শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

নির্বাসন থেকে রাষ্ট্রক্ষমতায় যেসব নেতা

আবদুল কাদের
প্রিন্ট ভার্সন
নির্বাসন থেকে রাষ্ট্রক্ষমতায় যেসব নেতা

যুগে যুগে এমন অনেক মহান নেতা এসেছেন যাদের নির্বাসিত জীবন কাটাতে হয়েছে। যার মূলে ছিল মূলত রাজনৈতিক পট পরিবর্তন, বিপ্লব; এমনকি জীবনের নানা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রে নির্বাসন ছিল তাঁদের জন্য শাস্তি বা চরম কষ্টের; কিন্তু এমন অনেক ব্যক্তিত্ব রয়েছেন যাঁরা নিজ দেশ থেকে দূরে কাটানো এই সময়কে আত্মদর্শন, জনসমর্থন সংগ্রহ কিংবা এমন এক দীর্ঘস্থায়ী আদর্শ তৈরির সুযোগে রূপান্তর করেছিলেন, যা তাঁদের জীবদ্দশার চেয়েও বেশি সময় টিকে ছিল। দার্শনিক থেকে বিপ্লবী, রাজা থেকে রানি- এই নির্বাসিত ব্যক্তিত্বরা তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে বিজয়ের উল্লাস পর্যন্ত নানা চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন এবং এ প্রক্রিয়ায় ইতিহাসকে এক নতুন রূপ দিয়েছেন। নিচে এমন সাতজন বিশ্বখ্যাত ঐতিহাসিক ব্যক্তির কথা তুলে ধরা হলো- যাঁরা পরিস্থিতির ফেরে নিজ মাতৃভূমি থেকে দূরে থাকলেও বিশ্বে এক অবিস্মরণীয় ও অমলিন ছাপ রেখে যেতে সক্ষম হয়েছেন...

ইতিহাসে নির্বাসনকে দেখা হয় পরাজয় কিংবা রাজনৈতিক জীবনের সমাপ্তি হিসেবে। ক্ষমতাচ্যুতি, সামরিক অভ্যুত্থান, বিপ্লব বা স্বৈরশাসনের রোষে নিজ দেশ ছাড়তে বাধ্য হওয়া অসংখ্য রাষ্ট্রনেতার জীবন ছিল নিঃসঙ্গ ও অনিশ্চয়তার। কিন্তু বিশ্ব রাজনীতির দীর্ঘ অভিজ্ঞতা বলে- নির্বাসন সব সময় শেষ অধ্যায় নয়। বরং অনেক ক্ষেত্রে এটি হয়ে উঠেছে নতুন রাজনৈতিক উত্থানের প্রস্তুতিমঞ্চ, যেখানে দূরত্ব থেকেই গড়ে উঠেছে আদর্শ, জনসমর্থন ও আন্তর্জাতিক সমর্থনের নেটওয়ার্ক। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্বাসিত নেতাদের প্রত্যাবর্তনের ইতিহাস- একে অন্যের থেকে আলাদা হলেও একটি সাধারণ সূত্রে বাঁধা। তা হলো- ‘ক্ষমতা হারালেও রাজনৈতিক প্রভাব হারায়নি।’

 

দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়া : নির্বাসন থেকে রাষ্ট্রক্ষমতায়

দক্ষিণ এশিয়ায় নির্বাসন-পরবর্তী রাজনীতির সবচেয়ে পরিচিত নাম বেনজির ভুট্টো। পাকিস্তানের সামরিক শাসক জিয়াউল হকের দমননীতির মুখে ১৯৮০-এর দশকে যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত থাকলেও তিনি পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতৃত্ব ধরে রাখেন। দেশে ফিরে ১৯৮৮ সালে নির্বাচনে জয়ী হয়ে মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন। দেশটির নির্বাসন-পরবর্তী আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ নওয়াজ শরিফ। ১৯৯৯ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর সৌদি আরবে নির্বাসিত জীবন কাটালেও প্রবাস থেকেই দলীয় নেতৃত্ব বজায় রাখেন। ২০০৭ সালে দেশে ফিরে তিনি ধীরে ধীরে রাজনৈতিক প্রভাব পুনরুদ্ধার করেন এবং ২০১৩ সালে আবারও প্রধানমন্ত্রী হন। পূর্ব এশিয়ায় কিম দে-জুং নির্বাসন-পরবর্তী রাজনীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত। সামরিক শাসনের বিরোধিতার কারণে কারাবাস, গৃহবন্দিত্ব ও নির্বাসনের শিকার হন। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আন্তর্জাতিক সমর্থন গড়ে তোলেন। দেশে ফিরে ১৯৯৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। থাইল্যান্ডে থাকসিন সিনাওয়াত্রা দীর্ঘ ১৫ বছর নির্বাসনে থেকেও রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। ২০২৩ সালে এই নেতার প্রত্যাবর্তন জানান দেয়- শারীরিক অনুপস্থিতি রাজনৈতিক প্রভাবকে সব সময় দুর্বল করে না।

 

মধ্যপ্রাচ্য : নির্বাসন থেকে বিপ্লবের নেতৃত্ব

মধ্যপ্রাচ্যে নির্বাসন-পরবর্তী রাজনীতির সবচেয়ে নাটকীয় উদাহরণ আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। শাহবিরোধী আন্দোলনের কারণে তুরস্ক, ইরাক ও ফ্রান্সে দীর্ঘ নির্বাসনে থেকেও তিনি ক্যাসেট বার্তা ও ঘোষণার মাধ্যমে ইরানি জনমত গড়ে তোলেন। ১৯৭৯ সালে তাঁর প্রত্যাবর্তন ছিল এক বিপ্লবের সূচনা। নির্বাসন এখানে রাজনৈতিক শক্তিকে স্তব্ধ না করে আরও তীক্ষè করেছিল। ফিলিস্তিনি রাজনীতিতে ইয়াসির আরাফাত প্রায় তিন দশক নির্বাসনে থেকেও নিজ জাতির প্রতিনিধিত্ব বজায় রেখেছিলেন। ১৯৯৪ সালে তাঁর প্রত্যাবর্তন ফিলিস্তিনি স্বশাসনের সূচনা করলেও স্থায়ী শান্তির প্রশ্ন অমীমাংসিতই থেকে যায়।

 

ইউরোপ : নির্বাসন, প্রতিরোধ ও রাষ্ট্র পুনর্গঠন

ইউরোপে নির্বাসন প্রায়শই যুদ্ধ ও একনায়কতন্ত্রের সঙ্গে জড়িত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় চার্লস দ্য গল লন্ডনে নির্বাসনে থেকেই ‘ফ্রি ফ্রান্স’ আন্দোলনের ডাক দেন। যুদ্ধ শেষে দেশে ফিরে তিনি জাতীয় বীর বনে যান এবং ১৯৫৮ সালে আধুনিক ফরাসি রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন। পর্তুগালে মারিও সোয়ারেস স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের বিরোধিতা করায় নির্বাসনে গিয়ে আন্তর্জাতিক সমর্থন হাসিল করেন। ১৯৭৪ সালের কার্নেশন বিপ্লবের পর দেশে ফিরে তিনি প্রধানমন্ত্রী ও পরে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেশটির গণতান্ত্রিক রূপান্তরের নেতৃত্ব দেন।

 

লাতিন আমেরিকা : নির্বাসন ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনীতি

লাতিন আমেরিকায় নির্বাসন অনেক সময় ব্যক্তিনির্ভর রাজনীতিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। আর্জেন্টিনার হুয়ান ডোমিঙ্গো পেরন প্রায় ১৮ বছর নির্বাসনে থেকেও দেশের রাজনীতিতে এক ‘দূরবর্তী ছায়া’ হয়ে ছিলেন। ১৯৭৩ সালে তাঁর প্রত্যাবর্তন দেশকে তীব্র মেরুকরণের মুখে দাঁড় করালেও তিনি আবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। পেরনের নির্বাসন আদর্শকে নয়, বরং ব্যক্তিগত আধিপত্য ও ক্যারিশমাকে আরও শক্তিশালী করেছিল।

 

আফ্রিকা : নির্বাসন, সংগ্রাম ও পুনর্মিলন

আফ্রিকায় নির্বাসন প্রায়শই উপনিবেশ-উত্তর ক্ষমতার লড়াইয়ের অংশ। এলেন জনসন সারলিফ একাধিকবার নির্বাসনের শিকার হলেও দেশে ফিরে লাইবেরিয়ার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হন। দক্ষিণ আফ্রিকায় জ্যাকব জুমা নির্বাসনকালেই আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সংগঠক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং পরে রাষ্ট্রপ্রধান হন। আফ্রিকার অনেক দেশে নির্বাসন শেষে নেতাদের ফেরাকে দেখা হয়েছে ‘জাতীয় পুনর্মিলনের’ সুযোগ হিসেবে যদিও সব ক্ষেত্রে তা স্থিতিশীলতা এনেছে, এমন নয়।

 

নির্বাসনে থেকেও প্রভাব বিস্তার

নেপোলিয়ন বোনাপার্টের এলবা দ্বীপের নির্বাসন কিংবা সেন্ট হেলেনার নিঃসঙ্গতা ইউরোপীয় ইতিহাসে ক্ষমতা ও পতনের নাটকীয় প্রতীক। লিওন ট্রটস্কির মেক্সিকো নির্বাসন তাঁকে রক্ষা করতে পারেনি, তবে তাঁকে স্টালিনবিরোধী প্রতিরোধের স্থায়ী প্রতীকে পরিণত করেছে। দালাই লামা মাতৃভূমি হারিয়েও নির্বাসনে বসেই তিব্বতের প্রশ্নকে বিশ্ব বিবেকের অংশ করে তুলেছেন। দক্ষিণ এশিয়ায় বেনজির ভুট্টোর নির্বাসন তাঁকে কেবল নিরাপদ আশ্রয়ই দেয়নি, বরং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তাঁকে একটি শক্ত কণ্ঠে রূপান্তর করেছিল। লন্ডন ও দুবাইয়ে থেকেও তিনি পাকিস্তানের গণতন্ত্র আন্দোলনের মুখ হয়ে উঠেছিলেন।

 

নির্বাসন কি সত্যিই শেষ?

নেলসন ম্যান্ডেলার ক্ষেত্রে নির্বাসনের বদলে দীর্ঘ কারাবাসই ছিল ইতিহাসের নিষ্ঠুর অধ্যায়। তবুও তাঁর মুক্তি ও ক্ষমতায় আসা প্রমাণ করে- দমন-পীড়ন আদর্শকে নিশ্চিহ্ন করতে পারে না। ইয়াসির আরাফাত, কিম দে-জুং, মারিও সোয়ারেস বা সান ইয়াত-সেন; এই নামগুলো জানান দেয়, নির্বাসন অনেক সময় রাষ্ট্র গঠনের ইতিহাসে অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে।

 

নির্বাসনের রাজনীতি : বাস্তবতার পরিবর্তন

আধুনিক যুগে নির্বাসনের চরিত্র বদলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভিডিওবার্তা ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কারণে আজকের নির্বাসিত নেতারা দেশ থেকে দূরে থেকেও রাজনৈতিকভাবে দৃশ্যমান থাকেন। নওয়াজ শরিফ, থাকসিন সিনাওয়াত্রা কিংবা অং সান সু চির ক্ষেত্রে দেখা যায়- শারীরিক অনুপস্থিতি রাজনৈতিক প্রভাব কমাতে পারেনি। বরং নির্বাসন অনেক সময় তাঁদেরকে আরও প্রতীকী ও রাজনীতিতে কেন্দ্রীয় করে তুলেছে।

 

দার্শনিকদের নির্বাসন : চিন্তার স্বাধীনতা

রাজনৈতিক নেতাদের বাইরে নির্বাসন দার্শনিকদের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রেখেছে। অ্যারিস্টটল আলেকজান্ডারের মৃত্যুর পর অ্যাথেন্স ছাড়তে বাধ্য হয়ে ক্যালকিসে চলে যান। রাজনৈতিক সংঘাত এড়াতে এই নির্বাসনই তাঁকে দর্শনের মৌলিক কাজ সমাপ্তের সুযোগ এনে দেয়। তাঁর ক্ষেত্রে নির্বাসন ক্ষমতার নয়, চিন্তার উত্তরাধিকারকে রক্ষা করেছিল।

নির্বাসনের ইতিহাস আমাদের শেখায়- রাজনীতি কখনো সরলরৈখিক নয়। ক্ষমতাচ্যুতি মানেই রাজনৈতিক মৃত্যু নয়, আবার প্রত্যাবর্তন মানেই সফল পুনর্জন্মও নয়। কিছু নেতা নির্বাসনকে রূপান্তর করেছেন শক্তির উৎসে, কেউবা হারিয়েছেন সময়ের স্রোতে। তবু নির্বাসিত নেতাদের ঘরে ফেরার মুহূর্তগুলো ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। কারণ সেখানে মুখোমুখি হয় অতীত ও বর্তমান, স্মৃতি ও বাস্তবতা, আবেগ ও ক্ষমতা। আর সেই সংঘাত থেকেই জন্ম নেয় নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়- কখনো আশার, কখনো অস্থিরতার, তবে সব সময়ই সুদূরপ্রসারী প্রভাব নিয়ে।

 

ভ্লাদিমির লেনিন

সোভিয়েত ইউনিয়ন

জারশাসিত তৎকালীন রাশিয়ায় (সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন) বিপ্লবী কর্মকাণ্ড ছিল রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। লেনিন মার্কসবাদী মতাদর্শ প্রচার, শ্রমিক সংগঠন গড়ে তোলা এবং জার সরকারের বিরুদ্ধে লেখা ও বক্তৃতার কারণে পুলিশের নজরে পড়েন। তাঁর এই বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের কারণে একাধিকবার গ্রেপ্তার ও নির্বাসনের শিকারও হন। সাইবেরিয়া ও ইউরোপে নির্বাসিত অবস্থায় তিনি বলশেভিক মতাদর্শ বিকশিত করেন। ১৮৯৭ সালে তাঁকে গ্রেপ্তার করে সাইবেরিয়ার শুশেনস্কোয় তিন বছরের জন্য নির্বাসনে পাঠানো হয়। এই নির্বাসন শাস্তিস্বরূপ হলেও লেনিনের চিন্তার বিকাশে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সেখানেই তিনি বিপ্লবী সাহিত্য রচনা করেন, সংগঠনের কৌশল নিয়ে ভাবেন এবং ভবিষ্যৎ আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করেন। সাইবেরিয়ার নির্বাসন শেষ হলে লেনিন রাশিয়ায় স্বল্প সময় থাকলেও ক্রমবর্ধমান দমন-পীড়নের কারণে ইউরোপে রাজনৈতিক নির্বাসনে চলে যেতে বাধ্য হন। জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স ও ব্রিটেনে বসবাসকালে তিনি রুশ সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন, পত্রিকা সম্পাদনা করেন এবং বলশেভিক গোষ্ঠীকে সংগঠিত করেন। ১৯১৭ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও রাশিয়ায় গণঅসন্তোষ পরিস্থিতি বদলে দেয়। দেশে ফিরে বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন এবং পরবর্তীতে সোভিয়েত রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

 

রুহুল্লাহ খোমেনি

রুহুল্লাহ খোমেনি

ইরান

ইরানের প্রত্যাবর্তনের অন্যতম নাম আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। ষাটের দশকে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির স্বৈরশাসনের বিরোধিতা, পশ্চিমাপন্থি সংস্কার কর্মসূচি ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য অবস্থান নেওয়ায় ১৯৬৪ সালে দেশত্যাগে বাধ্য হন রুহুল্লাহ খোমেনি। বিশেষ করে ১৯৬৩ সালে শাহের ‘হোয়াইট রেভল্যুশন’ নামের সংস্কার কর্মসূচিকে তিনি ইসলামবিরোধী ও ইরানের জন্য হুমকি হিসেবে আখ্যা দেন। দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে, যা দমন করতে গিয়ে শাহ সরকার দমন-পীড়নের পথ নেয়। ফলে ১৯৬৪ সালে খোমেনিকে প্রথমে গ্রেপ্তার এবং পরে ইরান থেকে নির্বাসিত করা হয়। প্রথমে তাঁকে পাঠানো হয় তুরস্কে, যেখানে তিনি কঠোর নজরদারিতে থাকলেও লেখালেখি ও ধর্মীয় অধ্যয়ন চালিয়ে যান। পরে তিনি ইরাকের নাজাফে আশ্রয় নেন। সবশেষে ফ্রান্সের প্যারিসের উপকণ্ঠে নেফল-লে-শাতোতে। এখান থেকেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তাঁর বক্তব্য প্রচারিত হতে থাকে। দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন কাটালেও সেখান থেকেই তিনি ইরানে বিপ্লবী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন এবং নির্বাসনের এই শেষ পর্বেই তিনি ইরানি জনগণের কাছে বিপ্লবের অবিসংবাদিত নেতায় পরিণত হন। অবশেষে ১৯৭৯ সালে শাহের পতনের পর দেশে ফিরে ইসলামী বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন এবং ইরানের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।

 

অ্যারিস্টটল

অ্যারিস্টটল

দার্শনিক

পাশ্চাত্য দর্শনের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র অ্যারিস্টটল। এই মহান দার্শনিকের জীবনও রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নির্বাসনের ছায়ামুক্ত ছিল না। খ্রিস্টপূর্ব ৩২৩ অব্দে তাঁর প্রাক্তন ছাত্র মহামতি আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের আকস্মিক মৃত্যুর পর গ্রিসের রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। অ্যাথেন্সে তখন প্রবলভাবে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে ম্যাসেডোনিয়া-বিরোধী জনরোষ। অ্যাথেন্সবাসী ম্যাসেডোনীয় শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করে। তখন তিনি অ্যাথেন্স থেকে স্বেচ্ছায় নির্বাসনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। আলেকজান্ডারের ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে ‘ধর্মদ্রোহিতার’ অভিযোগ আনা হয়। অ্যাথেন্সবাসীর ক্ষোভ ও বিদ্রোহের মুখে তিনি ‘ক্যালকিস’ দ্বীপে চলে যাওয়াকেই শ্রেয় মনে করেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি চাই না অ্যাথেন্স দর্শনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয়বার পাপ করুক।’ অ্যাথেন্সের রাজনৈতিক গোলযোগ থেকে দূরে থেকে তিনি তাঁর তাত্ত্বিক কাজগুলো চালিয়ে যান। যদিও এই নির্বাসন তাঁকে দেশত্যাগে বাধ্য করেছিল। তবে তিনি রক্ষা পান এবং পাশ্চাত্য দর্শনের অন্যতম স্তম্ভ হয়ে ওঠেন।

 

নেপোলিয়ন বোনাপার্ট

নেপোলিয়ন বোনাপার্ট

ফরাসি সম্রাট

ফরাসিদের কিংবদন্তি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট তাঁর শাসনের পতনের পর একবার নয়, বরং দুবার নির্বাসনের সম্মুখীন হন। এর আগে, সামরিক প্রতিভার জোরে ক্ষমতায় উঠে ১৮০৪ সালে নিজেকে সম্রাট ঘোষণা করেন তিনি। কিন্তু লাগাতার যুদ্ধ, ইউরোপজুড়ে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা এবং রাশিয়া অভিযানে ব্যর্থতা তাঁর পতনের পথ তৈরি করে। ১৮১৩ সালে ইউরোপের সম্মিলিত শক্তির পরাজয়ের পর তাঁকে ভূমধ্যসাগরের এলবা দ্বীপে নির্বাসিত করা হয়। কিন্তু তিনি সেখানে অলস বসে থাকেননি; বরং সেখান থেকে পালিয়ে ফ্রান্সে ফিরে এসে স্বল্প সময়ের জন্য ক্ষমতা পুনর্দখল করেন। তবে ১৮১৫ সালের জুনে ওয়াটারলু যুদ্ধে ব্রিটিশ ও প্রুশিয়ান বাহিনীর পরাজয়ের পর তাঁর চূড়ান্ত ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায় এবং তাঁকে সুদূর আটলান্টিকের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসিত করা হয়। তাঁর প্রথম নির্বাসন ইংরেজি ভাষার বিখ্যাত প্যালিনড্রোমের (চধষরহফৎড়সব) জন্ম দেয় : ‘অনষব ধিং ও বৎব ও ংধি ঊষনধ’ (এলবা দেখার আগে আমি সক্ষম ছিলাম)। এই বাক্যে নেপোলিয়নের উত্থান ও পতন চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলে।

 

বেনজির ভুট্টো

বেনজির ভুট্টো

পাকিস্তান

বেনজির ভুট্টো কেবল রাষ্ট্রনেতাই নন; তিনি ছিলেন এক দৃঢ়চেতা পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ। তিনি পাকিস্তানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক সাহসী চরিত্র। প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে কোনো রাষ্ট্রের নেতৃত্ব দেওয়ার গৌরবও তাঁর ঝুলিতে। তাঁর রাজনৈতিক জীবন ছিল ঝোড়ো এবং অনিশ্চিত। যদিও তাঁর বাবার রাজনীতির প্রভাব থেকেই তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল। কিন্তু ১৯৭৭ সালে সামরিক অভ্যুত্থান তাঁর পরিবারের ক্ষমতা কেড়ে নেয়। তাঁর বাবাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তিনি নিজেও নিপীড়নের শিকার হন। ১৯৮৪ সালে তিনি নির্বাসনে চলে যান। প্রাণনাশের অসংখ্য চেষ্টা এবং রাজনৈতিক চাপের মুখে তাঁকে লন্ডন ও দুবাইয়ে দীর্ঘদিন নির্বাসিত থাকতে হয়েছে। এই সময় তিনি বিদেশ থেকেই পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতৃত্ব দেন। গণতন্ত্র নিয়ে পরিকল্পনা ও বিশ্বজুড়ে জনমত তৈরি করেন। ১৯৮৬ সালে দেশে প্রত্যাবর্তনের পর ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন। ২০০৭ সালে এক হত্যাকাণ্ডে তাঁর জীবনের অবসান ঘটে; যা একজন হার না মানা নারীর যাত্রাকে স্তব্ধ করে দেয়।

 

লিওন ট্রটস্কি

লিওন ট্রটস্কি

রাশিয়া

রুশ বিপ্লবে লিওন ট্রটস্কি ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিনের পরই সবচেয়ে প্রভাবশালী বিপ্লবী নেতা। ১৯১৭ সালের অক্টোবর বিপ্লবে রেড আর্মির সংগঠক ও বলশেভিক বিজয়ের প্রধান কৌশলবিদ হিসেবে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। একসময় লেনিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির এই নেতার ক্ষমতা ১৯২৪ সালে লেনিনের মৃত্যুর পর ধূলিসাৎ হতে থাকে। একদিকে তিনি ছিলেন ‘স্থায়ী বিপ্লব’-এর প্রবক্তা, অন্যদিকে ‘এক দেশে সমাজতন্ত্র’-এর ধারণা নিয়ে জোসেফ স্টালিন। দলীয় রাজনীতিতে ধীরে ধীরে কোণঠাসা হয়ে পড়েন ট্রটস্কি। পরবর্তীতে জোসেফ স্টালিনের কাছে পরাজিত হয়ে তাঁকে পার্টি থেকে বহিষ্কার এবং শেষ পর্যন্ত নির্বাসিত করা হয়। তিনি মেক্সিকোতে পালিয়ে যান। সেখান থেকে স্টালিন সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকেন। কিন্তু স্টালিন তাঁকে রেহাই দেননি। ১৯৪০ সালে স্টালিন মেক্সিকোতে একজন ঘাতক পাঠান, যে বরফ কাটার কুঠার দিয়ে তাঁকে হত্যা করে। ট্রটস্কির নির্বাসন তাঁকে রক্ষা করতে না পারলেও ইতিহাস তাঁকে স্টালিনের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে অমর করে রেখেছে।

 

ইয়াসির আরাফাত

ইয়াসির আরাফাত

ফিলিস্তিন

ফিলিস্তিনিদের রাজনৈতিক প্রতীক ইয়াসির আরাফাত। তাঁর দীর্ঘ নির্বাসনকাল ছিল দেশের স্বাধীনতা ও আত্মপরিচয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৬০-৭০-এর দশকে তিনি প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)-এর নেতৃত্বে ছিলেন। ইসরায়েল ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য বহু বছর তিনি বিদেশে অবস্থান করতে বাধ্য হন। ফিলিস্তিনের এই নেতাকে প্রায়শই ‘নির্বাসিত নেতা’ বলা হয়, কারণ তিনি নিজের মাতৃভূমি ছেড়ে লেবানন, তিউনিসিয়া ও অন্যান্য দেশে দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক আশ্রয় গ্রহণ করেন। যা তাঁকে দেশের বাইরে থেকেই ফিলিস্তিনিদের জন্য রাজনৈতিক পরিকল্পনা, আন্তর্জাতিক সমর্থন ও অর্থায়নের নেটওয়ার্ক গড়ার সুযোগ দেয়। তিনি প্রবাস থেকেই পিএলও-কে শক্তিশালী করেন, ফিলিস্তিনি স্বাধীনতার দাবিকে বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরেন। ১৯৯৪ সালে প্রায় ২৭ বছর নির্বাসনে কাটানোর পর ফিলিস্তিনি নেতা অসলো চুক্তির অংশ হিসেবে নিজ ভূখণ্ডে ফিরে আসেন। শুরু হয় ফিলিস্তিনি স্ব-শাসন। আরাফাতের প্রত্যাবর্তন ফিলিস্তিনি স্বশাসনের সূচনা করলেও আজও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়নি।

 

দালাই লামা

দালাই লামা

তিব্বত

১৯৫৯ সালে তিব্বতি বিদ্রোহের ওপর চীনা কর্তৃপক্ষের নৃশংস দমনপীড়নের মুখে, তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা মাতৃভূমি ত্যাগ করতে বাধ্য হন। ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর- সেখান থেকেই নির্বাসিত তিব্বত সরকার প্রতিষ্ঠা করেন। নির্বাসনের এই সময় তাঁকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তিব্বতের স্বায়ত্তশাসন ও সংস্কৃতি রক্ষার জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখতে হয়। দালাই লামা আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে তিব্বতের স্বাধীনতা ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য রক্ষার আহ্বান জানিয়ে গেছেন। তিব্বতের স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলা থামাননি। সারা বিশ্ব ভ্রমণের মাধ্যমে তিব্বতের স্বায়ত্তশাসন এবং সংস্কৃতি রক্ষার আবেদন তুলে ধরেন। শান্তিপূর্ণ ও অহিংস আন্দোলনে তিব্বতের পক্ষে সমর্থন জোগান। দীর্ঘ নির্বাসনকালেও তিনি তিব্বতের জনগণকে ছেড়ে দেননি। দেশে ফিরে স্বায়ত্তশাসনের স্বপ্নকে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়েছেন। অহিংস আন্দোলন ও বিশ্বাসের মাধ্যমে তিনি কেবল তিব্বতিদের মাঝে নয়, বিশ্বের প্রতিটি মানুষের কাছে অনুপ্রেরণীয় হয়ে ওঠেন।

 

নেলসন ম্যান্ডেলা

নেলসন ম্যান্ডেলা

দক্ষিণ আফ্রিকা

দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রতীক নেলসন ম্যান্ডেলা। তাঁর জীবনে ‘নির্বাসন’ বলতে বিদেশে বিতাড়ন নয়, বরং দীর্ঘ কারাবাস ও অন্তরিন জীবন; যা এক ধরনের অভ্যন্তরীণ নির্বাসনই ছিল। ১৯৪০-৫০-এর দশকে ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের (এএনসি) নেতৃত্বে শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু সরকারের আপারথেইড নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনে সক্রিয় হন। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমন করা হলে তিনি সশস্ত্র প্রতিরোধের পথ বেছে নেন এবং ‘উমখন্তো উই সিজওয়ে’ নামে সংগঠন গড়ে তোলেন। রাষ্ট্রদ্রোহ ও নাশকতার অভিযোগে ১৯৬২ সালে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ১৯৬৪ সালে ম্যান্ডেলাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ১৯৮০-এর দশকে আন্তর্জাতিক চাপ, অভ্যন্তরীণ আন্দোলন ও সরকারের সংকট পরিস্থিতি বদলে দেয়। টানা ২৭ বছর কারাভোগের পর ১৯৯০ সালে মুক্তি পান তিনি। এএনসির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। মুক্তির পর শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে বর্ণবাদী শাসনের অবসানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৯৪ সালে দেশের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়ে নতুন যুগের সূচনা করেন ম্যান্ডেলা।

 

ইমেলদা মার্কোস

ইমেলদা মার্কোস

ফিলিপাইন

ফিলিপাইনের বিতর্কিত ‘ফার্স্ট লেডি’ ছিলেন ইমেলদা মার্কোস। স্বামী ফার্দিনান্দ মার্কোসের দীর্ঘ স্বৈরশাসনামলে তিনি কেবল ‘ফার্স্ট লেডি’ নন, বরং ছিলেন ক্ষমতার অন্যতম মুখ। ১৯৮৬ সালে এক গণ অভ্যুত্থানের মুখে স্বামী প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোসের সঙ্গে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন। তিনি তাঁর বিলাসবহুল জীবনযাপন, দামি পোশাক, গয়না এবং বিশেষ করে তিন হাজার জোড়া জুতার সংগ্রহের জন্য পরিচিত ছিলেন- যা একটি দরিদ্র দেশে মাত্রাতিরিক্ত বিলাসিতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। দেশ থেকে পালিয়ে তারা হাওয়াই দ্বীপে দীর্ঘ দুই দশক নির্বাসিত জীবন কাটান। ফার্দিনান্দ মার্কোস ১৯৮৯ সালে নির্বাসনেই মারা যান। অনেকে ভেবেছিলেন বিলাসবহুল জীবনযাপন, রাজকীয় আয়োজন এবং স্বামীর মৃত্যুতে মার্কোস পরিবারের ক্ষমতার সমাপ্তি ঘটাবে। কিন্তু ইমেলদা মার্কোস আবারও রাজনীতিতে ফিরে আসেন। ১৯৯১ সালে তিনি ফিলিপাইনে প্রত্যাবর্তন করেন এবং জনগণের একাংশের সমর্থন আদায় করতে সক্ষম হন। একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মার্কোস পরিবার ধীরে ধীরে রাজনৈতিক প্রভাব পুনর্গঠন করেন।

 

অং সান সু চি

অং সান সু চি

মিয়ানমার

মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক অং সান সু চি। যদিও তাঁকে দীর্ঘ সময় গৃহবন্দি ও কার্যত নির্বাসিত জীবন কাটাতে হয়। ১৯৮৮ সালে দেশজুড়ে সামরিক জান্তার শাসনের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন শুরু হলে- তিনি দেশে ফিরে আন্দোলনের নেতৃত্ব নেন। ফলে সু চি সামরিক শাসনের চোখে বিপজ্জনক নেতা হিসেবে পরিণত হন। নিরাপত্তা বাহিনীর চাপ, রাজনৈতিক দমন এবং গ্রেপ্তার ও গৃহবন্দিত্বের কারণে তাঁকে কার্যত দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন কাটাতে হয়, যদিও তিনি দেশেই অবস্থান করছিলেন। প্রায় দুই দশক গৃহবন্দি ও রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন থাকা অবস্থায় সু চি আন্তর্জাতিকভাবে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হন। তাঁর বিদেশি শিক্ষা ও পারিবারিক পরিচিতি ওই সময়ে আন্তর্জাতিক সমর্থন সংগ্রহে সাহায্য করে। ২০১০ সালে দীর্ঘ গৃহবন্দিত্বের পর মুক্তি পান। এরপর নির্বাচনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে রাজনৈতিক প্রভাব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আরোহণ করেন। যদিও ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাঁর নেতৃত্বের অবসান ঘটে। বর্তমানে তিনি আটক রয়েছেন।

এই বিভাগের আরও খবর
পালটে গেছে পৃথিবীর জলবায়ু
পালটে গেছে পৃথিবীর জলবায়ু
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
কী হচ্ছে ভেনেজুয়েলায়
কী হচ্ছে ভেনেজুয়েলায়
২০২৫ সালের বিস্ময়কর যত আবিষ্কার
২০২৫ সালের বিস্ময়কর যত আবিষ্কার
কেমন যাবে ২০২৬
কেমন যাবে ২০২৬
ফিরে দেখা ২০২৫
ফিরে দেখা ২০২৫
ঐতিহাসিক ও মহাকাব্যিক শহরগুলো...
ঐতিহাসিক ও মহাকাব্যিক শহরগুলো...
অবিশ্বাস্য যেসব সামরিক প্রযুক্তি...
অবিশ্বাস্য যেসব সামরিক প্রযুক্তি...
যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন
যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন
ইসলামের দৃষ্টিতে ভূমিকম্প
ইসলামের দৃষ্টিতে ভূমিকম্প
ভূমিকম্পের ভয়াবহ ইতিহাস
ভূমিকম্পের ভয়াবহ ইতিহাস
ভূমিকম্প কাহিনি
ভূমিকম্প কাহিনি
সর্বশেষ খবর
খরুচে বোলিংয়ের ঝুঁকি নিয়ে সফল এনগিডি
খরুচে বোলিংয়ের ঝুঁকি নিয়ে সফল এনগিডি

এই মাত্র | মাঠে ময়দানে

কানাডায় জন্মনিয়ন্ত্রণ ওষুধ পেতে প্রয়োজন চিকিৎসকের অনুমোদন
কানাডায় জন্মনিয়ন্ত্রণ ওষুধ পেতে প্রয়োজন চিকিৎসকের অনুমোদন

৩৬ সেকেন্ড আগে | পরবাস

শুরুর আগেই শেষ হয়ে গেল জোহেইবের বিশ্বকাপ
শুরুর আগেই শেষ হয়ে গেল জোহেইবের বিশ্বকাপ

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠানোর অভিযোগে দক্ষিণ কোরীয় গোয়েন্দা সংস্থায় অভিযান
উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠানোর অভিযোগে দক্ষিণ কোরীয় গোয়েন্দা সংস্থায় অভিযান

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় নতুন হামলায় ৯ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় নতুন হামলায় ৯ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর
নির্বাচনে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

১৮ মিনিট আগে | অর্থনীতি

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ

৩৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

কুয়াকাটায় এতিম শিশুদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ব্যতিক্রমী আয়োজন
কুয়াকাটায় এতিম শিশুদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ব্যতিক্রমী আয়োজন

৩৪ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস
সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস

৪৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রশান্ত মহাসাগরে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র
প্রশান্ত মহাসাগরে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকায় আজ যেসব কর্মসূচি রয়েছে
ঢাকায় আজ যেসব কর্মসূচি রয়েছে

৫৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

৫৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

দুই বাসের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের
দুই বাসের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ
এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনী পরিবেশ খুবই ইতিবাচক : ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান
নির্বাচনী পরিবেশ খুবই ইতিবাচক : ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জনসভা, মিছিল বা শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ
১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জনসভা, মিছিল বা শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা
ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে ঢাকা
বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে ঢাকা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানের জলসীমা থেকে মার্কিন জাহাজগুলোকে দূরে থাকার নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের জলসীমা থেকে মার্কিন জাহাজগুলোকে দূরে থাকার নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১০ ফেব্রুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১০ ফেব্রুয়ারি)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিদ্বেষহীন মন জান্নাতের পথ সুগম করে
বিদ্বেষহীন মন জান্নাতের পথ সুগম করে

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ঐতিহাসিক করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ঐতিহাসিক করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিদিন সকালে ডিম খেলে মস্তিষ্কের অবস্থা কী হয় জানেন?
প্রতিদিন সকালে ডিম খেলে মস্তিষ্কের অবস্থা কী হয় জানেন?

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

নির্বাচন ঘিরে আজ মাঠে নামছেন ৬৫৫ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
নির্বাচন ঘিরে আজ মাঠে নামছেন ৬৫৫ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে যা জানালো চীন
গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে যা জানালো চীন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ হলো প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার
শেষ হলো প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সেনাপ্রধানের সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
সেনাপ্রধানের সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোটের মাঠে অবৈধ অস্ত্রের ভয়
ভোটের মাঠে অবৈধ অস্ত্রের ভয়

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ভোট উপলক্ষে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ কখন থেকে?
ভোট উপলক্ষে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ কখন থেকে?

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দিতে পাকিস্তানের শর্ত, যা বলল আইসিসি
বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দিতে পাকিস্তানের শর্ত, যা বলল আইসিসি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেল বাংলাদেশ
আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেল বাংলাদেশ

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ক্ষমতায় গেলে যথাসময়ে পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা তারেক রহমানের
ক্ষমতায় গেলে যথাসময়ে পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা তারেক রহমানের

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভোটের দিন বাস চলবে কি না, জানাল মালিক সমিতি
ভোটের দিন বাস চলবে কি না, জানাল মালিক সমিতি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতকে নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ত্রিদেশীয় সিরিজের দাবি
ভারতকে নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ত্রিদেশীয় সিরিজের দাবি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোন দিকে হেফাজতের ভোটব্যাংক
কোন দিকে হেফাজতের ভোটব্যাংক

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ
পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যে সব মার্কিন ঘাঁটি ইরানি মিসাইল রেঞ্জে, ট্রাম্পের না ভেবে উপায় নাই!
মধ্যপ্রাচ্যে সব মার্কিন ঘাঁটি ইরানি মিসাইল রেঞ্জে, ট্রাম্পের না ভেবে উপায় নাই!

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি সই, পাল্টা শুল্ক কমল ১৯ শতাংশ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি সই, পাল্টা শুল্ক কমল ১৯ শতাংশ

১১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মত বদলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান
মত বদলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত অবধারিত’, জামায়াত প্রার্থীর ভিডিও ভাইরাল
‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত অবধারিত’, জামায়াত প্রার্থীর ভিডিও ভাইরাল

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পের হুমকির মুখে ৩৭ বছরের ঐতিহ্য ভাঙলেন খামেনি?
ট্রাম্পের হুমকির মুখে ৩৭ বছরের ঐতিহ্য ভাঙলেন খামেনি?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের কোথায় কোথায় হামলা চালাবে জানাল ইরান?
ইসরায়েলের কোথায় কোথায় হামলা চালাবে জানাল ইরান?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষমতায় আসলে মামুনুল হককে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের
ক্ষমতায় আসলে মামুনুল হককে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সিদ্ধান্ত বদল, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিতে পারবেন ভোটাররা
সিদ্ধান্ত বদল, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিতে পারবেন ভোটাররা

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মায়ের গোপন ছবি তুলে প্রেমিককে পাঠাতেন তরুণী, অতঃপর…
মায়ের গোপন ছবি তুলে প্রেমিককে পাঠাতেন তরুণী, অতঃপর…

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

হাইকোর্টের দুই বিচারপতির পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ
হাইকোর্টের দুই বিচারপতির পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘জামায়াতের পক্ষে ‌ভোট চাইছেন’ শাকিব খান, সত্যিটা আসলে কী
‘জামায়াতের পক্ষে ‌ভোট চাইছেন’ শাকিব খান, সত্যিটা আসলে কী

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

টালমাটাল ব্রিটিশ রাজনীতি: স্টারমারের বিদায় ঘণ্টা বাজছে, নেতৃত্বে শাবানা?
টালমাটাল ব্রিটিশ রাজনীতি: স্টারমারের বিদায় ঘণ্টা বাজছে, নেতৃত্বে শাবানা?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলবার থেকে ৪ দিন নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা
মঙ্গলবার থেকে ৪ দিন নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে ঢাকা-১৭ থেকে সরে দাঁড়ালেন এক প্রার্থী
তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে ঢাকা-১৭ থেকে সরে দাঁড়ালেন এক প্রার্থী

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটের দিন যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা, যেগুলো বন্ধ
ভোটের দিন যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা, যেগুলো বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আজকেরটাই সম্ভবত শেষ ব্রিফিং, বললেন প্রেস সচিব
আজকেরটাই সম্ভবত শেষ ব্রিফিং, বললেন প্রেস সচিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেট-১ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিএনপির
সিলেট-১ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিএনপির

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে যা জানালো চীন
গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে যা জানালো চীন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান
ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটের দিন যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা, যেগুলো বন্ধ
ভোটের দিন যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা, যেগুলো বন্ধ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনী জনসভা শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
নির্বাচনী জনসভা শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিএনপির বড় পরীক্ষা বেশির ভাগ আসনে
বিএনপির বড় পরীক্ষা বেশির ভাগ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নির্বাচনি প্রচারের শেষ দিনেও হামলা সংঘর্ষ
নির্বাচনি প্রচারের শেষ দিনেও হামলা সংঘর্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ইসি
নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ইসি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি জোট ২০৮, জামায়াত জোটের সম্ভাব্য আসন ৪৬
বিএনপি জোট ২০৮, জামায়াত জোটের সম্ভাব্য আসন ৪৬

প্রথম পৃষ্ঠা

এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ
এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের ফলাফল কি মেনে নেবে সব দল?
নির্বাচনের ফলাফল কি মেনে নেবে সব দল?

প্রথম পৃষ্ঠা

সৌরভ ছড়াচ্ছে ফুল বাগান
সৌরভ ছড়াচ্ছে ফুল বাগান

পেছনের পৃষ্ঠা

জাপানে বাজার খুললেও শর্ত কঠিন
জাপানে বাজার খুললেও শর্ত কঠিন

শিল্প বাণিজ্য

কৃষিঋণে গতি বাড়লেও নজরদারি এখন চ্যালেঞ্জ
কৃষিঋণে গতি বাড়লেও নজরদারি এখন চ্যালেঞ্জ

শিল্প বাণিজ্য

ষড়যন্ত্র রুখতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ
ষড়যন্ত্র রুখতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ

পেছনের পৃষ্ঠা

শাসকরা মালিক নয়, হবে সেবক
শাসকরা মালিক নয়, হবে সেবক

প্রথম পৃষ্ঠা

৭২ ঘণ্টা বন্ধ মোটরসাইকেল
৭২ ঘণ্টা বন্ধ মোটরসাইকেল

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণদের হাতে নতুন দেশ তুলে দিতে চাই
তরুণদের হাতে নতুন দেশ তুলে দিতে চাই

প্রথম পৃষ্ঠা

অপরিবর্তিত নীতি সুদহার
অপরিবর্তিত নীতি সুদহার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিলুপ্তি চাইলেন র্যাব ডিজিএফআইয়ের
বিলুপ্তি চাইলেন র্যাব ডিজিএফআইয়ের

প্রথম পৃষ্ঠা

অধস্তন আদালতের বিচারকদের অবকাশ ছুটি দুই ধাপে
অধস্তন আদালতের বিচারকদের অবকাশ ছুটি দুই ধাপে

প্রথম পৃষ্ঠা

মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু কাল
মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু কাল

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে ২২১৬ টাকা
ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে ২২১৬ টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

অতিমাত্রায় উচ্চাভিলাষী দুই দলের ইশতেহারই
অতিমাত্রায় উচ্চাভিলাষী দুই দলের ইশতেহারই

প্রথম পৃষ্ঠা

এজাজের বিদায় ডিএনসিসিতে নতুন প্রশাসক
এজাজের বিদায় ডিএনসিসিতে নতুন প্রশাসক

পেছনের পৃষ্ঠা

মনে হয় ইসি কারও প্রভাবে কাজ করে
মনে হয় ইসি কারও প্রভাবে কাজ করে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াত ধর্মের নামে বিভ্রান্ত করছে
জামায়াত ধর্মের নামে বিভ্রান্ত করছে

প্রথম পৃষ্ঠা

উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী দুই-এক দিনে
উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী দুই-এক দিনে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক পুনর্গঠনের লড়াই হবে
রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক পুনর্গঠনের লড়াই হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

সমালোচনা থাকলেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে এনপিএ
সমালোচনা থাকলেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে এনপিএ

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বিঘ্ন নিরাপত্তার ছক
নির্বিঘ্ন নিরাপত্তার ছক

প্রথম পৃষ্ঠা

বিপিডিবির কাছে বিদ্যুৎ কোম্পানির পাওনা ১৪ হাজার কোটি টাকা
বিপিডিবির কাছে বিদ্যুৎ কোম্পানির পাওনা ১৪ হাজার কোটি টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোট রাজনৈতিক কাঠামো অভূতপূর্ব পরিবর্তনের
ভোট রাজনৈতিক কাঠামো অভূতপূর্ব পরিবর্তনের

প্রথম পৃষ্ঠা