রংপুর নগরীতে বেড়েছে চুরির ঘটনা। এ নিয়ে নগরবাসীর মনে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি রংপুর পলিটেকনিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে শিক্ষকরা দেখতে পান প্রথম, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির আটটি ফ্যান চুরি হয়ে গেছে। সংঘবদ্ধ চোরচক্র শুক্রবার কিংবা শনিবারের কোনো এক সময় স্কুলে ঢুকে ফ্যান চুরি করেছে বলে ধারণা শিক্ষকদের।
এ ঘটনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে থানায় একটি জিডির প্রস্তুতি চলছে। পলিটেকনিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসিফা আক্তার বেগম বলেন, স্কুলের আটটি ফ্যান চুরির ঘটনায় থানায় জিডি করব। এর আগেও স্কুল থেকে ফ্যান চুরির ঘটনা ঘটেছে। ফ্যান চুরি হওয়ায় সামনে তাপদাহ শুরু হলে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে কষ্ট হবে। অন্যদিকে নগরীর সেন্ট্রাল রোডে মুগ্ধ ম্যানশন ভবনের পঞ্চম তলায় চোর ভ্যান্টিলেশনের ফ্যান খুলে ঘরে প্রবেশ করে দুটি মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে যায়। ভুক্তভোগী হাসনাইন আহমেদ বলেন, একটি ভবনের পাঁচ তলায় উঠে চোর সেল ফোন চুরি করে নিয়ে গেছে। এর আগেও ছাদ থেকে চুরি হয়ে গেছে মূল্যবান জিনিসপত্র। আমরা পুলিশ ফাঁড়ির দেড় শ মিটারের মধ্যে থাকি। সেন্ট্রাল রোড এলাকাকে নিরাপদ ভাবা হলেও পুলিশের তৎপরতা না থাকায় প্রায়শ চুরির ঘটনা ঘটছে। সাঁড়াশি অভিযানের মাধ্যমে চোরদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।
কয়েক দিন আগে নগরীর শাহীপাড়ার বাসিন্দা সোয়েবের স্ত্রী বাড়ির প্রধান গেটে তালা দিয়ে সন্তানকে আনতে স্কুলে যান। স্কুল থেকে এসে দেখেন ঘরের তালা ভাঙা। সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে গেছে চোর। নগরীর পাকপাড়ায় একাধিক বাড়িতে চুরির খবর পাওয়া গেছে। রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ওসি আজাদুর রহমান বলেন, নবাবগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্তরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এ ছাড়া চুরিসহ অপরাধ দমনে পুলিশ তৎপর রয়েছে।