শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বাংলাদেশে গণভোটের ইতিহাস

প্রিন্ট ভার্সন
বাংলাদেশে গণভোটের ইতিহাস

সংস্কার উদ্যোগ ঘিরে দেশে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে গণভোট। ইংরেজি ‘রেফারেন্ডাম’-এর বাংলা প্রতিশব্দ গণভোট হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে জনগণ সরাসরি ভোটের মাধ্যমে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতামত দেয়। সংবিধান সংশোধন, আইন প্রণয়ন, রাজনৈতিক সংকট সমাধান বা শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে গণভোট আয়োজন করা হয়, যেখানে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দেন। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে তিনবার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম গণভোট হয় ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে, দ্বিতীয়টি ১৯৮৫ সালে রাষ্ট্রপতি এরশাদের শাসনকালে এবং প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে তৃতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, যা ছিল সাংবিধানিক গণভোট।

 

গণভোট কীভাবে ফিরল

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গণভোট কেবল রাজনৈতিক অনুষ্ঠান নয়- এটি সংবিধান ও শাসনব্যবস্থার ভবন নির্মাণের একটি কাঠামোগত উপাদান। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের আগে দেশে যখন তৃতীয় গণভোটের আয়োজনের আইন করা হচ্ছিল, তখনই স্পষ্ট হয় যে, গণভোটের বিধান শুধু ভোটের কাগজে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ উপস্থাপন নয়, বরং তা সংবিধানের গভীর স্তরকে স্পর্শ করছে। সেই গণভোট আইন ১৯৯১-এর প্রস্তাবনায় বলা হয়েছিল, যেহেতু সংবিধানের বহু অনুচ্ছেদ সংশোধনের জন্য একটি বিল সংসদে গৃহীত হবে এবং এরপর তা রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকবে, এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি সেই অনুমোদন দেবেন কি না, তা গণভোটের মাধ্যমে যাচাই করার বিধান উপযুক্ত ও প্রয়োজনীয়। এই বিধানকে সংবিধানের ১৪২(১ক) অনুচ্ছেদ মোতাবেক অন্তর্ভুক্ত করে গণভোটের পথ স্বচ্ছন্দ করা হয়েছিল। ১৯৯১ সালে তৃতীয় গণভোট এই আইনের ভিত্তিতেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সময় বয়ে যায়; ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ওই গণভোটের বিধান বাতিল করা হয়। কিন্তু রাজনৈতিক ইতিহাস কখনো স্থির থাকে না। ২০২৪ সালে ১৭ ডিসেম্বর হাই কোর্ট এই পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের মামলায় রায় দেন- যাতে শুধু তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশই নয়, গণভোটের বিধানও পুনর্বহালের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়। ফলে গণভোটে আর কোনো বাধা নেই।

 

সংস্কার

এবার গণভোট কেন

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগ নিলে আবারও আলোচনায় আসে গণভোট। রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংস্কার কার্যক্রমকে জনগণের অনুমোদনের আওতায় আনতেই গণভোটের ভাবনা সামনে এসেছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের ধারাবাহিক বৈঠকে ‘জুলাই সনদ’-এর আলোকে গৃহীত সংস্কারগুলোর বৈধতা নিশ্চিত করতে গণভোট আয়োজনের বিষয়ে নীতিগত মতৈক্য তৈরি হয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংস্কার প্রক্রিয়ায় জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই প্রস্তাবিত গণভোটের মূল উদ্দেশ্য। তবে গণভোট অনুষ্ঠানের সময়কাল নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভেদ ছিল। জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি দল দাবি তোলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন করা হোক। অন্যদিকে বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল বলে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে হলে জটিলতা কমবে। এই সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের ওপরই ছেড়ে দেওয়া হয়। অবশেষে অন্তর্বর্তী সরকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়।

 

ক্ষমতার বৈধতা যাচাই

প্রথম গণভোট : ১৯৭৭

ক্ষমতার বৈধতা যাচাই

১৯৭৭ সালের ৩০ মে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। কারণ, সেদিন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম গণভোটের খাতা খোলা হয়েছিল।  সেনাপ্রধান থেকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়া জিয়াউর রহমানের শাসন এবং বৈধতা ও নীতিমালার ওপর জনমত যাচাই ছিল সেই ভোটের মূল উদ্দেশ্য। ২২ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পরই জিয়াউর রহমান জাতীয় টেলিভিশন ও বেতারের মাধ্যমে জাতির উদ্দেশে এই গণভোটের ঘোষণা দেন, দেশের জনগণের কাছে সোজাসাপটা প্রশ্ন তোলে ‘তাঁর নীতি, শাসন ও কর্মসূচির প্রতি আস্থা রাখেন কি?’ সমগ্র দেশের প্রায় ২১,৬৮৫টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। ওই সময়ে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ৩ কোটি ৮৪ লাখ, যা তৎকালীন এক বিশাল রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করেছিল। সরকারি তথ্য বলছে ৮৮.১% মানুষ ভোটে অংশগ্রহণ করেন। গণভোটের ফলাফলে ভোটদাতাদের ৯৮.৯% ‘হ্যাঁ’ ভোট, অর্থাৎ জিয়াউর রহমানের নীতির প্রতি আস্থাশীল আছেন, আর মাত্র ১.১% ‘না’ ভোট পড়ে।

