শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ভাষা আন্দোলনের ছায়ায় প্রথম উপন্যাস

আরেক ফাল্গুন

সালাহউদদীন আহমেদ মিলটন
প্রিন্ট ভার্সন
আরেক ফাল্গুন

বাঙালি চেতনায় উদ্ভাসিত এক আলোকবর্তিকার নাম- জহির রায়হান। ছাত্রাবস্থায় তিনি অগ্রজ শহীদুল্লাহ কায়সারের হাত ধরে বাম রাজনীতির সংস্পর্শে আসেন। তিনি ১৯৫৩-৫৪ সালে কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ লাভ করেন এবং কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম নেতা মণি সিংহের দেওয়া নাম ‘রায়হান’ গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ‘জহির রায়হান’ নামেই সমধিক পরিচিত হয়ে ওঠেন। তাঁর পারিবারিক নাম মো. জহির উল্লাহ।

গবেষকগণ জহির রায়হানকে বাংলাদেশের সাহিত্য ও চলচ্চিত্র জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র বলে থাকেন। তবে তিনি ভাষা সংগ্রামেরও এক অনিবার্য প্রতীক। তাঁর সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের প্রতিটি স্তরে প্রতিফলিত হয়েছে শোষক ও শোষিতের দ্বন্দ্ব, ক্ষমতার নগ্নতা এবং মানুষের মুক্তির আকাক্সক্ষা। যদিও তিনি কোনো তাত্ত্বিক জটিলতায় আবদ্ধ ছিলেন না। তবে তাঁর ক্ষুরধার কলম ও গতিশীল ক্যামেরা একই সঙ্গে ইতিহাসের সাক্ষ্য এবং প্রতিবাদের ভাষা হয়ে উঠেছিল।

জহির রায়হান এমন একসময়ে জন্মগ্রহণ করেন- যখন তাঁর জন্মস্থান ঔপনিবেশিক শাসন, দেশভাগ ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্যে আবদ্ধ ছিল। পাকিস্তানি শাসনামলে বাঙালির ভাষা, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক অধিকার যখন পদদলিত, তখন তাঁর শিল্পচেতনা স্বাভাবিকভাবেই প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। তিনি ছিলেন ভাষা ও স্বাধীনতা আন্দোলনের সক্রিয় অংশগ্রহণকারী। তাঁর এই প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা তাঁর সৃষ্টিকে দিয়েছে বাস্তবতার কঠিন স্পর্শ। আর এখানেই তাঁর সৃষ্টি হয়ে ওঠে এক অনন্য শিল্পদর্শনের শক্তি।

আমরা যদি তাঁর ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাস রচনার প্রেক্ষাপট ভালোভাবে জানতে চেষ্টা করি, তবে তাঁকে একটু পেছন ফিরে দেখতে হবে।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি একজন সাহসী ও সক্রিয় কর্মী হিসেবে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক গঠিত সংগ্রাম কমিটির দায়িত্ব পালন করেন।

২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা শহরে মিছিল, মিটিং, সমাবেশ প্রভৃতি নিষিদ্ধ করে তৎকালীন পাকিস্তানি সরকার ১৪৪ ধারা জারি করলে ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভেঙে খণ্ড-খণ্ড মিছিল বের হলে প্রথম গ্রেপ্তার হওয়া ১০ জনের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। ১৯৫৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের আন্দোলনের সময়েও তাঁকে গ্রেপ্তার করে কারারুদ্ধ করা হয়েছিল। অতএব বলা যায়, তিনি ভাষা আন্দোলন ও এর পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের একজন নির্ভীক সৈনিক। আর এমন ঐতিহাসিক বাস্তবতার আগুন সাক্ষী হয়ে ১৯৬৮ সালে লিখলেন এক অমর আখ্যান ‘আরেক ফাল্গুন’।

এ উপন্যাসে তিনি দেখিয়েছেন জাতিসত্তার আত্মপ্রকাশ ও ভাষা আন্দোলনের চেতনা। অর্থাৎ ভাষা আন্দোলন কেবল সাংস্কৃতিক সংগ্রাম নয়, বরং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও নিপীড়িত জনগণের মধ্যকার দ্বন্দ্বের প্রকাশ। এখানে রাষ্ট্র শাসক শ্রেণির প্রতিনিধিত্ব করে, আর ভাষার জন্য লড়াইরত তরুণরা প্রতিনিধিত্ব করে নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর। ব্যক্তিগত প্রেম ও আত্মত্যাগ এখানে শ্রেণিসংগ্রামের অংশ হয়ে ওঠে।

উপন্যাসটির প্রথম পৃষ্ঠায় লেখক ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহের সময়ে লালবাগ কেল্লায় অবস্থানরত নিরীহ সৈনিকদের ব্রিটিশ মেরিন সেনারা গভীর রাতে অতর্কিত আক্রমণ করে নৃশংসভাবে হত্যা এবং বন্দি সৈনিকদের আন্ডারগোরা (ভিক্টোরিয়া পার্ক) ময়দানের গাছে ঝুলিয়ে ফাঁসি দেওয়ার দৃশ্য তুলে ধরে। পরক্ষণেই তিনি লিখলেন- “সকালে কুয়াশায় ঢাকা পড়েছিল পুরো আকাশটা। আকাশের অনেক নিচু দিয়ে মন্থরগতিতে ভেসে চলেছিল এক টুকরো মেঘ। উত্তর থেকে দক্ষিণ- রং তার অনেকটা জমাট কুয়াশার মতো দেখতে। ভিক্টোরিয়া পার্কের পাশ দিয়ে ঠিক সেই মেঘের মতো একটি ছেলেকে হেঁটে যেতে দেখা গেল নবাবপুরের দিকে। দক্ষিণ থেকে উত্তরে। পরনে তার সদ্য ধোয়ান সাদা শার্ট, সাদা প্যান্ট, পা-জোড়া খালি। জুতো নেই।”

মূলত এই ছেলেটিই ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মুনিম। মুনিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা। চরিত্রটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে আর বুঝতে অসুবিধা হবে না যে, মুনিম চরিত্রের মধ্যে লেখক নিজেই নিজেকে দাঁড় করিয়েছেন। আমরা বলতেই পারি- উপন্যাসের সূচনালগ্নে সিপাহি বিদ্রোহের স্মৃতিময়তা উপন্যাসটির অসাধারণ তাৎপর্য বহন করে। তা ছাড়া ‘মেঘের গতি উত্তর থেকে দক্ষিণে আর মুনিমের গতি দক্ষিণ থেকে উত্তরে’ এই বর্ণনার সংকেতময় শৈল্পিকতায় যে কোনো পাঠক দেশাত্মবোধে উজ্জীবিত হয়ে উঠবে। তবে উপন্যাসটির শেষ বাক্যে লেখক যখন  লিখলেন- ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা কিন্তু দ্বিগুণ হব’ তখন তা হয়ে ওঠে সংগ্রামের এক রক্তিম স্লোগান কিংবা মুক্তির মন্ত্রে ঝলসে ওঠা এক বৈশাখী নিশান। মূলত এই বাক্যটিই ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসের প্রধান বীর্যবয়ান। এই কণ্ঠস্বরের ভিতরেই ধ্বনিত হয়েছে সম্মিলিত কণ্ঠধ্বনি। নতুন বসন্তের বার্তা।

উপন্যাসটি ১৯৫৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষাশহীদ দিবস পালনকে কেন্দ্র করে রচিত হলেও বিভিন্নজনের স্মৃতিতে শ্রদ্ধাভরে উঠে এসেছে ১৯৫২ সালের ভাষা সংগ্রামের কথা। শহীদ বরকতসহ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিলে অংশগ্রহণকারী দুঃসাহসী ছাত্র-জনতার কথা।

‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসটি ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত প্রথম উপন্যাস। ফলে এর ঐতিহাসিক গুরুত্বও অনেক।

উপন্যাসটির মধ্যে আমরা যেমন- মুনিম, রওশন, সালমা, কবি রসুল, আসাদের মতো বেশ কয়েকজন ভাষাসংগ্রামীর স্বদেশ প্রেমের অনন্য দৃষ্টান্ত দেখতে পাই, তেমনি গোয়েন্দা অফিসার মাহমুদ, কবি বজলে, পুলিশের সোর্স সবুরসহ বেশ কিছু সুবিধাবাদী চরিত্রেরও দেখা পাই।

উপন্যাসটির নামকরণের দিকে দৃষ্টি দিলে আমরা জহির রায়হানের বলিষ্ঠ চিন্তাশক্তি ও প্রাজ্ঞতার পরিচয় পাই।

‘ফাল্গুন’ মূলত বাংলা ষড়ঋতুর একটি মাসের নাম। কিন্তু উপন্যাসটিতে ‘ফাল্গুন’ বাংলা সংস্কৃতির নবজাগরণের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ জহির রায়হানের ‘ফাল্গুন’ কেবল প্রকৃতির ঋতু নয়, বরং এটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে বাঙালি জাতির রক্তাক্ত ইতিহাসের প্রতীক। ফাল্গুনেই মাতৃভাষার দাবিতে বাংলার রাজপথ উত্তাল হয়ে উঠেছিল। অতঃপর সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আরও অনেকের রক্তের বিনিময়ে আমাদের মাতৃভাষা মর্যাদা ফিরে পেয়েছিল। সেই অর্থে ‘ফাল্গুন’ এখানে রক্ত, আত্মত্যাগ ও সংগ্রাম।

‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো ‘আরেক’। অর্থাৎ আরেকটি গণজাগরণ, আরেকটি বিপ্লব।

সেই বিপ্লবের মধ্যেই বাঙালি ফিরে পাবে তার রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি। জহির রায়হান তাঁর ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসটিতে অসম্পূর্ণ মুক্তির বোধকে সামনে আনেন। আন্দোলনের রক্তক্ষয়ী অধ্যায় শেষ হলেও শোষণ, দমন ও বৈষম্য রয়ে যায়। অর্থাৎ একটি আন্দোলন শেষ মানেই ইতিহাসের সমাপ্তি নয়। বরং প্রকৃত মুক্তির জন্য ধারাবাহিক সংগ্রাম অপরিহার্য।

জহির রায়হান যেহেতু বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সেক্ষেত্রে আমরা বলতে পারি- তিনি এ উপন্যাসটিতে মার্কসবাদী শ্রেণিচেতনার সফল প্রয়োগ করেছেন। এখানে রাষ্ট্রযন্ত্র, শাসকগোষ্ঠী এবং পেটি বুর্জোয়া, বুর্জোয়া ক্ষমতার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ ফুটে উঠেছে। জহির রায়হান শোষিত মানুষের পক্ষ অবলম্বন করে দেখিয়েছেন যে, রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন মূলত শ্রেণিস্বার্থ রক্ষার হাতিয়ার। এই দৃষ্টিভঙ্গি উপন্যাসটিকে কেবল ঐতিহাসিক নয়, রাজনৈতিকভাবে প্রগতিশীল করে তোলে।

পরিশেষে বলা যায়- জহির রায়হানের ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসটি কেবল ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কোনো গল্প নয়, বরং এটি অসম্পূর্ণ বিপ্লবের বোধ, একটি জাতির আত্মপরিচয় সন্ধানের দলিল এবং শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়। অর্থাৎ যতদিন শোষণ ও বৈষম্য থাকবে, ততদিন নতুন নতুন ‘ফাল্গুন’-এর প্রয়োজন হবে।

এই বিভাগের আরও খবর
অলিখিত
অলিখিত
আলোর উৎসব
আলোর উৎসব
অবসন্ত
অবসন্ত
লক্ষ্মী
লক্ষ্মী
মহান মুক্তিযুদ্ধ
মহান মুক্তিযুদ্ধ
একটি শিশিরভেজা চিরকুট
একটি শিশিরভেজা চিরকুট
ভ্যালেন্টাইনস ডে
ভ্যালেন্টাইনস ডে
অপেক্ষা-দ্রষ্টব্য বাতাস
অপেক্ষা-দ্রষ্টব্য বাতাস
যদি তুমি ভালোবাসো
যদি তুমি ভালোবাসো
ফ্যাট ও ফাটল
ফ্যাট ও ফাটল
হৃদয়ে বসন্ত চোখে কুয়াশা
হৃদয়ে বসন্ত চোখে কুয়াশা
ভাষার সৌন্দর্য
ভাষার সৌন্দর্য
সর্বশেষ খবর
সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক
সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

পোশাক রপ্তানিতে ভাটার টান
পোশাক রপ্তানিতে ভাটার টান

৩৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ভারত সফর বাতিল করলেন র‍্যাপার ফ্লিপারচি
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ভারত সফর বাতিল করলেন র‍্যাপার ফ্লিপারচি

৪৭ মিনিট আগে | শোবিজ

তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছবে, হুঁশিয়ারি ইরানের
তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছবে, হুঁশিয়ারি ইরানের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের
ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ঘোষণা আইসিসির
বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ঘোষণা আইসিসির

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ
দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক
বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের নিন্দা এনসিপির
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের নিন্দা এনসিপির

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মৃত্যুর শরবত সবাইকেই পান করতে হবে
মৃত্যুর শরবত সবাইকেই পান করতে হবে

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঢাকাস্থ বদলগাছী সমিতির ইফতার
ঢাকাস্থ বদলগাছী সমিতির ইফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত
ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ
কুমিল্লায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঘুমের মধ্যে বালিশে লালা ঝরা হতে পারে গুরুতর শারীরিক সমস্যার পূর্বাভাস
ঘুমের মধ্যে বালিশে লালা ঝরা হতে পারে গুরুতর শারীরিক সমস্যার পূর্বাভাস

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

দুবাই ছাড়ছেন মানুষ, রাস্তায় পড়ে থাকছে হাজারো পোষা প্রাণী
দুবাই ছাড়ছেন মানুষ, রাস্তায় পড়ে থাকছে হাজারো পোষা প্রাণী

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্পটিফাইয়ে এক বছরে দেড় হাজারের বেশি শিল্পী পেলেন ১০ লাখ ডলারের রয়্যালটি
স্পটিফাইয়ে এক বছরে দেড় হাজারের বেশি শিল্পী পেলেন ১০ লাখ ডলারের রয়্যালটি

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলতেই মেজাজ হারালেন সাবেক এমপি ওমর ফারুক
টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলতেই মেজাজ হারালেন সাবেক এমপি ওমর ফারুক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার
শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩ মাদক কারবারিসহ গ্রেফতার ১৯
সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩ মাদক কারবারিসহ গ্রেফতার ১৯

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রূপগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলের হামলায় বাবা ও বড় ভাই আহত
রূপগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলের হামলায় বাবা ও বড় ভাই আহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে ১৮ মামলার আসামি দিপু আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার
নারায়ণগঞ্জে ১৮ মামলার আসামি দিপু আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নীলফামারীতে চোরাই গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ১
নীলফামারীতে চোরাই গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ১

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিনে ভারত থেকে এলো ৫ হাজার টন ডিজেল
দুই দিনে ভারত থেকে এলো ৫ হাজার টন ডিজেল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইথিওপিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসে ৩০ জনের প্রাণহানি
ইথিওপিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসে ৩০ জনের প্রাণহানি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খণ্ডিতভাবে ডেপুটি স্পিকার চাচ্ছি না, আমরা চাই প্যাকেজ: জামায়াত আমির
খণ্ডিতভাবে ডেপুটি স্পিকার চাচ্ছি না, আমরা চাই প্যাকেজ: জামায়াত আমির

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য হলেন কালাম আজাদ
সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য হলেন কালাম আজাদ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান
দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল
ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প
৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?
অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল
ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার
ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারী ও বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নতুন হামলা চালাল ইরান
ভারী ও বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নতুন হামলা চালাল ইরান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো
মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’
‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান
মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?
রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি
গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুতুবদিয়ার সৈকতে পাঁচ দিন ধরে পড়ে আছে মৃত তিমি
কুতুবদিয়ার সৈকতে পাঁচ দিন ধরে পড়ে আছে মৃত তিমি

১৯ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের
বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি
আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরান আক্রান্ত হলে সমগ্র বিশ্বকে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে’
‘ইরান আক্রান্ত হলে সমগ্র বিশ্বকে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে’

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধজাহাজে হামলায় নিহত ৮৪ নাবিকের মরদেহ ইরানি দূতাবাসে হস্তান্তরের নির্দেশ
যুদ্ধজাহাজে হামলায় নিহত ৮৪ নাবিকের মরদেহ ইরানি দূতাবাসে হস্তান্তরের নির্দেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্য ছাড়লেন ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক
মধ্যপ্রাচ্য ছাড়লেন ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো স্পেন
ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো স্পেন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের
দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর রাডারের পরীক্ষা নিচ্ছে ইরান?
ন্যাটোর রাডারের পরীক্ষা নিচ্ছে ইরান?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন

সম্পাদকীয়

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

পেছনের পৃষ্ঠা

১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায়  প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার
১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার

নগর জীবন

জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে
জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন
কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন

পেছনের পৃষ্ঠা

জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা
জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা

দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা

প্রথম পৃষ্ঠা

যানজটে আটকে গেল ট্রেন
যানজটে আটকে গেল ট্রেন

নগর জীবন

জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম
জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম

নগর জীবন

ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট
ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট

পেছনের পৃষ্ঠা

ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!

প্রথম পৃষ্ঠা

কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি
কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা
অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি
হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার
স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার

শোবিজ

নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ
নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ
সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ

নগর জীবন

স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

দেশগ্রাম

আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদ অধিবেশন
সংসদ অধিবেশন

সম্পাদকীয়

অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা
অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা

নগর জীবন

বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার
বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার

নগর জীবন

সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নগর জীবন

খুলনায় ডিলারদের তেল সরবরাহ বন্ধ
খুলনায় ডিলারদের তেল সরবরাহ বন্ধ

নগর জীবন

জুনে চালু হতে পারে ই-হেলথ কার্ড
জুনে চালু হতে পারে ই-হেলথ কার্ড

নগর জীবন

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু

নগর জীবন

ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি
ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি

শোবিজ

সরকার জাতিকে জুলাই গণ অভ্যুত্থান ভুলিয়ে দিতে চায়
সরকার জাতিকে জুলাই গণ অভ্যুত্থান ভুলিয়ে দিতে চায়

নগর জীবন