শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সাহিত্য-সংস্কৃতি

ঐতিহ্যের সোনার কাঠি হারিয়ে না ফেলি

খান মাহবুব
প্রিন্ট ভার্সন
ঐতিহ্যের সোনার কাঠি হারিয়ে না ফেলি

মানুষের জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে সাহিত্য ও সংস্কৃতি। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এগুলোও বদলায়। আমাদের বর্তমান সময়ের গল্প, চিন্তা ও সংস্কৃতি বুঝতে হলে জেন-জি প্রজন্ম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, করোনা-পরবর্তী বিশ্ব এবং সাম্প্রতিক পরিবর্তনগুলোকে মাথায় রাখতে হবে।

সাহিত্য ও সংস্কৃতির রূপ বোঝা যায়, কিন্তু সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একক সংজ্ঞা দেওয়া কঠিন। সমাজ ও সভ্যতার ভেদে এগুলো নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক ছিল এবং থাকবে। সংস্কৃতি মূলত শিল্প, নান্দনিকতা ও চিন্তার বহিঃপ্রকাশ। ইতিহাস বলে, প্রজ্ঞা ও সচেতনতার সমন্বয়েই সুন্দর সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।

সংস্কৃতি একটি জাতির পরিচয় বহন করে। এটি পরিবর্তনের সাক্ষী, সময়ের সঙ্গে নতুন কিছু যুক্ত হয়, কিছু হারিয়ে যায়। আমাদের পোশাক, ভাষা, শিল্প, ধর্মীয় বিশ্বাস, খাদ্যাভ্যাসসহ জীবনযাত্রার প্রায় সব ক্ষেত্রেই সংস্কৃতির প্রভাব রয়েছে।

আগের মতো ব্যাপক পরিসরে মাঠে রাখাল গরু চরায় না, মাঝিরা পালতোলা নৌকায় গান গায় না, গাড়োয়ানরা গরুর গাড়ি চালায় না। প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে সাহিত্য-সংস্কৃতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। তরুণ প্রজন্ম নতুন চিন্তা-ভাবনা নিয়ে এগোচ্ছে এবং বৈশ্বিক সংস্কৃতির সঙ্গে মিশছে। এতে পরিচিত পরিবেশ অনেক সময় বদলে যাচ্ছে।

বিশ্বায়নের এই যুগে পরিবর্তনকে এড়ানো সম্ভব নয়। তাই আমাদের উচিত দেশীয় সংস্কৃতির মূল উপাদানগুলোর সঙ্গে আধুনিকতার সংযোগ তৈরি করা। পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া জরুরি, কারণ না হলে অনেক ঐতিহ্যই হারিয়ে যাবে।

বর্তমান বিশ্বে চলমান অস্থিরতা ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে প্রভাব ফেলছে, যা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতেও প্রতিফলিত হচ্ছে। গল্প, উপন্যাস, কবিতার বিষয়বস্তু পরিবর্তিত হচ্ছে। সমাজ ব্যক্তির ওপর গড়ে ওঠে, তাই আমাদের শাস্ত্র, লোকাচার, রীতি ও ঐতিহ্য ধরে রাখার মধ্যেই ভবিষ্যৎ সংস্কৃতির পথ তৈরি হবে।

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাহিত্য-সংস্কৃতির স্বশাসন ও নিজস্ব রূপরেখা তৈরি করা এক অপরিহার্য বিষয়। তবে এটি কেবল কাঙ্ক্ষিত হলে চলবে না, বরং এটি হতে হবে এক অবধারিত পরিবর্তন-যার মাধ্যমে বৈষম্য ও ভেদহীন সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে।

বাঙালির পারিবারিক জীবন ও মানসিকতা দীর্ঘ সাংস্কৃতিক বিবর্তনের ফল। প্রতিটি সংস্কৃতি সময়ের সঙ্গে বদলায় এবং অন্য সংস্কৃতির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে। তবে আজকের বাস্তবতায় মানুষ সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে খুব বেশি ভাবার সুযোগ পাচ্ছে না। এখন সবার চিন্তার কেন্দ্রে টিকে থাকার সংগ্রাম, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বস্তুবাদী লক্ষ্য। সাহিত্য-সংস্কৃতির আনন্দে ডুবে যাওয়ার সময় যেন হারিয়ে গেছে।

ব্যক্তির বিকাশ থেকেই সমাজের সৃষ্টি। সমাজের কাঠামো নির্দিষ্ট কিছু নিয়মে পরিচালিত হলেও ব্যক্তির চিন্তা ও বিকাশের নির্দিষ্ট কোনো গতি থাকে না। বিদ্যালয় প্রাথমিকভাবে সহায়তা করলেও মূলত ব্যক্তি নিজেই নিজের গঠন তৈরি করে নেয়। স্বাধীন চিন্তা ও মুক্ত চেতনার বিকাশ তখনই সম্ভব, যখন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ উন্মুক্ত থাকে।

সাহিত্য, সংস্কৃতি ও রাজনীতির উদ্দেশ্য হলো মানুষের কল্যাণ। তাই কল্যাণ রাষ্ট্রের ধারণা গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্র ও সমাজ দৃশ্যমান না হলেও, তাদের কাজ ও প্রভাব স্পষ্ট। তবে মানুষের স্বাধীন মন সব সময় সমাজের রীতি বা রাজনৈতিক নিয়ম মেনে চলতে চায় না, ফলে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।

রাজনীতি নিয়ম ও আইনকে অগ্রাধিকার দেয়, যেখানে শিল্প ও সংস্কৃতি মানুষের আবেগ ও সৃজনশীলতার প্রকাশ। অনেক সময় রাজনীতি ব্যক্তিস্বাধীনতাকে উপেক্ষা করে, যেখানে সংস্কৃতিমুক্ত চিন্তাধারাকে স্বাগত জানায়। বর্তমান সমাজ বাস্তবতায় সংস্কৃতি সব সময় ব্যক্তির মুক্তির এই সহজাত চাওয়া নিশ্চিত করতে পারে না। তবুও, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ যেমনই হোক, মুক্ত চিন্তার পথ খোলা রাখা জরুরি। না হলে জীবনের গভীর উপলব্ধি সম্ভব হয় না এবং সভ্যতার অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়।

সাহিত্য, সংস্কৃতি ও রাজনীতি হলো একটি সুস্থ সমাজের ভিত্তি। এগুলোর মধ্যে ভারসাম্য থাকা দরকার, যা প্রকাশ পায় আচরণে। রাজনীতি ও প্রশাসনের আচরণ সমাজের মানবিক বোধ ও মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

স্নায়ুযুদ্ধের পর করোনা বিশ্বকে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। বর্তমান রাষ্ট্র ও প্রশাসন এখন পরিবর্তিত পরিবেশে টিকে থাকতে লোকপ্রিয়তার দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। তবে সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রকৃত মূল্যায়ন ও চর্চা ছাড়া মানবিক বিকাশ সম্ভব নয়।

বদলে যাওয়া বিশ্বে মানুষের রুচি, চাহিদা ও দৃষ্টিভঙ্গি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। সংস্কৃতির উপাদানগুলোও প্রতিনিয়ত খাপ খাওয়াচ্ছে। শহর ও গ্রামের মধ্যে পোশাক, খাদ্যাভ্যাসের দূরত্ব কমে আসছে। রাষ্ট্র যেন একক সাংস্কৃতিক সোপান রচনা করছে। ব্যক্তি ও সমাজের মাধ্যমে এই সাংস্কৃতিক রূপান্তর নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে উঠেছে।

তবে জেন-জি প্রজন্মের বেড়ে ওঠার বাস্তবতা আলাদা। যৌথ পরিবার কিংবা মফস্বল শহরের ঐতিহ্যগত সংস্কৃতির সঙ্গে তাদের তেমন পরিচয় নেই। ফলে তারা যে সামাজিক ও পারিবারিক পরিবেশে বসবাস করছে, সেটার মূলগত সংযোগ থেকে তারা বিচ্ছিন্ন। আত্মকেন্দ্রিকতার এই প্রবণতা তাদের মানসিক চাপ বাড়িয়ে তুলছে। ফলে জেন-জি প্রজন্মের মধ্যে এক ধরনের নস্টালজিক অনুভূতি তৈরি হয়েছে, যা থেকে একটি নতুন উপ-সংস্কৃতির জন্ম হয়েছে, যেখানে অনেকেই পালানোর মানসিকতায় ভুগছে, নিজেকে গুটিয়ে রাখছে।

সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রতি জেন-জি প্রজন্মের আগ্রহ কমে যাওয়ার পেছনে প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে মুহূর্তেই তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব, তাই নিবিড় পঠন-পাঠনের প্রয়োজনীয়তা তাদের কাছে অনিবার্য মনে হয় না। পাশাপাশি, যন্ত্র ও মানুষের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল সংযোগ ভোগবাদী বিশ্বের প্রয়োজন ও জোগানকে আরও গতিশীল করেছে। ফলে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রভাব তরুণদের ভাষা, পোশাক, আচরণ, সব কিছুতেই দৃশ্যমান।

তবে ধর্মীয় বা প্রথাগত সংস্কৃতির কঠোরতা এই প্রজন্মকে খুব একটা আটকে রাখতে পারছে না। তারা যুক্তিবাদী ও বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ গঠনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যেখানে আবেগনির্ভর সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ তুলনামূলকভাবে কম। এজন্যই পূর্ববর্তী প্রজন্মের সাহিত্য-সংস্কৃতি তাদের ভাবনার জগতে খুব বেশি জায়গা করে নিতে পারছে না।

এদিকে, পুঁজিবাদী বিশ্বে অর্থনীতিই প্রধান চালিকা শক্তি হয়ে উঠেছে। নাগরিক কল্যাণের নামে গণতন্ত্রকে একটি কার্যকরী ব্যবস্থা হিসেবে মান্য করা হলেও, প্রকৃতপক্ষে সমাজ পুঁজিবাদ ও ক্ষমতার দাপটে পরিচালিত হচ্ছে। ফলে সংস্কৃতিও প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে, সমাজের ক্ষমতাধরদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রং বদলাচ্ছে।

এক সময়ের স্বনির্ভর ও স্বশাসিত গ্রামীণ বাংলার সাংস্কৃতিক কাঠামো আজ যোজন যোজন দূরে সরে গেছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের বাস্তবতায় নতুন সংস্কৃতির রূপরেখা তৈরি হচ্ছে, যা আগের সময়ের সঙ্গে একেবারেই ভিন্ন। এখন প্রশ্ন হলো, এই পরিবর্তনের মাঝে জেন-জি প্রজন্ম কি সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রতি নতুন করে আগ্রহী হবে, নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর নির্ভরশীল হয়ে এক ভিন্ন সাংস্কৃতিক বাস্তবতায় প্রবেশ করবে?

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাহিত্য-সংস্কৃতির স্বশাসন ও নিজস্ব রূপরেখা তৈরি করা এক অপরিহার্য বিষয়। তবে এটি কেবল কাঙ্ক্ষিত হলে চলবে না, বরং এটি হতে হবে এক অবধারিত পরিবর্তন-যার মাধ্যমে বৈষম্য ও ভেদহীন সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু বর্তমান সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি কী? আমাদের চাহিদা ও প্রার্থনার মধ্যে কি কোনো সংগতি রয়েছে?

আজকের সমাজে মানুষ আর শুধু মানবিকতা বা আত্মবিকাশের জন্য সংগ্রাম করছে না, বরং অর্থের লোভে দৌড়ে চলেছে। পুঁজির মাধ্যমে সামাজিক অবস্থান নির্ধারণ এখন এক বড় লক্ষ্য। এই প্রেক্ষাপটে, গ্রামীণ কৃষিভিত্তিক যে সংস্কৃতি আমাদের ঐতিহ্য, তা অনেকাংশে হারিয়ে গেছে। গ্রামীণ জীবনধারা, যাত্রা, গান, পুঁথিপাঠ-এগুলো সব নগরায়ণের ঝড়ে কোথাও হারিয়ে গেছে।

এখন, সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে আধুনিক প্রযুক্তির প্রবাহ একটি অবধারিত বিষয়। গ্লোবাল ভিলেজের ধারণার মধ্য দিয়ে পৃথিবী এক জগতের মতো দেখতে হলেও, আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি এখনো একটি শক্তিশালী অস্তিত্ব হয়ে থাকতে পারে। রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে সীমান্ত ও জাতীয়তার বিভেদ কমে গেলেও, প্রযুক্তি আমাদের দেশীয় সংস্কৃতিতে প্রভাব ফেলবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে এর সঙ্গে সাংস্কৃতিক চেতনা, আস্থার সংরক্ষণও প্রয়োজন। আমরা প্রযুক্তির সুফলগুলো গ্রহণ করতে পারি, তবে আমাদের সংস্কৃতি যেন তার শিকড় থেকে বিচ্ছিন্ন না হয়, সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

আজকের সাহিত্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সান্নিধ্য আমাদের সামনে নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে। তবে এটি কীভাবে আমাদের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতায় ইতিবাচক পরিবর্তন এনে দেবে, সেই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সাহিত্যচর্চার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত-কীভাবে এই প্রযুক্তির সঙ্গে সংগতি রেখে আমরা সমাজের জন্য মূল্যবান কন্টেন্ট তৈরি করতে পারি। এর জন্য প্রয়োজন হবে সমাজ ও শিক্ষা ব্যবস্থায় হাত দেওয়া, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম শুধু প্রযুক্তির দ্বারা পরিচালিত না হয়ে, বরং দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি প্রগাঢ় আগ্রহ ও শ্রদ্ধা বজায় রাখে।

শিক্ষা ব্যবস্থার কথা বললে, আমরা কি বাজার যুগের একমাত্র শিক্ষা চাই, যেখানে শুধু ক্যারিয়ার নির্ভর দক্ষতা অর্জন হবে? নাকি আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে সংগতি রেখে একটি কল্যাণধর্মী শিক্ষা কাঠামো চাই, যা নৈতিক মূল্যবোধ, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির সংমিশ্রণ ঘটাবে?

আমাদের অতীতের ঋদ্ধ সংস্কৃতি, সাহিত্য ও ঐতিহ্য যে সোনার কাঠি, তা যদি আমরা ভুলে যাই, তাহলে আমরা শুধু নিজেদের সাংস্কৃতিক পরিচয় হারাবো না, বরং সমাজের ঐতিহ্যগত শক্তি থেকেও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বো। এই দিকটি গুরুত্বসহকারে ভাবতে হবে, বিশেষত যখন আমরা আধুনিক প্রযুক্তির যুগে বাস করছি, যেখানে নতুনত্ব ও বিকাশের সম্ভাবনা সীমাহীন।

এই বিভাগের আরও খবর
একটি শিশিরভেজা চিরকুট
একটি শিশিরভেজা চিরকুট
ভ্যালেন্টাইনস ডে
ভ্যালেন্টাইনস ডে
অপেক্ষা-দ্রষ্টব্য বাতাস
অপেক্ষা-দ্রষ্টব্য বাতাস
যদি তুমি ভালোবাসো
যদি তুমি ভালোবাসো
ফ্যাট ও ফাটল
ফ্যাট ও ফাটল
হৃদয়ে বসন্ত চোখে কুয়াশা
হৃদয়ে বসন্ত চোখে কুয়াশা
ভাষার সৌন্দর্য
ভাষার সৌন্দর্য
নিবিড় চাষবাস
নিবিড় চাষবাস
নক্ষত্র পতন
নক্ষত্র পতন
মৌনতা
মৌনতা
বর্ণমালায় গড়ি
বর্ণমালায় গড়ি
আলোর ভেলা
আলোর ভেলা
সর্বশেষ খবর
বিশ্বকাপ শেষ রদ্রিগোসহ আরও পাঁচ তারকার
বিশ্বকাপ শেষ রদ্রিগোসহ আরও পাঁচ তারকার

৫৫ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

ঝালকাঠিতে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
ঝালকাঠিতে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সত্যিই কী ইরান যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে?
সত্যিই কী ইরান যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে?

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজারবাইজানে ড্রোন হামলা করল কারা, যা জানা গেল
আজারবাইজানে ড্রোন হামলা করল কারা, যা জানা গেল

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেলিভিশন সিরিজ থেকে বাদ দেওয়ায় আইনি পথে হাঁটলেন অভিনেতা
টেলিভিশন সিরিজ থেকে বাদ দেওয়ায় আইনি পথে হাঁটলেন অভিনেতা

৬ মিনিট আগে | শোবিজ

জাকজমকপূর্ণ ইফতার মাহফিল এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর
জাকজমকপূর্ণ ইফতার মাহফিল এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

রো‌হিঙ্গা‌দের ২৬ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তা দি‌চ্ছে জাপান
রো‌হিঙ্গা‌দের ২৬ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তা দি‌চ্ছে জাপান

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ইবি শিক্ষিকাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা: ৪ জনের নামে মামলা
ইবি শিক্ষিকাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা: ৪ জনের নামে মামলা

১৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে নানা রঙের ফুল
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে নানা রঙের ফুল

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাট-১ আসনের ভোট পুনর্গণনায় হাইকোর্টের নির্দেশ
বাগেরহাট-১ আসনের ভোট পুনর্গণনায় হাইকোর্টের নির্দেশ

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

সতীর্থদের বোলিংয়ের প্রশংসা করলেন ম্যাট হেনরি
সতীর্থদের বোলিংয়ের প্রশংসা করলেন ম্যাট হেনরি

৩৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠালো ইংল্যান্ড
টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠালো ইংল্যান্ড

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হলুদ-মরিচের বস্তায় মাদক পাচার, আটক ১
হলুদ-মরিচের বস্তায় মাদক পাচার, আটক ১

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাজীপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, জরিমানা
গাজীপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, জরিমানা

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রজনীকান্তের ছবিতে শাহরুখের ক্যামিও চূড়ান্ত, এলো ভেতরের খবর
রজনীকান্তের ছবিতে শাহরুখের ক্যামিও চূড়ান্ত, এলো ভেতরের খবর

৫৪ মিনিট আগে | শোবিজ

ভিভিআইপি মর্যাদায় কী কী সুবিধা পাবেন ড. ইউনূস
ভিভিআইপি মর্যাদায় কী কী সুবিধা পাবেন ড. ইউনূস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কলাপাড়ায় ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ, কর্মী হত্যার বিচার দাবি
কলাপাড়ায় ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ, কর্মী হত্যার বিচার দাবি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পেশিতে চোট পেলেন হ্যারি কেইন
পেশিতে চোট পেলেন হ্যারি কেইন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে : ইশরাক
বিএনপি শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে : ইশরাক

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

চাঁদপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি প্যানেল বিজয়ী
চাঁদপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি প্যানেল বিজয়ী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে ঋণী ও সাহসী করেছেন: জিলানী
আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে ঋণী ও সাহসী করেছেন: জিলানী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুন্দরবনে আবারও দুই জেলে অপহরণ, মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন ১৪ জন
সুন্দরবনে আবারও দুই জেলে অপহরণ, মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন ১৪ জন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীলঙ্কার জলসীমায় আরেকটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ, ফের হামলার শঙ্কা
শ্রীলঙ্কার জলসীমায় আরেকটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ, ফের হামলার শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও প্রত্যাবর্তনে বিমানবন্দরে থাকবেন ৪ জন
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও প্রত্যাবর্তনে বিমানবন্দরে থাকবেন ৪ জন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
গাইবান্ধায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুনামগঞ্জে গিভহোপের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন
সুনামগঞ্জে গিভহোপের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দক্ষ জনশক্তি গড়তে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
দক্ষ জনশক্তি গড়তে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যে বিভেদ তৈরি করতেই ইরানে হামলা: রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যে বিভেদ তৈরি করতেই ইরানে হামলা: রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আফগানিস্তানের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরান
আফগানিস্তানের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের জন্য বড় দুঃসংবাদ
ইরানের জন্য বড় দুঃসংবাদ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ, যা বললো ভারত
ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ, যা বললো ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কয়েক হাজার কুর্দি যোদ্ধার ইরানে প্রবেশের দাবি, যা বললো তেহরান
কয়েক হাজার কুর্দি যোদ্ধার ইরানে প্রবেশের দাবি, যা বললো তেহরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৮ মার্চও ছুটির প্রস্তাব, অনুমোদন পেলে ঈদের ছুটি হবে ৭ দিন
১৮ মার্চও ছুটির প্রস্তাব, অনুমোদন পেলে ঈদের ছুটি হবে ৭ দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ফাত্তাহ-২ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো অসম্ভব: রিপোর্ট
ইরানের ফাত্তাহ-২ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো অসম্ভব: রিপোর্ট

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন, যে আলাপ করলেন
কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন, যে আলাপ করলেন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটি বেড়ে ৭ দিন
ঈদের ছুটি বেড়ে ৭ দিন

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আরও তিন সাবেক উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর হিসাব তলব
আরও তিন সাবেক উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর হিসাব তলব

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান কী সামরিক সহায়তা চেয়েছে? জানাল রাশিয়া
ইরান কী সামরিক সহায়তা চেয়েছে? জানাল রাশিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের সব প্রান্তে হামলা চালাতে পারবে এমন মিসাইল পরীক্ষা করল যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বের সব প্রান্তে হামলা চালাতে পারবে এমন মিসাইল পরীক্ষা করল যুক্তরাষ্ট্র

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উ. কোরিয়ার সাথে মিলে আন্তঃমহাদেশীয় মিসাইল বানাচ্ছে ইরান?
উ. কোরিয়ার সাথে মিলে আন্তঃমহাদেশীয় মিসাইল বানাচ্ছে ইরান?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চোখ অন্ধ করে দিয়েছি: আইআরজিসি
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চোখ অন্ধ করে দিয়েছি: আইআরজিসি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা চেষ্টা
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা চেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে যুদ্ধ, চোরাবালিতে আটকে গেছেন ট্রাম্প
সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে যুদ্ধ, চোরাবালিতে আটকে গেছেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অ্যালেনের রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরিতে আফ্রিকাকে উড়িয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড
অ্যালেনের রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরিতে আফ্রিকাকে উড়িয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি মিসাইল হামলায় জাহাজ পুড়ে ছাই, ২ ভারতীয় নিহত
ইরানি মিসাইল হামলায় জাহাজ পুড়ে ছাই, ২ ভারতীয় নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমেরিকা ফার্স্ট নাকি ইসরায়েল’ প্রশ্ন ইরানি নিরাপত্তা প্রধানের
‘আমেরিকা ফার্স্ট নাকি ইসরায়েল’ প্রশ্ন ইরানি নিরাপত্তা প্রধানের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধের মাঝেই আরেক দেশে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান
ইরান যুদ্ধের মাঝেই আরেক দেশে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আক্রমণ ছাড়া কোনো পথ ছিল না, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের বার্তা
আক্রমণ ছাড়া কোনো পথ ছিল না, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের বার্তা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডুবে যাওয়া ইরানি জাহাজ থেকে ৮০ জনের মরদেহ উদ্ধার
ডুবে যাওয়া ইরানি জাহাজ থেকে ৮০ জনের মরদেহ উদ্ধার

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেভাডায় শতাধিক ভূমিকম্প, যুক্তরাষ্ট্র কি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে?
নেভাডায় শতাধিক ভূমিকম্প, যুক্তরাষ্ট্র কি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ৮৬ শতাংশ কমে এসেছে: জেনারেল কেইন
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ৮৬ শতাংশ কমে এসেছে: জেনারেল কেইন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের মধ্যেই ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টায় ইরানকে জড়ালেন পাকিস্তানি ব্যবসায়ী!
যুদ্ধের মধ্যেই ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টায় ইরানকে জড়ালেন পাকিস্তানি ব্যবসায়ী!

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রাশিয়ার গুরুতর অভিযোগ
ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রাশিয়ার গুরুতর অভিযোগ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ হবে না, ঘোষণা ইরানের
লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ হবে না, ঘোষণা ইরানের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সাথে যুদ্ধের মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল
ইরানের সাথে যুদ্ধের মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলার হুমকি ইরানের
বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলার হুমকি ইরানের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে ‘সামরিক সরঞ্জাম’ পাঠিয়েছে অস্ট্রেলিয়া
মধ্যপ্রাচ্যে ‘সামরিক সরঞ্জাম’ পাঠিয়েছে অস্ট্রেলিয়া

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি
হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইরানে অভিযানের পক্ষে ভোট দিল মার্কিন সিনেট
ইরানে অভিযানের পক্ষে ভোট দিল মার্কিন সিনেট

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইরানের সাঁড়াশি আক্রমণ
ইরানের সাঁড়াশি আক্রমণ