 

এরশাদের আস্থা যাচাই

দ্বিতীয় গণভোট : ১৯৮৫

এরশাদের আস্থা যাচাই

১৯৮৫ সালের ২১ মার্চ বাংলাদেশে দ্বিতীয়বারের মতো গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেই সময়কার রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নীতি ও শাসনকাজের বৈধতা যাচাই করার জন্য। যুদ্ধোত্তর রাজনীতির ধারাবাহিকতায় ক্ষমতায় থাকা একজন সেনাপ্রধানের শাসনকে গণতান্ত্রিক বৈধতা দেয় কি না- এ প্রশ্নটি সরাসরি জনগণের সামনে রাখা হয়। ভোট গ্রহণে ভোটারদের সামনে দুটি বাক্স রাখা হয়েছিল- ‘হ্যাঁ’ যেখানে এরশাদের ছবি ছিল, আর ‘না’ যেখানে কোনো ছবি ছিল না; যারা তাঁর নেতৃত্বে আস্থা রাখতেন, তারা ‘হ্যাঁ’তে, আর যারা তা করতে চাননি, তারা ‘না’তে ভোট দিয়েছিলেন।  নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, সে সময়ের ওই গণভোটে ৭২.২ শতাংশ ভোটার অংশগ্রহণ করেন।

তন্মধ্যে ৯৪.৫ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন, অর্থাৎ এরশাদের নীতি ও শাসনকাজের প্রতি জনগণের অনুমোদন প্রকাশ পায়। ‘না’ ভোট ছিল মাত্র ৫.৫ শতাংশ। তৎকালীন ওই গণভোটটি তখনকার রাজনীতিতে রাজনৈতিক বৈধতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

 

সংসদীয় গণতন্ত্রে ফেরা

তৃতীয় গণভোট : ১৯৯১

সংসদীয় গণতন্ত্রে ফেরা

তবে, ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বরের তৃতীয় গণভোটটি ছিল একদম আলাদা। এটি ছিল এক ঐতিহাসিক সাংবিধানিক বাঁক বদল। গণ আন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবসান ঘটে। এর মাত্র তিন মাসের মধ্যে, ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এর মাধ্যমে দীর্ঘ ১৬ বছরের রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে দেশে আবারও সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। সেদিন মানুষ দীর্ঘ ১৬ বছরের রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থা ভেঙে প্রধানমন্ত্রী শাসিত সংসদীয় গণতন্ত্রে ফেরার প্রশ্নে দেশের মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছিল। যদিও এতে অংশগ্রহণের হার ছিল মাত্র ৩৫.২ শতাংশ, তন্মধ্যে ১ কোটি ৮৩ লাখ ৮ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার, অর্থাৎ ৮৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ, সংসদীয় গণতন্ত্রের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেন। অন্যদিকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার ৬২ জন ভোটার বা ১৫ দশমিক ৬২ শতাংশ ‘না’ ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থার পক্ষে মত দেন।

এই বিভাগের আরও খবর
যাঁরা বিজয়ী হলেন
যাঁরা বিজয়ী হলেন
যাঁরা বিজয়ী হলেন
যাঁরা বিজয়ী হলেন
শোবিজ তারকাদের ভোট উৎসব
শোবিজ তারকাদের ভোট উৎসব
সারা দেশে ভোটের চিত্র
সারা দেশে ভোটের চিত্র
সারা দেশে ভোটের চিত্র
সারা দেশে ভোটের চিত্র
ভোটের দিনের নীরব নায়করা
ভোটের দিনের নীরব নায়করা
ভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাচ্ছি
ভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাচ্ছি
যেভাবে জানবেন ভোট কেন্দ্র
যেভাবে জানবেন ভোট কেন্দ্র
যারা সমালোচনা করত, তারাই এবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে
যারা সমালোচনা করত, তারাই এবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে
বিদেশি শক্তি নির্বাচন পরিচালনা করছে দৃশ্যের অন্তরাল থেকে
বিদেশি শক্তি নির্বাচন পরিচালনা করছে দৃশ্যের অন্তরাল থেকে
বিশ্ব ইতিহাসে আলোচিত যত গণভোট
বিশ্ব ইতিহাসে আলোচিত যত গণভোট
ইতিহাসে প্রথম দুই ব্যালটে ভোট
ইতিহাসে প্রথম দুই ব্যালটে ভোট
সর্বশেষ খবর
যুদ্ধ বন্ধ করে আলোচনায় বসার আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের
যুদ্ধ বন্ধ করে আলোচনায় বসার আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণদের নিয়েই ভবিষ্যৎ গড়ার পরিকল্পনা লাপোর্তার
তরুণদের নিয়েই ভবিষ্যৎ গড়ার পরিকল্পনা লাপোর্তার

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঝিনাইদহে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল
ঝিনাইদহে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা, নারী গুলিবিদ্ধ
শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা, নারী গুলিবিদ্ধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকুন্দিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
পাকুন্দিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সিরাজগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে কাঠুরিয়ার পা বিচ্ছিন্ন
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে কাঠুরিয়ার পা বিচ্ছিন্ন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদকের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: নিপুণ রায়
মাদকের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: নিপুণ রায়

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় গোপন রাখার অনুরোধ, রাজি না হওয়ায় খুন
গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় গোপন রাখার অনুরোধ, রাজি না হওয়ায় খুন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইতিহাসের সেরা টি-টুয়েন্টি অলরাউন্ডার হলেন যারা
ইতিহাসের সেরা টি-টুয়েন্টি অলরাউন্ডার হলেন যারা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন পরবর্তী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় মেতেছে জামায়াত: নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন পরবর্তী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় মেতেছে জামায়াত: নবীউল্লাহ নবী

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কারও নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস
কারও নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে সাত দিনে বাতিল ২৪৫টি ফ্লাইট
মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে সাত দিনে বাতিল ২৪৫টি ফ্লাইট

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ায় হুমকি, নিরাপত্তা চায় ইরান নারী ফুটবল দল
জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ায় হুমকি, নিরাপত্তা চায় ইরান নারী ফুটবল দল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লার ১৩ কলেজের পাঠদান স্থগিত
ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লার ১৩ কলেজের পাঠদান স্থগিত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শাবিপ্রবিতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ নির্মাণ শ্রমিক আটক
শাবিপ্রবিতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ নির্মাণ শ্রমিক আটক

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

১০ হাজার মানুষের সঙ্গে এমপি আনিসুর রহমানের ইফতার
১০ হাজার মানুষের সঙ্গে এমপি আনিসুর রহমানের ইফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তেহরান ও ইসফাহানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল
তেহরান ও ইসফাহানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে জিরো টলারেন্স : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল
অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে জিরো টলারেন্স : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

নিউমার্কেটে ছুরি দিয়ে নিজ গলায় আঘাত, যুবকের মৃত্যু
নিউমার্কেটে ছুরি দিয়ে নিজ গলায় আঘাত, যুবকের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস রেকর্ড গড়লেন মালয়েশিয়ার ব্যক্তি
৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস রেকর্ড গড়লেন মালয়েশিয়ার ব্যক্তি

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

অভিনয়ে আসায় মেয়ের সঙ্গে এক বছর কথা বলেননি পাকিস্তানি অভিনেত্রীর বাবা
অভিনয়ে আসায় মেয়ের সঙ্গে এক বছর কথা বলেননি পাকিস্তানি অভিনেত্রীর বাবা

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সিদ্ধিরগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ
সিদ্ধিরগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতা বহিষ্কার
বগুড়ায় ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতা বহিষ্কার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
মাঝ আকাশে উধাও ভারতের যুদ্ধবিমান, পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও
মাঝ আকাশে উধাও ভারতের যুদ্ধবিমান, পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারের কী অবস্থা?
ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারের কী অবস্থা?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা
বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বৈঠক ডাকলেন ট্রাম্প
অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বৈঠক ডাকলেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগে উঠে সিট দখল, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে নতুন নিয়ম
আগে উঠে সিট দখল, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে নতুন নিয়ম

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিসাইল-ড্রোন হামলা থেকে পবিত্র দুই নগরীকে যেভাবে রক্ষা করে সৌদি
মিসাইল-ড্রোন হামলা থেকে পবিত্র দুই নগরীকে যেভাবে রক্ষা করে সৌদি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন ‘ভয়ংকর’ মিসাইল দিয়ে ২২তম ধাপে ইরানি হামলা
তিন ‘ভয়ংকর’ মিসাইল দিয়ে ২২তম ধাপে ইরানি হামলা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন রণতরীর মৃত্যু কি ঘনিয়ে আসছে?
মার্কিন রণতরীর মৃত্যু কি ঘনিয়ে আসছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একাই লড়লেন বেথেল, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ম্যাচ জিতে নিল ভারত
একাই লড়লেন বেথেল, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ম্যাচ জিতে নিল ভারত

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রীলঙ্কা উপকূলে বেকায়দায় ৩ ইরানি জাহাজ, চাইল প্রবেশের অনুমতি
শ্রীলঙ্কা উপকূলে বেকায়দায় ৩ ইরানি জাহাজ, চাইল প্রবেশের অনুমতি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরায়েল
আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরায়েল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট
কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের মাটিতে আঁকা হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়ে ধোঁকা খেয়েছে ইসরায়েল?
ইরানের মাটিতে আঁকা হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়ে ধোঁকা খেয়েছে ইসরায়েল?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার সপ্তম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার সপ্তম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সব বিমান শক্তি ব্যয় করেও জিততে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র?
সব বিমান শক্তি ব্যয় করেও জিততে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছাত্রলীগও যে সাহস করেনি তা প্রকাশ্যে শিবির করেছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রলীগও যে সাহস করেনি তা প্রকাশ্যে শিবির করেছে: ছাত্রদল সভাপতি

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতকে ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র
রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতকে ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে মাঝ আকাশ থেকেই ফিরে গেল ফরাসি বিমান
ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে মাঝ আকাশ থেকেই ফিরে গেল ফরাসি বিমান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইসফাহানে টিকতেই পারল না ইসরায়েলি ড্রোন
ইরানের ইসফাহানে টিকতেই পারল না ইসরায়েলি ড্রোন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগির নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসি মুখপাত্রের
শিগগির নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসি মুখপাত্রের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলোর খবর কি?
ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলোর খবর কি?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উইমেন’স এশিয়ান কাপ : উত্তর কোরিয়ার কাছেও হারলো বাংলাদেশ
উইমেন’স এশিয়ান কাপ : উত্তর কোরিয়ার কাছেও হারলো বাংলাদেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে এক ডজন অভিযোগ
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে এক ডজন অভিযোগ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান
দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইরানকে তাক করে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইরানকে তাক করে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় চীন
হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় চীন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের ফোনালাপ
আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের ফোনালাপ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই
যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা

প্রথম পৃষ্ঠা

জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প
সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প

সম্পাদকীয়

ইরাকে বাবা ছেলেসহ মৃত্যু তিন বাংলাদেশির
ইরাকে বাবা ছেলেসহ মৃত্যু তিন বাংলাদেশির

পেছনের পৃষ্ঠা

সভাপতি মুমু সম্পাদক বিনয়
সভাপতি মুমু সম্পাদক বিনয়

দেশগ্রাম

সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ
সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ

সম্পাদকীয়

পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল
পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল

পেছনের পৃষ্ঠা

রমজানের তৃতীয় জুমায় বায়তুল মোকাররমে মুসল্লির ঢল
রমজানের তৃতীয় জুমায় বায়তুল মোকাররমে মুসল্লির ঢল

পেছনের পৃষ্ঠা

টিকিটের জন্য বাস কাউন্টারে নেই চিরচেনা ভিড়
টিকিটের জন্য বাস কাউন্টারে নেই চিরচেনা ভিড়

পেছনের পৃষ্ঠা

সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই
বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

উপদেষ্টাদের দুর্নীতি
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি

সম্পাদকীয়

ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা

প্রথম পৃষ্ঠা

অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র

সম্পাদকীয়

প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা
প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের প্রশ্ন
আজকের প্রশ্ন

মাঠে ময়দানে

নৈতিকতা ও সদাচরণ গড়তে হবে
নৈতিকতা ও সদাচরণ গড়তে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

২৫ লাখ টাকার জাল নোটসহ মাইলস্টোনের দুই ছাত্র আটক
২৫ লাখ টাকার জাল নোটসহ মাইলস্টোনের দুই ছাত্র আটক

পেছনের পৃষ্ঠা

নাগরিক দায়িত্বে রোজার প্রভাব
নাগরিক দায়িত্বে রোজার প্রভাব

প্রথম পৃষ্ঠা

লিবিয়া থেকে ফিরলেন ১৬৫ বাংলাদেশি
লিবিয়া থেকে ফিরলেন ১৬৫ বাংলাদেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

সাবেক সচিব খায়রুল ও কাউন্সিলর বাপ্পির বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলা
সাবেক সচিব খায়রুল ও কাউন্সিলর বাপ্পির বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলা

পেছনের পৃষ্ঠা

খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান
খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান

সম্পাদকীয়

রাজধানীতে গ্যাস বিস্ফোরণে নারী শিশুসহ দগ্ধ ১০
রাজধানীতে গ্যাস বিস্ফোরণে নারী শিশুসহ দগ্ধ ১০

পেছনের পৃষ্ঠা

ইয়াবার চালানসহ তিনজন গ্রেপ্তার
ইয়াবার চালানসহ তিনজন গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম