গ্রাম-বাংলার জনপ্রিয় খাবার ‘সিদল’। ঘরে বানিয়ে এ খাবার খান অনেকে। আজকাল এর জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে অনেকেই এ খাবারের ব্যবসা করছেন। হচ্ছেন স্বাবলম্বী। তাদেরই একজন উম্মে মরিয়ম মিলু। তিনি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে শখের বসে এ কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে দিনাজপুরে এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম হাতে নেন। হয়েছেন সফল। এখন অনলাইনে অর্ডার নিয়ে দিনাজপুর ছেড়ে সারা দেশে যাচ্ছে সিদল। জানা যায়, বিদেশেও সরবরাহ করা হচ্ছে এটি। দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খাবার সিদল। কালের বিবর্তনে, মাছের সংকট এবং আনুষঙ্গিক নানা কারণে সিদল হারিয়ে যেতে বসেছে। গ্রামীণ নারীদের হাতের তৈরি এই মুখরোচক খাবারটি একসময় হাটবাজারে বিক্রি হতো। এখন শহর পেরিয়ে দেশের নানা প্রান্ত থেকে অর্ডার আসছে এ খাবারের জন্য। নারী উদ্যোক্তা মিলুর প্রেরণায় অনেকেই এ ব্যবসায় এসেছেন ও সফলতাও পেয়েছেন। মিলু পড়ালেখা শেষ করে অন্য সবার মতো চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেই গড়েন ঐতিহ্যবাহী সিদলসহ নানা পণ্যের অনলাইন শপ। করোনার সময় এ কাজে মন দেন তিনি। তার তৈরি সিদল ছাড়াও জনপ্রিয়তা পেয়েছে ‘ইউসফুল গুডস্’ নামের অনলাইনভিত্তিক ফেসবুক পেজ। সিদলের পাশাপাশি এখন ‘ইউসফুল গুডস্’-এ আরও বহু পণ্য সংযোজিত হয়েছে। জানালেন, তার এই সিদল আমেরিকাতেও সরবরাহ করেছেন। উম্মে মরিয়ম মিলু বলেন, ‘করোনা সংকটে যখন দেশ থমকে গিয়েছিল সে সময় অবসর সময়কে কাজে লাগাতেই আমার তৈরি পণ্যগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করি। এরপর অর্ডার আসতে থাকে। শখের বসে ইউসফুল গুডস্ নামে একটি পেজ খুলি। সেখানে সিদল ছাড়াও দিনাজপুরের বিখ্যাত কাটারিভোগ চালের রুটি, আলুর নকশাকৃত চিপস, পাপড়, বিভিন্ন রকমের মজাদার আচার, দশভাজা চানাচুর, ঝুরি ভাজা, ফুচকা, চটপটি, হোমমেড হরলিক্স, পুডিং, কাস্টমাইজড বা চাহিদা অনুযায়ী খাবার তৈরি করে সাড়া পাই। জনপ্রিয় হয়ে ওঠে আমার পেজটি। এসব কাজে আমার মা সব সময় পাশে থেকে সাহায্য করেছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার বানানো সিদল আমেরিকাতেও সরবরাহ করেছি। সব কিছুর মাঝেও সবচেয়ে বেশি সাড়া পাই উত্তরবঙ্গের বিখ্যাত সিদলে। সিদলের উপাদান হিসেবে প্রধান কাঁচামাল কচু আর এর সঙ্গে আদা বাটা, রসুন বাটা, লবণ, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, কয়েক ধরনের শুঁটকি আর মসলার প্রয়োজন হয়। প্রতি মাসের অর্ডার গড়িয়েছে ২০ থেকে ২৫ হাজারে। ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকায় পণ্য নির্মাণে দু-তিনজনের কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রতিটি সিদল বিক্রি হয় ৫০ টাকায়। সুলভমূল্য আর মানসম্পন্ন ঐতিহ্যবাহী এই খাবারের জন্য প্রতিদিনই অসংখ্য ফোন কল আর মেসেজ পাই অনলাইন শপে। এখন যারা সিদল রান্না করতে পারেন না তাদের জন্য রান্না করা সিদলও সরবরাহ করছি। এক বাটি রান্না করা সিদল ২০০ টাকা নেওয়া হয়। এতে তিন-চারজন খেতে পারবেন।’ উদ্যোক্তা উম্মে মরিয়মের মা শাহনাজ পারভীন বলেন, ‘প্রথম প্রথম এগুলো মেয়ের পাগলামো মনে হলেও সে স্বাবলম্বী হওয়ায় তাকে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছি।’
শিরোনাম
- পাকিস্তানকে হারিয়ে র্যাঙ্কিংয়ে উইন্ডিজকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ
- রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে সেভিয়াকে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা
- তেল আবিবে ইরানের ক্লাস্টার বোমা হামলা, আহত কয়েকজন
- পিএসএলে দল পেলেন শরিফুল
- ঝড়ো হাওয়ায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ
- দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা
- রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ
- মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি
- শহীদ মিনারে গুলিবিদ্ধ কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবের মৃত্যু
- রাজধানীর খিলক্ষেতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিনজনের মৃত্যু
- আশুলিয়ায় ভাড়া বাসা থেকে জাবি শিক্ষার্থীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার
- বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক আহাসানুল তৈয়ব জাকির
- আবেগের গল্পে ঈদের নাটক ‘বোবা কান্না’
- ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ শিলাবৃষ্টির আভাস
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিচ্ছিন্নতা কাটিয়ে উঠবে বাংলাদেশ : ড. মঈন
- বিদেশি ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে ঋণ সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক
- ‘মোটরহেড’ ব্যান্ডের গিটারিস্ট ফিল ক্যাম্পবেল আর নেই
- আবদুল্লাহপুরে বিআরটি প্রকল্পের সংস্কারকাজ পরিদর্শনে সেতুসচিব
- ডিজিটাল ক্ষমতায়নে জোর দিতে হবে : তথ্যমন্ত্রী
- দিয়াসকে লাল কার্ড, ভুল স্বীকার রেফারির
বিদেশেও যাচ্ছে সিদল
দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খাবার সিদল। কালের বিবর্তনে, মাছের সংকট এবং আনুষঙ্গিক নানা কারণে সিদল হারিয়ে যেতে বসেছে
রিয়াজুল ইসলাম, দিনাজপুর
প্রিন্ট ভার্সন
এই বিভাগের আরও খবর
সর্বশেষ খবর
হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, হতে পারে হিতে বিপরীত
১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম
মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প
২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম