‘ব্যাক টু বেসিক’ : কমেই যখন বেশি লাভ
স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য ডজন ডজন পণ্য নয়, বরং মাত্র দুটি জিনিসই যথেষ্ট- একটি মাইল্ড ক্লিনজার এবং একটি কোমল ময়েশ্চারাইজার।
♦ রাসায়নিক সুগন্ধি বা কড়া কেমিক্যালযুক্ত ক্লিনজার এড়িয়ে চলুন। যদি বাজারে পাওয়া পণ্যে ভরসা না পান, তবে রান্নাঘরের চালের গুঁড়া বা বেসন পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করুন। ঘড়ির কাঁটার মতো ঘুরিয়ে হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে নিলেই কেল্লাফতে!
♦ এসি বা রোদে যারা দীর্ঘ সময় থাকেন, তাঁদের ত্বকের আর্দ্রতা দ্রুত হারিয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে হালকা বা লাইটওয়েট ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন।
সুরক্ষার দেয়াল : সানস্ক্রিন না কি সানমিল্ক?
ত্বকের অকাল বার্ধক্য আর কালো দাগ এড়াতে সানস্ক্রিনের কোনো বিকল্প নেই। তবে অনেকের কাছে সানস্ক্রিন বেশ ভারী বা চটচটে মনে হয়। এই সমস্যার চমৎকার সমাধান হলো ‘সানমিল্ক’। এটি ওজনে হালকা এবং দ্রুত ত্বকের সঙ্গে মিশে যায়।
শত্রু যখন ভিতরে : যা কিছু এড়িয়ে চলবেন
পুরুষের ত্বকের উপরিভাগ বা এপিডার্মিস পুরু হলেও নির্দিষ্ট কিছু কেমিক্যাল একে খুব দ্রুত কাবু করে ফেলে। যেমন- অ্যালকোহল ও সুগন্ধি ত্বকে ইরিটেশন বা জ্বালাপোড়া তৈরি করে। আর সোডিয়াম লরেট সালফেট ত্বকের উপরিভাগকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। পণ্য কেনার আগে উপাদানের তালিকায় এলো দেখলে এড়িয়ে চলাই ভালো।
হুজুগ নয়, প্রয়োজন ত্বকের শনাক্তকরণ
মনে রাখবেন, যা আপনার বন্ধুর জন্য কাজ করছে, তা আপনার জন্য নাও করতে পারে। বিশেষ করে নারীদের রূপচর্চার পণ্য পুরুষদের ত্বকে ব্যবহার না করাই ভালো। শুধু প্রসাধনী নয়; এসির ঠান্ডা বাতাস, কড়া রোদ, ধুলোবালি বা অতিরিক্ত ঘাম থেকেও ত্বকে অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন হতে পারে। আপনার শত্রু কে- তা নিজেকেই শনাক্ত করতে হবে।
স্ক্রাবিংয়ে ‘না’, এক্সফোলিয়েশনে ‘হ্যাঁ’
সেনসিটিভ ত্বকে দানাযুক্ত স্ক্রাব দিয়ে ঘষাঘষি করা মানে নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনা। যা পিম্পল বা বলিরেখার কারণ হতে পারে। এর সমাধান হলো- কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েটর (যেমন : AHA বা BHA)। এটি ঘষাঘষি ছাড়াই ত্বকের মৃত কোষ, ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস পরিষ্কার করে দেয়।