শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:৫৪

অনলাইন বেটিং

বাফুফের গায়েবি কমিটি

‘আমরা পাতানো শনাক্তকরণ কমিটির কাছে ছেড়ে দেব। তারাই তদন্ত করবে।’

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বাফুফের গায়েবি কমিটি

১৯৮২ সালে ঘরোয়া ফুটবল লিগে পাতানো ম্যাচ শনাক্তকরণ কমিটি গঠন হয়। বিস্ময় হলেও সত্যি যে এই কমিটিতে কারা আছেন তা কখনো প্রকাশও হয়নি। এখনও সেভাবে

চলছে কমিটি। পাতানোর ঘটনাটা অনেক পুরনো রোগ। এখন আবার নতুনভাবে আবিষ্কার হয়েছে স্পট ফিক্সিং বা অনলাইন বেটিং। ক্রিকেটে এসব পরিচিত হলেও ফুটবলে তা ছিল অজানা। আরামবাগ ও ব্রাদার্স ইউনিয়ন দুই ক্লাবের বিরুদ্ধে বেটিংয়ের অভিযোগ উঠেছে।

পাতানো ম্যাচ না হয় দুই দলের সমঝোতা হয়। কিন্তু স্পট ফিক্সিং বা অনলাইন বেটিংয়ে দলের বিপক্ষে অভিযোগ আনাটা কতটা যৌক্তিক? এখানে জুয়াড়ি, ফুটবলার বা কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার সম্ভাবনা বেশি। বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ জোর গলায় বলেন, ‘যেটাই হোক না কেন আমরা এর সত্যতা বের করব। প্রমাণ পেলে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হবে। দল বা ব্যক্তি ছাড় পাবে না।’ বাফুফের কিন্তু অনলাইন বেটিংয়ের অভিযোগ আরও আগেই জেনেছিল। রহস্যজনকভাবে বিষয়টি গোপন রাখে। এশিয়ান ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা এএফসি সময়সীমা বেঁধে দিয়ে প্রকৃত ঘটনা জানতে চাওয়ার পরই বাফুফের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।

পাতানো ম্যাচ নিয়ে বাফুফে অতীতে লুকোচুরি খেললেও এবার কঠিন চ্যালেঞ্জে। এএফসি দরবার পর্যন্ত তা পৌঁছে গেছে। এএফসি অবশ্য বলছে তদন্তে তারা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবুও কথা উঠেছে অনলাইন বেটিং সত্য না মিথ্যা এ নিয়ে বাংলাদেশে তদন্ত করবেন কারা? সেই ধরনের এক্সপার্ট লোক কি আছেন? সিনিয়র সহ-সভাপতি ও লিগ কমিটির চেয়ারম্যান আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেছেন, ‘আমরা পাতানো শনাক্তকরণ কমিটির কাছে ছেড়ে দেব। তারাই তদন্ত করবে।’

অথচ কমিটিতে কারা আছেন লিগ কমিটির চেয়ারম্যানও জানেন না। তাহলে কী এটা বাফুফের গায়েবি বা অদৃশ্যমান কমিটি। পরে অবশ্য তিনি জানালেন বিষয়টি গোপনীয়, এখানে নাম প্রকাশ করাটা ঠিক হবে না।

  সেখানে আবার কোন ম্যাচ পাতানো হচ্ছে তা চিহ্নিত করার কেউ নেই। সাবেক সচিব, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আছেন। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক স্বীকারও করে বলেছেন বাফুফে বিষয়টি সেভাবে গুরুত্ব দেয়নি। এবার শক্তিশালী পাতানো শনাক্তকরণ কমিটি গঠন হচ্ছে।   


আপনার মন্তব্য