শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

ভূমিকম্পের ভয়াবহ ইতিহাস

রকমারি ডেস্ক
প্রিন্ট ভার্সন
ভূমিকম্পের ভয়াবহ ইতিহাস

তুরস্ক-সিরিয়া

এ বছর ৬ ফেব্রুয়ারি তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে এ কম্পনের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। কম্পনের উৎসস্থল ছিল দক্ষিণ তুরস্কে। গাজিয়ানতেপ প্রদেশের নুরদাগি শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার পূর্বে ভূগর্ভের প্রায় ১৮ কিলোমিটার গভীরে। প্রথম কম্পনের ১১ থেকে ১৫ মিনিটের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার কেঁপে ওঠে লেবানন, সিরিয়া এবং সাইপ্রাসের বিভিন্ন অংশ। দেড় মিনিট পর্যন্ত তার কম্পন অনুভূত হয়। কম্পনের জেরে ভেঙে পড়তে থাকে একের পর এক বহুতল এবং বাড়ি। সেই ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই আরও দুবার কেঁপে ওঠে সিরিয়া এবং তুরস্কের বিস্তীর্ণ এলাকা। ফলে বিপদ আরও বেড়ে যায়। মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়ে যায়। ভূমিকম্পে ভাগ হয়ে যায় বিমানবন্দর।

 

গ্রেট কান্টো ভূমিকম্প [জাপান]

প্রায় ১০০ বছর আগের ঘটনা। জাপান তাদের স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প দেখেছিল ১৯২৩ সালে। ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর বেলা ১১ টা ৫৮ মিনিট; জাপানের রাজধানীসহ বেশ কয়েকটি শহরে ভূমিকম্পের প্রথম আঘাতটি আসে। উৎপত্তিস্থল ছিল রাজধানী টোকিও থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরের সাগামি উপসাগর অঞ্চল। এর তীব্রতা ছিল ৭ দশমিক ৯ এবং স্থায়িত্বকাল ছিল ৪ থেকে ১০ মিনিট। ভূ-তাত্ত্বিকদের মতে, ফিলিপাইন সমুদ্রের প্লেট সাগামি ট্রাফের লাইন বরাবর ওখোৎস্ক প্লেট ফেটে এ বিপর্যয় সৃষ্টি হয়। এ ভূমিকম্পের আঘাতে রাজধানী টোকিওসহ বেশ কয়েকটি শহর ব্যাপকভাবে কেঁপে উঠেছিল। ধ্বংস হয়েছিল অসংখ্য দালান। এরপরই সাগামি উপসাগরে ৪০ ফুট উঁচু সুনামি উপকূলে আঘাত হানে। ভূমিকম্পের কারণে বিভিন্ন ভবনে অগ্নিকাণ্ডে অগ্নিদগ্ধ হয় ৩ লাখ ৮১ হাজার মানুষ। ৬ লাখ ৯৪ হাজার বাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়। আনুমানিক ১ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল।

 

দামহান ভূমিকম্প [ইরান]

সময়টা ৮৫৬ সালের ২২ ডিসেম্বর। তৎকালীন ইরানিরা ৭ দশমিক ৯ মাত্রার ভূকম্পনের সাক্ষী হন। ৩৫০ কিলোমিটার বা ২২০ মাইল এলাকাজুড়ে তাণ্ডব চালায়। ধ্বংস করে অসংখ্য জনপদ। ভূতাত্ত্বিকদের মতে, দেশটি আরব পাত ও ইউরেশীয় পাতের মধ্যে মহাদেশীয় সংঘর্ষের জটিল অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত। সে কারণে পৃথিবীর সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলটির আল্পাইড বেল্টের স্থানান্তরের ফলে দামহান ভূমিকম্পের মতো বিপর্যয় ঘটেছিল। সেদিন ২ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল।

 

হাইজুয়ান ভূমিকম্প [চীন]

১৯২০ সালের ১৬ ডিসেম্বর; চীনের গানসু প্রদেশকে ধ্বংস করে দেয় ৮ দশমিক ৫ মাত্রার প্রলয়ংকরী ভূমিকম্প। তৎকালে চীন স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিধসের মুখোমুখি হয়েছিল। যার ফলে প্রাণহানির সংখ্যাও বাড়তে থাকে হু হু করে। সন্ধ্যা ৭টা ৬ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। পরবর্তীতে আরও তিনবার মৃদু কম্পনে (আফটার শক) কেঁপে ওঠে চীনের গানসু প্রদেশ। গ্রাম থেকে শহর; সব বাড়িঘর মাটির সঙ্গে মিশে যায়। তথ্য বলছে, তৎকালীন গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ৭০ শতাংশ অবকাঠামো ভেঙে পড়ে। সেবার ৬৭৫ বার রেকর্ড পরিমাণ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। আনুমানিক ১ লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারায় কেবল ভূমিধসের কারণে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, ওই অঞ্চলে তখন ২ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। তবে তৎকালীন চীনা সরকার জানায়, সংখ্যাটি ২ লাখ ৭৩ হাজারেরও বেশি।

 

হাইতিয়ান ভূমিকম্প [হাইতি]

২০১০ সালের ১২ জানুয়ারি বিকাল ৪টা ৫৩ মিনিটে ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র হাইতি প্রলয়ংকরী এক ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে। ভয়ানক ওই কম্পনের উৎপত্তিস্থল ছিল হাইতির রাজধানী পোর্ট অব প্রিন্স থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরের প্রত্যন্ত গ্রাম। এর ফলে হাইতি এবং আশপাশের ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়। প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পটি ৭ মাত্রায় আঘাত হানে। ভয়ানক এ ভূমিকম্প কেবল হাইতি এবং ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র নয়, প্রতিবেশী কিউবা, জ্যামাইকা এবং পুয়ের্তো রিকোতেও অনুভূত হয়।

 

সুমাত্রা ভূমিকম্প [ইন্দোনেশিয়া]

২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর; ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট ৯ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা প্রদেশে আঘাত হানে। পার্শ্ববর্তী মালদ্বীপ এবং থাইল্যান্ডেও ভূমিকম্পের ধাক্কা লাগে। ভূ-বিশ্লেষকদের অনেকেই এর মাত্রা ৯ দশমিক ৩ বলে দাবি করেন। ভূমিকম্পের ২০ মিনিট পর, ভারত মহাসাগর থেকে ১০০ ফুট উচ্চতার প্রলয়ংকরী ঢেউ উপকূল অঞ্চলগুলোয় আছড়ে পড়ে। নিমেষে পানির নিচে তলিয়ে যায় সুমাত্রা অঞ্চল। এর প্রভাব পড়ে ভারত, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ডেও। এতে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ রাতারাতি মারা যায়।

 

তাংসান ভূমিকম্প [চীন]

১৯৭৬ সালের ২৮ জুলাই; গভীর রাত। সময় তখন ৩টা ৪২ মিনিট। হঠাৎ ৭ দশমিক ৮ মাত্রা থেকে ৮ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে চীনের তাংসান এবং হেবেই অঞ্চলে। ওই ভূমিকম্পটি আড়াই গিগাট্রন শক্তিমত্তা নিয়ে আঘাত হানে। সে সময় তাংসানের জনসংখ্যা ছিল ১০ লাখেরও বেশি। যাদের বেশির ভাগই ঘুমিয়ে ছিলেন। মাত্র ১০ সেকেন্ডের ভূমিকম্পে পুরো একটি অঞ্চল ধ্বংস হয়ে যায়।

 

ভালদিভিয়া ভূমিকম্প [চিলি]

১৯৬০ সালের ২২ মে, চিলির ভালদিভিয়া অঞ্চলে প্রায় ৯ দশমিক ৫ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পটির শক্তিমত্তা ছিল প্রায় ১৭৮ গিগাট্রন এমনটিই জানিয়েছিলেন গবেষকরা। এটি প্রায় ১০ মিনিট স্থায়ী হয় এবং ২৫ মিটার (৮২ ফুট) পর্যন্ত ঢেউসহ একটি বিশাল সুনামি শুরু করেছিল। প্রধান সুনামি চিলির উপকূলকে মারাত্মকভাবে আঘাত করেছিল এবং প্রশান্ত মহাসাগর পেরিয়ে হাওয়াইয়ের হিলোকে বিধ্বস্ত করেছিল। প্রাথমিক ধাক্কাতে সে সময় প্রায় ৬ হাজার মানুষ মারা যায়।

 

তোহোকু ভূমিকম্প [জাপান]

ভূমিকম্পের দেশ জাপানের তোহোকু অঞ্চল। ২০১১ সালের ১১ মার্চ, স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ৪৬ মিনিটে জাপানের উপকূলে একটি বিশাল সমুদ্রের তলদেশে মেগাথ্রাস্ট ভূমিকম্প আঘাত হানে। ৯ দশমিক শূন্য ৩ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৫ হাজার ৮৭৮ জন মানুষ মারা যায়। আহত হয় প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মানুষ। নিখোঁজ হয় ৩ হাজার মানুষ। ভূমিকম্পে বিমানবন্দর, সড়ক ও রেলপথ ধ্বংস হয়েছে, ২৯০টি ভবন সম্পূর্ণভাবে ধসে যায়। দেশটির একটি পারমাণবিক স্থাপনা মারাত্মক ক্ষতি হয় এবং ভয়ানক তেজস্ক্রিয় পদার্থ বাতাসে ছড়িয়ে যায়।

 

কামকাটকা ভূমিকম্প [রাশিয়া]

১৯৫২ সালের ৪ নভেম্বর বিশ্বের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়। ঘটনাটি ঘটে রাশিয়ার কামকাটকা উপদ্বীপে। এটি ৫০ ফুট পর্যন্ত ঢেউসহ একটি দুর্দান্ত ধ্বংসাত্মক প্রশান্ত মহাসাগরীয় সুনামি তৈরি করেছিল। যা কামকাটকা উপদ্বীপ এবং কুরিল দ্বীপপুঞ্জের ব্যাপক ক্ষতি করে। আনুমানিক ১০ হাজার মানুষ মারা যায়।

 

শানসি ভূমিকম্প [চীন]

চীনের শানসি প্রদেশের এ ভূমিকম্পটিকে বলা হয় ইতিহাসের অন্যতম ভয়ংকর ভূমিকম্প। ১৫৫৬ সালের ২৩ জানুয়ারি চীনের শানসি প্রদেশকে কেন্দ্র করে ভূমিকম্পটি মোট ৯৭টি দেশে একযোগে আঘাত হেনেছিল। বেশ কয়েকটি দেশের সমতলভূমি প্রায় ২০ মিটার দেবে গিয়েছিল। ৮ দশমিক শূন্য মাত্রার এ ভূমিকম্পটির শক্তিমত্তা ছিল ১ গিগাট্রন। এতে প্রায় সাড়ে ৮ লক্ষাধিক মানুষ মারা যায়।

 

এই বিভাগের আরও খবর
কৌশলগত সমুদ্রের গল্প
কৌশলগত সমুদ্রের গল্প
পালটে গেছে পৃথিবীর জলবায়ু
পালটে গেছে পৃথিবীর জলবায়ু
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
কী হচ্ছে ভেনেজুয়েলায়
কী হচ্ছে ভেনেজুয়েলায়
২০২৫ সালের বিস্ময়কর যত আবিষ্কার
২০২৫ সালের বিস্ময়কর যত আবিষ্কার
কেমন যাবে ২০২৬
কেমন যাবে ২০২৬
ফিরে দেখা ২০২৫
ফিরে দেখা ২০২৫
নির্বাসন থেকে রাষ্ট্রক্ষমতায় যেসব নেতা
নির্বাসন থেকে রাষ্ট্রক্ষমতায় যেসব নেতা
ঐতিহাসিক ও মহাকাব্যিক শহরগুলো...
ঐতিহাসিক ও মহাকাব্যিক শহরগুলো...
অবিশ্বাস্য যেসব সামরিক প্রযুক্তি...
অবিশ্বাস্য যেসব সামরিক প্রযুক্তি...
যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন
যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন
ইসলামের দৃষ্টিতে ভূমিকম্প
ইসলামের দৃষ্টিতে ভূমিকম্প
সর্বশেষ খবর
হাবিবসহ ৫ আসামির রায় কবে, জানা যাবে আজ
হাবিবসহ ৫ আসামির রায় কবে, জানা যাবে আজ

২ মিনিট আগে | জাতীয়

শপথের পর সংসদ সদস্যরা কী কী সুযোগ সুবিধা পান
শপথের পর সংসদ সদস্যরা কী কী সুযোগ সুবিধা পান

৫ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

টটেনহ্যামের নতুন কোচ টুডোর
টটেনহ্যামের নতুন কোচ টুডোর

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

১০ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বার্সেলোনাকে পেছনে ফেলে শীর্ষে রিয়াল
বার্সেলোনাকে পেছনে ফেলে শীর্ষে রিয়াল

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চেক ডিজঅনার মামলায় এনসিপি নেতা ও সাংবাদিক আসাদুল্লাহ গ্রেফতার
চেক ডিজঅনার মামলায় এনসিপি নেতা ও সাংবাদিক আসাদুল্লাহ গ্রেফতার

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার সুযোগ
৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার সুযোগ

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু
গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু

৪২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

পাক-ভারত মহারণে যেমন হতে পারে চূড়ান্ত একাদশ
পাক-ভারত মহারণে যেমন হতে পারে চূড়ান্ত একাদশ

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নিউজিল্যান্ডে একজনের মৃত্যুর পর আরও ভারি বৃষ্টি, ঝড়ের পূর্বাভাস
নিউজিল্যান্ডে একজনের মৃত্যুর পর আরও ভারি বৃষ্টি, ঝড়ের পূর্বাভাস

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির যোগদান অনিশ্চিত
যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির যোগদান অনিশ্চিত

৫১ মিনিট আগে | জাতীয়

নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৩২
নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৩২

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ দলীয় জোট যৌথভাবেই বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে: আযাদ
১১ দলীয় জোট যৌথভাবেই বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে: আযাদ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমানকে কাতারের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
তারেক রহমানকে কাতারের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফরিদপুর-৪ আসনে জামানত হারালেন ৫ প্রার্থী
ফরিদপুর-৪ আসনে জামানত হারালেন ৫ প্রার্থী

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

৩.৯ বিলিয়ন ডলারে সাবমেরিন তৈরির কারখানা বানাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
৩.৯ বিলিয়ন ডলারে সাবমেরিন তৈরির কারখানা বানাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিনিয়োগে আস্থা ফেরাতে চাই সাহসী পদক্ষেপ
বিনিয়োগে আস্থা ফেরাতে চাই সাহসী পদক্ষেপ

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

অভিবাসন নীতি কঠোরে আইন করছে ইতালি
অভিবাসন নীতি কঠোরে আইন করছে ইতালি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় চালকসহ নিহত ১১
পাকিস্তানে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় চালকসহ নিহত ১১

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিল্পের ক্ষত সারাতে ‘দাওয়াই’ চান উদ্যোক্তারা
শিল্পের ক্ষত সারাতে ‘দাওয়াই’ চান উদ্যোক্তারা

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বয়কট শেষে মাঠে ফিরে রোনালদোর গোল
বয়কট শেষে মাঠে ফিরে রোনালদোর গোল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রেফারির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল ক্ষুদ্ধ বার্সা
রেফারির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল ক্ষুদ্ধ বার্সা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামজানে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবে যেসব খাবার
রামজানে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবে যেসব খাবার

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভানুয়াতুর উপকূলে ৬.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
ভানুয়াতুর উপকূলে ৬.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচসহ আজ টিভিতে যা দেখবেন
ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচসহ আজ টিভিতে যা দেখবেন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৫ ফেব্রুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৫ ফেব্রুয়ারি)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি
ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা
জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই কুল হারালেন অলি
দুই কুল হারালেন অলি

