শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:৫৬, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

কেমন চলেছে ক্রীড়াঙ্গন

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাস
মনোয়ার হক
প্রিন্ট ভার্সন
কেমন চলেছে ক্রীড়াঙ্গন

রাত পোহালেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন। যে দল জিতবে তারাই সরকার গঠন করবে। এখন শুধু অপেক্ষা কারা জিতবে বা হারবে। আর নির্বাচনের মাধ্যমে বিদায় নিতে চলেছে অন্তর্বর্তী সরকার। ২০২৪ সালে ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতন হয়। ৮ আগস্ট শপথের মাধ্যমে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। প্রায় ১৮ মাস সরকার পরিচালনা করে এ অন্তর্বর্তীর উপদেষ্টা পরিষদ। বহুল আলোচিত ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে এ সরকার কেমন দেশ চালাল তা নিয়েও চলছে হিসাবনিকাশ। ক্রীড়াঙ্গনও এর বাইরে নয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম ক্রীড়া উপদেষ্টা ছিলেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি স্বেচ্ছায় সরে যাওয়ায় ক্রীড়াঙ্গনের দায়িত্ব নেন আসিফ নজরুল। তবে ১৮ মাসে ক্রীড়াঙ্গনের মূল কাজগুলো করে গেছেন আসিফ মাহমুদ। বয়সে তরুণ হলেও ক্রীড়াঙ্গনের দায়িত্ব পেয়েই আলোড়ন তুলেছিলেন তিনি। ১৬ বছর ধরে ফ্যাস্টিট কায়দায় ক্ষমতায় থাকায় ক্রীড়াঙ্গনকে অনিয়মের স্বর্গ বানিয়ে ছেড়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার।

দলীয়করণ ও অযোগ্যদের ফেডারেশনের বড় বড় চেয়ারে বসিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ অঙ্গনকে দূষিত করে তুলেছিল। এটা ঠিক নির্বাচনের মাধ্যমেই কমিটি গঠন হয়েছিল। তাও পুরোটা ছিল প্রহসনমূলক বা লোক দেখানো।

আসিফ মাহমুদ দায়িত্ব নিয়েই প্রথম কাজটি করেন ফেডারেশনগুলোর নির্বাচিত কমিটি বিলুপ্তি করে। নতুন ভাবে গঠন করেন অ্যাডহক বা অস্থায়ী কমিটি। এতে ব্যাপক প্রশংসিত হন তিনি। ক্রীড়া অভিভাবক হলেও আসিফ মাহমুদের কাছে ক্রীড়াঙ্গন ছিল একেবারে অচেনা। কে যোগ্য বা বির্তক তা তিনি জানতেন না। এজন্যই ক্রীড়া উপদেষ্টা সার্চ কমিটি গঠন করেন। যা বাংলাদেশের খেলাধুলায় ইতিহাসে কখনো ঘটেনি। সার্চ কমিটির দায়িত্ব ছিল যোগ্য ও মেধাবী সংগঠকদের বের করে ফেডারেশনে বসানো। ক্রীড়া পরিষদ যা শুধু অনুমোদন করেছে।

আসিফ মাহমুদের আরেক পদক্ষেপ ক্রীড়ামোদীদের নজর কেড়েছিল। আর তা হলো জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অনিয়ম খতিয়ে দেখা। স্বাধীনতার পর থেকে ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তাদের দুর্নীতি ঘিরে আলোচনার শেষ ছিল না। লুটপাট করে অনেকে লাল টক টকে হয়ে যান এমন কথাও ছিল। তাই ক্রীড়া পরিষদ ভবনে রং বদলে লালের বদলে সাদা করা হয়। এতেও বিতর্ক কমেনি বরং বেড়েই চলেছিল। ক্রীড়া পরিষদের দুর্নীতির প্রধান পথটিই ছিল স্টেডিয়ামগুলোর দোকান বরাদ্দ দেওয়া। অভিযোগ রয়েছে, ভুয়া চুক্তি করে অনেকে টাকার পাহাড় গড়েছেন। আগের সরকারগুলোর ক্রীড়ামন্ত্রীরা দুর্নীতির খবর জানার পরও কেন জানি এড়িয়ে গেছেন। এখানে আবার বিশাল কমিশনেরও গুঞ্জন রয়েছে।

যাক আসিফ মাহমুদ তা এড়িয়ে যাননি। ঠিকই নেমে পড়েন। অন্যদের দিয়ে নয়, নিজেই স্টেডিয়ামের দোকানগুলো পরিদর্শন করে আসল চিত্র বের করেন। দেখেন এ তো পুকুর নয় সমুদ্র চুরিকেও যেন হার মানিয়েছে। অনেক ভেবেছিলেন, এবার দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের মুখোশ উন্মোচন হবে। কিন্তু কয়েকজনকে বরখাস্ত ছাড়া কিছুই হলো না। শুধু ক্রীড়া পরিষদ কেন, অভিযোগ ছিল ১৬ বছর ধরে দুর্নীতি করে আওয়ামী লীগ সরকার ক্রীড়াঙ্গনে অনিয়মের হিমালয় তৈরি করেছিল। কোনো সন্দেহ নেই ফেডারেশনগুলোয় ছিল লোপাটের ছড়াছড়ি। এজন্য তো নির্বাচিত কমিটি বিলুপ্ত করাটা খুবই জরুরি ছিল।

ফুটবল ও ক্রিকেট ছাড়া সব কমিটিই তো ভেঙে দেওয়া হয় সার্চ কমিটির ছকে। ক্রিকেটের কমিটিও তো রদবদল হয়েছে। দুই সভাপতির দেখা মিলেছে, এমনকি নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটিও গঠন হয়েছে। এরপরও কি ক্রীড়াঙ্গনে আওয়ামী সরকার আমলের দুর্নীতির খতিয়ান বের করা গেছে? এটাই বড় প্রশ্ন। বাফুফে নয়, নাম ধরে বলা হতো এমনকি কোনো কোনো পত্রিকায় লেখাও হয়েছে বাফুফের তৎকালীন সভাপতি ফিফার হাজার হাজার ডলার আত্মসাৎ করেছেন। কিছু যে ঘটেছিল তা তো মিথ্যা নয়। তা না হলে এক সাধারণ সম্পাদকের চাকরি গেল কেন?

বিসিবির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের বিপক্ষেও ঢালাওভাবে অভিযোগ আছে। হকি, শুটিং, সাঁতার, অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন এমন কোনো ফেডারেশন নেই যে, দুর্নীতির অভিযোগ নেই। এত অভিযোগের পরও আসামিদের চিহ্নিত করা তো দূরের কথা তদন্ত হয়েছে কি না এমন তথ্যও জানা নেই। তাহলে কি সবাই ফেরেশতা ছিলেন? তাই যদি হয় তাসের ঘরের মতো ক্রীড়া ফেডারেশনগুলো ভাঙা হলো না কেন, এসব প্রশ্ন এখন উঠছে। সত্যি বলতে কি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ক্রীড়াঙ্গনে দুর্নীতি হয়নি তা কোনোভাবেই বিশ্বাস যোগ্য নয়। এরপরও কাউকে চিহ্নিত করা হলো না, এটাই তো রহস্য। তাহলে এর ভিতর কি অতীতের মতো কোনো কিন্তু লুকিয়ে আছে?

আর আলোচিত সার্চ কমিটি নিয়েও কম বেশি বিতর্ক রয়েছে। দুর্নীতির ব্যাপারে আসিফ মাহমুদ ছিলেন জিরো টলারেন্স। এরপরও এমন অবস্থা হবে কেউ ভাবেননি। আর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেন বলেই আসিফ মাহমুদ ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ছাড়েন। যদিও তিনি নির্বাচন করছেন না। কিন্তু ক্রীড়ামোদীদের একটা আফসোস থেকেই গেল আসিফও পারলেন না দুর্নীতিবাজদের শায়েস্তা করতে। আর খেলাধুলার সাফল্য এ তো কম বেশি সব সরকারের আমলে হয়ে আসছে। আর আসিফ নজরুল ক্রীড়া উপদেষ্টার বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার পর যে কাজটি করেছেন তা ক্রীড়ামোদীদের ভোলবার নয়। এতে তিনি প্রশংসিত না সমালোচিত হবেন তা দেখতে আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে। কারণ টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলবে না এ চূড়ান্ত ঘোষণা তাঁর মুখ থেকে এসেছে।

এই বিভাগের আরও খবর
টিভিতে
টিভিতে
ফ  লা ফ ল
ফ লা ফ ল
আজকের প্রশ্ন
আজকের প্রশ্ন
টি-২০ বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেট বুমরাহ-বরুণের
টি-২০ বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেট বুমরাহ-বরুণের
২৩ লাল কার্ড
২৩ লাল কার্ড
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
লোকমান মোহামেডানের ডাইরেক্টর ইনচার্জ
লোকমান মোহামেডানের ডাইরেক্টর ইনচার্জ
আবাহনীর সামনে আবারও রহমতগঞ্জ
আবাহনীর সামনে আবারও রহমতগঞ্জ
ভারতের লক্ষ্য অলিম্পিক ক্রিকেটের সোনা
ভারতের লক্ষ্য অলিম্পিক ক্রিকেটের সোনা
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজে টি-২০ বিশ্বকাপের প্রযুক্তি
বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজে টি-২০ বিশ্বকাপের প্রযুক্তি
সর্বশেষ খবর
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও এক ইসরায়েলি নিহত
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও এক ইসরায়েলি নিহত

