এক ম্যাচ আগেই পেশাদার ফুটবল লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বসুন্ধরা কিংস। এ শিরোপায় তারা ঢাকা আবাহনীকে স্পর্শ বা ছুঁয়ে ফেলেছে। ২০০৭ সালে পেশাদার লিগ মাঠে গড়ানোর পর আবাহনী সর্বোচ্চ ছয়বার শিরোপা জিতেছিল। এর মধ্যে টানা তিনবার অর্থাৎ হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়নও হয়েছে। বসুন্ধরা তাদের ষষ্ঠ শিরোপা স্পর্শ করেছে নতুন রেকর্ড গড়ে। কেননা কিংস অভিষেক আসর থেকেই টানা পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন ছিল। এক মৌসুম বিরতি দিয়ে শিরোপা ফিরে পেয়েছে তারা।
পেশাদার লিগে কিংস ও আবাহনী এখন ছয়বার করে চ্যাম্পিয়ন। ঢাকা মোহামেডান তাদের ধারের কাছে নেই। লিগ জিতেছে মাত্র একবার। তারপরও আবাহনীকে স্পর্শ করার পর মোহামেডানের রেকর্ডে ভাগ বসাতে পারে কিংস। আর তা হলো ঘরোয়া ফুটবলে এক মৌসুমে তিন শিরোপা জেতা। ২০০৩ সালে লিগ, ফেডারেশন কাপ ও জাতীয় লিগ জিতে এক মৌসুমে তিন ট্রফি ঘরে তুলেছিল সাদা-কালোরা। শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র তাদের রেকর্ডের ভাগিদার হয় ২০১২-১৩ মৌসুমে। সেবার তারা এক মৌসুমে পেশাদার লিগ, ফেডারেশন কাপ ও স্বাধীনতা কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
স্বাধীনতার পর তৃতীয় দল হিসেবে ট্রেবল জেতে বসুন্ধরা কিংস। ২০২৩-২৪ মৌসুমে তারা স্বাধীনতা কাপ, পেশাদার লিগ ও ফেডারেশন কাপে শিরোপা জেতে এক মৌসুমে তিন আসরের ট্রফি ঘরে তুলেছিল। মোহামেডানের আবার বাংলাদেশ স্বাধীনের আগের ঘরোয়া ফুটবলে এক মৌসুমে তিন আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ১৯৫৯ সালে জিতেছিল প্রথম বিভাগ লিগ, তৎকালীন পাকিস্তানের স্বাধীনতা কাপ ও আগা খান গোল্ডকাপ।
আগামীকাল মোহামেডানের বিপক্ষে ফেডারেশন কাপের ফাইনাল খেলবে বসুন্ধরা কিংস। জিতলেই স্বাধীনতার পর একমাত্র দল হিসেবে দ্বিতীয়বার ট্রেবল জেতার রেকর্ড গড়বে তারা। সেই সঙ্গে ৭৮ বছরে ঘরোয়া ফুটবল ইতিহাসে মোহামেডানের সমান দ্বিতীয়বার ট্রেবল জিতবে। কিংস চলতি মৌসুমে ইতোমধ্যে চ্যালেঞ্জ কাপ ও লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এটা ঠিক মোহামেডান বা অন্য দল এক মৌসুমে তিনের অধিক ট্রফি জিতেছে। সেগুলো বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের ব্যবস্থানায় ছিল না বলে ঘরোয়া আসরের রেকর্ডে স্থান পাবে না।