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কর্মস্থলে ফিরতে ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুর
কর্মস্থলে ফিরতে ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুর

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ
তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলে হান্নান মাসউদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারালেন বাবা
ছেলে হান্নান মাসউদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারালেন বাবা

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফাঁসির মঞ্চ থেকে সংসদে যাচ্ছেন যে তিনজন
ফাঁসির মঞ্চ থেকে সংসদে যাচ্ছেন যে তিনজন

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আগের পেশায় ফিরে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা: আলী রীয়াজ
আগের পেশায় ফিরে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা: আলী রীয়াজ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরাসরি খামেনির সাথে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প?
সরাসরি খামেনির সাথে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নিয়োগ বাতিল
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নিয়োগ বাতিল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিদায়ের আগে যা বললেন আলী রীয়াজ
বিদায়ের আগে যা বললেন আলী রীয়াজ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাহিদ ইসলামকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা
নাহিদ ইসলামকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশৃঙ্খলা করায় ৫ কর্মীকে পুলিশে দিলেন নবনির্বাচিত এমপি
বিশৃঙ্খলা করায় ৫ কর্মীকে পুলিশে দিলেন নবনির্বাচিত এমপি

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রবিবার ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাবেন তারেক রহমান
রবিবার ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাবেন তারেক রহমান

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে মিষ্টি পাঠালেন মমতা
তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে মিষ্টি পাঠালেন মমতা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির যোগদান অনিশ্চিত
যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির যোগদান অনিশ্চিত

৫১ মিনিট আগে | জাতীয়

মনোনয়ন না পেলেও সংসদে পৌঁছালেন সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী
মনোনয়ন না পেলেও সংসদে পৌঁছালেন সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জনগণকে কনভিন্স করাটাই আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং: তারেক রহমান
জনগণকে কনভিন্স করাটাই আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং: তারেক রহমান

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তুলির মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ব্যারিস্টার আরমান
তুলির মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ব্যারিস্টার আরমান

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ কার্ডটাই ব্যবহার করছে ইরান?
শেষ কার্ডটাই ব্যবহার করছে ইরান?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা: তারেক রহমান
জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা: তারেক রহমান

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসদের চেয়ে গণভোটে বেশি ভোট পড়া নিয়ে যা বললেন আলী রীয়াজ
সংসদের চেয়ে গণভোটে বেশি ভোট পড়া নিয়ে যা বললেন আলী রীয়াজ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা-১৬ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি আমিনুলের
ঢাকা-১৬ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি আমিনুলের

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অতিরিক্ত দায়িত্বে সিরাজ উদ্দিন মিয়া
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অতিরিক্ত দায়িত্বে সিরাজ উদ্দিন মিয়া

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান, রাশিয়া ও চীনের বৈঠক, আলাপ কি নিয়ে?
ইরান, রাশিয়া ও চীনের বৈঠক, আলাপ কি নিয়ে?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ভয়ংকর হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন বাহিনী
ইরানে ভয়ংকর হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন বাহিনী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র, আসলে কি ঘটছে?
নতুন আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র, আসলে কি ঘটছে?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয়ের পর খালেদা জিয়ার স্মৃতির বেদনায় কাঁদলেন ডা. জাহিদ
বিজয়ের পর খালেদা জিয়ার স্মৃতির বেদনায় কাঁদলেন ডা. জাহিদ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
মন্ত্রিত্বের আলোচনায় সিলেটের সাত নেতা
মন্ত্রিত্বের আলোচনায় সিলেটের সাত নেতা

নগর জীবন

সহিংসতা ঠেকাতে কঠোর নির্দেশনা
সহিংসতা ঠেকাতে কঠোর নির্দেশনা

পেছনের পৃষ্ঠা

গালিগালাজ মানুষ আশা করেনি
গালিগালাজ মানুষ আশা করেনি

প্রথম পৃষ্ঠা

শপথ অনুষ্ঠানে মোদি-শাহবাজকে আমন্ত্রণের চিন্তা
শপথ অনুষ্ঠানে মোদি-শাহবাজকে আমন্ত্রণের চিন্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাচ্ছে ভারতীয় নতুন হাইকমিশনার
বাংলাদেশ পাচ্ছে ভারতীয় নতুন হাইকমিশনার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মন্ত্রিসভায় আসছেন কারা
মন্ত্রিসভায় আসছেন কারা

প্রথম পৃষ্ঠা

৩০ আসনে শপথ স্থগিত চায় জামায়াত
৩০ আসনে শপথ স্থগিত চায় জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানের ও গ্রহণযোগ্য
নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানের ও গ্রহণযোগ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

‘আ.লীগ পুনর্বাসনের শর্তে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে’
‘আ.লীগ পুনর্বাসনের শর্তে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে’

নগর জীবন

ভোট দেওয়ায় তালাক পাওয়া গৃহবধূর দায়িত্ব নিল বিএনপি
ভোট দেওয়ায় তালাক পাওয়া গৃহবধূর দায়িত্ব নিল বিএনপি

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশ ছাড়লেন বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ
দেশ ছাড়লেন বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ

পেছনের পৃষ্ঠা

২১ মামলায় বিচার চলছে ৪৫৭ জনের
২১ মামলায় বিচার চলছে ৪৫৭ জনের

পেছনের পৃষ্ঠা

নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা ইউরোপীয়দের
নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা ইউরোপীয়দের

পেছনের পৃষ্ঠা

এক গ্রামে তিন এমপি
এক গ্রামে তিন এমপি

নগর জীবন

সহিংসতা প্রতিশোধ নয়, ঐক্য
সহিংসতা প্রতিশোধ নয়, ঐক্য

প্রথম পৃষ্ঠা

এনসিপির আট নেতা-নেত্রী আলোচনায়
এনসিপির আট নেতা-নেত্রী আলোচনায়

পেছনের পৃষ্ঠা

দায়িত্বশীল বিরোধী দল হবে জামায়াত
দায়িত্বশীল বিরোধী দল হবে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন সরকারের সামনে কঠিন পথ
নতুন সরকারের সামনে কঠিন পথ

প্রথম পৃষ্ঠা

মঙ্গলবার সকালে এমপি বিকালে মন্ত্রীদের শপথ
মঙ্গলবার সকালে এমপি বিকালে মন্ত্রীদের শপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ডা. শফিক ও নাহিদের বাসায় যাবেন তারেক
ডা. শফিক ও নাহিদের বাসায় যাবেন তারেক

প্রথম পৃষ্ঠা

ভালোবাসা ও বসন্ত একাকার
ভালোবাসা ও বসন্ত একাকার

পেছনের পৃষ্ঠা

১১-দলীয় জোট সংসদের ভিতরে-বাইরে একসঙ্গে কাজ করবে
১১-দলীয় জোট সংসদের ভিতরে-বাইরে একসঙ্গে কাজ করবে

নগর জীবন

নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছেন শেখ মানিক
নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছেন শেখ মানিক

নগর জীবন

ছয়বারের এমপি জি এম সিরাজ
ছয়বারের এমপি জি এম সিরাজ

নগর জীবন

নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও গণভোটের গেজেট প্রকাশ
নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও গণভোটের গেজেট প্রকাশ

প্রথম পৃষ্ঠা

চব্বিশ-পরবর্তী বাংলাদেশ ভীতসন্ত্রস্ত নয়
চব্বিশ-পরবর্তী বাংলাদেশ ভীতসন্ত্রস্ত নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচ কেন্দ্রের ভোট বাতিল, ফলাফল স্থগিতের দাবি
পাঁচ কেন্দ্রের ভোট বাতিল, ফলাফল স্থগিতের দাবি

নগর জীবন

সংস্কারের পক্ষে জনগণ রায় দিয়েছে : রীয়াজ
সংস্কারের পক্ষে জনগণ রায় দিয়েছে : রীয়াজ

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন দল প্রধানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন
তিন দল প্রধানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন

প্রথম পৃষ্ঠা