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২
কেরানীগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সহকর্মীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ
সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সহকর্মীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রতি গান রেকর্ডের জন্য কত টাকা নেন শ্রেয়া ঘোষাল?
প্রতি গান রেকর্ডের জন্য কত টাকা নেন শ্রেয়া ঘোষাল?

৬ মিনিট আগে | শোবিজ

ওসি প্রদীপের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের আহ্বান এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের
ওসি প্রদীপের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের আহ্বান এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কুড়িগ্রামে দুর্গম চরাঞ্চলে বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প
কুড়িগ্রামে দুর্গম চরাঞ্চলে বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেকনাফে দুই ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
টেকনাফে দুই ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলের জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
ইসরায়েলের জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি ইরানের

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিলমারিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ইটভাটাকে জরিমানা
চিলমারিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ইটভাটাকে জরিমানা

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত
কুড়িগ্রামে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম ধাপে বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড পেল ৪৯৬ জন
প্রথম ধাপে বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড পেল ৪৯৬ জন

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ জয়ে ভারতকে ১৩১ কোটি রুপির পুরস্কার ঘোষণা
বিশ্বকাপ জয়ে ভারতকে ১৩১ কোটি রুপির পুরস্কার ঘোষণা

২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঝিনাইদহে নিরব হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন
ঝিনাইদহে নিরব হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে হামলায় আকাশসীমা ব্যবহার করা যাবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাক
প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে হামলায় আকাশসীমা ব্যবহার করা যাবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাক

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মানিকছড়িতে রান্নাঘর থেকে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার
মানিকছড়িতে রান্নাঘর থেকে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খাগড়াছড়িতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে র‌্যালি ও সভা
খাগড়াছড়িতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে র‌্যালি ও সভা

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ডে দুটি পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই
ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ডে দুটি পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ৪ মাদকসেবীর কারাদণ্ড
গাইবান্ধায় ৪ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বিএনপি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার অঙ্গীকার পূরণ করেছে’
‘বিএনপি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার অঙ্গীকার পূরণ করেছে’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খাগড়াছড়িতে আনসার-ভিডিপির ভাতা ভোগীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
খাগড়াছড়িতে আনসার-ভিডিপির ভাতা ভোগীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি উন্মোচন
বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি উন্মোচন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পটিয়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ
পটিয়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

দিনাজপুরে ১৯১ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার
দিনাজপুরে ১৯১ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘স্বর্ণালি সময়’ দেখছে ভারতীয় ক্রিকেট
‘স্বর্ণালি সময়’ দেখছে ভারতীয় ক্রিকেট

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিআখড়ায় ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
শনিআখড়ায় ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নেতানিয়াহু এখন কোথায়?
নেতানিয়াহু এখন কোথায়?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঘুষের অভিযোগ বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে: চিফ প্রসিকিউটর
ঘুষের অভিযোগ বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে: চিফ প্রসিকিউটর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কৃষকের মৃত্যু
ভাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কৃষকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহু এখন কোথায়?
নেতানিয়াহু এখন কোথায়?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের
ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?
বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা
নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি
যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি
বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি
ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া
ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর
ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার
১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব
ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর
ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের
আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০
পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে পশ্চিমাদের যতো সংশয়
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে পশ্চিমাদের যতো সংশয়

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

প্রিন্ট সর্বাধিক
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ

প্রথম পৃষ্ঠা

যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান
স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান

প্রথম পৃষ্ঠা

৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি
শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত

পেছনের পৃষ্ঠা

বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...
বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...

শোবিজ

মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন
মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন

নগর জীবন

রমজান নিয়ে দিলারা জামান
রমজান নিয়ে দিলারা জামান

শোবিজ

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন সিটি নির্বাচন কবে?
তিন সিটি নির্বাচন কবে?

পেছনের পৃষ্ঠা

রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা
রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা

শোবিজ

ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি
ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

মাঠে ময়দানে

ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি
ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি

শোবিজ

শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের

মাঠে ময়দানে

শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে
যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট
তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা

প্রথম পৃষ্ঠা

ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দেশগ্রাম

দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা