আমরা অনেকেই ভাবি, চুলে তেল না দিলে হয়তো খুশকি বাড়ে। কিন্তু বাস্তবতা হলো- যাদের খুশকি আঠালো বা তেলতেলে প্রকৃতির, তাদের ক্ষেত্রে তেল উল্টো ‘আগুনে ঘি’ ঢালার মতো কাজ করে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই চটচটে খুশকি হলো অতিরিক্ত সেবাম (তেল) এবং এক বিশেষ ধরনের ছত্রাকের সংমিশ্রণ।
খুশকি তাড়াতে যেকোনো সাধারণ শ্যাম্পু যথেষ্ট নয়। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. অমিত ভাসিনের মতে, আমাদের এমন উপাদান বেছে নিতে হবে যা সরাসরি খুশকির মূলে আঘাত করে। এক্ষেত্রে দুটি জিনিস খেয়াল করুন :
► পাইরোকটন ওলামিন এমন একটি শক্তিশালী ছত্রাকনাশক যা খুশকির প্রধান কারণ ‘মালাসেজিয়া’ ব্যাকটেরিয়াকে বাড়তে দেয় না।
► অ্যাকটিভেটেড চারকোল শোষকের মতো কাজ করে। মাথার ত্বকের গভীরে জমে থাকা তেল ও ময়লা চুম্বকের মতো টেনে বের করে আনে।
‘ডাবল রিন্স’ ম্যাজিক : প্রথমে অল্প শ্যাম্পু দিয়ে চুলের ওপরের স্তরের ময়লা ও তেল ধুয়ে ফেলুন। দ্বিতীয় দফায় সামান্য শ্যাম্পু নিয়ে আঙুলের ডগা দিয়ে মাথার তালু ম্যাসাজ করুন। মাথার ত্বক শ্বাস নেওয়ার সুযোগ পাবে। অবশিষ্টাংশ থাকবে না।
► লেবুর রস ও ভিনেগার : শ্যাম্পুর আগে পানির সঙ্গে লেবুর রস কিংবা আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে লাগালে ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য বজায় থাকে।
► টি ট্রি অয়েল : শ্যাম্পুর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিন; এর অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণ খুশকি কমাতে ম্যাজিকের মতো কাজ করবে।
► অ্যালোভেরা : মাথার ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে অ্যালোভেরা জেল ভীষণ কার্যকর হতে পারে।