সুলতানা কামাল ও শামীমা সাত্তার মিমু তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আমল থেকে নারী ক্রীড়াবিদ হিসেবে আলো ছড়িয়েছিলেন। অ্যাথলেটিক্সে বাংলাদেশে তাঁদের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সুলতানা মৃত্যুবরণ করেন ১৯৭৫ সালে। এবার সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন মিমু। শুক্রবার রাতে নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এ খ্যাতনামা অ্যাথলেট। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে ক্রীড়াঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শামীমা সাত্তার মিমু দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। হৃদরোগ ও ভার্টিগো সমস্যায় ভুগছিলেন। কিছুটা সুস্থ হয়ে তিনি ক্রীড়াঙ্গনে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু তা আর হলো না।
অ্যাথলেট ক্যারিয়ারে তাঁর অসংখ্য পদক জেতার কৃতিত্ব রয়েছে। হাই জ্যাম্প ইভেন্টে দীর্ঘদিন শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছিলেন। স্প্রিন্টেও ট্র্যাকে দাপট দেখিয়েছেন। ক্রীড়া ক্ষেত্রে অবদান রাখায় ২০০০ সালে মিমু জাতীয় পুরস্কার পান। খেলা থেকে অবসর নেওয়ার পর মিমু কোচ, বিচারক ও সংগঠক হিসেবে কাজ করেছেন।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কোচ হিসেবে ক্যারিয়ার শুরুর পর তিনি বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) উপপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী দিনাজপুরে বাবার কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হবে। মিমুর মৃত্যুতে অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন, বিকেএসপি, বাফুফে, বিসিবি, আর্চারি ফেডারেশন ও বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট কমিউনিটির সদস্যরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।