শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

প্রথম প্রেম

আবু নেসার শাহীন
প্রিন্ট ভার্সন
প্রথম প্রেম

গল্প

মাঝরাত। ঘুমন্ত স্ত্রীর মুখের দিকে বেশ কিছুক্ষণ একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকার পর উঠে বসে রঞ্জুু। এলোমেলো চুল। গলায় মাংসল ভাঁজ। মুখে অনেক তিল। চোখের নিচে গাঢ় কালি পড়েছে। কী জোরে নাক ডেকে ঘুমুচ্ছে! রঞ্জুর এসব সহ্য হয়ে গেছে। এ রকম শব্দের ভিতরই নিশ্চিন্তে ঘুমুতে পারে। আজ অবশ্য ঘুম আসছে না। মাঝে মাঝে এ রকম হয়। আর ঘুম না এলেই নীলা চলে আসে ভাবনায়।

তার মতো নীলাও কি মাঝেমধ্যে সাঁইত্রিশ বছর আগের কথা ভাবে এরকম?

জাগজুর গ্রাম। গ্রামের পাশে ডাকাতিয়া নদী। নদীর ওপর বাঁশের সাঁকো। একদিন কলেজ ছুটির পর রঞ্জুর পিছু নেয় নীলা। সাঁকো পার হওয়ার সময় থমকে দাঁড়ায়। নীলাকে আগাগোড়া দেখে। নীলা লজ্জা পায়। ঝোপের আড়ালে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকে। চারদিক সুনসান। কোথাও কেউ নেই। রঞ্জু নিচু গলায় বলে, নীলা তুঁই আর হিছন হিছন আইতাছো কিল্লাই? তোঁর গ্রাম তো নদীর এপাড়।

নীলা কিছু বলে না। গত এক বছর কনকাপৈত কলেজে পড়ছে তারা। সুন্দরী নীলার পেছনে কলেজের অনেক ছেলেই ঘুরঘুর করে। তার মধ্যে রঞ্জুর দু-একজন বন্ধুও রয়েছে। নীলাকে নিয়ে ঘর বাঁধার স্বপ্ন অনেকের। রঞ্জুর অবশ্য মেয়েদের নিয়ে ভাবার সময় নেই। রাতদিন পড়াশোনায় ব্যস্ত থাকে। ভালো রেজাল্ট করে বিসিএস দেবে। নিজের পায়ে দাঁড়াবে। নীলা কিছু বলছে না দেখে রঞ্জু আবারও বলল

- কী কতা, কও? কারেন্টের খাম্বার মতো খাড়াই থাইকলে অইব?

- আঁই তোঁরে ভালোবাসি। নীলার শরীর কাঁপে, স্পষ্ট বুঝতে পারে রঞ্জুু। রঞ্জু অবাক হয়। কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর শব্দ করে হাসে। তার হাসি দেখে নীলা ভয় পায়। রঞ্জু হাসি থামিয়ে বলে

-দুইন্নাইতে এত পোলা থুই আঁরেনে তোঁর মনে ধরছে? হিছা মার আঁর কোয়ালে, হিছা মার। মাইনষ্যের বাইত জাগির মাস্টার থাই লেহাপড়া করি। বাপ নাই। ঘরে বিধবা মা, মেম্বার বাইত ঝিয়ের কাজ করে।

-সব সময় কি দিন এমন থাইকব? দিন বদলাইব না? নীলা মাথা উঁচু করে।

- ঠিক আছে, তুঁই যাও।

নীলা চলে যায়। সে নীলার চলে যাওয়া দেখে। সে নদী পার হয়ে খেতের আঁকাবাঁকা পথ ধরে হাঁটে। তার গ্রাম একদিকে আর হাঁটে আরেক দিকে।

সে রাতে এক ফোটাও ঘুমুতে পারেনি রঞ্জুু। তার মতো হতদরিদ্র কাউকে যেকোনো মেয়ে ভালোবাসতে পারে, এটা কিছুতেই তার মাথায় আসছে না। এও কি সম্ভব? পুরো ব্যাপারটা কল্পনা মনে হয়। গভীর রাতে কাছারি ঘর ছেড়ে বের হয়। বাইরে চমৎকার জোছনা। ফুরফুরে বাতাস বইছে। গ্রামের এ মাথা থেকে ও মাথা পর্যন্ত হাঁটে। শেষ রাতের দিকে যখন ঘুমুতে যায়, তখন ফজরের আজান পড়ে।

পরদিন কলেজে গিয়ে চুপচাপ ক্লাস করে। নীলাও নির্বিকার। একবারও তার দিকে তাকায়নি। কিন্তু কলেজ ছুটির পর আজও নীলা তার পিছু নেয়। সাঁকোর কাছাকাছি এসে থমকে দাঁড়ায় দুজন। রঞ্জু দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, আঁই অনেক ভাবছি। কোনাই তোন্ডা আর কোনাই আন্ডা। তুঁই কফিল মোড়লের মাইয়া।

 

- তোঁর সাহস এত কম কিল্লাই? মনে অয় বুকের মইধ্যে ইগগা লোমও নাই। নীলা মুখ টিপে হাসে।

- তুঁই তো আঁর বেক হিস্ট্রি জানো। রঞ্জুর গলায় একরাশ হতাশা।

-জানি। আইচ্ছা আইজ যাই। মনদি লেহাপড়া কর। ভাইগ্যে যা আছে তাই অইব।

নীলা চলে যায়। যতক্ষণ নীলাকে দেখা যায়, চুপচাপ দাঁড়িয়ে থেকে দেখে রঞ্জুু। নদী পার হয়ে হাঁটতে হাঁটতে অনুভব করে সেও নীলাকে ভালোবেসে ফেলেছে।

তারপর থেকে প্রায় রোজই কলেজ ছুটির পর সাঁকোর কাছে গল্প করে দুজন। স্বপ্নের কথা প্রায় ভুলে যায় রঞ্জুু। পড়ালেখায় মন নেই বললেই চলে। রাতদিন নীলাকে ভাবে। একপর্যায়ে মানুষের চোখে ধরা পড়ে যায়। একান-ওকান করে খবর ছড়ায় পুরো  গ্রাম, এলাকায়।

এদিকে দেখতে দেখতে ফাইনাল পরীক্ষা এসে গেল। দুজনের কারও প্রস্তুতি ভালো না। পরীক্ষা হলো। রেজাল্ট হলো। রঞ্জু মোটামুটি ফল করলেও নীলা করল ফেল। রেজাল্টের দিন নীলার সে কী কান্না!

তারও কিছুদিন পর নীলার বিয়ে ঠিক হয়। রঞ্জুু দিশাহারা। কী করবে? তার পক্ষে নীলাকে ছেড়ে থাকা অসম্ভব। একবার সিদ্ধান্ত নেয় নীলার বাবার সামনে গিয়ে দাঁড়াবে। কিন্তু কফিল মোড়ল যা রাগী আর দেমাগি লোক, তার সাথে মেয়ের বিয়ে দিতে কিছুতেই রাজি হবেন না। তার তো কিছুই নেই। এক টুকরো ভিটে, তার মধ্যে ছোট্ট একটা কুঁড়েঘর। সারা দিন মেম্বার বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে সে ঘরে ঘুমায় বিধবা মা। বাতের ব্যথায় ঠিকমতো ঘুমুতে পারে না। টাকা নেই যে মায়ের ভালো চিকিৎসা করাবে। এসব ভেবেই নীলাকে নিয়ে পালাতে সাহস পায় না।

নীলা বিয়ের রাতে পালিয়ে রঞ্জুর কাছারি ঘরে ঢুকে হাউমাউ করে কাঁদে। শরীরে হলুদের গন্ধ। মাথায় উশকোখুশকো চুল। দুই পায়ে কাদা। গা ভর্তি গহনা। রঞ্জুু সান্ত্বনা দেয়। কিন্তু নীলার কান্না থামে না। সে একনাগাড়ে কেঁদে চলে। তার কান্না শুনে এগিয়ে আসে গৃহস্থ পরিবার। সব শুনে গৃহকর্তা বললেন,

-সব কতাই তো বুঝলাম। কফিল মোড়ল লোক ভালো না। তাও, দুজন দুজনকে যেহেতু ভালোবাসো, সেহেতু একটা রিস্ক নিলাম।

রাতেই হুজুর ডেকে বিয়ে পড়ানো হয়। গৃহকর্ত্রী নীলাকে নিজের ঘরে নিয়ে যান। রঞ্জুর মা খবর পেয়ে ছুটে আসে। কিন্তু নির্বাক। কারও সাথে কোনো কথা বলে না। পরদিন সারা দিন বৃষ্টির পর শেষ বিকেলে পশ্চিম আকাশে বিশাল সূর্য ওঠে। গৃহকর্তার বছরঠিকা কামলা কুদ্দুস দৌড়ে বাড়িতে ঢোকে। উঠোনে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলে, রঞ্জুু ভাইছা তাড়াতাড়ি হলাই যান। কফিল মোড়ল পুলিশ লই আইতাছে।

রঞ্জু দীর্ঘশ্বাস ফেলে। এ অবস্থায় তার কী করা উচিত? সে বিভ্রান্তের মতো পায়চারি করে। তার কিছুক্ষণ পর কফিল মোড়ল সত্যিই পুলিশ নিয়ে উঠোনে ঢুকে চিৎকার চেঁচামেচি হইচই করতে থাকেন। প্রচুর লোকজন জড়ো হয়। নীলা আছড়ি-পিছড়ি কাঁদে। একপর্যায়ে কফিল মোড়ল নীলাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যান। কারও কিছু করার থাকে না। ধীরে ধীরে লোকজনের ভিড় কমতে থাকে। রঞ্জু শূন্য দৃষ্টি মেলে তাকিয়ে থাকে। তার বিধবা মা কপাল চাপড়ে আহাজারি করে ওঠে

-ইচ্ছা কইরা সাপের লেইংজায় ঠ্যাং দিছস। এহন বুঝবি বিষের জ্বালা কারে কয়!

নীলার চিন্তায় অস্থির হয়ে পড়ে রঞ্জু। নাওয়া-খাওয়া প্রায় ছেড়েই দেয়। মাত্র কয়েক দিনেই শরীর শুকিয়ে কাঠ। চোখের নিচে গাঢ় কালি। মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি। সারা দিন কাছারি ঘরে শুয়ে বসে থাকে। এদিকে কুদ্দুস প্রতিদিন একটা না একটা দুঃসংবাদ নিয়ে আসে। নীলা বিষ খেয়েছে, জঙ্গলে ফাঁস দিতে গিয়ে ধরা পড়েছে। গভীর রাতে পালাতে গিয়েও ধরা পড়েছে। এসব খবর শুনে তার মাথা ঠিক থাকে না।

                তারও তিন মাস পর ডাকপিয়ন এসে একটা রেজিস্ট্রি চিঠি দিয়ে যায়। সে চিঠি পড়ে হাসে। বুক ভাঙা বেদনার হাসি। নীলা তাকে ডিভোর্স দিয়েছে। গভীর রাতে ঘর ছেড়ে বের হয়। পাঁচ মাইল পথ পায়ে হেঁটে হাসানপুর স্টেশনে আসে। চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। প্রচণ্ড বৃষ্টি। বিকট শব্দে বাজ পড়ে। ভোর রাতে একটা ট্রেনে চেপে ঢাকায় আসে। কমলাপুর স্টেশনে নেমে একজন লোকের সাথে পরিচয় হয়। লোকটা তাকে কলাবাগান লেক সার্কাস গলিতে একটা মেস ঠিক করে দেয়।

আলতাফ টিনশেড মেস। পাশে একতলা বিল্ডিং। বিল্ডিংয়ের ছাদের ওপর বিশাল আম গাছ ঝুঁকে আছে। রোজ বিকেলে সে ছাদের রেলিংয়ে বসে একটা মেয়ে। দীঘল কালো চুল। নীল পদ্মের শীতল মায়াবী চোখ। অনেকক্ষণ চুপচাপ বসে থেকে সন্ধ্যের ঠিক আগ মুহূর্তে চলে যায়। মেসের জানালায় দাঁড়িয়ে মাঝেমধ্যে মেয়েটাকে দেখে রঞ্জুু। আবার মাঝেমধ্যে মেয়েটিকে নিয়ে ভাবেও। কিছুক্ষণ ভাবার পর মনটা বিষিয়ে ওঠে। নীলার কথা মনে পড়ে। নীলার বাবা তাকে পছন্দের পাত্রের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছেন। তার একটা মেয়েও হয়েছে।

বছরখানিক পর একদিন ভোরবেলা মেসে একজন বয়স্ক লোক এসে রঞ্জুর খোঁজ করেন। রঞ্জু ঘুম থেকে উঠে লোকটার সামনে দাঁড়ায়। লোকটা রঞ্জুর মাথা থেকে পা পর্যন্ত দেখেন। রঞ্জুু দুই চোখ কপালে তুলে বলে, কে আফনে?

- আমি জামশেদ খান। পাশের একতলা বিল্ডিং আমার। সুকন্যার বিয়ে ঠিক হয়েছে। কিন্তু সে বিয়ে করবে না।

- কোন সুকন্যা? রঞ্জুু একটা চেয়ার টেনে বসতে দেয় ভদ্রলোককে।

-যে রোজ বিকেলে ঐ একতলা বিল্ডিংয়ের ছাদে উঠে রেলিংয়ের ওপর বসে থাকে।

- ও আইচ্ছা। কিন্তু হে বিয়া করব না কিল্লাই?

-তার সাফ কথা, সে বিয়ে করলে তোমাকে করবে। এখন বাবা বলত, তুমি কী কর? তোমার বৃত্তান্ত...

জামশেদ খান পাঞ্জাবির পকেট থেকে তসবিহ বের করে দোয়া পড়েন।

জামশেদ খানের কথা শুনে রঞ্জু আকাশ থেকে পড়ে। সে ভ্রু-কুঁচকে বলে- সর্বনাশ! হের লগে তো আঁর হরিচয়ও নাই। আর অ্যাঁই মাস্টার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়ি। তিনটা টিউশনি করি নিজের খরচ চালাই।

- আমরা তাকে অনেক বুঝিয়েছি। কিন্তু সে তার সিদ্ধান্তে অটল। নাছোড়বান্দা। বড় আদরের মেয়ে আমার!

- অ্যাঁর সম্পর্কে না জানি এ রকম সিদ্ধান্ত নিছে। বেক কিছু জানলে হয়তো...

-যাই হোক, সন্ধ্যার পর আমার গরিবখানায় একবার ঢুঁ মেরে যেও। তোমার চাচি তোমাকে দেখতে চায়।

জামশেদ খান দোয়া দরুদ পড়তে পড়তে চলে যান। রুমমেটরা ছুটে আসে।

একজন বলে- তোমার তো রাজভাগ্য ভাই।

সন্ধের পর রঞ্জু ভদ্রতার খাতিরেই ওই বাসায় গিয়ে দেখে সুকন্যা সেজেগুজে বসে আছে। তাকে দেখে উঠে দাঁড়ায়। কিছুক্ষণ পর ধপ করে বসে। সে ইতস্তত বোধ করে। সুকন্যা নিচু গলায় বলে, আমি সব জানি।

- কী জানেন? সেও চমকে উঠে প্রশ্ন করে।

- নীলা। আপনের নীলা। এখন নীলাকে ভুলে যান। সুকন্যা মুচকি হাসে।

- এতকিছু জানলেন ক্যামনে?

- জানার ইচ্ছে থাকলে জানা যায়। আজ রাতের ট্রেনে আপনার মা ঢাকা আসছেন। তৈরি হন। বলেই সুকন্যা চলে যায়।

সবকিছু স্বপ্নের মতো মনে হয়। কেউ একজন চা-নাশতা দিয়ে যায়। পরদিনই বিয়ে হয় রঞ্জু-সুকন্যার।

সাঁইত্রিশ বছর পর রাত জেগে এসব ভেবে সময় নষ্ট করে লাভ নেই। রঞ্জু খাট থেকে নামতে যাবে, এমন সময় সুকন্যার  ঘুম ভেঙে যায়। সুকন্যা আড়মোড়া ভেঙে বিছানায় উঠে বসে। একবার দেয়াল ঘড়ির দিকে তাকায়, আরেকবার রঞ্জুর দিকে। রঞ্জু মুচকি হাসে। সুকন্যা পানের বাটা নিয়ে বসে বলল, তোমার ছেলেমেয়ে দুটোত ফোন করা ছেড়েই দিয়েছে। আমেরিকায় কী এমন ব্যস্ত, তারাই জানে।

-হুঁ। রঞ্জুু দীর্ঘশ্বাস ফেলে।

- যাও না, কয়েক মাস ওদের কাছে থেকে এসো।

- না। বিদেশ আমার ভালো লাগে না

- তাহলে গ্রামে গিয়ে মাসখানেক থেকে আসো।

ভাগ্য ভালো হলে তোমার নীলার সাথে দেখাও হয়ে যেতে পারে।

রঞ্জু শব্দ করে হাসে। সুকন্যা সুপারি কাটতে কাটতে রঞ্জুকেও কটাক্ষে কাটে। আড়চোখে চেয়ে বলে- খুব মনে পড়ে, না? আসলে প্রথম প্রেমতো!

রঞ্জু ভাবে সুকন্যাও তো তাকে পাগলের মতো ভালোবাসে। তার সামান্য কিছু হলে অস্থির হয়ে পড়ে। অথচ নীলাকে আজও ভুলতে পারে না সে। হয়তো সুকন্যার কথাই ঠিক-  প্রথম প্রেম তো!

এই বিভাগের আরও খবর
অলিখিত
অলিখিত
আলোর উৎসব
আলোর উৎসব
অবসন্ত
অবসন্ত
লক্ষ্মী
লক্ষ্মী
মহান মুক্তিযুদ্ধ
মহান মুক্তিযুদ্ধ
একটি শিশিরভেজা চিরকুট
একটি শিশিরভেজা চিরকুট
ভ্যালেন্টাইনস ডে
ভ্যালেন্টাইনস ডে
অপেক্ষা-দ্রষ্টব্য বাতাস
অপেক্ষা-দ্রষ্টব্য বাতাস
যদি তুমি ভালোবাসো
যদি তুমি ভালোবাসো
ফ্যাট ও ফাটল
ফ্যাট ও ফাটল
হৃদয়ে বসন্ত চোখে কুয়াশা
হৃদয়ে বসন্ত চোখে কুয়াশা
ভাষার সৌন্দর্য
ভাষার সৌন্দর্য
সর্বশেষ খবর
এইআইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ‘ফাঁকা’ বই প্রকাশ করলেন ১০ হাজার লেখক
এইআইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ‘ফাঁকা’ বই প্রকাশ করলেন ১০ হাজার লেখক

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক
সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

পোশাক রপ্তানিতে ভাটার টান
পোশাক রপ্তানিতে ভাটার টান

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ভারত সফর বাতিল করলেন র‍্যাপার ফ্লিপারচি
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ভারত সফর বাতিল করলেন র‍্যাপার ফ্লিপারচি

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছবে, হুঁশিয়ারি ইরানের
তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছবে, হুঁশিয়ারি ইরানের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের
ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ঘোষণা আইসিসির
বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ঘোষণা আইসিসির

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ
দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক
বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের নিন্দা এনসিপির
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের নিন্দা এনসিপির

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মৃত্যুর শরবত সবাইকেই পান করতে হবে
মৃত্যুর শরবত সবাইকেই পান করতে হবে

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঢাকাস্থ বদলগাছী সমিতির ইফতার
ঢাকাস্থ বদলগাছী সমিতির ইফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত
ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ
কুমিল্লায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঘুমের মধ্যে বালিশে লালা ঝরা হতে পারে গুরুতর শারীরিক সমস্যার পূর্বাভাস
ঘুমের মধ্যে বালিশে লালা ঝরা হতে পারে গুরুতর শারীরিক সমস্যার পূর্বাভাস

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

দুবাই ছাড়ছেন মানুষ, রাস্তায় পড়ে থাকছে হাজারো পোষা প্রাণী
দুবাই ছাড়ছেন মানুষ, রাস্তায় পড়ে থাকছে হাজারো পোষা প্রাণী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্পটিফাইয়ে এক বছরে দেড় হাজারের বেশি শিল্পী পেলেন ১০ লাখ ডলারের রয়্যালটি
স্পটিফাইয়ে এক বছরে দেড় হাজারের বেশি শিল্পী পেলেন ১০ লাখ ডলারের রয়্যালটি

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলতেই মেজাজ হারালেন সাবেক এমপি ওমর ফারুক
টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলতেই মেজাজ হারালেন সাবেক এমপি ওমর ফারুক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার
শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩ মাদক কারবারিসহ গ্রেফতার ১৯
সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩ মাদক কারবারিসহ গ্রেফতার ১৯

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রূপগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলের হামলায় বাবা ও বড় ভাই আহত
রূপগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলের হামলায় বাবা ও বড় ভাই আহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে ১৮ মামলার আসামি দিপু আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার
নারায়ণগঞ্জে ১৮ মামলার আসামি দিপু আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নীলফামারীতে চোরাই গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ১
নীলফামারীতে চোরাই গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ১

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিনে ভারত থেকে এলো ৫ হাজার টন ডিজেল
দুই দিনে ভারত থেকে এলো ৫ হাজার টন ডিজেল

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইথিওপিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসে ৩০ জনের প্রাণহানি
ইথিওপিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসে ৩০ জনের প্রাণহানি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খণ্ডিতভাবে ডেপুটি স্পিকার চাচ্ছি না, আমরা চাই প্যাকেজ: জামায়াত আমির
খণ্ডিতভাবে ডেপুটি স্পিকার চাচ্ছি না, আমরা চাই প্যাকেজ: জামায়াত আমির

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান
দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল
ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প
৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল
ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?
অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার
ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারী ও বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নতুন হামলা চালাল ইরান
ভারী ও বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নতুন হামলা চালাল ইরান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো
মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’
‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান
মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?
রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি
গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুতুবদিয়ার সৈকতে পাঁচ দিন ধরে পড়ে আছে মৃত তিমি
কুতুবদিয়ার সৈকতে পাঁচ দিন ধরে পড়ে আছে মৃত তিমি

২০ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের
বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি
আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরান আক্রান্ত হলে সমগ্র বিশ্বকে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে’
‘ইরান আক্রান্ত হলে সমগ্র বিশ্বকে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে’

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধজাহাজে হামলায় নিহত ৮৪ নাবিকের মরদেহ ইরানি দূতাবাসে হস্তান্তরের নির্দেশ
যুদ্ধজাহাজে হামলায় নিহত ৮৪ নাবিকের মরদেহ ইরানি দূতাবাসে হস্তান্তরের নির্দেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্য ছাড়লেন ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক
মধ্যপ্রাচ্য ছাড়লেন ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো স্পেন
ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো স্পেন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের
দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর রাডারের পরীক্ষা নিচ্ছে ইরান?
ন্যাটোর রাডারের পরীক্ষা নিচ্ছে ইরান?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন

সম্পাদকীয়

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

পেছনের পৃষ্ঠা

১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায়  প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার
১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার

নগর জীবন

জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে
জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন
কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন

পেছনের পৃষ্ঠা

জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা
জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা

দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা

প্রথম পৃষ্ঠা

যানজটে আটকে গেল ট্রেন
যানজটে আটকে গেল ট্রেন

নগর জীবন

জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম
জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম

নগর জীবন

ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট
ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট

পেছনের পৃষ্ঠা

ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!

প্রথম পৃষ্ঠা

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা
অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি
হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি
কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার
স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার

শোবিজ

নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ
নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ
সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ

নগর জীবন

স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

দেশগ্রাম

আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা
অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা

নগর জীবন

সংসদ অধিবেশন
সংসদ অধিবেশন

সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার
বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার

নগর জীবন

সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নগর জীবন

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু

নগর জীবন

খুলনায় ডিলারদের তেল সরবরাহ বন্ধ
খুলনায় ডিলারদের তেল সরবরাহ বন্ধ

নগর জীবন

জুনে চালু হতে পারে ই-হেলথ কার্ড
জুনে চালু হতে পারে ই-হেলথ কার্ড

নগর জীবন

ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি
ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি

শোবিজ

সরকার জাতিকে জুলাই গণ অভ্যুত্থান ভুলিয়ে দিতে চায়
সরকার জাতিকে জুলাই গণ অভ্যুত্থান ভুলিয়ে দিতে চায়

নগর জীবন