প্রথম লেগ শেষে পেশাদার ফুটবল লিগ বন্ধ। সেকেন্ড উইন্ডোর দল বদল শেষ হলেও দ্বিতীয় লেগ কবে শুরু হবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। ৬ ফেব্রুয়ারি লিগ পুনরায় শুরুর কথা ছিল। জাতীয় নির্বাচনের কারণে পুলিশ পাওয়া যাবে না বলে দ্বিতীয় লেগ মাঠে গড়াতে পারেনি। জাতীয় নির্বাচনের পর লিগ হবে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। তবে কবে হবে তা নির্ভর করছে দেশের পরিস্থির ওপর। খেলা নেই বলে ক্লাবগুলোর অনুশীলনও নেই। ছুটিতে বিভিন্ন দলের বিদেশি ফুটবলাররা দেশে ফিরে গেছেন। স্থানীয়রাও যার যার জেলায় আছেন। ভোট দিয়েই তারা ঢাকায় ফিরবেন।
লম্বা ছুটি থাকলেও অনেকে আবার মাঠেই রয়েছেন। ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় খ্যাপ খেলায় ব্যস্ত রয়েছেন ফুটবলাররা। পেশাদার লিগে এমন কোনো ক্লাব নেই যে, যাদের খেলোয়াড়রা খ্যাপ খেলছেন না। অধিকাংশই আবার জাতীয় দলের পরিচিত খেলোয়াড়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের খ্যাপ খেলার ছবি ছাপা হচ্ছে। সংখ্যায় কম হলেও বিদেশিদেরও দেখা যাচ্ছে। ঢাকায় পড়তে আসা আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের খেলোয়াড়রা খ্যাপে অংশ নিচ্ছেন। ভালো পারিশ্রমিক পাওয়ার জন্য কেউ কেউ আবার সনদ দেখাচ্ছেন তারা নিজেদের দেশে লিগ খেলতেন। এ সনদ সত্যি কি না তা যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। যাক খ্যাপে জাতীয় দলের এমনও খেলোয়াড় দেখা যাচ্ছে ঘরোয়া আসরে যাদের পারিশ্রমিক ৩০ বা ৪০ লাখ টাকা। অথচ তারা খ্যাপে এক খেলায় বিক্রি হয়ে যাচ্ছেন ১৫ বা ২০ হাজার টাকায়। ঢাকার আশপাশে খেললে অঙ্কের পরিমাণ আরও কম। পেশাদার ফুটবলে একদলে চুক্তি থাকা অবস্থায় অন্য কোনো দলে খেলতে পারেন না, এটাই আইন। খ্যাপ খেলা তো রীতিমতো বড় অপরাধ। তার পরও ক্লাবগুলো নীরব কেন? এ ব্যাপারে দেশের সাবেক তারকা ফুটবলার কায়সার হামিদ বলেন, ‘আমরাও খ্যাপ খেলেছি। কিন্তু এখন তো পেশাদার যুগে খেলার কথা না। হয়তো ক্লাবগুলো অনুমতি দিয়ে রেখেছে। আসলে ক্লাবগুলো বাধা দেবেই বা কীভাবে। খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিকও তো দিতে পারছে না। তাই খ্যাপ খেলা নিয়েও কিছু বলতে পারছে না। আবার এখনকার খ্যাপ খেলা নির্বাচনি প্রচারে ব্যবহার হওয়ায় ক্লাবগুলো মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে।