিত হলো। দুর্ঘটনাকবলিত মানুষের আহাজারিতে আবার তীব্র দাবি, ‘ব্রিজ চাই। কিচ্ছু চাই না, একটা ব্রিজ চাই।’

সরকার বদলে যায়, দাবির বদল ঘটে না। দাবি একটাই, ‘ব্রিজ চাই, একটা স্বপ্নের ব্রিজ।’

২. পাখির চোখে অবশেষে দৃশ্যমান হলো সংযোগ চিহ্নের মতো একটা রড-সিমেন্টের ব্রিজ। আনন্দের পদযাত্রা স্বপ্নস্রোতে প্রবাহিত হলো ব্রিজের ওপর দিয়ে। অল্পদিনে পদযাত্রা সংকুচিত হয়ে জানযাত্রা থেকে জানজটে পরিণত হলো। ব্রিজের ওপর দিয়ে চলাচলে এখন সেই অদৃশ্য সর্বত্রগামী ছাড়া সবাইকে বিঘ্ন পোহাতে হয়। মলিন লোকটিও যানজটের দুর্ভোগ টের পান উপার্জন তলানিতে গেলে। যানজটে অতিষ্ঠ খ্যাপারা মলিনকে ডিঙ্গোবার সময় দাঁত খিঁচিয়ে গালি দেয়, ‘এই ফকিরের বাচ্চা, তোর আর বসিবার জাগা নাই।’

মলিন নির্বিকার। তিনি শুধু রোদ, বৃষ্টি, ঝড়, ঠান্ডা, গরম, লু সবকিছুতে ব্রিজের ফুটপাতে রপ্ত করেছেন টিকে থাকার কৌশল। ব্রিজের ওপর তুচ্ছ প্রয়োজনে হঠাৎই স্তব্ধ হয়ে যায় মানবস্রোত। তীব্র দুপুর কিংবা বৃষ্টিবেলার চোরাবালিতে আটকে যাওয়ার মতো হাঁসফাঁস করতে থাকে মানুষের অসহায় চোখ।

ব্রিজে স্তব্ধতার নূতন উপসর্গ এক্সিডেন্ট। ঠিকঠাক তীব্র দুপুরে একদিন মালবোঝাই ট্রাক মলিন-প্রবীণ বরাবর পিসে দিলো একজন ভ্যানচালকের আপাদমস্তক। হরিহাট কাণ্ড শুরু হলো ব্রিজের ওপর। আটকে পড়া সহস্র জান উপেক্ষা করে দুপ্রান্ত থেকে ভেসে আসতে থাকলো মানবপোকা চেপ্টালাগা ভ্যানচালকের নিথর লাশদর্শনের আকর্ষণে। ট্রাকের চালক-হেল্পার কৌশলে মিশে গেছে পোকাস্রোতে। গুজবের ডালপালা বাতাসে বাতাসে, মানুষের কানে। ট্রাকভর্তি চোরাই মাল। মোবাইল ফোনে লাশের ফটো। পুলিশের পিছে পিছে শহর থেকে ছুটে এলো সাংবাদিকের লাটবহর। তীব্র জটে ঢুকে পড়লো টিভিক্যামেরা। চোরাই মালের ঘ্রাণ যাকে বলে।

৩. আমরা মলিন সেই প্রবীণের প্রতি মনোযোগ হারিয়েছি। আকারআয়তনহীন সর্বত্রগামীর কথাও ভুলতে বসেছি। সাংবাদিক মহাশয়েরা জিগ্গাসাবাদ আর ভিডিও ধারণে ব্যস্ত। একজন তরুণ মাউথপিসধারী ফেকে নাকি বুম বলে মলিনকে প্রশ্ন করে বসলেন, ‘চাচা, আপনি কী দেখেছেন? দোষ কার, ভ্যানচালক নাকি ট্রাক ড্রাইভারের?’

মলিন বুঝতে পারেননি তরুণ তাকেই প্রশ্ন ছুড়েছে এবং তার দিকেই হাঁ করে আছে ক্যামেরা। তরুণ উচ্চস্বরে আবার প্রশ্ন ছুড়লেন, ‘চাচা, আপনি কি দেখেছেন?’

ভাবলেশহীন মলিন জবাব দেন, ‘মুই কিছু দেখা পাঁও না বাবা।’

বিস্মিত হতাশ কণ্ঠ তরুণের, ‘দেখা পান না মানে, আপনি অন্ধ?’

মলিন তখনো ভাবলেশহীন, ‘মুই কানা মানুষ বাবা। মোক দশটা টাকা দেও।’

‘হেৎ, চল রে। এর ঠে শুনিবার কিছু নাই। ভিডিও ক্লিপটা থুইস ত, কাজে লাগাবা হবে।’

চরম বিরক্তি সাথে নিয়ে তরুণ মহাশয় অন্য দিকে ছুটলেন। ব্রিজের পূর্ব-পশ্চিমের তফাতটা আত্মগোপনে থাকলো।

সর্বদা সর্বত্র চলাচলকারী আকারআয়তনহীন সবজান্তাকে কেউ প্রশ্ন করে না। প্রশ্ন করবে কীভাবে, তাকে তো কেউ দেখে না। শুধু অস্তিত্ব অনুভব করে। বুঝতে পারে তিনি আছেন। তিনি সব দেখেন এবং জানেন। তবু তার কাছে প্রশ্ন নেই।

ব্রিজে প্রতিদিন ঘটনার পুনরাবৃত্তির সাথে পাল্লা দিয়ে নূতন ঘটনাও ঘটতে থাকে। নূতন-পুরাতনের প্রচলিত সাক্ষী মলিন ভিখিরি। তিনি কিছুই দেখেন না, শোনেন কি না কেউ জানে না।

৪. একদিন শ্রাবণ মেঘের বৃষ্টি নামলো আষাঢ়ে। স্নানের ফুর্তিতে গাছেদের আর মাছেদের উৎসবে ভেসে গেলো ব্রিজের আকাশ। গাছের আর মাছের অস্তিত্ব অনুভূতিকে স্পর্শ করলো অনেকদিন পর। ব্রিজের নিচে নদী, নদীতে পানি, পানিতে মাছ- এমন স্বাভাবিকতাও মানুষ ভুলে থাকতে পারে। গাছেদের আর মাছেদের বৃষ্টিউৎসব মানুষদের উপেক্ষার তোয়াক্কা করে না।

জলজদের প্রজনন মেলা বসে আষাঢ়ে বৃষ্টি এলে। ওরা যৌনসুখের রঙ্গিন চোখে আকাশ দেখে। মেঘের ভেলায় ভাসতে দেখে পাথরের ব্রিজ। ব্রিজে দোল খেলতে খেলতে বয়ে যাওয়া মানবপোকা। মানবগাড়ি ভাসতে থাকে মেঘের ভেলায়। সর্বত্রগামী বাতাস মায়ার জগতে সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে যেতে থাকে। জলজ দেখতে পায় ব্রিজের ওপর মেঘের সমান উঁচুতে শুভ্র দাড়িটুপিআলখাল্লায় স্মিতহাস্যে দাঁড়িয়ে ট্রাফিকের মতো হাত নাড়ছেন একজন অন্ধ ভিখিরি। সম্ভবত ভিখিরি আর অন্ধ নন। মলিনতার কোনো রেশও নেই। তিনি এখন দেবদূত। তাঁর হাতের ইশারায় মেঘের ভেলা, মানুষের স্রোত, থামছে-যাচ্ছে। সর্বত্রগামী বাতাস সর্বত্র গমন করছে আপন মর্জিতে।

এই বিভাগের আরও খবর
অলিখিত
অলিখিত
আলোর উৎসব
আলোর উৎসব
অবসন্ত
অবসন্ত
লক্ষ্মী
লক্ষ্মী
মহান মুক্তিযুদ্ধ
মহান মুক্তিযুদ্ধ
একটি শিশিরভেজা চিরকুট
একটি শিশিরভেজা চিরকুট
ভ্যালেন্টাইনস ডে
ভ্যালেন্টাইনস ডে
অপেক্ষা-দ্রষ্টব্য বাতাস
অপেক্ষা-দ্রষ্টব্য বাতাস
যদি তুমি ভালোবাসো
যদি তুমি ভালোবাসো
ফ্যাট ও ফাটল
ফ্যাট ও ফাটল
হৃদয়ে বসন্ত চোখে কুয়াশা
হৃদয়ে বসন্ত চোখে কুয়াশা
ভাষার সৌন্দর্য
ভাষার সৌন্দর্য
সর্বশেষ খবর
এইআইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ‘ফাঁকা’ বই প্রকাশ করলেন ১০ হাজার লেখক
এইআইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ‘ফাঁকা’ বই প্রকাশ করলেন ১০ হাজার লেখক

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক
সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক

৫৩ মিনিট আগে | জাতীয়

পোশাক রপ্তানিতে ভাটার টান
পোশাক রপ্তানিতে ভাটার টান

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ভারত সফর বাতিল করলেন র‍্যাপার ফ্লিপারচি
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ভারত সফর বাতিল করলেন র‍্যাপার ফ্লিপারচি

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছবে, হুঁশিয়ারি ইরানের
তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছবে, হুঁশিয়ারি ইরানের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের
ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ঘোষণা আইসিসির
বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ঘোষণা আইসিসির

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ
দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক
বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের নিন্দা এনসিপির
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের নিন্দা এনসিপির

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মৃত্যুর শরবত সবাইকেই পান করতে হবে
মৃত্যুর শরবত সবাইকেই পান করতে হবে

