লাতিন বাংলা সুপার কাপ কেলেঙ্কারিতে বাংলাদেশের ফুটবলে ভয়ংকর এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একদিকে হামজা-সামিতদের দলে এনে ফুটবলে গণজাগরণের চেষ্টায় আছে বাফুফে। এদিক দিয়ে বেশ সফলও হয়েছে তারা। অন্যদিকে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার নাম ভাঙিয়ে ফুটবলকে কলঙ্কিত করা হয়েছে। লাতিন-বাংলা সুপার কাপে নামে এক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ, আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের তিনটি দল অংশ নিয়েছিল। কথা ছিল কাফু ও ক্যানিজিয়া আসবেন। দর্শকদের ছিল দারুণ আগ্রহ। এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করে এএফ বক্সিং প্রমোশন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাছ থেকে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে এ টুর্নামেন্ট আয়োজন করার অনুমতিও নেয় তারা। তবে শর্ত ভঙ্গ করায় ক্রীড়া পরিষদ স্টেডিয়াম ফিরিয়ে নেয়। এর ফলে প্রথম দুটি ম্যাচ হলেও ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার দলের ম্যাচ মাঠে গড়ায়নি। এরপর দেখা দেয় আরও ভয়ংকর পরিস্থিতি। টিকেটিং এজেন্সিকে অর্থ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় বিমানের টিকিট বাতিল হয়ে যায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের। এমনকি হোটেল ভাড়া দিতে ব্যর্থ হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়।
এসব নিয়ে গতকাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক কাজী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার দূতাবাসের সঙ্গে কাজ করছি। আশা করছি দ্রুতই সমাধান হবে। আয়োজক প্রতিষ্ঠানকে আজ (গতকাল) পর্যন্ত সময় দিয়েছি। এরপরই আমরা আইন প্রয়োগ করব।’ প্রয়োজনে গ্রেপ্তারও হতে পারেন আয়োজক সংস্থার আসাদুজ্জামান। এদিকে বাফুফে এ কেলেঙ্কারির সঙ্গে নিজেদের কোনো দায় নেই বলে দাবি করেছে।