শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৩৮, সোমবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২৬

আর্টেমিস-২ নভোচারীরা কেন চাঁদে পা রাখবেন না?

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
আর্টেমিস-২ নভোচারীরা কেন চাঁদে পা রাখবেন না?

"প্রথমবারের মতো দুজন মহাকাশচারীকে যখন চাঁদে পাঠানো হয়েছিল, সেই ১৯৬৯ সালে নাসার পুরো দলের চেয়েও বেশি কম্পিউটিং ক্ষমতা আছে এখন আপনার মোবাইল ফোনে"। 'কম্পিউটিং ক্ষমতা' নিয়ে পদার্থবিজ্ঞানী মিচিও কাকুর এই বক্তব্যকে সুক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ ও যুক্তির দিক থেকে খণ্ডনও করা যেতে পারে।

এটা অস্বীকার করা যায় না যে, ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ অভিযানের সময় নীল আর্মস্ট্রংয়ের 'মানুষের জন্য এক ক্ষুদ্র পদক্ষেপ' নেওয়ার পর থেকে প্রযুক্তির অভাবনীয় বিবর্তন ঘটেছে। অ্যাপোলো মিশনের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ২৪ জন নাসা মহাকাশচারী চাঁদে ভ্রমণ করেছেন। তবে, ১৯৭২ সালের পর থেকে আর কেউ এই প্রাকৃতিক ভূ-উপগ্রহে পা রাখেনি।

আর কেউ এখনি চাঁদে পা রাখতেও যাচ্ছেন না। যদিও আর্টেমিস নামের নভোযানটি- যেটি ফ্লোরিডা থেকে চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করেছে, সেটিকে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা বলা হচ্ছে। তবে সেখানের চারজন মহাকাশচারীর কেউই চাঁদের পৃষ্ঠে পা রাখবেন না।

চাঁদে আবার কোনো মানুষের পা পড়তে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে অন্তত আর্টেমিস-৪ এর জন্য- যা ২০২৮ সালের বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

এখানে 'অন্তত' বলার কারণ হলো আর্টেমিস-২ এর চাঁদে অবতরণের কথা ২০২৪ এর নভেম্বরে হওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে তা অনেক দেরিতে হয়েছে। নভোচারী রিড ওয়াইজম্যান, ক্রিস্টিনা কচ, ভিক্টর জে. গ্লোভার এবং জেরেমি হ্যানসেন ওরিয়ন মহাকাশযানে তাদের ১০ দিনের যাত্রাকালে ভবিষ্যতে অবতরণের প্রস্তুতিস্বরূপ চাঁদকে প্রদক্ষিণ করবেন এবং বিভিন্ন রণকৌশল সম্পাদন করবেন। আগামী বছর আর্টেমিস-৩ মিশনের উৎক্ষেপণের উদ্দেশ্যে এটি করা হবে।
তবে প্রশ্ন হচ্ছে আমেরিকা যেটি ৫০ বছর আগেই অর্জন করেছে সেটির জন্য এখন কেন এতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা?

অসাধারণ অর্জনের নেপথ্য:

মানবজাতির চাঁদে পদার্পণের এই বিশাল কীর্তিটি ব্যাখ্যা করা কঠিন। এমনকি 'বিশাল' ও 'কীর্তি' শব্দগুলোও যেন যথেষ্ট নয়। সম্ভবত এর বিশালতা উপলব্ধি করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো, এটা বলা যে নিল আর্মস্ট্রং বিংশ শতাব্দীর সেই অল্প কয়েকজন মানুষের মধ্যে একজন, যাকে ত্রিশ শতকেও মানুষ স্মরণ করবে।

কিন্তু তাতেও সেই হাজারো মানুষের কাজ ও মেধাকে কমানো হবে যাদের প্রচেষ্টায় ১৯৬৯ সালের ২০শে জুলাই আর্মস্ট্রং ও এডউইন "বাজ" অলড্রিনের পক্ষে চাঁদে পা রাখা সম্ভব হয়েছিল, এই তারিখটি সকলের স্মৃতিতে খোদাই হয়ে আছে।

চাঁদের এই কথিত "বিজয়" ঘটেছিল শীতল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে। যে প্রতিযোগিতায় সোভিয়েত ইউনিয়ন এতোদিন পর্যন্ত জয়ী হয়ে এসেছে সেখানে এই অভিযান মহাকাশ প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রকে তার প্রথম এবং সর্বশ্রেষ্ঠ বিজয় এনে দিয়েছিল।

তবে চন্দ্রাভিযানটি একটি বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত মাইলফলক হলেও এর ব্যয়বহুল অর্থায়নের পেছনে রাজনৈতিক ও প্রচারণামূলক উদ্দেশ্য ছিল। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানের অধ্যাপক মাইকেল রিচ ২০১৭ সালে বিবিসি মুন্ডোকে বলেন, "বাস্তবে, যখন বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে চাঁদে ফিরে যাওয়ার মতো যথেষ্ট কারণ ছিল না তখন কংগ্রেসকে এমন একটি বিপুল বাজেট অনুমোদন করতে রাজি করানো খুব কঠিন ছিল।"

প্রসঙ্গক্রমে বলা যায়, এই কর্মসূচি চলাকালীন মার্কিন সরকার নাসাকে ফেডারেল বাজেটের প্রায় পাঁচ শতাংশ বরাদ্দ করেছিল। ২০২৬ সালে, এর পরিমাণ ০.৩৫ শতাংশ।

কর্মসূচিটি ১৯৭২ সালে যখন বাতিল করা হয়, তখন "খরচ আকাশছোঁয়া হয়ে গিয়েছিল ও এর অগ্রাধিকার বদলে গিয়েছিল," বলেন বিবিসির বিজ্ঞান সম্পাদক রেবেকা মোরেল।

তিনি আরো বলেন, "মনোযোগ সরে আসে আরও সাশ্রয়ী একটি গন্তব্যের দিকে যা হলো পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথ। এই নতুন লক্ষ্যের সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণ সম্ভবত আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন''।

বিজ্ঞান বিষয়ক ওয়েবসাইট 'দ্য কনভারসেশন'-এ পদার্থবিজ্ঞানী ডোমেনিকো ভিসিনানজা লিখেছেন "মহাকাশ ও পৃথিবী উভয় ক্ষেত্রেই টেকসই অভিযানের জন্য প্রয়োজন স্থিতিশীল রাজনৈতিক অঙ্গীকার, অনুমানযোগ্য তহবিল এবং একটি সুস্পষ্ট দীর্ঘমেয়াদী উদ্দেশ্য।"

"অ্যাপোলো কর্মসূচির পর, যুক্তরাষ্ট্র এই তিনটি উপাদানকে একযোগে বজায় রাখতে হিমশিম খেয়েছে," তিনি আরও যোগ করেন।

আর্টেমিস কর্মসূচি এই তিন উপাদানকে আবারো সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে পেরেছিল।

নতুন করে শুরু:

নাসার এই আর্টেমিস প্রোগ্রাম চালু করার আগে বেশ কয়েকটি মহাকাশ প্রকল্প বাতিল হয়েছিল। ২০১৭ সালে শুরু হওয়া এ প্রকল্পে হাজার হাজার মানুষ জড়িত এবং এখন পর্যন্ত এর আনুমানিক খরচ প্রায় ৯৩ বিলিয়ন (৯৩০০ কোটি) মার্কিন ডলার।

ভিসিনানজা অ্যাপোলোর বিষয়ে লিখেছেন, "অভিযান মডেলটি দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার জন্য তৈরি করা হয়নি এবং এটি যে টেকসই ছিল না তাও স্পষ্ট।" এই অভিযানগুলোর পর থেকে অসংখ্য দিকের উন্নতি হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে নভোচারীদের পুষ্টি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা থেকে শুরু করে কম্পিউটিং ক্ষমতা।

তবে, আর্টেমিস অন্য একটি মানববাহী মহাকাশযানের জন্য উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছিল যেটিতে করে ২০২০ সালে মানুষকে চাঁদে পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু ২০১০ সালে সেই প্রকল্প বাতিল হয়ে যায়।

এর ওয়েবসাইটে বলা হয়, "আর্টেমিস কর্মসূচির অধীনে, নাসা বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, অর্থনৈতিক সুবিধা এবং মঙ্গল গ্রহে প্রথম মানববাহী অভিযানের ক্ষেত্র তৈরি করতে চাঁদের আরও বেশি অংশ আবিষ্কার করতে নভোচারীদের আরও কঠিন অভিযানে পাঠানো হবে।"

এটি করার জন্য তারা প্রথমে চাঁদের কক্ষপথে একটি চন্দ্র মহাকাশ স্টেশন এবং চাঁদের পৃষ্ঠেই একটি ঘাঁটি তৈরির পরিকল্পনা করেছে। তবে এসবের আগে, তাদের চাঁদে ফিরে যেতে হবে। মোরেলের মতে, ২০২৮ সালের সময়সীমাটি বেশ "উচ্চাভিলাষী" পরিকল্পনা।

কারণ চাঁদে নামতে হলে "একটি ল্যান্ডার (যে যানে করে চাঁদে অবতরণ করা হয়) নির্বাচন, সেটি তৈরি করা ও পরীক্ষা করতে হবে। এছাড়াও ভবিষ্যতের চাঁদে হাঁটার সময় মহাকাশচারীরা যে স্পেসস্যুট পরবেন, সেটির প্রস্তুতেও বিলম্ব হচ্ছে।"

আর্টেমিস প্রকল্পটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে অন্যদিকে অ্যাপোলো প্রোগ্রামে নাসা সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে মহাকাশযানটির নকশা ও নির্মাণ করেছিল।

মার্কিন সংস্থাটি মহাকাশচারীদের চন্দ্র পৃষ্ঠে অবতরণ করানোর যান বা ল্যান্ডারের জন্য দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্থাকে নির্বাচন করেছে- ইলন মাস্কের সংস্থা স্পেসএক্স-এর স্টারশিপ এবং জেফ বেজোসের সংস্থা ব্লু অরিজিনের নকশা করা একটি মহাকাশযান।

যে কোম্পানিই হোক, তাতে করে নভোচারীরা চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছাবেন। ২০৩০ সালে একই অঞ্চলের জন্য চীনের পরিকল্পিত মানববাহী অভিযানের চেয়ে নিজেদের এগিয়ে রাখতে চাইছে নাসা। একারণেই মহাকাশ নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয়ই বেশি প্রাচুর্যপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে প্রবেশাধিকার চায়, কেননা চাঁদে দুর্লভ মৃত্তিকা মৌল, ধাতু ও জলের মতো সম্পদ রয়েছে। যদিও, ১৯৬৭ সালের জাতিসংঘ মহাকাশ চুক্তি অনুযায়ী, কোনো দেশই চাঁদের মালিক হতে পারবে না।

ব্রিটিশ নভোচারী হেলেন শারম্যান বিবিসিকে বলেন, "আপনি এর মালিক হতে পারবেন না, কিন্তু আপনি এটি ব্যবহার করতে পারবেন। আর একবার সেখানে গেলে, যতদিন ইচ্ছা ততদিন এটি আপনারই থাকবে।"

অন্ধকার অংশ:

চাঁদে পদচারণা হবে না বলেই এই নয় যে আর্টেমিস-২ অন্য যেকোনো অভিযানের মতোই। সবকিছু যদি পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে, তাহলে এই যাত্রার সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তটি হবে সোমবার যখন এই চার নভোচারী ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথম মানুষ হিসেবে চাঁদের দূরবর্তী অংশটি দেখতে পাবেন, তাও সশরীরে।

চীন ও ভারতের মহাকাশযানগুলো ইতোমধ্যেই এই রহস্যময় "অন্ধকার অংশ" অন্বেষণ করেছে, কিন্তু এখন তারা এটিকে পর্যবেক্ষণ করতে এবং পরবর্তী বিশ্লেষণের জন্য ছবিতে রেকর্ডও করতে পারবে।

প্রাচীন লাভা প্রবাহ ও বিশাল গর্ত সম্বলিত ভূতাত্ত্বিক গঠন নিয়ে বিজ্ঞানীদের বিশেষ আগ্রহ রয়েছে, কারণ এই অঞ্চলটি সম্পর্কে জানা গেলে তা ভবিষ্যতের অভিযানগুলোকে সহায়তা করতে পারে। আর এই গোলার্ধটি, যা আমরা পৃথিবী থেকে দেখতে পাই না, তা বেশ ভিন্ন।

নাসা জানিয়েছে, আর্টেমিস-২ তিন ঘণ্টা ধরে সর্বোচ্চ ১০ হাজার কিলোমিটার দূরত্বে এলাকাটির উপর দিয়ে উড়ে যাবে এবং এই যাত্রাপথের একটি অংশে মহাকাশযানটির সাথে নাসার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।

