শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৪ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ৪ জুলাই, ২০১৬ ০০:০১

বিদেশি ফুটবলারদের বাড়তি নিরাপত্তা

বিদেশি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে ফেডারেশনেরও চিন্তার শেষ নেই

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বিদেশি ফুটবলারদের বাড়তি নিরাপত্তা

গুলশানে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় দেশ জুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। কখন কি ঘটে যায় এ নিয়ে শঙ্কার শেষ নেই। সর্বত্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ক্রীড়াঙ্গনে দেশের দুই প্রধান ভেন্যু বঙ্গবন্ধু জাতীয় ও শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে নিরাপত্তারক্ষী বাড়ানো হয়েছে। ঢাকা ফুটবলে দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি ফুটবলাররা অংশ নিচ্ছেন। প্রতিটি দলে একাধিক খেলোয়াড় রয়েছে। সত্যি বলতে কি ফুটবলে উঁচুমানের খেলোয়াড় আসে না বলে বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। ১৯৮৭ সালে বিশ্বকাপ খেলা ইরাকের দুই ফুটবলার সামির সাকি ও করিম মোহাম্মদ আবাহনীতে খেলতে আসলে তাদের নিরাপত্তা দেওয়া হয়। এরপর আর প্রয়োজন পড়েনি। বিপিএলে বিদেশি ক্রিকেটারদের বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়া হয়।

ঢাকায় বিদেশি ফুটবলাররা স্বাধীনভাবেই চলাফেরা করেন। ক্লাবের কোনো বিধি-নিষেধ নেই। এবার তাদের চলাফেরায় নজর রাখা হচ্ছে। গুলশানের ঘটনার পর ক্লাবগুলো বিদেশি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা গুরুত্ব সহকারে দেখছে। আগে যখন তখন ঘুরে বেড়ালেও ক্লাব থেকে এ বিধি-নিষেধ আসছে। কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে এখন বের হতে হবে। গুলশানের ঘটনার পর ক্লাবগুলোতেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কখন কোন বিদেশি খেলোয়াড় হামলার শিকার হন বলাতো যায় না। বিষয়টি নিয়ে বাফুফের সঙ্গে ক্লাবগুলো খুব শিগগিরই বসবে। বিদেশি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে ফেডারেশনেরও চিন্তার শেষ নেই। বড় কোনো অঘটন ঘটে গেলে ফিফা কোনো অবস্থায় ছেড়ে কথা বলবে না। বিদেশি ফুটবলারের পাশাপাশি পেশাদার লিগের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবছে বাফুফে। এবার একাধিক ভেন্যুতে লিগ অনুষ্ঠিত হবে। বাফুফে আশা করছে ঢাকার বাইরে প্রচুর দর্শকের সমাগম ঘটবে। এসব ভেন্যুতে বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়া হবে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে বাফুফে।


আপনার মন্তব্য