শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সাদত হাসান মান্টোর গল্প

ভেজাল

ভাষান্তর : শহীদ সাবের তুহিন
প্রিন্ট ভার্সন
ভেজাল

গল্প

আলী মোহাম্মদের মনিহারি দোকান ছিল অমৃতসরে। ছোটখাটো দোকান কিন্তু সব জিনিস পাওয়া যেত। সে এমনভাবে জিনিসপত্র রাখত যে, ঠাসা মাল আছে মনেই হতো না। অমৃতসরের অন্য দোকানদাররা কালোবাজারি করত, কিন্তু আলী মোহাম্মদ সততার সঙ্গে বেচাকেনা করত। কারণ দূরদূরান্ত থেকে মানুষ তার দোকানে এসে মালপত্র খরিদ করত। সে ধর্মভীরু মানুষ ছিল। অতএব অতিরিক্ত লাভ করাকে পাপ মনে করত। এমনিতে একলা মানুষ সুতরাং তার জন্য সততার সঙ্গে উপার্জিত অর্থই যথেষ্ট ছিল।

সারা দিন সে দোকানে বসে থাকত। গ্রাহকের ভিড় তার দোকানে লেগেই আছে। কোনো গ্রাহককে সাবান বা এ-জাতীয় কোনো জিনিস দিতে না পারলে তার দুঃখের অন্ত থাকত না। কারণ এসব জিনিস তার কাছে সর্বদাই মজুত থাকে।

কালোবাজারি না করেও সে দিব্বি আরামে ছিল। দুই হাজার টাকা ইতোমধ্যে জমিয়ে ফেলেছে। যুবক সে। একদিন দোকানে বসে সে ভাবল, এখন তার একটা বিয়ে করা খুবই দরকার। অনেক সময় বাজে কথা মনে আসে। বিয়ে করলে জীবনের প্রতিও একটা মায়া এসে যাবে। ছেলেমেয়ে হবে, তাদের ভরণপোষণের জন্য আরও বেশি উপার্জনের চেষ্টা করবে।

তার বাবা-মা মারা গেছে। সে ছাড়া অন্য কোনো ভাইবোনও তার নেই। সে সম্পূর্ণ একা। দশ বছর বয়সে সে খবরের কাগজ বিক্রি শুরু করে দেয়। সেই থেকে বিভিন্ন প্রকার পরিশ্রমের ভিতর সে এক হাজার টাকা জমিয়ে ফেলে। এবার একটা ছোটখাটো ঘরভাড়া নিয়ে সে মনিহারি দোকান দিয়েছে। সে ছিল বিশ্বস্ত। অতএব অল্প দিনের ভিতর তার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। সে ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যাপারে নির্লিপ্ত ছিল। কিন্তু সব সময় ঘরসংসার গড়ে তুলতে চাইত। সে চাইত স্ত্রী হোক, ছেলেমেয়ে হোক, আর তাদের জন্য সে বেশি করে উপার্জন করুক। সেজন্য তার জীবনটাও যন্ত্রে পরিণত হয়ে পড়েছিল। সকালে দোকান খুলত, গ্রাহক আসত বিক্রি হতো। সন্ধ্যায় দোকান বন্ধ করে শরিফপুরায় একটা ছোট ঘরে শুয়ে পড়ত। কাছেই একটা হোটেল ছিল, সেখানে একবেলা খেত। সকালের নাশতা জমিল সিংহের মহল্লায় মিষ্টির দোকানে সেরে নিত। এরপর দোকান খুলে সন্ধ্যানাগাদ নিজের দোকানেই বসে থাকত।

তার ভিতর বিয়ে করার প্রবল আকাক্সক্ষা জাগল। কিন্তু প্রশ্ন হলো-এ ব্যাপারে তাকে সাহায্য করবে কে? অমৃতসরে তার এমন কোনো বন্ধুবান্ধব নেই, যে তাকে এ ব্যাপারে সাহায্য করতে পারে।

অতএব সে ভীষণ রকম চিন্তিত হলো। শরিফপুরার ঘরে রাতে শুতে গিয়ে বারকয়েক কাঁদল। বাবা-মার এত তাড়াতাড়ি মৃত্যু হওয়ায় তার দুঃখের অন্ত থাকল না। অন্ততপক্ষে একটা বিয়ে দেওয়া পর্যন্ত তাদের জীবিত থাকা খুবই প্রয়োজন ছিল।

বিয়ে কীভাবে করবে ভেবেই পেল না। অনেক চিন্তা করল সে। ইতোমধ্যে তার হাতে তিন হাজার টাকা জমা হয়ে গেছে। সে ছোটখাটো একটা ঘরভাড়া নিল। কিন্তু থাকত শরিফপুরায়।

একদিন সে খবরের কাগজে একটা বিজ্ঞাপন দেখল। সেখানে লেখা ছিল, কেউ বিয়ে করতে চাইলে যেন তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। বিএ পাস লেডি ডাক্তারসহ সব রকমের মেয়ে পাওয়া যাবে। চিঠিপত্র লিখে বা নিজে গিয়ে সাক্ষাৎ করা যাবে।

রবিবার সে দোকান খুলত না। রবিবার তার ছুটির দিন সে বিয়ের খোঁজে বের হলো। একজন শুভ্র শ্মশ্রুময় বৃদ্ধের সঙ্গে সামান্য আলাপ হলো। আলী মোহাম্মদ তার ইচ্ছা প্রকাশ করল। বুড়ো টেবিলের দেরাজ খুলে বিশ-পঁচিশখানা ছবি বের করল এবং একখানা করে তার সামনে তুলে ধরল, যাতে সে পছন্দ করতে পারে।

আলী মোহাম্মদ একটা মেয়ের ছবি পছন্দ করল। অল্প বয়স্ক সুন্দরী। সে ওই ঘটককে বলল, ‘জনাব, এই মেয়েটিই আমার পছন্দ।’

ঘটক মুখ টিপে হাসল, ‘তুমি হীরাই বেছে নিয়েছ!’ কিন্তু আলী মোহাম্মদের মনে হলো যেন মেয়েটি এ মুহূর্তে তার বক্ষের সঙ্গে লেপটে আছে। সে বলল, ‘ঠিক আছে, আপনি কথাবার্তা পাকা করে ফেলুন।’

ঘটক গম্ভীর হয়ে গেল, ‘দেখ বাবা, যে মেয়েটিকে তুমি পছন্দ করেছ সে সুন্দরী ছাড়াও একজন সদ্বংশজাত। কিন্তু তোমার কাছে আমি বেশি ফিস আদায় করব না।’

‘সে আপনার অনুগ্রহ। আমি একজন এতিম ছেলে। আমার কাজটা করে দিলে সারা জীবন আপনাকে বাবার মতো জানব।’

ঘটকের গোঁফযুক্ত ঠোঁটে হাসি নেমে এলো। ‘বেঁচে থাকো বাবা। আমি তোমার কাছ থেকে শুধু তিন শ টাকা ফিস নেব।’

আলী মোহাম্মদ সকৃতজ্ঞ স্বরে বলল, ‘আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমার কোনো আপত্তি নেই।’

এ কথা বলেই সে পকেট থেকে তিনখানা এক শ টাকার নোট বের করে বৃদ্ধের হাতে দিল।

দিন-তারিখ ঠিক হয়ে গেল। বিয়ে হলো। আলী মোহাম্মদ সেই ভাড়া করা ছোট বাড়িতে উঠল। বাড়িটাকে বেশ করে সজ্জিত করা হলো। অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে কনেকে নিয়ে এলো। প্রথম প্রথম তার মন কেমন উৎফুল্ল হয়ে উঠেছিল সে কথা বলা যাবে না। কিন্তু যখন সে কম্পিত হাতে কনের মাথার ঘোমটাটা খুলল তখন সে অচৈতন্য হয়ে পড়ল।

নিতান্তই একটি কুৎসিত মেয়েলোক। নিশ্চয়ই ওই বৃদ্ধটি তার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। আলী মোহাম্মদ কম্পিত পদক্ষেপে শরিফপুরার সেই ঘরে গিয়ে পৌঁছল এবং অনেকক্ষণ ধরে কী করা যেতে পারে ভাবল। কিন্তু সে কিছুই ঠিক করতে পারল না।

সে দোকান খুলল না। দুই হাজার টাকা মোহরানা সে রাতেই সে প্রদান করল। তিন শ টাকা ঘটককে দিয়েছে। এখন তার কাছে মাত্র সাত শ টাকা আছে। সে একবার ভাবল, শহরই ছেড়ে দেবে। সারা রাত জেগে থেকে ভাবল। শেষে সে একটা স্থির সিদ্ধান্তে এলো। সকাল ১০টায় সে দোকানটা পাঁচ হাজার টাকায় অর্থাৎ যেনতেনভাবে বিক্রি করে দিল। এরপর টিকিট কেটে লাহোর চলে এলো।

লাহোর আসার সময় পথে পকেটমার পকেট কেটে সব টাকা নিয়ে গেল। সে ভীষণ দুঃখ পেল। ভাবল হয়তো আল্লাহর ইচ্ছাই এমন ছিল।

লাহোর যখন পৌঁছল, তখন তার কাছে মাত্র ১০ টাকা ১১ আনা আছে। এটি দিয়ে কয়েক দিন চালিয়ে দিল। কিন্তু শেষে চরম দারিদ্র্যের কবলে পড়তেই হলো।

ইতোমধ্যে সে একখানা চাকরি খুঁজল কিন্তু অকৃতকার্য হলো। সে এমন হতাশ হয়ে গেল যে, শেষে আত্মহত্যার কথাও ভাবল। কিন্তু তার ভিতর তেমন সাহস ছিল না। তবু এক রাতে সে রেললাইনের ওপর শুয়ে পড়ল। গাড়ি আসছিল। কিন্তু গাড়ি সে লাইনে না এসে অন্য লাইনে চলে গেল। সে লাইনেই এটির যাওয়ার কথা ছিল।

সে ভাবল মৃত্যুও তার সঙ্গে প্রতারণা করছে! অতএব সে আত্মহত্যার চিন্তা ত্যাগ করে এক হলুদ-মরিচ পেষার কারখানায় মাসিক বিশ টাকা বেতনে চাকরি নিল।

এখানে এসে প্রথম দিনেই সে বুঝে ফেলল, পৃথিবীর সর্বত্রই প্রতারণা আছে। হলুদের সঙ্গে একপ্রকার মাটি আর মরিচের সঙ্গে লাল ইটের গুঁড়া মেশানো হয় এখানে। দুই বছর সে কাজ করল এখানে। এ কারখানার মালিক মাসে কমপক্ষে সাত শ টাকা উপার্জন করে। ইতোমধ্যে আলী মোহাম্মদ পাঁচ শ টাকা জমিয়েছে। একদিন সে ভাবল যেখানে সমগ্র পৃথিবীটাই প্রতারক হয়ে গেছে, সেখানে সে কেন বসে থাকবে?

অতএব সে আলাদা একটা কারখানা তৈরি করল। আর তাতে মরিচ আর হলুদ ভেজালের কাজ শুরু করে দিল। এখন সে বেশ উপার্জন করছে। বিয়ে করার কথা বারকতক মনে এসেছিল; কিন্তু যখনই তার চোখের সামনে বিয়ের প্রথম রাতের কথা ভেসে উঠত, তখনই তার হৃদ্কম্প শুরু হয়ে যেত।

আলী মোহাম্মদ এখন বেশ আরামেই আছে। এখন সে এ ব্যবসার সব রহস্য বুঝে ফেলেছে। এক মণ মরিচের সঙ্গে কতটুকু ইটের গুঁড়া মেশাতে হবে, হলুদে কী পরিমাণ মাটি মেশাতে হবে এসব তার নখদর্পণে।

কিন্তু একদিন তার কারখানায় পুলিশের তল্লাশি হলো। হলুদ এবং মরিচ বোতলে ভরে নিয়ে গেল। কেমিক্যাল এগ্জামিনে রিপোর্ট এলো, এতে ভেজাল আছে। অতএব তাকে গ্রেপ্তার করা হলো।

লাহোরে তার জামিন নেওয়ার কেউ ছিল না। দিন দশেক হাজতে আবদ্ধ থাকল। অবশেষে মামলা আদালতে উঠল। তিন শ টাকা জরিমানা আর এক মাস সশ্রম কারাদণ্ড।

জরিমানা দিল কিন্তু এক মাস সশ্রম কারাদণ্ড ভুগতেই হলো। এই এক মাস তার জীবনের কঠোর দিন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এ সময় সে প্রায়ই ভাবত, অন্যায় কাজ করার দরুনই তার এই দশা। যেখানে সে ঠিকই করে ফেলেছিল জীবনে আর প্রতারণা করবে না।

এরপর সে ভাবল, এখন তার উচিত জীবনটা ধ্বংস করে ফেলা। কারণ এখন সে এদিকেরও রইল না, ওদিকেরও না। এখন তার মৃত্যুই শ্রেয় যাতে তার মানসিক চাঞ্চল্য শেষ হয়ে যায়।

জেল থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সে কঠোর সিদ্ধান্ত নিল, আত্মহত্যাই করবে। এসব ঝঞ্ঝাট আর ভালো লাগছে না। এ সময়ে সে সাত দিন দিনমজুরি করল। আর খিদে সহ্য করে না খেয়ে দুই দিন টাকা জমা করল। এরপর সে ভাবল কোন বিষ সবচাইতে ক্রিয়াশীল।

সে শুধু এক প্রকার বিষের নাম জানত, যার প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুত। শংখিয়া। কিন্তু শংখিয়া পাবে কোথায়?

সে যথেষ্ট চেষ্টা করল। অবশেষে এক দোকানে বিষ পাওয়া গেল। রাতে সে এশার নামাজ আদায় করল। সে হলুদ আর মরিচের সঙ্গে ভেজাল দিয়ে যে পাপ করেছে খোদার কাছে তার জন্য ক্ষমা ভিক্ষা করল। তারপর বিষ খেয়ে ফুটপাতে পড়ে থাকল। সে শুনেছে বিষ খেলে মুখ দিয়ে ফেনা বের হয় এবং হাত-পা খিঁচুনি ধরে, অশেষ বেদনাবোধ হয়। কিন্তু সে কিছুই অনুভব করল না। সারা রাত মৃত্যুর প্রতীক্ষায় থাকল, কিন্তু মৃত্যু এলো না!

ভোরে উঠে সে দোকানদারের কাছে গেল যেখান থেকে বিষ কিনেছিল। জিজ্ঞেস করল, ‘ভাই সাহেব, আপনার কেমনতর বিষ যে আমি মরলাম না!’

দোকানদার দীর্ঘশ্বাস ফেলল। আফসোসের সঙ্গে বলল, ‘আজকাল সব জিনিস হয় নকল, হয়তো তাতেও ভেজাল আছে!’ 

এই বিভাগের আরও খবর
অলিখিত
অলিখিত
আলোর উৎসব
আলোর উৎসব
অবসন্ত
অবসন্ত
লক্ষ্মী
লক্ষ্মী
মহান মুক্তিযুদ্ধ
মহান মুক্তিযুদ্ধ
একটি শিশিরভেজা চিরকুট
একটি শিশিরভেজা চিরকুট
ভ্যালেন্টাইনস ডে
ভ্যালেন্টাইনস ডে
অপেক্ষা-দ্রষ্টব্য বাতাস
অপেক্ষা-দ্রষ্টব্য বাতাস
যদি তুমি ভালোবাসো
যদি তুমি ভালোবাসো
ফ্যাট ও ফাটল
ফ্যাট ও ফাটল
হৃদয়ে বসন্ত চোখে কুয়াশা
হৃদয়ে বসন্ত চোখে কুয়াশা
ভাষার সৌন্দর্য
ভাষার সৌন্দর্য
সর্বশেষ খবর
সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক
সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

পোশাক রপ্তানিতে ভাটার টান
পোশাক রপ্তানিতে ভাটার টান

১৮ মিনিট আগে | অর্থনীতি

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ভারত সফর বাতিল করলেন র‍্যাপার ফ্লিপারচি
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ভারত সফর বাতিল করলেন র‍্যাপার ফ্লিপারচি

৩১ মিনিট আগে | শোবিজ

তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছবে, হুঁশিয়ারি ইরানের
তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছবে, হুঁশিয়ারি ইরানের

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের
ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ঘোষণা আইসিসির
বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ঘোষণা আইসিসির

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ
দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক
বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের নিন্দা এনসিপির
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের নিন্দা এনসিপির

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মৃত্যুর শরবত সবাইকেই পান করতে হবে
মৃত্যুর শরবত সবাইকেই পান করতে হবে

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঢাকাস্থ বদলগাছী সমিতির ইফতার
ঢাকাস্থ বদলগাছী সমিতির ইফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত
ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ
কুমিল্লায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঘুমের মধ্যে বালিশে লালা ঝরা হতে পারে গুরুতর শারীরিক সমস্যার পূর্বাভাস
ঘুমের মধ্যে বালিশে লালা ঝরা হতে পারে গুরুতর শারীরিক সমস্যার পূর্বাভাস

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

দুবাই ছাড়ছেন মানুষ, রাস্তায় পড়ে থাকছে হাজারো পোষা প্রাণী
দুবাই ছাড়ছেন মানুষ, রাস্তায় পড়ে থাকছে হাজারো পোষা প্রাণী

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্পটিফাইয়ে এক বছরে দেড় হাজারের বেশি শিল্পী পেলেন ১০ লাখ ডলারের রয়্যালটি
স্পটিফাইয়ে এক বছরে দেড় হাজারের বেশি শিল্পী পেলেন ১০ লাখ ডলারের রয়্যালটি

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলতেই মেজাজ হারালেন সাবেক এমপি ওমর ফারুক
টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলতেই মেজাজ হারালেন সাবেক এমপি ওমর ফারুক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার
শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩ মাদক কারবারিসহ গ্রেফতার ১৯
সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩ মাদক কারবারিসহ গ্রেফতার ১৯

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রূপগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলের হামলায় বাবা ও বড় ভাই আহত
রূপগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলের হামলায় বাবা ও বড় ভাই আহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে ১৮ মামলার আসামি দিপু আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার
নারায়ণগঞ্জে ১৮ মামলার আসামি দিপু আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নীলফামারীতে চোরাই গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ১
নীলফামারীতে চোরাই গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ১

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিনে ভারত থেকে এলো ৫ হাজার টন ডিজেল
দুই দিনে ভারত থেকে এলো ৫ হাজার টন ডিজেল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইথিওপিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসে ৩০ জনের প্রাণহানি
ইথিওপিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসে ৩০ জনের প্রাণহানি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খণ্ডিতভাবে ডেপুটি স্পিকার চাচ্ছি না, আমরা চাই প্যাকেজ: জামায়াত আমির
খণ্ডিতভাবে ডেপুটি স্পিকার চাচ্ছি না, আমরা চাই প্যাকেজ: জামায়াত আমির

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য হলেন কালাম আজাদ
সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য হলেন কালাম আজাদ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান
দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল
ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প
৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা

১১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?
অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল
ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার
ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারী ও বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নতুন হামলা চালাল ইরান
ভারী ও বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নতুন হামলা চালাল ইরান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো
মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’
‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান
মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?
রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি
গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুতুবদিয়ার সৈকতে পাঁচ দিন ধরে পড়ে আছে মৃত তিমি
কুতুবদিয়ার সৈকতে পাঁচ দিন ধরে পড়ে আছে মৃত তিমি

১৯ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের
বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি
আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরান আক্রান্ত হলে সমগ্র বিশ্বকে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে’
‘ইরান আক্রান্ত হলে সমগ্র বিশ্বকে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে’

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধজাহাজে হামলায় নিহত ৮৪ নাবিকের মরদেহ ইরানি দূতাবাসে হস্তান্তরের নির্দেশ
যুদ্ধজাহাজে হামলায় নিহত ৮৪ নাবিকের মরদেহ ইরানি দূতাবাসে হস্তান্তরের নির্দেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্য ছাড়লেন ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক
মধ্যপ্রাচ্য ছাড়লেন ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো স্পেন
ইসরায়েল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো স্পেন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের
দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর রাডারের পরীক্ষা নিচ্ছে ইরান?
ন্যাটোর রাডারের পরীক্ষা নিচ্ছে ইরান?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন

সম্পাদকীয়

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

পেছনের পৃষ্ঠা

১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায়  প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার
১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার

নগর জীবন

জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে
জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা
জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা

দেশগ্রাম

কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন
কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা

প্রথম পৃষ্ঠা

যানজটে আটকে গেল ট্রেন
যানজটে আটকে গেল ট্রেন

নগর জীবন

জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম
জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম

নগর জীবন

ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট
ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট

পেছনের পৃষ্ঠা

ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!

প্রথম পৃষ্ঠা

কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি
কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা
অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি
হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার
স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার

শোবিজ

নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ
নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ
সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ

নগর জীবন

স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

দেশগ্রাম

আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদ অধিবেশন
সংসদ অধিবেশন

সম্পাদকীয়

অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা
অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা

নগর জীবন

বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার
বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার

নগর জীবন

সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নগর জীবন

খুলনায় ডিলারদের তেল সরবরাহ বন্ধ
খুলনায় ডিলারদের তেল সরবরাহ বন্ধ

নগর জীবন

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু

নগর জীবন

জুনে চালু হতে পারে ই-হেলথ কার্ড
জুনে চালু হতে পারে ই-হেলথ কার্ড

নগর জীবন

ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি
ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি

শোবিজ

সরকার জাতিকে জুলাই গণ অভ্যুত্থান ভুলিয়ে দিতে চায়
সরকার জাতিকে জুলাই গণ অভ্যুত্থান ভুলিয়ে দিতে চায়

নগর জীবন