ম্যাচ ও সিরিজ জয়ের লড়াই তো আছেই, তবে বাংলাদেশের জন্য এখন প্রতিটি ওয়ানডে ম্যাচ আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ের হিসাব-নিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আসন্ন বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করে নিতে হলে র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি জরুরি, আর পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান সিরিজ সেই সুযোগ এনে দিয়েছে বাংলাদেশকে।
সবশেষ সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারালেও আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে এখনো দশ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে নবম স্থানে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে ব্যবধান মাত্র এক রেটিং পয়েন্ট। বর্তমানে দুই দলেরই রেটিং ৭৭ হলেও ভগ্নাংশের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ক্যারিবিয়ানরা।
পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জিততে পারলে সেই অবস্থান বদলে যেতে পারে। বাংলাদেশ যদি সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে জেতে, তাহলে তাদের রেটিং পয়েন্ট দাঁড়াবে ৭৯। আর ৩-০ ব্যবধানে জিতলে পয়েন্ট বেড়ে হবে ৮১। সে ক্ষেত্রে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পেছনে ফেলে নবম স্থানে উঠে আসবে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। বর্তমানে র্যাঙ্কিংয়ের আট নম্বরে থাকা ইংল্যান্ডের রেটিং পয়েন্ট ৮৮।
অন্যদিকে বাংলাদেশ যদি সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে হারে, তাহলে রেটিং পয়েন্ট কমে হবে ৭৭, যা ওয়েস্ট ইন্ডিজের সমান। তবে ভগ্নাংশের ব্যবধানে দশ নম্বরেই থাকতে হবে বাংলাদেশকে। আর ৩-০ ব্যবধানে হেরে গেলে পয়েন্ট নেমে যাবে ৭৪-এ।
পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও এই সিরিজে র্যাঙ্কিংয়ের হিসাব আছে। বর্তমানে ১০৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে চার নম্বরে। বাংলাদেশকে ৩-০ ব্যবধানে হারাতে পারলেই কেবল রেটিং পয়েন্ট বাড়বে তাদের, তখন পয়েন্ট হবে ১০৬। তবে ২-১ ব্যবধানে জিতলেও তাদের পয়েন্ট কমে দাঁড়াবে ১০৪।
বাংলাদেশ যদি সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে জিতে নেয়, তাহলে পাকিস্তানের পয়েন্ট কমে হবে ১০২। আর ৩-০ ব্যবধানে হারলে তাদের রেটিং নেমে আসবে ১০০-তে। তবে এই ফল যাই হোক না কেন, র্যাঙ্কিংয়ের চার নম্বর অবস্থান আপাতত অক্ষুণ্নই থাকবে পাকিস্তানের, কারণ পাঁচ নম্বরে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার পয়েন্ট ৯৮।
উল্লেখ্য, আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত র্যাঙ্কিংয়ের অবস্থানের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবে পরবর্তী বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ নেওয়া দলগুলো। স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিশ্বকাপে খেলবে। তাদের বাইরে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আট দল সরাসরি জায়গা পাবে বিশ্বকাপে।
বিডি প্রতিদিন/মুসা