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঢাকাস্থ বদলগাছী সমিতির ইফতার
ঢাকাস্থ বদলগাছী সমিতির ইফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত
ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ
কুমিল্লায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঘুমের মধ্যে বালিশে লালা ঝরা হতে পারে গুরুতর শারীরিক সমস্যার পূর্বাভাস
ঘুমের মধ্যে বালিশে লালা ঝরা হতে পারে গুরুতর শারীরিক সমস্যার পূর্বাভাস

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

দুবাই ছাড়ছেন মানুষ, রাস্তায় পড়ে থাকছে হাজারো পোষা প্রাণী
দুবাই ছাড়ছেন মানুষ, রাস্তায় পড়ে থাকছে হাজারো পোষা প্রাণী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্পটিফাইয়ে এক বছরে দেড় হাজারের বেশি শিল্পী পেলেন ১০ লাখ ডলারের রয়্যালটি
স্পটিফাইয়ে এক বছরে দেড় হাজারের বেশি শিল্পী পেলেন ১০ লাখ ডলারের রয়্যালটি

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলতেই মেজাজ হারালেন সাবেক এমপি ওমর ফারুক
টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলতেই মেজাজ হারালেন সাবেক এমপি ওমর ফারুক

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার
শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩ মাদক কারবারিসহ গ্রেফতার ১৯
সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩ মাদক কারবারিসহ গ্রেফতার ১৯

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রূপগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলের হামলায় বাবা ও বড় ভাই আহত
রূপগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলের হামলায় বাবা ও বড় ভাই আহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে ১৮ মামলার আসামি দিপু আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার
নারায়ণগঞ্জে ১৮ মামলার আসামি দিপু আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নীলফামারীতে চোরাই গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ১
নীলফামারীতে চোরাই গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ১

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিনে ভারত থেকে এলো ৫ হাজার টন ডিজেল
দুই দিনে ভারত থেকে এলো ৫ হাজার টন ডিজেল

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইথিওপিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসে ৩০ জনের প্রাণহানি
ইথিওপিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসে ৩০ জনের প্রাণহানি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খণ্ডিতভাবে ডেপুটি স্পিকার চাচ্ছি না, আমরা চাই প্যাকেজ: জামায়াত আমির
খণ্ডিতভাবে ডেপুটি স্পিকার চাচ্ছি না, আমরা চাই প্যাকেজ: জামায়াত আমির

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান
দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল
ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প
৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল
ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?
অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার
ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারী ও বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নতুন হামলা চালাল ইরান
ভারী ও বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নতুন হামলা চালাল ইরান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো
মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’
‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান
মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?
রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি
গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুতুবদিয়ার সৈকতে পাঁচ দিন ধরে পড়ে আছে মৃত তিমি
কুতুবদিয়ার সৈকতে পাঁচ দিন ধরে পড়ে আছে মৃত তিমি

২০ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের
বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি
আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরান আক্রান্ত হলে সমগ্র বিশ্বকে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে’
‘ইরান আক্রান্ত হলে সমগ্র বিশ্বকে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে’

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধজাহাজে হামলায় নিহত ৮৪ নাবিকের মরদেহ ইরানি দূতাবাসে হস্তান্তরের নির্দেশ
যুদ্ধজাহাজে হামলায় নিহত ৮৪ নাবিকের মরদেহ ইরানি দূতাবাসে হস্তান্তরের নির্দেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্য ছাড়লেন ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক
মধ্যপ্রাচ্য ছাড়লেন ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো স্পেন
ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো স্পেন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের
দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন

সম্পাদকীয়

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

পেছনের পৃষ্ঠা

১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায়  প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার
১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার

নগর জীবন

কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন
কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন

পেছনের পৃষ্ঠা

জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে
জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা
জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা

দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা

প্রথম পৃষ্ঠা

যানজটে আটকে গেল ট্রেন
যানজটে আটকে গেল ট্রেন

নগর জীবন

জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম
জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম

নগর জীবন

ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট
ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট

পেছনের পৃষ্ঠা

ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!

প্রথম পৃষ্ঠা

কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি
কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি
হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা
অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ
নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার
স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার

শোবিজ

সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ
সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ

নগর জীবন

স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

দেশগ্রাম

আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা
অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা

নগর জীবন

সংসদ অধিবেশন
সংসদ অধিবেশন

সম্পাদকীয়

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু

নগর জীবন

বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার
বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার

নগর জীবন

সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নগর জীবন

ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি
ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি

শোবিজ

খুলনায় ডিলারদের তেল সরবরাহ বন্ধ
খুলনায় ডিলারদের তেল সরবরাহ বন্ধ

নগর জীবন

সরকার জাতিকে জুলাই গণ অভ্যুত্থান ভুলিয়ে দিতে চায়
সরকার জাতিকে জুলাই গণ অভ্যুত্থান ভুলিয়ে দিতে চায়

নগর জীবন

জুনে চালু হতে পারে ই-হেলথ কার্ড
জুনে চালু হতে পারে ই-হেলথ কার্ড

নগর জীবন