টি-২০ বিশ্বকাপে দুবারের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২০১২ ও ২০১৬ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এক সময়কার ক্রিকেট পরাশক্তি। ৮০ ও ৯০ দশকে ক্রিকেট বিশ্ব দোর্দণ্ডশাসন করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ এখনো ক্রিকেট খেলছে। কিন্তু সেই দাপট নেই। খেলছে অতীতের ছায়া হয়ে। তারপরও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুবার টি-২০ বিশ্বকাপ জিতেছে। এবারও খেলছে বিশ্বসেরা হতে। এর মধ্যে গ্রুপ ‘সি’ থেকে টানা তিন জয়ে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে। টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার এইট নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার পর। প্রোটিয়ারাও সুপার এইট খেলছে টানা তিন জয়ে। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ সুপার এইট নিশ্চিত করেছে একপেশে লড়াইয়ে নেপালকে ৯ উইকেটের পাহাড়সমান ব্যবধানে হারিয়ে। এর আগে ক্যারিবীয়রা হারিয়েছে স্কটল্যান্ডকে ৩৫ ও ইংল্যান্ডকে ৩০ রানে। টানা তিন হারে বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে নেপালের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরের ম্যাচ ইতালির বিপক্ষে বৃহস্পতিবার কলকাতায়। নেপালের শেষ ম্যাচ স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে আগামীকাল মুম্বাইয়ে।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বিপর্যয়ে পড়ে নেপাল। হিমালয় দুহিতাদের বিপদে ফেলেন ক্যারিবীয় ফাস্ট বোলার জেসন হোল্ডার। ম্যাচসেরা হোল্ডার ৪ ওভারের স্পেলে ৪ উইকেট নেন ২৭ রানের খরচে। তার বিধ্বংসী বোলিংয়ে এক পর্যায়ে ৪৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে নেপাল। সেখান থেকে দীপেন্দ্র সিং আইরি ৫৮ রানের প্রত্যয়ী ইনিংস খেলে দলকে টেনে তোলেন। দীপেন্দ্র ইনিংসটি খেলেন ৪৭ বলে ৩টি করে চার ও ছক্কায়। শেষ দিকে সম্পাল কামি ১৫ বলে ৪ চারে ২৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললে নেপাল ২০ ওভারে সংগ্রহ করে ৮ উইকেটে ১৩৩ রান। সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের টার্গেট ১৩৪ রান। পাওয়ার প্লের ষষ্ঠ ওভারের তৃতীয় বলে ওপেনার ব্রেন্ডন কিং সাজঘওে ফেরেন দলীয় ৪৩ রানে। কিং আউট হন ব্যক্তিগত ২২ বলে। ১৭ বলের ইনিংসটিতে ছিল ৪টি চার। ৪৩ রানে প্রথম উইকেটের পতনের পর অধিনায়ক শাই হোপ ও শিমরন হেটমায়ার ৮৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে ২৮ বল হাতে রেখে জয় উপহার দেন। হোপ ৬১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন ৪৪ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায়। হেটমায়ার অপরাজিত থাকেন ৪৬ রানে।