ফুটবলে ঘরোয়া আসর নিয়মিত হচ্ছে। ক্রিকেটে জাতীয় দলের ব্যস্ততা। সচল বলতে ক্রীড়াঙ্গনে দুটি উদাহরণই দেওয়া যেতে পারে। বাকি সব খাঁখাঁ করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের গড়া ফেডারেশনগুলোর অ্যাডহক কমিটির দুই বছর হতে চলেছে। অধিকাংশই নিষ্ক্রিয়, স্থবির হয়ে পড়েছে ক্রীড়াঙ্গন। নতুন সরকার এলেও অ্যাডহকের বিলুপ্ত কবে হবে তার নিশ্চয়তা নেই। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, আগে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনের পর ফেডারেশনগুলোর নির্বাচন হবে। নিঃসন্দেহে সুন্দর পদক্ষেপ। আবার এটাও ঠিক নির্বাচন ছাড়া ফেডারেশনের প্রাণ সঞ্চার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
শোনা যাচ্ছে খুব শিগগিরই গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ফেডারেশনের কমিটি ভাঙা হতে পারে। খেলাধুলার গতি ফিরিয়ে আনতে যা জরুরি হয়ে পড়েছে। তবে তা হবে অ্যাডহকের বদলে অ্যাডহক। যা নির্বাচন হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবে। এ ক্ষেত্রে হকি ফেডারেশনের নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে। ঘরোয়া হকির মূল আসর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শুরুর কোনো উদ্যোগই নিতে পারছে না। ক্লাবগুলোর ওপর দোষ চাপিয়ে দায়িত্ব ছাড়ছে। অন্য লিগেরও খবর নেই। খেলা না হওয়ায় মানসিকভাবে বিপর্যন্ত হয়ে পড়েছেন খেলোয়াড়রা। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ছাড়াও স্টেডিয়াম এলাকায় মানববন্ধনের কর্মসূচি আসতে পারে খেলোয়াড়দের। ঈদের পরই ক্রীড়া পরিষদ হকি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকতে পারে। সেখানে বর্তমান অ্যাডহক কমিটি বিলুপ্ত করার ঘোষণা আসতে পারে। শুটিং ফেডারেশনেও চলছে অস্থিরতা। অযথা শুটার হয়রানি করার অভিযোগও এসেছে। এখানেও ভাঙা হতে পারে অ্যাডহক কমিটি। এ তালিকায় নাকি আরও কয়েকটি ফেডারেশন রয়েছে।