"যদিও এটা বিশ্বাস করা কঠিন। তবে মানুষের চোখ হলো অন্যতম সেরা একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র," উড্ডয়নের আগে বলেছেন নভোচারী ক্রিস্টিনা কচ।

কয়েক দিনের মধ্যেই, হয়তো এর মাধ্যমে আমরা মানবজাতির জন্য এই নতুন অগ্রগতির ঘটনা দেখতে পাবো।

সূত্র: বিবিসি

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল
সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল
মুখ হাঁ করে পানিতে নাচছে তিমি, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা কারণ খুঁজছেন
মুখ হাঁ করে পানিতে নাচছে তিমি, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা কারণ খুঁজছেন
পৃথিবী ও মঙ্গল একই উপাদানে গড়া? নতুন গবেষণায় বিস্ময়কর তথ্য
পৃথিবী ও মঙ্গল একই উপাদানে গড়া? নতুন গবেষণায় বিস্ময়কর তথ্য
গ্রহ, উল্কা আর নক্ষত্রের উৎসব, মে মাসে আর কী দেখা মিলবে রাতের আকাশে
গ্রহ, উল্কা আর নক্ষত্রের উৎসব, মে মাসে আর কী দেখা মিলবে রাতের আকাশে
আন্তঃনাক্ষত্রিক ধূমকেতুতে মিলল অদ্ভুত পানি
আন্তঃনাক্ষত্রিক ধূমকেতুতে মিলল অদ্ভুত পানি
ব্রাজিলকে বিরল ‘ইরিটেটর’ ডাইনোসরের খুলি ফিরিয়ে দিচ্ছে জার্মানি
ব্রাজিলকে বিরল ‘ইরিটেটর’ ডাইনোসরের খুলি ফিরিয়ে দিচ্ছে জার্মানি
প্লুটো কি আবার গ্রহ হবে?
প্লুটো কি আবার গ্রহ হবে?
লুকানো শুক্রাণু খুঁজে দিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বন্ধ্যাত্বে আশার আলো
লুকানো শুক্রাণু খুঁজে দিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বন্ধ্যাত্বে আশার আলো
গ্যালাক্সির লুকানো চেহারা দেখার সুযোগ দিচ্ছে বিজ্ঞান
গ্যালাক্সির লুকানো চেহারা দেখার সুযোগ দিচ্ছে বিজ্ঞান
চাঁদে স্থায়ী মানব উপস্থিতি গড়তে জোর দিচ্ছে মহাকাশ সংস্থাগুলো
চাঁদে স্থায়ী মানব উপস্থিতি গড়তে জোর দিচ্ছে মহাকাশ সংস্থাগুলো
সৌরজগতেই থাকতে পারে রহস্যময় ‘পঞ্চম বল’
সৌরজগতেই থাকতে পারে রহস্যময় ‘পঞ্চম বল’
মহাকাশ সক্ষমতায় নতুন মাইলফলক পাকিস্তানের
মহাকাশ সক্ষমতায় নতুন মাইলফলক পাকিস্তানের
সর্বশেষ খবর
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

১৭ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজে ধাক্কা, নিহত ২
নওগাঁয় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজে ধাক্কা, নিহত ২

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মক্কার জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে ৬০ পৃষ্ঠার হাতে লেখা কোরআন
মক্কার জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে ৬০ পৃষ্ঠার হাতে লেখা কোরআন

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রিয়ালকে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয়বার লিগ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা
রিয়ালকে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয়বার লিগ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবারের মতো কিং আবদুল আজিজ কোরআন প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা
প্রথমবারের মতো কিং আবদুল আজিজ কোরআন প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

তেজগাঁও এলাকায় অভিযানে গ্রেফতার ৬৫
তেজগাঁও এলাকায় অভিযানে গ্রেফতার ৬৫

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওপেনএআইয়ের নতুন মূল্য নীতিতে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বাজার
ওপেনএআইয়ের নতুন মূল্য নীতিতে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বাজার

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া
জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাফ শিরোপা জেতায় র‌্যাংকিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল
সাফ শিরোপা জেতায় র‌্যাংকিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল
সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল

৩ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

প্রযুক্তি ও পরিবর্তিত বাজারে শ্রমজীবীদের সুরক্ষায় নতুন নীতির তাগিদ
প্রযুক্তি ও পরিবর্তিত বাজারে শ্রমজীবীদের সুরক্ষায় নতুন নীতির তাগিদ

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপের সেই পেনাল্টি এখনো ভুলতে পারেননি বাজ্জো
বিশ্বকাপের সেই পেনাল্টি এখনো ভুলতে পারেননি বাজ্জো

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা
ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা
১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ
পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গোলরক্ষকের বীরত্বে শিরোপার আরও কাছে আর্সেনাল
গোলরক্ষকের বীরত্বে শিরোপার আরও কাছে আর্সেনাল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিকলীতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
নিকলীতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হামজাদের কোচ বাছাইয়ে চূড়ান্ত তালিকায় ৬ জন
হামজাদের কোচ বাছাইয়ে চূড়ান্ত তালিকায় ৬ জন

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হান্টাভাইরাস আতঙ্কে নোঙর করা প্রমোদতরী থেকে যাত্রী সরানো শুরু
হান্টাভাইরাস আতঙ্কে নোঙর করা প্রমোদতরী থেকে যাত্রী সরানো শুরু

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আফ্রিকার চলচ্চিত্র অনুষ্ঠানে ৫০০ পাউরুটির পোশাকে নজর কাড়লেন তারকা
আফ্রিকার চলচ্চিত্র অনুষ্ঠানে ৫০০ পাউরুটির পোশাকে নজর কাড়লেন তারকা

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সাভারে পিস্তল ও গুলিসহ আটক-৩
সাভারে পিস্তল ও গুলিসহ আটক-৩

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালের আবাসিক ভবনের ছাদে মুরগির খামার, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ রোগী-স্বজন
হাসপাতালের আবাসিক ভবনের ছাদে মুরগির খামার, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ রোগী-স্বজন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস'র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ
ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস'র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এআইয়ের ঝুঁকি ঠেকাতে সাংবিধানিক পরিবর্তনের পথে গ্রিস
এআইয়ের ঝুঁকি ঠেকাতে সাংবিধানিক পরিবর্তনের পথে গ্রিস

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া
বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

গাড়িতে আসছে গুগলের জেমিনি এআই: বদলে যাবে চালকের অভিজ্ঞতা
গাড়িতে আসছে গুগলের জেমিনি এআই: বদলে যাবে চালকের অভিজ্ঞতা

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

দুই বন্ধু মিলে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ
দুই বন্ধু মিলে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সংকট সমাধানে গরুর মাংস আমদানিসহ রেস্তোরাঁ মালিকদের ১১ দাবি
সংকট সমাধানে গরুর মাংস আমদানিসহ রেস্তোরাঁ মালিকদের ১১ দাবি

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সর্বাধিক পঠিত
শপথের ঘণ্টা না পেরোতেই যা করলেন বিজয়, অবাক পুরো তামিলনাড়ু
শপথের ঘণ্টা না পেরোতেই যা করলেন বিজয়, অবাক পুরো তামিলনাড়ু

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজশাহীর কোন আম কবে বাজারে আসবে, সময়সূচি ঘোষণা
রাজশাহীর কোন আম কবে বাজারে আসবে, সময়সূচি ঘোষণা

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শেষ ১ ঘণ্টার নাটকেই খেলা ঘুরে গেল, কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়
শেষ ১ ঘণ্টার নাটকেই খেলা ঘুরে গেল, কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় সংরক্ষণের প্রস্তাব পুতিনের
ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় সংরক্ষণের প্রস্তাব পুতিনের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলায় ইরাকে গোপন সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছিল ইসরায়েল: রিপোর্ট
ইরানে হামলায় ইরাকে গোপন সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছিল ইসরায়েল: রিপোর্ট

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে খেলবে ইরান, তবে ৭ শর্ত মেনে নিতে হবে ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্রকে
বিশ্বকাপে খেলবে ইরান, তবে ৭ শর্ত মেনে নিতে হবে ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্রকে

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা ৫ দিন বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
টানা ৫ দিন বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেই নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী
সেই নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান?
ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে হরমুজ প্রণালীতে এবার সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান
উত্তেজনা বাড়িয়ে হরমুজ প্রণালীতে এবার সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ থেকে ১৩ দিন ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
আজ থেকে ১৩ দিন ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন
সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

২০ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

৫৪ বছর পর বাড়ি ফিরলেন সাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলে
৫৪ বছর পর বাড়ি ফিরলেন সাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলে

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যেসব দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে, হরমুজে তারাই বাধার সম্মুখীন হবে: ইরান
যেসব দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে, হরমুজে তারাই বাধার সম্মুখীন হবে: ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া
বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামরিক নেতৃত্বকে নতুন নির্দেশনা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা
সামরিক নেতৃত্বকে নতুন নির্দেশনা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শতকোটি রুপির এফডিআরসহ যে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক থালাপতি বিজয়
শতকোটি রুপির এফডিআরসহ যে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক থালাপতি বিজয়

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পরকীয়া ও সন্দেহের জেরে ‘ও’ লেভেল ছাত্র ইয়াছিনকে হত্যা, গ্রেফতার ৩
পরকীয়া ও সন্দেহের জেরে ‘ও’ লেভেল ছাত্র ইয়াছিনকে হত্যা, গ্রেফতার ৩

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে এনসিপির ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা
উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে এনসিপির ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে নাচে-গানে ঝড় তুলবেন নোরা
ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে নাচে-গানে ঝড় তুলবেন নোরা

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হরমুজ নিয়ে ফের হুঁশিয়ারি ইরানের, বিস্ময়কর প্রতিশোধের হুমকি
হরমুজ নিয়ে ফের হুঁশিয়ারি ইরানের, বিস্ময়কর প্রতিশোধের হুমকি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমার বাজান নতুন জামা পরে হাসতে হাসতে বোনের বাড়ি গেছিল, কে জানত এটাই শেষ যাওয়া’
‘আমার বাজান নতুন জামা পরে হাসতে হাসতে বোনের বাড়ি গেছিল, কে জানত এটাই শেষ যাওয়া’

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে পাকিস্তান
টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে পাকিস্তান

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন, এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না’
‘বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন, এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার হরমুজ পাড়ি দিল কাতারের এলএনজি ট্যাংকার
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার হরমুজ পাড়ি দিল কাতারের এলএনজি ট্যাংকার

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয়ের উত্থানের অবিশ্বাস্য গল্প
বিজয়ের উত্থানের অবিশ্বাস্য গল্প

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ভবিষ্যৎ যুদ্ধ হবে আরও ভয়ংকর, শত্রুর পরিণতি হবে ‘বেদনাদায়ক’ : পাকিস্তান সেনাপ্রধান
ভবিষ্যৎ যুদ্ধ হবে আরও ভয়ংকর, শত্রুর পরিণতি হবে ‘বেদনাদায়ক’ : পাকিস্তান সেনাপ্রধান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে বিমানবন্দরের রানওয়েতে উড়োজাহাজের ধাক্কায় নিহত ১
যুক্তরাষ্ট্রে বিমানবন্দরের রানওয়েতে উড়োজাহাজের ধাক্কায় নিহত ১

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে উল্টো গণপিটুনির শিকার যুবক
সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে উল্টো গণপিটুনির শিকার যুবক

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিন্ট সর্বাধিক
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত চায় নবযাত্রা
ভারত চায় নবযাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি
পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি

নগর জীবন

প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ

সম্পাদকীয়

ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা
ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা
ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ
১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ

প্রথম পৃষ্ঠা

কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ
কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ

মাঠে ময়দানে

কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান
কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান

নগর জীবন

আমি একজন গর্বিত মা
আমি একজন গর্বিত মা

শোবিজ

বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ
বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন
ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়
জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়

প্রথম পৃষ্ঠা

রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন
রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন

শোবিজ

মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা
মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা

দেশগ্রাম

মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ
মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ

শোবিজ

বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি
বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি

শোবিজ

পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা
পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা

প্রথম পৃষ্ঠা

এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ
এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ

মাঠে ময়দানে

অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি
অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি

শোবিজ

ভক্তদের মাঝে হামজা
ভক্তদের মাঝে হামজা

মাঠে ময়দানে

বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না
বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না

প্রথম পৃষ্ঠা

তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু
তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু

দেশগ্রাম

সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!
সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিষেক টেস্টেই আজানের সেঞ্চুরি
অভিষেক টেস্টেই আজানের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী
এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত
অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

এনসিপির হয়ে যারা নির্বাচন করতে পারবেন
এনসিপির হয়ে যারা নির্বাচন করতে পারবেন

নগর জীবন