প্রথম পৃষ্ঠা

রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড
রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধের পৃথিবীতে ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
যুদ্ধের পৃথিবীতে ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

সম্পাদকীয়

সৌদি আরব গেলেন জামায়াত আমির
সৌদি আরব গেলেন জামায়াত আমির

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জ্বালানি তেলের মজুত বাড়াতে হুলস্থুল
জ্বালানি তেলের মজুত বাড়াতে হুলস্থুল

নগর জীবন

ট্রফি ভরা আবাহনী এখন ট্রফিশূন্য
ট্রফি ভরা আবাহনী এখন ট্রফিশূন্য

মাঠে ময়দানে

চাল পর্যাপ্ত তবু কমছে না দাম
চাল পর্যাপ্ত তবু কমছে না দাম

পেছনের পৃষ্ঠা

এজাজের দুর্নীতি তদন্তে নামছে ডিএনসিসি
এজাজের দুর্নীতি তদন্তে নামছে ডিএনসিসি

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের কান্না কি কেউ শুনতে পায়?
পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের কান্না কি কেউ শুনতে পায়?

প্রথম পৃষ্ঠা

সরকারি পরিত্যক্ত ভবন স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার নির্দেশ
সরকারি পরিত্যক্ত ভবন স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার নির্দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢাকায় ব্যস্ত পল কাপুর
ঢাকায় ব্যস্ত পল কাপুর

প্রথম পৃষ্ঠা

আফঈদাদের সামনে এবার উত্তর কোরিয়া
আফঈদাদের সামনে এবার উত্তর কোরিয়া

মাঠে ময়দানে

রোজা রাখতে অপারগ যারা
রোজা রাখতে অপারগ যারা

প্রথম পৃষ্ঠা

সৌন্দর্যবর্ধনের নামে ফিরছে বিলবোর্ড!
সৌন্দর্যবর্ধনের নামে ফিরছে বিলবোর্ড!

রকমারি নগর পরিক্রমা

খামেনির উত্তরসূরি হলেন মোজতবা
খামেনির উত্তরসূরি হলেন মোজতবা

প্রথম পৃষ্ঠা

জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় রেশনিং
জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় রেশনিং

প্রথম পৃষ্ঠা

চাটাইয়ে বসে ব্র্যাকের কার্যক্রম শুনলেন জাইমা রহমান
চাটাইয়ে বসে ব্র্যাকের কার্যক্রম শুনলেন জাইমা রহমান

নগর জীবন

হুমকির মুখে শ্রমবাজার
হুমকির মুখে শ্রমবাজার

প্রথম পৃষ্ঠা

হারিয়ে যাচ্ছে পুরোনো রাজশাহী
হারিয়ে যাচ্ছে পুরোনো রাজশাহী

রকমারি নগর পরিক্রমা

মাথার ওপর মিসাইল কাজ নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রবাসীরা
মাথার ওপর মিসাইল কাজ নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রবাসীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

বসুন্ধরা সিটিতে ঈদের কেনাকাটা উৎসব
বসুন্ধরা সিটিতে ঈদের কেনাকাটা উৎসব

নগর জীবন

নাগরিক প্রত্যাশা পূরণের কেন্দ্রবিন্দু হবে সিসিক
নাগরিক প্রত্যাশা পূরণের কেন্দ্রবিন্দু হবে সিসিক

পেছনের পৃষ্ঠা

মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ
মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ

সম্পাদকীয়

হেসেখেলে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড
হেসেখেলে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট
আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট

সম্পাদকীয়

পাওনা টাকা-পারিবারিক বিরোধে সংঘর্ষ
পাওনা টাকা-পারিবারিক বিরোধে সংঘর্ষ

দেশগ্রাম

দুই উপদেষ্টা এবং আটজন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন
দুই উপদেষ্টা এবং আটজন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন

পেছনের পৃষ্ঠা

সকাল ৯টায় এসে ৪০ মিনিট অবস্থান বাধ্যতামূলক
সকাল ৯টায় এসে ৪০ মিনিট অবস্থান বাধ্যতামূলক

পেছনের পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড ও ভিসা প্রসেসিং ফি বাড়ল
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড ও ভিসা প্রসেসিং ফি বাড়ল

পেছনের পৃষ্ঠা