শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ আগস্ট, ২০২১ ২৩:৫৪

মাহমুদুল্লাহর সেঞ্চুরি ম্যাচের হাতছানি

ক্রীড়া প্রতিবেদক

মাহমুদুল্লাহর সেঞ্চুরি ম্যাচের হাতছানি
Google News

টেস্ট ক্যারিয়ারে যতি টেনেছেন ৫০ নম্বর টেস্ট খেলে। সাদা পোশাক তুলে রাখার ইনিংসটি ছিল হার না মানা ১৫০ রানের। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার। ওয়ানডে ক্যারিয়ারেও একটি মাইলফলক রয়েছে সৃজনশীল ব্যাটসম্যানের। ২০০ ওয়ানডে খেলে ফেলেছেন আবার টাইগারদের টি-২০ অধিনায়কও। ঘরের মাঠে ক্রিকেট পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়াকে টি-২০ সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে বিধ্বস্ত করে এখন প্রস্তুতি নিচ্ছেন নিউজিল্যান্ড বধের। ব্ল্যাক ক্যাপসদের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ সিরিজটি আর একটি মাইলফলকের হাতছানি দিচ্ছে মাহমুদুল্লাহকে। টি-২০ ক্রিকেট ইতিহাসে সপ্তম ক্রিকেটার হিসেবে ১০০ ম্যাচ খেলার বিরল রেকর্ড গড়বেন। আর বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে সেই হাতছানি দিচ্ছে মাহমুদুল্লাহকে।

এখন পর্যন্ত ৬ ক্রিকেটার টি-২০ ক্রিকেটে ম্যাচ খেলার সেঞ্চুরি করেছেন। পাকিস্তানের দুই সাবেক অধিনায়ক শোয়েব মালিক ও মোহাম্মদ হাফিজ, ভারতের রোহিত শর্মা, ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক ইউয়ান মরগান এবং নিউজিল্যান্ডের দুই ক্রিকেটার মার্টিন গাপটিল ও রস টেলর। শোয়েব সবচেয়ে বেশি ১১৬ ম্যাচ খেলে রান করেছেন ২৩৩৫ ও উইকেট নিয়েছেন ২৮টি। হাফিজ ১১৩ ম্যাচে ২৪২৯ রানের পাশাপাশি উইকেট ৬০টি। ভারতের রোহিত শর্মা ১১১ ম্যাচে ৪ সেঞ্চুরিতে ২৮৬৪ রান করে উইকেট নিয়েছেন ১টি। বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক মরগান ১০৭ ম্যাচে ২৩৬০ রান, কিউই ওপেনার গাপটিল ১০২ ম্যাচে দুই সেঞ্চুরিতে ২৯৩৯ রান এবং টেলর ১০২ ম্যাচে ১৯০৯ রান করেছেন। শততম ম্যাচের একেবারে কাছাকাছি রয়েছেন আয়ারল্যান্ডের অলরাউন্ডার কেভিন ও’ ব্রায়েন। ৯৯ ম্যাচে ১৬৭৪ রানের পাশাপাশি উইকেট নিয়েছেন ৫৮টি। তবে দুর্ভাগ্য পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদির। ৯৯ ম্যাচ খেলে ১৪১৬ রানের পাশাপাশি ৯৮ উইকেট নিয়েছেন। মাত্র ২ উইকেটের জন্য টি-২০ ক্রিকেটে উইকেটের সেঞ্চুরি করা হয়নি এই লেগ স্পিনারের। ভারতের সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনী ৯৮ ম্যাচে রান করেছেন ১৬১৭ রান। শ্রীলঙ্কার ল্যাসিথ মালিঙ্গা ১০৭ ও বাংলাদেশের সাকিব আল হাসানের উইকেট ১০২টি।

টাইগার ক্রিকেটারদের মধ্যে মাহমুদুল্লাহ ৯৭ ম্যাচে রান করেছেন ১৬৫১ এবং উইকেট ৩২টি। আর তিনটি ম্যাচ খেললেই টি-২০ ক্রিকেটে সপ্তম ক্রিকেটার হিসেবে ম্যাচ খেলার সেঞ্চুরি করবেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮৬ ম্যাচ খেলে ১২৪২ রান করেছেন মুশফিকুর রহিম। সাকিব ৮৪ ম্যাচে রান করেছেন ১৭১৮ ও উইকেট নিয়েছেন ১০২টি। তামিম ইকবাল ৭৪ ম্যাচে রান করেছেন ১৭০১। বাংলাদেশের একমাত্র সেঞ্চুরিটিও টাইগার ওয়ানডে অধিনায়কের।