শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন

অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেম
প্রিন্ট ভার্সন
এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনকে দক্ষ, সুশৃঙ্খল ও জনকল্যাণমুখী করে গড়ে তোলার জন্য একটি স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক নিয়োগব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই দায়িত্ব পালন করে আসছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম-কমিশন (পিএসসি), যা সংবিধান দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। বিসিএসসহ বিভিন্ন ক্যাডার ও নন-ক্যাডার পদের নিয়োগের জন্য যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থী নির্বাচন করা এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান দায়িত্ব। নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এটি দেশের সর্বোচ্চ ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। তাই সাধারণ চাকরিপ্রার্থীদের প্রত্যাশা থাকে-এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত এবং নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে।

চাকরিপ্রার্থীদের কাছে পিএসসি কেবল একটি প্রতিষ্ঠান নয়; এটি তাদের স্বপ্ন, আস্থা এবং ভবিষ্যৎ গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। হাজারো তরুণ-তরুণী তাদের জীবনের সেরা সময় ব্যয় করেন এই পরীক্ষার প্রস্তুতিতে। তাই এই নিয়োগ প্রক্রিয়া যত বেশি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সময়োপযোগী হবে, ততই তরুণ সমাজের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে। সততা, স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েই বর্তমান কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কাজ করে যাচ্ছে।

তবে দীর্ঘদিন ধরে বিসিএস পরীক্ষার একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল এর দীর্ঘ সময়সীমা। স্বাধীনতার পর থেকে ধীরে ধীরে বিসিএস পরীক্ষার পুরো প্রক্রিয়া-বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে শুরু করে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ পর্যন্ত, ক্রমাগত দীর্ঘ হতে থাকে। বর্তমানে একটি বিসিএস পরীক্ষা সম্পন্ন করতে গড়ে প্রায় সাড়ে তিন বছরেরও বেশি সময় লেগে যায়। অর্থাৎ একজন চাকরিপ্রার্থী একটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য আবেদন করার প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন বছর পর জানতে পারেন তিনি সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন কি না।

এই দীর্ঘ সময় একজন তরুণ চাকরিপ্রার্থীর জীবনে অনিশ্চয়তা তৈরি করে। অনেক সময় তিনি জীবনের অন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েন-উচ্চশিক্ষা, অন্য পেশায় প্রবেশ বা ব্যক্তিগত জীবনের পরিকল্পনা, সবকিছু যেন একটি অনিশ্চিত অপেক্ষার মধ্যে আটকে যায়। আর দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর যদি কাক্সিক্ষত ফলাফল না আসে, তখন সেই হতাশা আরও গভীর হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সূত্রে আমি এ বিষয়গুলো সম্পর্কে পূর্ব থেকেই অবগত। এই দীর্ঘসূত্রতার সঙ্গে আরেকটি বড় সমস্যা জড়িয়ে আছে-বিভিন্ন বিসিএস পরীক্ষার মধ্যে সময়ের ওভারল্যাপিং। প্রায়ই দেখা যায়, একটি বিসিএস পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপ চলমান থাকা অবস্থাতেই নতুন বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ফলে একই প্রার্থীকে একই সময়ে একাধিক বিসিএস পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপে অংশগ্রহণ করতে হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একজন প্রার্থী যদি ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, তবে তিনি যখন পরবর্তী ধাপ লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তখন হয়তো ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ৪৩তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের আগেই ৪৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৪৩তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের আগেই ৪৫তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। আবার ৪৪তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কিছুদিন পর ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আবার অনেক সময় দেখা যায়, একটি বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগেই অন্য বিসিএসের পরবর্তী ধাপ শুরু হয়ে গেছে। ফলে একজন প্রার্থীকে একই সময়ে একাধিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হয়, যা তার মনোযোগকে বিভক্ত করে দেয়। এই পরিস্থিতির ফলে আরেকটি সমস্যা দেখা দেয়-রিপিট ক্যাডার। অনেক সময় একজন প্রার্থী একাধিক বিসিএস পরীক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত হন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি একটি ক্যাডারই গ্রহণ করেন। ফলে অন্য সুপারিশকৃত পদটি শূন্য থেকে যায় এবং সেটি অনেক ক্ষেত্রে আর পূরণ করা সম্ভব হয় না। এতে করে বিভিন্ন ক্যাডারের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পদ নষ্ট হয় এবং অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা অন্য যোগ্য প্রার্থীরা সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।

অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেমএ বাস্তবতা উপলব্ধি করেই বর্তমান কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে-‘এক বছরে এক বিসিএস’ বাস্তবায়নের রোডম্যাপ। স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের মতো বিসিএস পরীক্ষার পুরো প্রক্রিয়াকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। এই রোডম্যাপ অনুযায়ী একটি বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে শুরু করে প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন করে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া এক বছরের মধ্যেই শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য কমিশন ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। অতীতে বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্র মুদ্রণের জন্য কমিশনকে বিভিন্ন প্রেসের ওপর নির্ভর করতে হতো, যার ফলে অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব ঘটত। বর্তমানে কমিশনের নিজস্ব ডিজিটাল প্রিন্টিং প্রেস স্থাপন করা হয়েছে এবং সেখানে ইতোমধ্যে ৪৮তম বিশেষ বিসিএস এবং ৪৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সফলভাবে মুদ্রণ করা হয়েছে। এর ফলে প্রশ্নপত্র প্রস্তুতি ও মুদ্রণ প্রক্রিয়ায় সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে এবং নিরাপত্তা আরও জোরদার হয়েছে।

লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও সময় কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিসিএস লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন ও মৌখিক পরীক্ষার সময়সীমা বর্তমান কমিশন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে এনেছে, যা কমিশনের দক্ষতার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। আগে বিসিএস লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন সম্পন্ন করতে প্রায় ১০ থেকে ১৫ মাস সময় লাগত। কিন্তু বর্তমানে দক্ষ সমন্বয় ও দ্রুত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ ৪৫তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে সময় লেগেছিল প্রায় এক বছর তিন মাস। অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বজায় রেখে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের লক্ষ্যে প্রচলিত পদ্ধতির বিপরীতে কমিশন সার্কুলার পদ্ধতিতে খাতা মূল্যায়নের কার্যক্রম শুরু করেছে। ন্যায্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এটি একটি সর্বজন স্বীকৃত মূল্যায়ন পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে মূল্যায়নের ফলে ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে মাত্র দুই মাসে। এটি বিসিএস ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। এটি সম্ভব হয়েছে সার্কুলার পদ্ধতিতে মূল্যায়নের কারণে। সার্কুলার পদ্ধতিতে পরীক্ষক কমিশন ভবনে এসে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করেন। এ পদ্ধতিতে একটি উত্তরপত্র নির্দিষ্ট নিয়মে একাধিক পরীক্ষকের কাছে ঘুরে ঘুরে মূল্যায়িত হয়। এ ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র কোডিং করা থাকে, ফলে পরীক্ষকের সামনে পরীক্ষার্থীর পরিচয় প্রকাশ পায় না। একজন পরীক্ষক পুরো উত্তরপত্র না দেখে নির্দিষ্ট প্রশ্ন বা অংশ মূল্যায়ন করেন, পরে সমষ্টিকারকের মাধ্যমে নম্বর সমন্বয় করা হয়।

সার্কুলার পদ্ধতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়নে সরকারের অর্থেরও সাশ্রয় হয়েছে। ৪৩তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় ১৫,২২৯ জন প্রার্থীর উত্তরপত্র সনাতন পদ্ধতিতে মূল্যায়নে খরচ হয়েছে প্রায় ৭,০৮,০০,৬৭২ টাকা। অথচ ৪৬তম বিসিএসে সার্কুলার পদ্ধতিতে সমসংখ্যক প্রার্থীর উত্তরপত্র মূল্যায়নে খরচ হয়েছে প্রায় ৫,৩৫,৯৮,২৬১ টাকা। এভাবে সার্কুলার পদ্ধতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়নে প্রায় ২৪.৫০% অর্থের সাশ্রয় হয়েছে। এ ছাড়াও ৪৩তম বিসিএসের চেয়ে ৪৬তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে এক বছর এক মাস সময় কম লেগেছে। এই সময়সীমা হ্রাস কমিশনের পরিকল্পনা, সমন্বয় ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার সফল প্রয়োগের ফল। এতে প্রার্থীদের সময় ও ভোগান্তি কমেছে এবং নিয়োগপ্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর হয়েছে।

মৌখিক পরীক্ষার ক্ষেত্রেও সময় সাশ্রয়ের জন্য নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মৌখিক পরীক্ষার বোর্ডের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং প্রতিদিনের সাক্ষাৎকার গ্রহণের পরিমাণ বাড়ানোর মাধ্যমে এই ধাপটিকেও দ্রুততর করা হয়েছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-বর্তমান কমিশন বিসিএস পরীক্ষার প্রতিটি ধাপের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি নির্ধারণ করেছে। আগে প্রার্থীরা জানতেন না প্রিলিমিনারি, লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষা ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু এখন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তির সঙ্গেই সম্ভাব্য সময়সূচি জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে চাকরিপ্রার্থীরা একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুসারে প্রস্তুতি নিতে পারছেন। এতে তাদের মানসিক চাপ কমছে এবং প্রস্তুতিও আরও সুসংগঠিত হচ্ছে।

প্রার্থীদের বিসিএস পরীক্ষার আবেদন করতে সময় লাগবে এক মাস, প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সময় এক মাস। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুতকরণে সময় এক সপ্তাহ। লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সময় দুই মাস। লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে সময় লাগবে এক মাস। লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে সময় দুই মাস। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুতকরণে সময় এক সপ্তাহ। মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সময় তিন সপ্তাহ। মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণে সময় দুই মাস। চূড়ান্ত ফল প্রস্তুতকরণে সময় এক সপ্তাহ। এভাবে কমিশন এক বছরে একটি বিসিএস সম্পন্ন করার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

এক বছরে এক বিসিএস কেবল একটি প্রশাসনিক সংস্কার নয়; এটি তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে আরও সুসংগঠিত করার একটি উদ্যোগ। একটি দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নিয়োগব্যবস্থা রাষ্ট্রের প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ায় এবং মেধাবী তরুণদের রাষ্ট্রীয় সেবায় যুক্ত হওয়ার সুযোগকে আরও সহজ ও কার্যকর করে তোলে।

আমরা বিশ্বাস করি, বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত কর্মকর্তারাই ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের উন্নয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং জনগণের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তাই এই নিয়োগপ্রক্রিয়া যত বেশি স্বচ্ছ, দ্রুত এবং মেধাভিত্তিক হবে, ততই দেশের প্রশাসনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।  বর্তমান কমিশনের লক্ষ্য সুস্পষ্ট-একটি আধুনিক, কার্যকর এবং সময়োপযোগী নিয়োগব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

এক বছরে এক বিসিএস উদ্যোগ সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই রোডম্যাপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিসিএস পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতা কমবে, পরীক্ষাগুলোর মধ্যে ওভারল্যাপিং সমস্যার সমাধান হবে, রিপিট ক্যাডার কমবে এবং মেধাবী প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হবে।

বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের মেধা, শ্রম ও উদ্ভাবনী শক্তিকে রাষ্ট্রের উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য একটি দক্ষ ও নিরপেক্ষ নিয়োগব্যবস্থা অপরিহার্য।  আমরা আশাবাদী, সবার সহযোগিতা ও আস্থার মাধ্যমে এক বছরে এক বিসিএস উদ্যোগ সফল হবে এবং এটি বাংলাদেশের সরকারি নিয়োগব্যবস্থায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

                লেখক : চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম-কমিশন

এই বিভাগের আরও খবর
শান্তির সুবাতাস
শান্তির সুবাতাস
ব্যয়বৃদ্ধির চাপ
ব্যয়বৃদ্ধির চাপ
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
অবহেলিত কেন সিলেট-আখাউড়া রেলপথ
অবহেলিত কেন সিলেট-আখাউড়া রেলপথ
আমেরিকার নির্বাচন ও শাসনকাঠামো
আমেরিকার নির্বাচন ও শাসনকাঠামো
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
তবু ঋণে ভাটা
তবু ঋণে ভাটা
মুক্তি গণতন্ত্রে
মুক্তি গণতন্ত্রে
ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ
ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ
কৃষক পরিচয়ের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি
কৃষক পরিচয়ের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি
আস্থা থাকা না-থাকা
আস্থা থাকা না-থাকা
বাজেট ভাবনা
বাজেট ভাবনা
সর্বশেষ খবর
জার্মান রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
জার্মান রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

মনপুরায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সেমিনার
মনপুরায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সেমিনার

৫ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী
সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী

১১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ভাতার আওতায় এলেন আরও ১৭১ খেলোয়াড়
ভাতার আওতায় এলেন আরও ১৭১ খেলোয়াড়

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী
আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে সচিব বিলকিস জাহান রিমির যোগদান
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে সচিব বিলকিস জাহান রিমির যোগদান

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল

২২ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

খাগড়াছড়িতে ২০ এপ্রিল শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি
খাগড়াছড়িতে ২০ এপ্রিল শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি

২৫ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

এনসিপিতে যোগ দিলেন জুনায়েদ-রিফাতসহ অনেকেই
এনসিপিতে যোগ দিলেন জুনায়েদ-রিফাতসহ অনেকেই

৩৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী
সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

৩৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

হজযাত্রীদের শুভেচ্ছা উপহার দিচ্ছে প্রাণ-আরএফএল
হজযাত্রীদের শুভেচ্ছা উপহার দিচ্ছে প্রাণ-আরএফএল

৪০ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

সিডনিতে গ্লেনকোয়ারি মসজিদ প্রকল্পে তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠিত
সিডনিতে গ্লেনকোয়ারি মসজিদ প্রকল্পে তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠিত

৪২ মিনিট আগে | পরবাস

লক্ষ্মীপুরে ৫ হত্যা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়ল ২ মাস
লক্ষ্মীপুরে ৫ হত্যা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়ল ২ মাস

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ
ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

৫০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রবাসীদের জ্ঞান ও বিনিয়োগে শক্তিশালী হচ্ছে অর্থনীতি: তথ্যমন্ত্রী
প্রবাসীদের জ্ঞান ও বিনিয়োগে শক্তিশালী হচ্ছে অর্থনীতি: তথ্যমন্ত্রী

৫০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

কানাডার ক্যালগারিতে বৈশাখী মেলায় আলবার্টার প্রধানমন্ত্রী
কানাডার ক্যালগারিতে বৈশাখী মেলায় আলবার্টার প্রধানমন্ত্রী

৫২ মিনিট আগে | পরবাস

উল্লাপাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণে বদলে যাচ্ছে ১৫ পরিবারের জীবন
উল্লাপাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণে বদলে যাচ্ছে ১৫ পরিবারের জীবন

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ঝিনাইদহে ভবনে রং করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রংমিস্ত্রির মৃত্যু
ঝিনাইদহে ভবনে রং করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রংমিস্ত্রির মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু
গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বসুন্ধরা সিমেন্টের ‘আনন্দ ভ্রমণ’ অনুষ্ঠিত
বসুন্ধরা সিমেন্টের ‘আনন্দ ভ্রমণ’ অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার
মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা
সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মনিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠচক্র ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আড্ডা
মনিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠচক্র ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আড্ডা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শিশুদের জন্য দুটি বই লিখলেন জামাল মুসিয়ালা
শিশুদের জন্য দুটি বই লিখলেন জামাল মুসিয়ালা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান
হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা
মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির
হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা
এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি
তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান
ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান
মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি
বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা
বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর
দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান
আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার
গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান
ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’
‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প
ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ
এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট
একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি
এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?
বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত
চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা
পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের আটকে থাকে গোপন সম্পদের অংক ফাঁস
ইরানের আটকে থাকে গোপন সম্পদের অংক ফাঁস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ
ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি
হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের
ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ
তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান
হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা
সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর
ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট

প্রথম পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তেলেসমাতি
তেল নিয়ে তেলেসমাতি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে
পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে

মাঠে ময়দানে

স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব
স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে
বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের
রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের

নগর জীবন

যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট
যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট

নগর জীবন

ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা

সম্পাদকীয়

কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে
কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে

শোবিজ

বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর
বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর

মাঠে ময়দানে

ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

প্রথম পৃষ্ঠা

এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে
এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন
হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে
লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান

পেছনের পৃষ্ঠা

বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের
বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি
ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি

প্রথম পৃষ্ঠা

সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট
সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট

পেছনের পৃষ্ঠা

খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা
খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে
বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে

নগর জীবন

ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ
ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ

প্রথম পৃষ্ঠা

এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা
এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার
সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

নাপাইচণ্ডী মেলা
নাপাইচণ্ডী মেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল
রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে
ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে

পেছনের পৃষ্ঠা

সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি
ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি

পেছনের পৃষ্ঠা