ক্রিকেটে নিয়মিত বিশ্বকাপ খেলছে বাংলাদেশ। হকিতে বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপে অভিষেক হয়েছে। কিন্তু ফুটবলে এখন পর্যন্ত কোনো বিশ্বকাপ খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। পুরুষ বা নারী যা বলি না কেন তা এশিয়ান গেমস, এশিয়ান কাপ বা সাফেই সীমাবদ্ধ। এশিয়ান নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ জাতীয় প্রথমবার খেলেছে। বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ ছিল মেয়েদের। গ্রুপে তিন ম্যাচ হেরে তা আর সম্ভব হয়নি। তবে মেয়েদের এখনো সুযোগ আছে বিশ্বকাপ খেলার। আর তা অনূর্ধ্ব-২০ আসরে।
বাংলাদেশের নারী জাতীয় দলের পাশাপাশি অনূর্ধ্ব-২০ দলও এশিয়ান কাপ চূড়ান্ত পর্বে খেলছে। থাইল্যান্ডে তার পর্দা উঠবে ১ এপ্রিল। ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক থাইল্যান্ড, চীন ও ভিয়েতনাম। শুরুতেই থাইল্যান্ডের বিপক্ষে লড়াই, ৪ এপ্রিল চীন ও ৭ এপ্রিল গ্রুপের শেষ ম্যাচে ভিয়েতনামের বিপক্ষে। সিনিয়র এশিয়ান কাপের মতো বয়সভিত্তিক চূড়ান্ত আসরে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আফঈদা খন্দকার। বিশ্বকাপ খেলার হাতছানি দিলেও বাস্তবে রূপ দেওয়াটা বড্ড কঠিন।
টুর্নামেন্টে সেমিফাইনাল খেলা চার দলই বিশ্বকাপে সুযোগ পাবে। তা কি সম্ভব? কেননা সেমিতে খেলতে হলে তো আগে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলতে হবে আফঈদাদের। যেখানে অস্ট্রেলিয়া কিংবা জাপানের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলতে হবে। কোয়ার্টারে খেলাটাই কঠিন। মেয়েরা এসব ভেবে অযথা চাপে থাকতে চান না। তারা গ্রুপে সেরাটা দিতে চান।
প্রস্তুতি ম্যাচে জর্ডানকে ২-০ গোলে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী আফঈদারা।
বিশ্বকাপ খেলার হাতছানি দিচ্ছে। যদি পারে তা হবে বাংলাদেশের ৫৫ বছরের ইতিহাসে ফুটবলে বড় প্রাপ্তি। ৩১ মার্চ সিঙ্গাপুরে জাতীয় পুরুষ দল এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে শেষ ম্যাচ খেলবে। এখানে জয় বা হার যেটাই হোক কোনো যায় আসবে না। কেননা চূড়ান্ত পর্বে খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে আগেই। ম্যাচটি শুধুই আনুষ্ঠানিকতা। চোখ থাকবে মেয়েদের দিকেই। ইতিহাস গড়তে পারবে কি তারা? বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল মেয়েদের উৎসাহ দিতে থাইল্যান্ডে ছুটে গেছেন। গতকাল মেয়েদের অনুশীলনে থেকে সাহসও জুগিয়েছেন তিনি।