Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১২ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ১১ জুলাই, ২০১৮ ২৩:৪২

আসলামের কলাম

এক ভুলেই বেলজিয়ামের স্বপ্ন

এক ভুলেই বেলজিয়ামের স্বপ্ন

ফ্রান্স ও বেলজিয়াম বিশ্বকাপের লড়াইয়ে দুই দলের খেলোয়াড়রাও চাপে ছিল। এটাই স্বাভাবিক। প্রথম ২০ মিনিটে বেলজিয়ামের খেলা দেখে মনে হচ্ছিল তারা জিততেই মাঠে নেমেছে। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে গ্রিজম্যানরা চাঙ্গা হয়ে উঠে। এক্ষেত্রে কোচ দেশমের প্রশংসা না করলেই নয়। তিনি তার শিষ্যদের যে ছকটা এঁকে দিয়েছিলেন বেলজিয়াম তা ধরতে পারেনি। দেশম জানতেন গ্রিজম্যান ও এমবাপ্পেকে মার্কিংয়ে রাখবে বেলজিয়াম। কিন্তু এই পরিকল্পনা তাদের পুরোপুরি ব্যর্থই বলা যায়। এমবাপ্পে চোরাপথ অর্থাৎ পেছনে থাকায় তাকে মার্কিংয়ে রেখে কোনো লাভ হয়নি। গ্রিজম্যানও পেছন থেকে আক্রমণ চালিয়েছেন। শুধু কি তাই ফ্রান্সের ডিফেন্ডাররা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা বুঝে আক্রমণ চালায়। এতে করে চাপে পড়ে যায় বেলজিয়াম। সেমিফাইনালের একটা ভুলই পতনের জন্য যথেষ্ট। সারা বিশ্বকাপে ভালো করার পরও বেলজিয়মের তীরে এসে তরী ডুবেছে এক ভুলেই। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে গ্রিজম্যান কর্নার করলেন। গোলরক্ষক দেখছেন বলটা উড়ে আসছে স্যামুয়েল উমতিতির মাথার ওপর। গোলরক্ষক সময়ও পেয়েছিলেন এগিয়ে এসে বলটা উড়িয়ে দেওয়ার। তিনি কিনা পেছনেই পড়ে থাকলেন। তাই কোণাকুণি হেডে উমতিতির জালে বল পাঠাতে কষ্ট হয়নি। ডিফেন্ডাররাও উমতিতিকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেনি। এই এক ভুলেই হ্যাজার্ডদের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। এবার বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষের আতঙ্ক ছিলেন লুকাকু। ফিটনেস ও গতি সবদিক দিয়ে তিনি ছিলেন তুলনাহীন। সেমিতে সেই রূপ কি দেখাতে পেরেছেন। ডি বক্সের ভিতরে তিনি ছিলেন দাঁড়িয়ে। দেখছেন মার্কিংয়ে আছেন। তার উচিত ছিল পেছনে নেমে সতীর্থদের বল জোগান দেওয়া। হ্যাজার্ড একা আর কি করবেন। তিনিই তো বার বার আক্রমণের উৎস তৈরি করে দিচ্ছিলেন। তুলনামূলকভাবে বল তাদেরই পায়ে বেশি ছিল। কিন্তু ফ্রান্সের ডিফেন্ডারদের নজরদারি ও গোলরক্ষক লরিসের দৃঢ়তায় ফ্রান্স বিশ্বকাপে তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠে গেল।


আপনার মন্তব্য