শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

গল্প

জলকাচ

মুহাম্মদ কামাল হোসেন
প্রিন্ট ভার্সন
জলকাচ

সকাল থেকেই উত্তর কলকাতার আকাশটা কেমন ঘোলাটে হয়ে আছে। বাতাসের ভারি গুমোট ভাবটা কাচের জানালা ভেদ করে ঘরের ভেতর ঢুকে পড়ছে। অনির্বাণ তার টেবিলের ওপর ছড়ানো স্থাপত্যের নকশাগুলো গুছিয়ে রাখার চেষ্টা করছিল। এই নীল রঙের নকশাগুলো আসলে আধুনিক কাচের টাওয়ারের, যা এই শহরের পুরোনো আকাশটাকে গিলে খেতে চায়। অথচ সে নিজে বসে আছে এক শ্যাওলা ধরা পুরোনো বাড়িতে, যার জানালার পাল্লাগুলো খুললে এখনো নোনা ধরা আভিজাত্যের এক ধরনের দীর্ঘশ্বাস শোনা যায়। অনির্বাণের জীবনটাও এখন এই পুরোনো বাড়ির ইটের মতোই খসে পড়ছে। মাসের মাঝামাঝি পেরোতেই ব্যাংক ব্যালেন্সের দিকে তাকালে, তার ভিতরে এক ধরনের হিমশীতল অস্বস্তি শুরু হয়। প্রমোটাররা প্রায়ই এসে হানা দেয়, তারা চায় এই ধুলোমাখা স্মৃতি মুছে সেখানে একটা ঝকঝকে কাচের আকাশচুম্বী দালান তুলতে। অনির্বাণ জানে, একদিন তাকেও এই শেকড় ছেড়ে হার মানতে হবে।

দরজায় কড়া নাড়ার শব্দটা খুব মৃদু ছিল। অনির্বাণ দরজা খুলে দেখল সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটির চোখে এক আকাশ ক্লান্তি। পরনে সাধারণ একটা সুতির কামিজ, হাতে একটা নীল রঙের প্লাস্টিকের ফাইল। মেয়েটি কিছুক্ষণ অনির্বাণের চোখের দিকে তাকিয়ে রইল, তারপর খুব শান্ত গলায় বলল, আমি তনিমা। বাংলাদেশ থেকে আসছি। আব্বা এই বাড়ির ঠিকানা দিয়েছিলেন।

অনির্বাণ দরজাটা একটু বেশি করে খুলে দিল। ঠাকুরদা অশ্বিনী দত্ত মারা গেছেন মাস তিনেক হলো, অথচ এই খবরটা ওপারের মানুষগুলোর কাছে পৌঁছাতে এক জীবন সময় লেগে গেল। তনিমা ইতস্তত করে পা রাখল ঘরের ভিতর। মেঝেতে ছড়িয়ে থাকা ম্যাপ আর ড্রয়িং ইনস্ট্রুমেন্টগুলো দেখে সে একটা ম্লান হাসি হাসল। অনির্বাণ গ্লাসে করে জল এনে টেবিলের ওপর রাখল। তনিমা জলের গ্লাসটার দিকে তাকিয়ে রইল, কাচের গায়ে আঙুলের ছাপ লেগে আছে। সে জলটা এক নিঃশ্বাসে খেয়ে নিল। অনির্বাণ খেয়াল করল, তনিমার ফর্সা হাতের আঙুলগুলো একটু কাঁপছে। এক অতল নিস্তব্ধতা গ্রাস করল পুরো ঘরটাকে। শুধু বাইরে একটা জরাজীর্ণ ট্যাক্সির হর্ন আর জানালার ধারে বসে থাকা তৃষ্ণার্ত কাকের ডাক শোনা যাচ্ছিল।

তনিমা বসল জানলার ধারের সেই পুরোনো চেয়ারটায়। সে ব্যাগ থেকে একটা রুমাল বের করে কপালের ঘাম মুছল, তারপর খুব নিচু স্বরে বলল, বাগবাজারের গলিগুলো বড় গোলমেলে, তবে হাঁটতে হাঁটতে মনে হচ্ছিল আমি কোনো অচেনা জায়গায় আসিনি। আমাদের ওখানের পুরোনো গলিগুলো ঠিক এইরকমই, তফাত শুধু ধুলোর রঙে আর বাতাসের ঘ্রাণে। অনির্বাণ মুগ্ধ হয়ে মেয়েটির কথা বলা দেখছিল, তার কণ্ঠস্বরে এক ধরনের বিষণ্ন মাধুর্য আছে, যা এই মৃতপ্রায় ঘরটাকে হঠাৎ করেই প্রাণবন্ত করে তুলেছে। চা খেতে খেতে তনিমা বলল, আব্বার শরীরটা ভালো না অনির্বাণ বাবু। ডাক্তার দেখাতেই এদিকে আসা। হাসপাতালের সেই বীভৎস সাদা দেওয়াল আর ওষুধের গন্ধের মাঝে বসে যখন তিনি হাঁপিয়ে ওঠেন, তখন শুধু পুরোনো মানুষের কথা বলেন। অশ্বিনী দাদাকে যদি একবার খবর দিতে পারতি, এই কথাটাই তাঁর জপমালা।

অনির্বাণ আলমারি থেকে ঠাকুরদার একটা চশমা আর পুরনো ফ্রেমে বাঁধানো ছবি বের করল। ঠাকুরদা নেই শুনে তনিমার মুখে কোনো আকস্মিক বিস্ময় ফুটে উঠল না, যেন এই অমোঘ সত্যটা শোনার জন্য সে অনেকদিন ধরেই নিজেকে পাথর করে রেখেছে। সে জানালার দিকে তাকিয়ে আনমনে বলল, কাঁটাতারের ওপারে আমাদের বাড়িটা এখনো ঠিক তেমনই আছে জানেন? বৃষ্টির দিনে টিনের চালে শব্দ হলে আব্বা আকাশের দিকে তাকিয়ে বলতেন, কলকাতায় অশ্বিনীদের ছাদেও কি এখন জল জমেছে রে মা? ওপারের জল এপারে এসে গড়াতে পারে না, অথচ মেঘগুলো তো একই। অনির্বাণ দীর্ঘক্ষণ কোনো কথা বলতে পারল না। তার বুকের ভিতর একটা সূক্ষ্ম চিনচিনে ব্যথা অনুভব করল সে। সে জানালার শিক ধরে দাঁড়িয়ে বলল, আমাদের এই বাড়িটাও আর থাকবে না তনিমা। প্রমোটাররা এসেছিল গত মাসে, আগামীতে এখানে বড় কাচের বিল্ডিং হবে। বাইরে থেকে সব চকচক করবে ঠিকই, কিন্তু ভিতরের মানুষগুলোকে আর বাইরে থেকে চেনা যাবে না। মানুষ এখন আর পুরোনো ইট-কাঠের গন্ধ সইতে পারে না, সবাই চায় এক ধরনের স্বচ্ছ কাচের জীবন, যেখানে ব্যক্তিগত দুঃখগুলো বড় বেশি ব্রাত্য।

তনিমা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। সে ব্যাগ থেকে একটা ছেঁড়া ডায়েরি আর কয়েকটা কুঁচকানো টাকার নোট বের করে টেবিলে রাখল। খুব সন্তর্পণে হিসাব মেলাচ্ছিল বোধহয় সে। তারপর ম্লান হেসে বলল, মাসের যা ইনকাম, তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি খরচ। আব্বার ওষুধের দোকানের বিলটা প্রতিদিন বাড়ছে, বাজারে গেলে এখন ব্যাগ ভর্তি করে সবজি আনাও দায় হয়ে পড়েছে। মনে হয় জীবনটা বুঝি ওই জ্যামে আটকে পড়া রিকশাটার মতো থমকে আছে, যেখান থেকে নামার কোনো উপায় নেই, আবার গন্তব্যে পৌঁছানোর ঠিকানাও ঝাপসা। অনির্বাণ আলতো করে তনিমার আঙুলের কাছে রাখা চায়ের কাপটা সরিয়ে নিল। তার হাতটা যখন তনিমার হাতের খুব কাছে ছিল, তখন সে এক ধরনের অদ্ভুত শিহরণ অনুভব করল। অভাবের গল্প বলতে বলতেও তারা যেন একে অপরের অস্তিত্বের খুব কাছে চলে আসছিল। এই মধ্যবিত্ত লড়াইয়ের যে একই ভাষা, তা তাদের দুজনের চোখেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল।

বিকেলের মরা আলোটা এখন অনির্বাণের ঘরের মেঝেতে লম্বা ছায়া ফেলেছে। বাইরে গলির মোড়ে রিকশার ঘণ্টি আর ফেরিওয়ালার ডাক শোনা যাচ্ছে। তনিমা ফাইল থেকে একটা ভাঁজ করা পুরোনো হলদেটে কাগজ বের করল। অনির্বাণের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, এটা আব্বার লেখা চিঠি, দেখুন তো অশ্বিনী দাদুর চশমা দিয়ে এটা পড়া যায় কি না। অনির্বাণ চিঠিটা হাতে নিল। কাঁপা কাঁপা হাতের লেখায় সেই বহু বছর আগের ঢাকার সূত্রাপুর আর আরমানিটোলার কিছু গলির বর্ণনা, যেখানে কোনো এক হারানো বিকেলের আড্ডার কথা পরম মমতায় লেখা আছে। অনির্বাণ চশমাটা চোখের সামনে ধরল। সে ফিসফিস করে বলল, এই যে এখানে লেখা আছে বুড়িগঙ্গার পাড়ের সেই বিশেষ চা আর বিস্কুটের কথা। অথচ দেখুন তনিমা, এখন আমাদের এখানেও গঙ্গার ধারের সেই ছোট দোকানগুলো সব উচ্ছেদ করা হচ্ছে। আমরা চেনা শহরগুলো কেমন অচেনা করে ফেলছি নিজেদের হাতেই।

তনিমা একটু মাথা ঝোঁকাল। সে জানলার বাইরে চেয়ে রইল কিছুক্ষণ, তারপর আলতো করে নিজের শাড়ির আঁচলটা আঙুলে জড়াতে জড়াতে বলল, আব্বা যখন অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালের সংকীর্ণ বিছানায় শুয়ে থাকেন, তখন শুধু ঢাকার সেই অসহ্য জ্যাম আর মানুষের চিৎকার মিস করেন। মানুষের বোধহয় সব হারিয়ে গেলেই মায়া বাড়ে। হাসপাতালের চড়া বিল আর ওষুধের টাকা জোগাতে গিয়ে যখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়, তখন স্মৃতির এই পুরোনো অলিগলিগুলোই আমাদের একমাত্র অক্সিজেন হয়ে দাঁড়ায়। মাঝে মাঝে মনে হয় আমরা সবাই যেন এক একটা ভাঙা আয়না, যেখানে প্রতিচ্ছবি দেখা যায় কিন্তু নিজেকে চেনা যায় না। কথা বলতে বলতে তনিমা হাসল। অনির্বাণের মনে হলো, এই হাসির পেছনে কত হাজার রাত জাগার হাহাকার লুকিয়ে আছে। সে ধীরে ধীরে বলল, তনিমা, আপনার সঙ্গে কথা বলতে বলতে আমার মনে হচ্ছে, আমি আপনাকে অনেক জনম ধরে চিনি। তনিমা চুপ করে রইল।

জানলার বাইরের ম্লান আলো তার মুখে এক অদ্ভুত রহস্য তৈরি করেছে। সে শুধু নিচু স্বরে বলল, মাঝে মাঝে চেনা মানুষের চেয়ে অচেনা মানুষই বেশি আপন হয়ে ওঠে অনির্বাণ বাবু। আপনি কি কখনো মাঝরাতে একা বৃষ্টির শব্দ শুনেছেন? আমার মনে হয় সেই শব্দটা আমাদের দুজনের জন্যই একই বিষণ্ণতার কথা বলে। অনির্বাণ অনুভব করল, তনিমার কথার ভেতরে যে শূন্যতা আছে, তা আসলে তার নিজেরই হাহাকার।

পরদিন বৃষ্টিটা একটু ধরেছে, কিন্তু শহর জুড়ে একটা স্যাঁতস্যাঁতে অস্বস্তি রয়ে গেছে। তনিমা তার ফাইল থেকে বাবার নতুন কিছু প্রেসক্রিপশন বের করে মেলাচ্ছিল। অনির্বাণ দেখল তনিমার কপালে একটা সূক্ষ্ম চিন্তার ভাঁজ, যা তাকে আরও বেশি করুণ করে তুলেছে। সে জানত না তনিমার পকেটে আর কতটুকুই বা সম্বল অবশিষ্ট আছে। তনিমা এক বুক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, কাল রাতে যখন ইনসুলিন কিনতে গেলাম, ওষুধের দোকানের লোকটা বড় নির্লিপ্তভাবে বলল দাম আরও বেড়েছে।

আমি কিছুক্ষণ গুম মেরে দাঁড়িয়ে রইলাম। পাশে এক বৃদ্ধ আমার মুখের দিকে তাকিয়ে করুণ স্বরে বললেন, মা রে, সব কিছুর দাম বাড়ে, শুধু আমাদের মতো সাধারণ মানুষের দামটাই দিনে দিনে কমে যাচ্ছে। অনির্বাণ কোনো উত্তর দিল না। সে জানালার কাচের গায়ে আঙুল দিয়ে একটা অদৃশ্য দাগ কাটল। সে বলল, তনিমা, এই যে কাচের ওপারে পৃথিবীটা দেখছেন, আমরা সবাই সেখানে কেবল আগন্তুক। যখন বড় কোনো বিপর্যয় আসে, তখন মানুষ একে অপরের পাশে দাঁড়ায় পরিচয়ের নাম না জেনেই। আমার মা যখন গত মাসে অসুস্থ হলেন, এক অচেনা মানুষ নিজের পকেট থেকে ট্যাক্সি ভাড়া দিয়ে আমাদের পৌঁছে দিয়েছিলেন। তিনি কোন্ দেশের মানুষ ছিলেন, তা আমি আজও জানি না। শুধু জানি তাঁর হাতটা যখন আমার কাঁধে ছিল, তখন মনে হয়েছিল আমার নিজের কোনো আপনজন পাশে দাঁড়িয়ে আছে।

তনিমা উঠে দাঁড়াল। ব্যাগ থেকে একটা ছোট্ট মাটির ভাঁড় বের করল সে। বলল, এতে আমাদের ওখানকার সরিষা ফুলের মধু আছে। আব্বা বলেছিলেন অশ্বিনী দাদুকে দিতে। তিনি যখন ছোট ছিলেন, ঢাকার শাঁখারীবাজারের এক পুরোনো দোকান থেকে এই মধু নিয়ে খেতেন। অনির্বাণ ভাঁড়টা হাতে নিল। মাটির সেই সোঁদা গন্ধটা তার নাকে লাগল। তার মনে হলো, কোনো এক অদৃশ্য নাড়ির টানে এই মাটির ঘর আর ওপারের টিনের চালগুলো আজও সমান্তরালভাবে বেঁচে আছে। তনিমা দরজার দিকে পা বাড়িয়ে বলল, আজ আসি অনির্বাণ বাবু। কাল হয়তো রিপোর্টগুলো নিয়ে আবার ছুটতে হবে সেই হাসপাতালের করিডোরে। অনির্বাণ হঠাৎ করেই তনিমার হাতটা হালকা করে ছুঁল। তনিমা থামল না, কিন্তু তার শিরদাঁড়াটা এক মুহূর্তের জন্য কেঁপে উঠল। অনির্বাণ খুব নিচু গলায় বলল, সাবধানে যাবেন। দরকার হলে আমাকে একটা ফোন করবেন, আমি কিন্তু অপেক্ষায় থাকব। তনিমা কোনো কথা না বলে সিঁড়ি দিয়ে দ্রুত নেমে গেল। অনির্বাণ জানলার ধারে দাঁড়িয়ে রইল। তার মনে হলো, দুই তীরের দীর্ঘশ্বাসগুলো যেন এক বিষণ্ন সন্ধ্যায় এসে গঙ্গার শান্ত জলের ওপর আছড়ে পড়ছে।

পরদিন সকালে এসএসকেএম হাসপাতালের সেই উৎকট সাদাটে গন্ধ আর অগণিত মানুষের ভিড়ের মাঝে অনির্বাণকে বেশি সময় খুঁজতে হলো না। তনিমা করিডোরের এক কোণে সিঁড়িতে বসে ছিল। অনির্বাণ দেখল তনিমার মুখটা কালকের চেয়েও বেশি পাংশুটে। তনিমা খুব নিচু স্বরে বলল, আব্বা বলছিলেন আপনার সঙ্গে দেখা হলে একটা কথা বলতে। ওপারের মাটির আর এপারের মাটির গন্ধে নাকি কোনো তফাত নেই, শুধু আমাদের নাকগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভোঁতা হয়ে গেছে। অনির্বাণ হাসল। সে পকেট থেকে ঠাকুরদার সেই পুরোনো চশমাটা বের করে তনিমার হাতে দিল। এটা আপনার বাবার জন্য। তিনি যখন ওপারের কথা মনে করবেন, তখন এই চশমাটা দিয়ে একবার আকাশটা দেখতে বলবেন। হয়তো সবটা ঝাপসা থেকে একটু পরিষ্কার হবে। তনিমা চশমাটা হাতে নিল। তার আঙুল আর অনির্বাণের আঙুল এক মুহূর্তের জন্য আবার ছুঁয়ে গেল। কাচের ফ্রেমের সেই শীতলতা দুজনের হৃৎপিণ্ডের তপ্ত স্পন্দন যেন এক করে দিল। এটা কেবল শারীরিক স্পর্শ ছিল না, ছিল দুই ভিন্ন দেশের দুটি মানুষের একে অন্যকে নিঃশব্দে আগলে রাখার এক গোপন শপথ।

হাসপাতালের সেই ভিড়ের মাঝে অনির্বাণ এক মুহূর্তের জন্য তনিমার বাবার দিকে তাকাল। রোগা পাণ্ডুর হাত দুটো চাদরের বাইরে ঝুলে আছে। মানুষটি ঘুমোচ্ছেন, কিন্তু তার কপালে এক অসীম তৃপ্তি। অনির্বাণ বুঝল, এই মানুষটি কোনো দেশ বা ধর্মের নন, তিনি এক চিরন্তন শিকড়হীন পিতার প্রতিচ্ছবি। তনিমার চোখে তখন জলের একটা পাতলা আস্তরণ। সে অপরাধীর মতো অনির্বাণের দিকে তাকিয়ে বলল, আপনার অনেক সময় নষ্ট করলাম অনির্বাণ বাবু। অনির্বাণ শুধু মাথা নেড়ে জানাল, এই সময়টুকুই তার জীবনের সবচেয়ে দামি বিনিয়োগ। হাসপাতালের গেট পর্যন্ত অনির্বাণ সঙ্গে এলো। বিদায়ের মুহূর্তটা বড় নিষ্ঠুর। তনিমা ব্যাগটা কাঁধে তুলে নিয়ে বলল, আসি অনির্বাণ বাবু। আমাদের মতো মানুষদের মাসকাবারির হিসাবে হয়তো আবার কোনোদিন কাটাকুটি হবে। হয়তো আবার কোনো এক মেঘলা বিকেলে গঙ্গার ঘাট বা বুড়িগঙ্গার পাড়ে দেখা হবে। তনিমার গলায় একটা সূক্ষ্ম কম্পন ছিল যা অনির্বাণের বুকের ভেতর গিয়ে বিঁধল।

অনির্বাণ দেখল তনিমা জনসমুদ্রের মধ্যে ধীরে ধীরে মিশে যাচ্ছে। তার নীল কামিজটা ভিড়ের মধ্যে ক্রমশ ঝাপসা হয়ে এলো। অনির্বাণ ট্যাক্সি ধরল না। সে হাঁটতে শুরু করল শহরের ব্যস্ত রাজপথ দিয়ে। তার মনে হলো, তনিমা আর সে-দুজনেই যেন এই নির্দয় সময়ের এক জোড়া জলকাচ। স্বচ্ছ, সমান্তরাল কিন্তু মাঝখানে এক অলঙ্ঘ্য অদৃশ্য ব্যবধান। তবে সেই কাচের দেয়াল ভেদ করে ঠিকই একে অপরের আর্তনাদ ওপাশে পৌঁছায়। অনির্বাণ পকেটে হাত দিয়ে দেখল মধুর সেই ছোট্ট ভাঁড়টা। সে জানে, এই মধুর আদিম স্বাদটার কোনো মানচিত্র নেই। মানুষের হাহাকার আর ভালোবাসার কোনো পাসপোর্ট লাগে না। বৃষ্টির পশলা মেখে অনির্বাণ তার সেই নোনা ধরা ভাঙা বাড়ির দিকে পা বাড়াল। তার মনে মনে এক ধরনের মধুর যন্ত্রণা গুঞ্জরিত হতে লাগল, যেখানে কোনো সীমান্ত নেই, কেবল দুটি হৃদয়ের নীরব কথোপকথনই শেষ পর্যন্ত সত্য হয়ে বেঁচে থাকে। জানালার কাচে তখন বৃষ্টির জলের দাগ, দেখতে ঠিক জমাট বাঁধা চোখের জলের মতো।

 

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
একটি শিশিরভেজা চিরকুট
একটি শিশিরভেজা চিরকুট
ভ্যালেন্টাইনস ডে
ভ্যালেন্টাইনস ডে
অপেক্ষা-দ্রষ্টব্য বাতাস
অপেক্ষা-দ্রষ্টব্য বাতাস
যদি তুমি ভালোবাসো
যদি তুমি ভালোবাসো
ফ্যাট ও ফাটল
ফ্যাট ও ফাটল
হৃদয়ে বসন্ত চোখে কুয়াশা
হৃদয়ে বসন্ত চোখে কুয়াশা
ভাষার সৌন্দর্য
ভাষার সৌন্দর্য
নিবিড় চাষবাস
নিবিড় চাষবাস
নক্ষত্র পতন
নক্ষত্র পতন
মৌনতা
মৌনতা
বর্ণমালায় গড়ি
বর্ণমালায় গড়ি
আলোর ভেলা
আলোর ভেলা
সর্বশেষ খবর
ঝালকাঠিতে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
ঝালকাঠিতে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

সত্যিই কী ইরান যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে?
সত্যিই কী ইরান যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে?

২৩ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজারবাইজানে ড্রোন হামলা করল কারা, যা জানা গেল
আজারবাইজানে ড্রোন হামলা করল কারা, যা জানা গেল

৪৬ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাঁকজমকপূর্ণ ইফতার মাহফিল এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর
জাঁকজমকপূর্ণ ইফতার মাহফিল এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

১ মিনিট আগে | জাতীয়

টেলিভিশন সিরিজ থেকে বাদ দেওয়ায় আইনি পথে হাঁটলেন অভিনেতা
টেলিভিশন সিরিজ থেকে বাদ দেওয়ায় আইনি পথে হাঁটলেন অভিনেতা

৩ মিনিট আগে | শোবিজ

জাকজমকপূর্ণ ইফতার মাহফিল এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর
জাকজমকপূর্ণ ইফতার মাহফিল এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

রো‌হিঙ্গা‌দের ২৬ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তা দি‌চ্ছে জাপান
রো‌হিঙ্গা‌দের ২৬ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তা দি‌চ্ছে জাপান

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

ইবি শিক্ষিকাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা: ৪ জনের নামে মামলা
ইবি শিক্ষিকাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা: ৪ জনের নামে মামলা

১৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে নানা রঙের ফুল
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে নানা রঙের ফুল

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাট-১ আসনের ভোট পুনর্গণনায় হাইকোর্টের নির্দেশ
বাগেরহাট-১ আসনের ভোট পুনর্গণনায় হাইকোর্টের নির্দেশ

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সতীর্থদের বোলিংয়ের প্রশংসা করলেন ম্যাট হেনরি
সতীর্থদের বোলিংয়ের প্রশংসা করলেন ম্যাট হেনরি

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠালো ইংল্যান্ড
টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠালো ইংল্যান্ড

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হলুদ-মরিচের বস্তায় মাদক পাচার, আটক ১
হলুদ-মরিচের বস্তায় মাদক পাচার, আটক ১

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাজীপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, জরিমানা
গাজীপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, জরিমানা

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রজনীকান্তের ছবিতে শাহরুখের ক্যামিও চূড়ান্ত, এলো ভেতরের খবর
রজনীকান্তের ছবিতে শাহরুখের ক্যামিও চূড়ান্ত, এলো ভেতরের খবর

৫১ মিনিট আগে | শোবিজ

ভিভিআইপি মর্যাদায় কী কী সুবিধা পাবেন ড. ইউনূস
ভিভিআইপি মর্যাদায় কী কী সুবিধা পাবেন ড. ইউনূস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কলাপাড়ায় ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ, কর্মী হত্যার বিচার দাবি
কলাপাড়ায় ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ, কর্মী হত্যার বিচার দাবি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পেশিতে চোট পেলেন হ্যারি কেইন
পেশিতে চোট পেলেন হ্যারি কেইন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে : ইশরাক
বিএনপি শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে : ইশরাক

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

চাঁদপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি প্যানেল বিজয়ী
চাঁদপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি প্যানেল বিজয়ী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে ঋণী ও সাহসী করেছেন: জিলানী
আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে ঋণী ও সাহসী করেছেন: জিলানী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুন্দরবনে আবারও দুই জেলে অপহরণ, মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন ১৪ জন
সুন্দরবনে আবারও দুই জেলে অপহরণ, মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন ১৪ জন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীলঙ্কার জলসীমায় আরেকটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ, ফের হামলার শঙ্কা
শ্রীলঙ্কার জলসীমায় আরেকটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ, ফের হামলার শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও প্রত্যাবর্তনে বিমানবন্দরে থাকবেন ৪ জন
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও প্রত্যাবর্তনে বিমানবন্দরে থাকবেন ৪ জন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
গাইবান্ধায় দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুনামগঞ্জে গিভহোপের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন
সুনামগঞ্জে গিভহোপের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দক্ষ জনশক্তি গড়তে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
দক্ষ জনশক্তি গড়তে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যে বিভেদ তৈরি করতেই ইরানে হামলা: রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যে বিভেদ তৈরি করতেই ইরানে হামলা: রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আফগানিস্তানের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরান
আফগানিস্তানের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের জন্য বড় দুঃসংবাদ
ইরানের জন্য বড় দুঃসংবাদ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ, যা বললো ভারত
ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ, যা বললো ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কয়েক হাজার কুর্দি যোদ্ধার ইরানে প্রবেশের দাবি, যা বললো তেহরান
কয়েক হাজার কুর্দি যোদ্ধার ইরানে প্রবেশের দাবি, যা বললো তেহরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৮ মার্চও ছুটির প্রস্তাব, অনুমোদন পেলে ঈদের ছুটি হবে ৭ দিন
১৮ মার্চও ছুটির প্রস্তাব, অনুমোদন পেলে ঈদের ছুটি হবে ৭ দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ফাত্তাহ-২ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো অসম্ভব: রিপোর্ট
ইরানের ফাত্তাহ-২ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো অসম্ভব: রিপোর্ট

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন, যে আলাপ করলেন
কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন, যে আলাপ করলেন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটি বেড়ে ৭ দিন
ঈদের ছুটি বেড়ে ৭ দিন

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আরও তিন সাবেক উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর হিসাব তলব
আরও তিন সাবেক উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর হিসাব তলব

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান কী সামরিক সহায়তা চেয়েছে? জানাল রাশিয়া
ইরান কী সামরিক সহায়তা চেয়েছে? জানাল রাশিয়া

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের সব প্রান্তে হামলা চালাতে পারবে এমন মিসাইল পরীক্ষা করল যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বের সব প্রান্তে হামলা চালাতে পারবে এমন মিসাইল পরীক্ষা করল যুক্তরাষ্ট্র

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উ. কোরিয়ার সাথে মিলে আন্তঃমহাদেশীয় মিসাইল বানাচ্ছে ইরান?
উ. কোরিয়ার সাথে মিলে আন্তঃমহাদেশীয় মিসাইল বানাচ্ছে ইরান?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চোখ অন্ধ করে দিয়েছি: আইআরজিসি
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চোখ অন্ধ করে দিয়েছি: আইআরজিসি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা চেষ্টা
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা চেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে যুদ্ধ, চোরাবালিতে আটকে গেছেন ট্রাম্প
সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে যুদ্ধ, চোরাবালিতে আটকে গেছেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অ্যালেনের রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরিতে আফ্রিকাকে উড়িয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড
অ্যালেনের রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরিতে আফ্রিকাকে উড়িয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি মিসাইল হামলায় জাহাজ পুড়ে ছাই, ২ ভারতীয় নিহত
ইরানি মিসাইল হামলায় জাহাজ পুড়ে ছাই, ২ ভারতীয় নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমেরিকা ফার্স্ট নাকি ইসরায়েল’ প্রশ্ন ইরানি নিরাপত্তা প্রধানের
‘আমেরিকা ফার্স্ট নাকি ইসরায়েল’ প্রশ্ন ইরানি নিরাপত্তা প্রধানের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধের মাঝেই আরেক দেশে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান
ইরান যুদ্ধের মাঝেই আরেক দেশে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আক্রমণ ছাড়া কোনো পথ ছিল না, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের বার্তা
আক্রমণ ছাড়া কোনো পথ ছিল না, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের বার্তা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডুবে যাওয়া ইরানি জাহাজ থেকে ৮০ জনের মরদেহ উদ্ধার
ডুবে যাওয়া ইরানি জাহাজ থেকে ৮০ জনের মরদেহ উদ্ধার

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেভাডায় শতাধিক ভূমিকম্প, যুক্তরাষ্ট্র কি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে?
নেভাডায় শতাধিক ভূমিকম্প, যুক্তরাষ্ট্র কি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ৮৬ শতাংশ কমে এসেছে: জেনারেল কেইন
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ৮৬ শতাংশ কমে এসেছে: জেনারেল কেইন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের মধ্যেই ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টায় ইরানকে জড়ালেন পাকিস্তানি ব্যবসায়ী!
যুদ্ধের মধ্যেই ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টায় ইরানকে জড়ালেন পাকিস্তানি ব্যবসায়ী!

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রাশিয়ার গুরুতর অভিযোগ
ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রাশিয়ার গুরুতর অভিযোগ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ হবে না, ঘোষণা ইরানের
লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ হবে না, ঘোষণা ইরানের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সাথে যুদ্ধের মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল
ইরানের সাথে যুদ্ধের মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলার হুমকি ইরানের
বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলার হুমকি ইরানের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে ‘সামরিক সরঞ্জাম’ পাঠিয়েছে অস্ট্রেলিয়া
মধ্যপ্রাচ্যে ‘সামরিক সরঞ্জাম’ পাঠিয়েছে অস্ট্রেলিয়া

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি
হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইরানে অভিযানের পক্ষে ভোট দিল মার্কিন সিনেট
ইরানে অভিযানের পক্ষে ভোট দিল মার্কিন সিনেট

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইরানের সাঁড়াশি আক্রমণ
ইরানের সাঁড়াশি আক্রমণ

প্রথম পৃষ্ঠা

রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড
রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধের পৃথিবীতে ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
যুদ্ধের পৃথিবীতে ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

সম্পাদকীয়

সৌদি আরব গেলেন জামায়াত আমির
সৌদি আরব গেলেন জামায়াত আমির

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জ্বালানি তেলের মজুত বাড়াতে হুলস্থুল
জ্বালানি তেলের মজুত বাড়াতে হুলস্থুল

নগর জীবন

ট্রফি ভরা আবাহনী এখন ট্রফিশূন্য
ট্রফি ভরা আবাহনী এখন ট্রফিশূন্য

মাঠে ময়দানে

চাল পর্যাপ্ত তবু কমছে না দাম
চাল পর্যাপ্ত তবু কমছে না দাম

পেছনের পৃষ্ঠা

এজাজের দুর্নীতি তদন্তে নামছে ডিএনসিসি
এজাজের দুর্নীতি তদন্তে নামছে ডিএনসিসি

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের কান্না কি কেউ শুনতে পায়?
পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের কান্না কি কেউ শুনতে পায়?

প্রথম পৃষ্ঠা

সরকারি পরিত্যক্ত ভবন স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার নির্দেশ
সরকারি পরিত্যক্ত ভবন স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার নির্দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢাকায় ব্যস্ত পল কাপুর
ঢাকায় ব্যস্ত পল কাপুর

প্রথম পৃষ্ঠা

আফঈদাদের সামনে এবার উত্তর কোরিয়া
আফঈদাদের সামনে এবার উত্তর কোরিয়া

মাঠে ময়দানে

রোজা রাখতে অপারগ যারা
রোজা রাখতে অপারগ যারা

প্রথম পৃষ্ঠা

সৌন্দর্যবর্ধনের নামে ফিরছে বিলবোর্ড!
সৌন্দর্যবর্ধনের নামে ফিরছে বিলবোর্ড!

রকমারি নগর পরিক্রমা

খামেনির উত্তরসূরি হলেন মোজতবা
খামেনির উত্তরসূরি হলেন মোজতবা

প্রথম পৃষ্ঠা

জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় রেশনিং
জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় রেশনিং

প্রথম পৃষ্ঠা

চাটাইয়ে বসে ব্র্যাকের কার্যক্রম শুনলেন জাইমা রহমান
চাটাইয়ে বসে ব্র্যাকের কার্যক্রম শুনলেন জাইমা রহমান

নগর জীবন

হুমকির মুখে শ্রমবাজার
হুমকির মুখে শ্রমবাজার

প্রথম পৃষ্ঠা

হারিয়ে যাচ্ছে পুরোনো রাজশাহী
হারিয়ে যাচ্ছে পুরোনো রাজশাহী

রকমারি নগর পরিক্রমা

মাথার ওপর মিসাইল কাজ নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রবাসীরা
মাথার ওপর মিসাইল কাজ নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রবাসীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

বসুন্ধরা সিটিতে ঈদের কেনাকাটা উৎসব
বসুন্ধরা সিটিতে ঈদের কেনাকাটা উৎসব

নগর জীবন

নাগরিক প্রত্যাশা পূরণের কেন্দ্রবিন্দু হবে সিসিক
নাগরিক প্রত্যাশা পূরণের কেন্দ্রবিন্দু হবে সিসিক

পেছনের পৃষ্ঠা

মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ
মুসলমানদের জন্য শিক্ষণীয় ওহুদের যুদ্ধ

সম্পাদকীয়

হেসেখেলে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড
হেসেখেলে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট
আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট

সম্পাদকীয়

পাওনা টাকা-পারিবারিক বিরোধে সংঘর্ষ
পাওনা টাকা-পারিবারিক বিরোধে সংঘর্ষ

দেশগ্রাম

দুই উপদেষ্টা এবং আটজন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন
দুই উপদেষ্টা এবং আটজন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন

পেছনের পৃষ্ঠা

সকাল ৯টায় এসে ৪০ মিনিট অবস্থান বাধ্যতামূলক
সকাল ৯টায় এসে ৪০ মিনিট অবস্থান বাধ্যতামূলক

পেছনের পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড ও ভিসা প্রসেসিং ফি বাড়ল
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড ও ভিসা প্রসেসিং ফি বাড়ল

পেছনের পৃষ্ঠা