শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:৩৬, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

সাইবার অপরাধে নতুন আতঙ্ক, তথ্য চুরি ছাড়িয়ে শারীরিক হুমকি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
সাইবার অপরাধে নতুন আতঙ্ক, তথ্য চুরি ছাড়িয়ে শারীরিক হুমকি

সাইবার অপরাধীরা এখন কেবল ডিজিটাল তথ্য চুরিতেই আটকে নেই, মুক্তিপণ আদায়ে তারা ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারকে সরাসরি শারীরিক ক্ষতির হুমকিও দিচ্ছে।

বিবিসি লিখেছে, বিশ্বজুড়ে ‘ভায়োলেন্স-অ্যাজ-এ-সার্ভিস’ বা ভাড়ায় সহিংসতা চালানোর এ প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, যা সাইবার নিরাপত্তা জগতে এক নতুন ও ভয়াবহ আতঙ্ক তৈরি করেছে। কয়েক বছর আগে টিম বিসলি একদিন তার সদর দরজা খুলে দেখতে পেলেন দরজার গোড়ায় ছোট একটি প্যাকেট পড়ে আছে। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলছিলেন, “আমি ভেবেছিলাম, ‘আরে, এটা আবার কী?’ বক্সটি খুলে সঙ্গে সঙ্গেই আমি চিৎকার করে উঠলাম, ‘ওহ!’ তারপর দ্রুত তা হাত থেকে ফেলে দিলাম।”

বক্সের ভেতরে ছিল এক হুমকিমূলক চিরকুট। সেখানে তাকে সরে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল এবং কথা না শুনলে শারীরিক ক্ষতি করার ইঙ্গিতও ছিল। বিসলি এখন ‘সেম্পারিস’ নামের এক মার্কিন নিরাপত্তা কোম্পানিতে কাজ করেন। ওই সময় তিনি এক মার্কিন সরকারি সংস্থার হয়ে সাইবার হামলার মুক্তিপণ নিয়ে মধ্যস্থতা করছিলেন। তার বাড়িতে পৌঁছানো সেই পার্সেলটি আসলে ছিল সেই র‍্যানসমওয়্যার চক্রের পক্ষ থেকে সরাসরি এক হুমকি, যাদের সঙ্গে তাকে আলোচনা করতে হচ্ছিল।

বিশ্বজুড়ে সাইবার হামলার ঘটনা এখন আকাশচুম্বী। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের নতুন পরিসংখ্যান অনুসারে, কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই এ ধরনের হামলার সংখ্যা ২০১৫ সালে ছিল ২ লাখ ৮৮ হাজার ১২টি, যা গত বছর বেড়ে রেকর্ড পরিমাণ ১০ লাখ ৮ হাজার ৫৯৭ এ দাঁড়িয়েছে। এফবিআইয়ের তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালে আমেরিকার বিভিন্ন কোম্পানি ও সংস্থায় এসব হামলার ফলে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮০ কোটি ডলারে, যা ২০২৪ সালের ১ হাজার ৬৬০ কোটি ডলারের তুলনায় অনেক বেশি।

এদিকে, গত বছর যুক্তরাজ্যেও সাইবার হামলার ঘটনা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। সাধারণত এসব ক্ষেত্রে হ্যাকাররা কোনো কোম্পানির কম্পিউটার সিস্টেমে ঢুকে সংবেদনশীল তথ্য চুরি করে বা পুরো সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কাজকর্ম অচল করে দেয়। এরপর সাইবার অপরাধীরা সেই তথ্য ফেরত দিতে বা সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দিতে মুক্তিপণ বা মোটা অংকের অর্থ দাবি করে।

তবে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, বর্তমানে অনেক সংখ্যক সাইবার হামলাকারী তাদের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের জন্য আরও ভয়ংকর পথ বেছে নিচ্ছে, তারা সরাসরি শারীরিক ক্ষতির হুমকি দিচ্ছে। এফবিআইয়ের বার্ষিক তথ্যমতে, গেল বছর আমেরিকায় এ ধরনের শারীরিক হুমকির ঘটনা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।

সেম্পারিস-এর আলাদা এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে হওয়া র‍্যানসমওয়্যার হামলাগুলোর প্রায় ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রে অপরাধীরা মুক্তিপণ দিতে অস্বীকার করলে কর্মীদের শারীরিক ক্ষতির হুমকি দিয়েছে। আমেরিকায় এ পরিস্থিতি আরও খারাপ। সেখানকার বিভিন্ন কোম্পানি প্রায় ৪৬ শতাংশ ক্ষেত্রে এ ধরনের শারীরিক হুমকির মুখে পড়েছে। এ প্রসঙ্গে বিসলি বলেছেন, “এই প্রবণতা আগে থেকেই আড়ালে ছিল। তবে এখন তা রূঢ় এক বাস্তবতায় পরিণত হচ্ছে এবং ধীরে ধীরে এর প্রকোপ বেড়েই চলেছে।”

হ্যাকাররা তাদের হাতে থাকা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে কর্মীদের সরাসরি হুমকি দিচ্ছে, যার মধ্যে তাদের বাড়ির ঠিকানাও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোম্পারি ‘টেনিয়াম’-এর জ্যাক ওয়ারেন এক হাসপাতালের মুক্তিপণ আলোচনার সময় এমনই এক পরিস্থিতির মুখে পড়েছিলেন।

ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের এ প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেছেন, “আমরা খবর পাচ্ছিলাম, হাসপাতালের কর্মীরা সব ফোন কল পাচ্ছেন। হ্যাকাররা সরাসরি হাসপাতালে ফোন করে নার্সদের নাম ধরে ডাকছিল ও তাদের বলছিল, তারা জানে তারা (নার্সরা) কোথায় থাকেন। তারা কর্মীদের বাড়ির ঠিকানা থেকে শুরু করে সোশাল সিকিউরিটি নাম্বার পর্যন্ত বলে দিচ্ছিল, যাতে মানুষজন টের পায় যে তাদের ওপর নজর রাখা হচ্ছে। হ্যাকারদের কাছে এসব ব্যক্তিগত তথ্য থাকায় চিকিৎসকদের মধ্যে এক চরম ভীতি ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল।”

কখনও কখনও শারীরিক ক্ষতির এসব হুমকি সরাসরি না হয়ে পরোক্ষভাবেও আসে। তবে সেগুলোও কম প্রাণঘাতী নয়। যেমন, কিছু ক্ষেত্রে আক্রমণকারীরা কারখানার যন্ত্রপাতির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। তারা রোবট বা কনভেয়ার বেল্টের মতো বিভিন্ন যন্ত্র ইচ্ছামতো চালু বা বন্ধ করে নিজেদের ক্ষমতা জাহির করে, যা যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা মৃত্যুর কারণও হতে পারে।

অনেক র‍্যানসমওয়্যার চক্র রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট হলেও অধিকাংশ শারীরিক হুমকির ঘটনা আর্থিক মুনাফালোভী অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর কাছ থেকেই আসে। এ ধরনের হ্যাকাররা সাধারণত তরুণ। এফবিআইয়ের নথি অনুসারে, এ ধরনের একটি চক্রের সদস্যদের বয়স ১৭ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। অনেক ক্ষেত্রে এসব সাইবার অপরাধীরা নিজেরা সরাসরি সহিংসতা না করে অন্যকে অর্থ দিয়ে ভাড়া করে বা হুমকি দেওয়ার কাজে লাগায়।

এ প্রসঙ্গে বিসলি বলেছেন, “অধিকাংশ ক্ষেত্রে হ্যাকাররা নিজের হাত নোংরা করতে চায় না।” ফলে তারা বিভিন্ন মেসেজ বোর্ড বা সামাজিক মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে লোক নিয়োগ করে এবং অর্থের বিনিময়ে কাউকে মারধর করা বা অনুসরণ করার মতো কাজগুলো করিয়ে নেয়।

সহিংসতার সবচেয়ে ভয়াবহ হুমকি ও প্রকৃত শারীরিক হামলার বিভিন্ন ঘটনা ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগের অন্ধকার জগতে বেশি দেখা যায়। যেমন, গত বছরের মে মাসে ফরাসি পুলিশ এক ক্রিপ্টোকারেন্সি মিলিয়নেয়ারের বাবাকে উদ্ধার করেছে, যাকে অপহরণ করে প্যারিসের শহরতলীতে মুক্তিপণের জন্য আটকে রাখা হয়েছিল।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, অপহরণকারীরা ভুক্তভোগীর একটি আঙুল কেটে ফেলেছিল। গত বছর যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপে এ ধরনের ১৮টিরও বেশি ঘটনা ঘটেছে। শারীরিক হামলার সঙ্গে জড়িত সাইবার অপরাধের সংখ্যায় এক ‘নাটকীয় বৃদ্ধি’ দেখা গেছে। বর্তমানে এই ধরনের অপরাধ নিয়ে তদন্ত করছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ‘ইউরোপোল’। তারা ‘ভায়োলেন্স-অ্যাজ-এ-সার্ভিস’ বা ভাড়ায় সহিংসতা বন্ধ করার প্রচেষ্টায় কাজ করছে, যেখানে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে অপরাধীরা অন্যের ওপর হামলা চালায়।

যুক্তরাষ্ট্রে গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে এফবিআই এক সতর্কবার্তা জারি করেছিল, যেখানে অনলাইনে সক্রিয় ‘ইন রিয়াল লাইফ কম’ নামের এক নেটওয়ার্ক থেকে আসা সহিংসতার ঝুঁকি নিয়ে হুঁশিয়ার করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, এ অপরাধীরা ক্রমেই আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে এবং তারা সানন্দে অর্থের বিনিময়ে সহিংসতা বা হামলার প্রস্তাব দিচ্ছে। সাইবার সিকিউরিটি সফটওয়্যার কোম্পানি ‘ক্রাউডস্ট্রাইক’-এর কর্মকর্তা অ্যাডাম মেয়ার্স বলেছেন, “আপনি যদি কারও কোনো ক্ষতি করতে চান তবে আপনি এ অনলাইন নেটওয়ার্কের ভেতরেই এমন কাউকে পেয়ে যাবেন যে আপনার হয়ে সেই কাজটি করতে প্রস্তুত। যার মানে, কারও জানালার কাঁচ লক্ষ্য করে ইট মারা, কোনো কিছুতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া, গুলি চালানো বা অপহরণের মতো ঘটনাও। কারিগরিভাবে খুব বেশি দক্ষ নয় এমন ব্যক্তিরা সম্ভবত এ ‘ভায়োলেন্স-অ্যাজ-এ-সার্ভিস’-এর দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ে। কারণ এ অপরাধ জগতে সহিংসতাই একমাত্র পথ, যা তাদের আয়ত্তে থাকে।

ক্রিপ্টোকারেন্সির ঘটনাগুলোতে ভুক্তভোগীরা সম্ভবত সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের সাফল্য নিয়ে অতিরিক্ত আস্ফালন বা অসতর্ক কথাবার্তা বলে হ্যাকারদের নজরে চলে আসেন। মেয়ার্স বলেছেন, “যাদের কাছে স্বর্ণ আছে তারা যেভাবে কথা বলেন ক্রিপ্টোকারেন্সি থাকা ব্যক্তিদের আলাপচারিতা তার চেয়ে ভিন্ন হয়। তারা অনলাইনে সারাক্ষণ ক্রিপ্টো ট্রেডিং ও কত অর্থ আয় করলেন তা নিয়ে কথা বলেন, যেখানে উদ্দেশ্য থাকে ফলোয়ার বাড়ানো ও সবার নজরে আসা। আর যখনই আপনি এমনটি করছেন তখনই বিপদ ডেকে আনছেন।”

বিসলি বলেছেন, সাইবার অপরাধের সঙ্গে জড়িত শারীরিক সহিংসতার হুমকি সম্ভবত বাড়তেই থাকবে। কারণ ‘মানুষ এখনও এর ভয়ে অর্থ দিয়ে যাচ্ছে’। কেউই চায় না যে তাদের সন্তান অপহরণের শিকার হোক। এমন পরিস্থিতি আপনাকে সবসময় নিজের পিঠ বাঁচিয়ে চলতে ও পেছনে ফিরে তাকাতে বাধ্য করবে।

তথ্য সূত্র- বিবিসি।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে রিলসে নতুন সুবিধা আনছে মেটা
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে রিলসে নতুন সুবিধা আনছে মেটা
বিভিন্ন খাতের সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের সাইবার সক্ষমতা জোরদার করবে ফিনিক্স সামিট ২০২৬
বিভিন্ন খাতের সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের সাইবার সক্ষমতা জোরদার করবে ফিনিক্স সামিট ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় সংবাদ ব্যবহারে গুগলের ওপর নতুন শর্ত যুক্তরাজ্যের
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় সংবাদ ব্যবহারে গুগলের ওপর নতুন শর্ত যুক্তরাজ্যের
এআই কনটেন্ট শনাক্তে ইউটিউবের নতুন ফিচার
এআই কনটেন্ট শনাক্তে ইউটিউবের নতুন ফিচার
চ্যাটবটকে ‘ভুল পথে চালিয়ে’ পাসওয়ার্ড বদল, নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন
চ্যাটবটকে ‘ভুল পথে চালিয়ে’ পাসওয়ার্ড বদল, নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন
ডেঙ্গু-জিকা ঠেকাতে ৩ কোটি ২০ লাখ মশা ছাড়ার অনুমতি চায় গুগল
ডেঙ্গু-জিকা ঠেকাতে ৩ কোটি ২০ লাখ মশা ছাড়ার অনুমতি চায় গুগল
দেশে অনলাইন শপিংয়ে অংশ নেয় সাড়ে ১৪% মানুষ, এগিয়ে পুরুষরা
দেশে অনলাইন শপিংয়ে অংশ নেয় সাড়ে ১৪% মানুষ, এগিয়ে পুরুষরা
চীনের এআই চিপ রফতানির ফাঁকফোকর বন্ধে নতুন পদক্ষেপ আমেরিকার
চীনের এআই চিপ রফতানির ফাঁকফোকর বন্ধে নতুন পদক্ষেপ আমেরিকার
৩ কোটি ২০ লাখ বিশেষ মশা ছাড়তে চায় গুগল
৩ কোটি ২০ লাখ বিশেষ মশা ছাড়তে চায় গুগল
মানব নির্দেশনা ছাড়াই শত্রু খুঁজে আঘাত হানতে সক্ষম চীনের ড্রোন
মানব নির্দেশনা ছাড়াই শত্রু খুঁজে আঘাত হানতে সক্ষম চীনের ড্রোন
ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে আসছে সাবস্ক্রিপশন, ব্যবহার করতে গুনতে হবে টাকা
ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে আসছে সাবস্ক্রিপশন, ব্যবহার করতে গুনতে হবে টাকা
হোয়াটসঅ্যাপেও অর্থের বিনিময়ে সাবস্ক্রিপশন সুবিধা আনছে মেটা
হোয়াটসঅ্যাপেও অর্থের বিনিময়ে সাবস্ক্রিপশন সুবিধা আনছে মেটা
সর্বশেষ খবর
কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলের মৃত্যু
কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলের মৃত্যু

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ইরানকে সমর্থনের অভিযোগে কুয়েতি টিভি উপস্থাপিকার কারাদণ্ড
ইরানকে সমর্থনের অভিযোগে কুয়েতি টিভি উপস্থাপিকার কারাদণ্ড

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আদমদীঘিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের গাছের চারা রোপণ
আদমদীঘিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের গাছের চারা রোপণ

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাংনী সিমান্তে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টা, কঠোর অবস্থানে বিজিবি-গ্রামবাসী
গাংনী সিমান্তে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টা, কঠোর অবস্থানে বিজিবি-গ্রামবাসী

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লালমাইয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
লালমাইয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

৮ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

কুমিল্লায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২
কুমিল্লায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে রবিবার
নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে রবিবার

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু

১৩ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাদারীপুরে সচেতনতামূলক র‌্যালি
ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাদারীপুরে সচেতনতামূলক র‌্যালি

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জেতা হচ্ছে না আর্জেন্টিনার? কোয়ার্টারে মুখোমুখি মেসি-রোনালদো!
টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জেতা হচ্ছে না আর্জেন্টিনার? কোয়ার্টারে মুখোমুখি মেসি-রোনালদো!

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় জিসিসি অঞ্চলের বিমান চলাচলে বড় বিপর্যয়
মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় জিসিসি অঞ্চলের বিমান চলাচলে বড় বিপর্যয়

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জীবননগরে বসুন্ধরা শুভসংঘের চারা বিতরণ
জীবননগরে বসুন্ধরা শুভসংঘের চারা বিতরণ

১৮ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আমিরাতে দোয়া মাহফিল
জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আমিরাতে দোয়া মাহফিল

২৪ মিনিট আগে | পরবাস

মুন্সীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম
মুন্সীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সংসদীয় সভা
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সংসদীয় সভা

৩৮ মিনিট আগে | জাতীয়

স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

৩৮ মিনিট আগে | জাতীয়

আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল শোকজ নোটিশের জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল শোকজ নোটিশের জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৪০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে লোকজন সরিয়ে নিল বিএসএফ
পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে লোকজন সরিয়ে নিল বিএসএফ

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি
মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি

৪২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ​জয়পুরহাটে দোয়া মাহফিল
জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ​জয়পুরহাটে দোয়া মাহফিল

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আওতামুক্ত : তথ্যমন্ত্রী
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আওতামুক্ত : তথ্যমন্ত্রী

৫৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ঠাকুরগাঁও সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা, বিজিবির সঙ্গে পাহারায় স্থানীয়রা
ঠাকুরগাঁও সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা, বিজিবির সঙ্গে পাহারায় স্থানীয়রা

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নানাবিধ হুমকির মুখে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য
নানাবিধ হুমকির মুখে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য

৫৮ মিনিট আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

এক ধাপে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল দাবি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের
এক ধাপে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল দাবি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

বুড়িগঙ্গার কাছে এখন আর যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল
বুড়িগঙ্গার কাছে এখন আর যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

৩ দিনের সফরে কাল রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
৩ দিনের সফরে কাল রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ
স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মরণোত্তর জাতিসংঘ ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড’ পদক পেলেন ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
মরণোত্তর জাতিসংঘ ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড’ পদক পেলেন ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন বাজেটে থাকবে ‘রিকভারি ও রিকনসিলিয়েশন’ প্রকল্প: অর্থ উপদেষ্টা
নতুন বাজেটে থাকবে ‘রিকভারি ও রিকনসিলিয়েশন’ প্রকল্প: অর্থ উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
শাকিব-বুবলীর ঘরে এলো কন্যাসন্তান, নাম শারলিন খান
শাকিব-বুবলীর ঘরে এলো কন্যাসন্তান, নাম শারলিন খান

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

তপুর জোড়া গোলে ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
তপুর জোড়া গোলে ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ে করলেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী, বর কে
বিয়ে করলেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী, বর কে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশিসহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন ধূলিসাতের পথে
বাংলাদেশিসহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন ধূলিসাতের পথে

১৯ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সাবেক মেয়র মনজুর ও সাবেক এমপি সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
সাবেক মেয়র মনজুর ও সাবেক এমপি সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

১২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির
ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উঠে দাঁড়িয়েছে দাবি করা সেই গাছ কেটে ফেললো প্রশাসন
উঠে দাঁড়িয়েছে দাবি করা সেই গাছ কেটে ফেললো প্রশাসন

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অস্ট্রেলিয়ায় এক লাখ তেলাপোকা জব্দ, মূল্য দেড় লাখ ডলার
অস্ট্রেলিয়ায় এক লাখ তেলাপোকা জব্দ, মূল্য দেড় লাখ ডলার

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের ‘ঝিমুনি’: ‘কমান্ডার-ইন-স্লিপ’ বলে ডেমোক্র্যাটদের উপহাস
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের ‘ঝিমুনি’: ‘কমান্ডার-ইন-স্লিপ’ বলে ডেমোক্র্যাটদের উপহাস

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩
বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটকাল যুক্তরাষ্ট্র
ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটকাল যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মমতার তৃণমূলের নতুন কমিটি, স্বপদেই বহাল অভিষেক
মমতার তৃণমূলের নতুন কমিটি, স্বপদেই বহাল অভিষেক

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা
ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

ফেভারিটদের তালিকায় থেকেও কেন মহাবিপদে আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স?!
ফেভারিটদের তালিকায় থেকেও কেন মহাবিপদে আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স?!

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের
কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে প্রথমবার ইতিহাস গড়তে আসছে ৫ নতুন দেশ
বিশ্বকাপে প্রথমবার ইতিহাস গড়তে আসছে ৫ নতুন দেশ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা
৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত
টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের মঞ্চ প্রস্তুত : নারী ফুটবলে নতুন অধ্যায়ের সামনে বাংলাদেশ
শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের মঞ্চ প্রস্তুত : নারী ফুটবলে নতুন অধ্যায়ের সামনে বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শত্রু শিবিরে খেলা, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে একাট্টা ইরানি ফুটবলাররা
শত্রু শিবিরে খেলা, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে একাট্টা ইরানি ফুটবলাররা

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাহজালালের কার্গো শেডে আগুনে ফ্লাইং অপারেশনে সমস্যা হয়নি: নির্বাহী পরিচালক
শাহজালালের কার্গো শেডে আগুনে ফ্লাইং অপারেশনে সমস্যা হয়নি: নির্বাহী পরিচালক

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল
নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের
যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপি'র ছায়া বাজেট ঘোষণা: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে জোর
এনসিপি'র ছায়া বাজেট ঘোষণা: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে জোর

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন নিয়মে বিশ্বকাপ ম্যাচ অনির্দিষ্টকাল বন্ধ থাকতে পারে যে কারণে
মার্কিন নিয়মে বিশ্বকাপ ম্যাচ অনির্দিষ্টকাল বন্ধ থাকতে পারে যে কারণে

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল: ভাগ্য নির্ধারণে নজর থাকবে যাদের দিকে
বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল: ভাগ্য নির্ধারণে নজর থাকবে যাদের দিকে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ বছরেই জাতীয় দলে সূর্যবংশী, বাদ অধিনায়ক: ভারতের পরিকল্পনায় যে বড় চমক লুকিয়ে
১৫ বছরেই জাতীয় দলে সূর্যবংশী, বাদ অধিনায়ক: ভারতের পরিকল্পনায় যে বড় চমক লুকিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সীমান্তে বিজিবি জনগণ সতর্ক
সীমান্তে বিজিবি জনগণ সতর্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপিতে এক নেতা এক পদ
বিএনপিতে এক নেতা এক পদ

প্রথম পৃষ্ঠা

তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর
তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিটেনে অলিখিত ভিসা নিষেধাজ্ঞার কবলে বাংলাদেশ
ব্রিটেনে অলিখিত ভিসা নিষেধাজ্ঞার কবলে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্রান্সের সামনে ‘মৃত্যুকূপ’
ফ্রান্সের সামনে ‘মৃত্যুকূপ’

মাঠে ময়দানে

ভ্যাট রিটার্নে আসছে বড় পরিবর্তন
ভ্যাট রিটার্নে আসছে বড় পরিবর্তন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বরিশালের বাজারে ইলিশের হাহাকার
বরিশালের বাজারে ইলিশের হাহাকার

পেছনের পৃষ্ঠা

মারিয়াদের হ্যাটট্রিক শিরোপার হাতছানি
মারিয়াদের হ্যাটট্রিক শিরোপার হাতছানি

মাঠে ময়দানে

সরকারের দখলে নেই সরকারি সম্পত্তি
সরকারের দখলে নেই সরকারি সম্পত্তি

প্রথম পৃষ্ঠা

জার্সি পতাকা উন্মাদনায় দেশ
জার্সি পতাকা উন্মাদনায় দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অভিনব মোটরসাইকেল
অভিনব মোটরসাইকেল

শনিবারের সকাল

অযত্নে ম্লান ইতিহাসের দুর্লভ নিদর্শন
অযত্নে ম্লান ইতিহাসের দুর্লভ নিদর্শন

শনিবারের সকাল

ভাইরাল সেই বাসের লাইসেন্স বাতিল
ভাইরাল সেই বাসের লাইসেন্স বাতিল

পেছনের পৃষ্ঠা

আলোচিত হত্যা মামলার রায় কাল
আলোচিত হত্যা মামলার রায় কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

কঠিন শাস্তির মুখে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল
কঠিন শাস্তির মুখে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ ছাড়লেন কলকাতার মেয়র
পদ ছাড়লেন কলকাতার মেয়র

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজির দাম অল্প কমলেও স্বস্তি ফেরেনি বাজারে
সবজির দাম অল্প কমলেও স্বস্তি ফেরেনি বাজারে

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিব খানের উদ্বেগ
শাকিব খানের উদ্বেগ

শোবিজ

যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসের বিল পাসে ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প
যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসের বিল পাসে ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প

প্রথম পৃষ্ঠা

আইভরি কোস্টে হোঁচট ফ্রান্সের
আইভরি কোস্টে হোঁচট ফ্রান্সের

মাঠে ময়দানে

কৃষিপণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার আজারবাইজান
কৃষিপণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার আজারবাইজান

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেরি থেকে আবার পদ্মায় বাস
ফেরি থেকে আবার পদ্মায় বাস

প্রথম পৃষ্ঠা

তুরস্কের সহযোগিতা চাইল জামায়াত
তুরস্কের সহযোগিতা চাইল জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

হারিয়ে যাচ্ছে গুইংগারহাট খাল
হারিয়ে যাচ্ছে গুইংগারহাট খাল

পেছনের পৃষ্ঠা

ডলার প্রতারণা করতেন তারা
ডলার প্রতারণা করতেন তারা

দেশগ্রাম

আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?

প্রথম পৃষ্ঠা

দিল্লির হোটেলে আগুনে নিহত কুমিল্লার সোহাগ
দিল্লির হোটেলে আগুনে নিহত কুমিল্লার সোহাগ

পেছনের পৃষ্ঠা

শুধু রামিসা নয়, দ্রুততম বিচার হোক সব হত্যার
শুধু রামিসা নয়, দ্রুততম বিচার হোক সব হত্যার

সম্পাদকীয়

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকায় ফেরত যাচ্ছে জাহাজ
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকায় ফেরত যাচ্ছে জাহাজ

পেছনের পৃষ্ঠা