শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন

অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেম
প্রিন্ট ভার্সন
এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনকে দক্ষ, সুশৃঙ্খল ও জনকল্যাণমুখী করে গড়ে তোলার জন্য একটি স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক নিয়োগব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই দায়িত্ব পালন করে আসছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম-কমিশন (পিএসসি), যা সংবিধান দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। বিসিএসসহ বিভিন্ন ক্যাডার ও নন-ক্যাডার পদের নিয়োগের জন্য যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থী নির্বাচন করা এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান দায়িত্ব। নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এটি দেশের সর্বোচ্চ ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। তাই সাধারণ চাকরিপ্রার্থীদের প্রত্যাশা থাকে-এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত এবং নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে।

চাকরিপ্রার্থীদের কাছে পিএসসি কেবল একটি প্রতিষ্ঠান নয়; এটি তাদের স্বপ্ন, আস্থা এবং ভবিষ্যৎ গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। হাজারো তরুণ-তরুণী তাদের জীবনের সেরা সময় ব্যয় করেন এই পরীক্ষার প্রস্তুতিতে। তাই এই নিয়োগ প্রক্রিয়া যত বেশি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সময়োপযোগী হবে, ততই তরুণ সমাজের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে। সততা, স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েই বর্তমান কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কাজ করে যাচ্ছে।

তবে দীর্ঘদিন ধরে বিসিএস পরীক্ষার একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল এর দীর্ঘ সময়সীমা। স্বাধীনতার পর থেকে ধীরে ধীরে বিসিএস পরীক্ষার পুরো প্রক্রিয়া-বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে শুরু করে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ পর্যন্ত, ক্রমাগত দীর্ঘ হতে থাকে। বর্তমানে একটি বিসিএস পরীক্ষা সম্পন্ন করতে গড়ে প্রায় সাড়ে তিন বছরেরও বেশি সময় লেগে যায়। অর্থাৎ একজন চাকরিপ্রার্থী একটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য আবেদন করার প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন বছর পর জানতে পারেন তিনি সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন কি না।

এই দীর্ঘ সময় একজন তরুণ চাকরিপ্রার্থীর জীবনে অনিশ্চয়তা তৈরি করে। অনেক সময় তিনি জীবনের অন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েন-উচ্চশিক্ষা, অন্য পেশায় প্রবেশ বা ব্যক্তিগত জীবনের পরিকল্পনা, সবকিছু যেন একটি অনিশ্চিত অপেক্ষার মধ্যে আটকে যায়। আর দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর যদি কাক্সিক্ষত ফলাফল না আসে, তখন সেই হতাশা আরও গভীর হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সূত্রে আমি এ বিষয়গুলো সম্পর্কে পূর্ব থেকেই অবগত। এই দীর্ঘসূত্রতার সঙ্গে আরেকটি বড় সমস্যা জড়িয়ে আছে-বিভিন্ন বিসিএস পরীক্ষার মধ্যে সময়ের ওভারল্যাপিং। প্রায়ই দেখা যায়, একটি বিসিএস পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপ চলমান থাকা অবস্থাতেই নতুন বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ফলে একই প্রার্থীকে একই সময়ে একাধিক বিসিএস পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপে অংশগ্রহণ করতে হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একজন প্রার্থী যদি ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, তবে তিনি যখন পরবর্তী ধাপ লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তখন হয়তো ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ৪৩তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের আগেই ৪৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৪৩তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের আগেই ৪৫তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। আবার ৪৪তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কিছুদিন পর ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আবার অনেক সময় দেখা যায়, একটি বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগেই অন্য বিসিএসের পরবর্তী ধাপ শুরু হয়ে গেছে। ফলে একজন প্রার্থীকে একই সময়ে একাধিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হয়, যা তার মনোযোগকে বিভক্ত করে দেয়। এই পরিস্থিতির ফলে আরেকটি সমস্যা দেখা দেয়-রিপিট ক্যাডার। অনেক সময় একজন প্রার্থী একাধিক বিসিএস পরীক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত হন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি একটি ক্যাডারই গ্রহণ করেন। ফলে অন্য সুপারিশকৃত পদটি শূন্য থেকে যায় এবং সেটি অনেক ক্ষেত্রে আর পূরণ করা সম্ভব হয় না। এতে করে বিভিন্ন ক্যাডারের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পদ নষ্ট হয় এবং অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা অন্য যোগ্য প্রার্থীরা সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।

অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেমএ বাস্তবতা উপলব্ধি করেই বর্তমান কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে-‘এক বছরে এক বিসিএস’ বাস্তবায়নের রোডম্যাপ। স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের মতো বিসিএস পরীক্ষার পুরো প্রক্রিয়াকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। এই রোডম্যাপ অনুযায়ী একটি বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে শুরু করে প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন করে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া এক বছরের মধ্যেই শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য কমিশন ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। অতীতে বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্র মুদ্রণের জন্য কমিশনকে বিভিন্ন প্রেসের ওপর নির্ভর করতে হতো, যার ফলে অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব ঘটত। বর্তমানে কমিশনের নিজস্ব ডিজিটাল প্রিন্টিং প্রেস স্থাপন করা হয়েছে এবং সেখানে ইতোমধ্যে ৪৮তম বিশেষ বিসিএস এবং ৪৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সফলভাবে মুদ্রণ করা হয়েছে। এর ফলে প্রশ্নপত্র প্রস্তুতি ও মুদ্রণ প্রক্রিয়ায় সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে এবং নিরাপত্তা আরও জোরদার হয়েছে।

লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও সময় কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিসিএস লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন ও মৌখিক পরীক্ষার সময়সীমা বর্তমান কমিশন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে এনেছে, যা কমিশনের দক্ষতার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। আগে বিসিএস লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন সম্পন্ন করতে প্রায় ১০ থেকে ১৫ মাস সময় লাগত। কিন্তু বর্তমানে দক্ষ সমন্বয় ও দ্রুত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ ৪৫তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে সময় লেগেছিল প্রায় এক বছর তিন মাস। অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বজায় রেখে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের লক্ষ্যে প্রচলিত পদ্ধতির বিপরীতে কমিশন সার্কুলার পদ্ধতিতে খাতা মূল্যায়নের কার্যক্রম শুরু করেছে। ন্যায্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এটি একটি সর্বজন স্বীকৃত মূল্যায়ন পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে মূল্যায়নের ফলে ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে মাত্র দুই মাসে। এটি বিসিএস ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। এটি সম্ভব হয়েছে সার্কুলার পদ্ধতিতে মূল্যায়নের কারণে। সার্কুলার পদ্ধতিতে পরীক্ষক কমিশন ভবনে এসে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করেন। এ পদ্ধতিতে একটি উত্তরপত্র নির্দিষ্ট নিয়মে একাধিক পরীক্ষকের কাছে ঘুরে ঘুরে মূল্যায়িত হয়। এ ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র কোডিং করা থাকে, ফলে পরীক্ষকের সামনে পরীক্ষার্থীর পরিচয় প্রকাশ পায় না। একজন পরীক্ষক পুরো উত্তরপত্র না দেখে নির্দিষ্ট প্রশ্ন বা অংশ মূল্যায়ন করেন, পরে সমষ্টিকারকের মাধ্যমে নম্বর সমন্বয় করা হয়।

সার্কুলার পদ্ধতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়নে সরকারের অর্থেরও সাশ্রয় হয়েছে। ৪৩তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় ১৫,২২৯ জন প্রার্থীর উত্তরপত্র সনাতন পদ্ধতিতে মূল্যায়নে খরচ হয়েছে প্রায় ৭,০৮,০০,৬৭২ টাকা। অথচ ৪৬তম বিসিএসে সার্কুলার পদ্ধতিতে সমসংখ্যক প্রার্থীর উত্তরপত্র মূল্যায়নে খরচ হয়েছে প্রায় ৫,৩৫,৯৮,২৬১ টাকা। এভাবে সার্কুলার পদ্ধতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়নে প্রায় ২৪.৫০% অর্থের সাশ্রয় হয়েছে। এ ছাড়াও ৪৩তম বিসিএসের চেয়ে ৪৬তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে এক বছর এক মাস সময় কম লেগেছে। এই সময়সীমা হ্রাস কমিশনের পরিকল্পনা, সমন্বয় ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার সফল প্রয়োগের ফল। এতে প্রার্থীদের সময় ও ভোগান্তি কমেছে এবং নিয়োগপ্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর হয়েছে।

মৌখিক পরীক্ষার ক্ষেত্রেও সময় সাশ্রয়ের জন্য নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মৌখিক পরীক্ষার বোর্ডের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং প্রতিদিনের সাক্ষাৎকার গ্রহণের পরিমাণ বাড়ানোর মাধ্যমে এই ধাপটিকেও দ্রুততর করা হয়েছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-বর্তমান কমিশন বিসিএস পরীক্ষার প্রতিটি ধাপের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি নির্ধারণ করেছে। আগে প্রার্থীরা জানতেন না প্রিলিমিনারি, লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষা ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু এখন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তির সঙ্গেই সম্ভাব্য সময়সূচি জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে চাকরিপ্রার্থীরা একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুসারে প্রস্তুতি নিতে পারছেন। এতে তাদের মানসিক চাপ কমছে এবং প্রস্তুতিও আরও সুসংগঠিত হচ্ছে।

প্রার্থীদের বিসিএস পরীক্ষার আবেদন করতে সময় লাগবে এক মাস, প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সময় এক মাস। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুতকরণে সময় এক সপ্তাহ। লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সময় দুই মাস। লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে সময় লাগবে এক মাস। লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে সময় দুই মাস। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুতকরণে সময় এক সপ্তাহ। মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সময় তিন সপ্তাহ। মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণে সময় দুই মাস। চূড়ান্ত ফল প্রস্তুতকরণে সময় এক সপ্তাহ। এভাবে কমিশন এক বছরে একটি বিসিএস সম্পন্ন করার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

এক বছরে এক বিসিএস কেবল একটি প্রশাসনিক সংস্কার নয়; এটি তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে আরও সুসংগঠিত করার একটি উদ্যোগ। একটি দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নিয়োগব্যবস্থা রাষ্ট্রের প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ায় এবং মেধাবী তরুণদের রাষ্ট্রীয় সেবায় যুক্ত হওয়ার সুযোগকে আরও সহজ ও কার্যকর করে তোলে।

আমরা বিশ্বাস করি, বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত কর্মকর্তারাই ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের উন্নয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং জনগণের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তাই এই নিয়োগপ্রক্রিয়া যত বেশি স্বচ্ছ, দ্রুত এবং মেধাভিত্তিক হবে, ততই দেশের প্রশাসনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।  বর্তমান কমিশনের লক্ষ্য সুস্পষ্ট-একটি আধুনিক, কার্যকর এবং সময়োপযোগী নিয়োগব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

এক বছরে এক বিসিএস উদ্যোগ সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই রোডম্যাপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিসিএস পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতা কমবে, পরীক্ষাগুলোর মধ্যে ওভারল্যাপিং সমস্যার সমাধান হবে, রিপিট ক্যাডার কমবে এবং মেধাবী প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হবে।

বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের মেধা, শ্রম ও উদ্ভাবনী শক্তিকে রাষ্ট্রের উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য একটি দক্ষ ও নিরপেক্ষ নিয়োগব্যবস্থা অপরিহার্য।  আমরা আশাবাদী, সবার সহযোগিতা ও আস্থার মাধ্যমে এক বছরে এক বিসিএস উদ্যোগ সফল হবে এবং এটি বাংলাদেশের সরকারি নিয়োগব্যবস্থায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

                লেখক : চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম-কমিশন

এই বিভাগের আরও খবর
গ্যাসসংকট
গ্যাসসংকট
পবিত্র আশুরা
পবিত্র আশুরা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
জলবায়ু ঝুঁকি
জলবায়ু ঝুঁকি
সাংবাদিককে মারধর
সাংবাদিককে মারধর
কারবালায় জ্বলে সত্যের আলো
কারবালায় জ্বলে সত্যের আলো
সরকারের ভুলত্রুটি নিরূপণ সেল জরুরি
সরকারের ভুলত্রুটি নিরূপণ সেল জরুরি
এখনো হাম
এখনো হাম
মেসি সর্বকালের সেরা
মেসি সর্বকালের সেরা
তোমাকে ভালোবাসি ইয়া হোসাইন
তোমাকে ভালোবাসি ইয়া হোসাইন
সর্বশেষ খবর
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান
ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান

১৯ মিনিট আগে | অর্থনীতি

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদে এবার মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদে এবার মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

৪৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গেল বেলজিয়াম
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গেল বেলজিয়াম

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বনানীতে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে আহত
বনানীতে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে আহত

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৫৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের ৩১ শহরে ‘রইদ’
যুক্তরাষ্ট্রের ৩১ শহরে ‘রইদ’

৫৯ মিনিট আগে | শোবিজ

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ১০.৭ শতাংশে নিতে চায় এনবিআর
রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ১০.৭ শতাংশে নিতে চায় এনবিআর

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ জুন ২০২৬

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর কাঁটাবনে আবাসিক ভবনের আগুন, দুজনের মৃত্যু
রাজধানীর কাঁটাবনে আবাসিক ভবনের আগুন, দুজনের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঁচ লাখ ‘ড্রোন যোদ্ধা’ তৈরি করবে দক্ষিণ কোরিয়া
পাঁচ লাখ ‘ড্রোন যোদ্ধা’ তৈরি করবে দক্ষিণ কোরিয়া

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাঁটাবনের আবাসিক ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে
কাঁটাবনের আবাসিক ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দ্বিতীয়ার্ধে গোলকিপার বদলাল উরুগুয়ে
দ্বিতীয়ার্ধে গোলকিপার বদলাল উরুগুয়ে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুপুরের মধ্যে ৬ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, সতর্কতা জারি
দুপুরের মধ্যে ৬ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, সতর্কতা জারি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কেপ ভার্দে–সৌদি আরব
প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কেপ ভার্দে–সৌদি আরব

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উরুগুয়ের বিপক্ষে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন
উরুগুয়ের বিপক্ষে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইতিহাস গড়ার স্বপ্নে কেপ ভার্দে, শেষ সুযোগ সৌদি আরবের
ইতিহাস গড়ার স্বপ্নে কেপ ভার্দে, শেষ সুযোগ সৌদি আরবের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি উরুগুয়ে ও স্পেন
গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি উরুগুয়ে ও স্পেন

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ইতিহাস গড়া সাফল্যে ইকুয়েডরে সরকারি ছুটি ঘোষণা
ইতিহাস গড়া সাফল্যে ইকুয়েডরে সরকারি ছুটি ঘোষণা

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউটে ব্রাজিলের মুখোমুখি জাপান: কবে, কখন এবং কোথায়
নকআউটে ব্রাজিলের মুখোমুখি জাপান: কবে, কখন এবং কোথায়

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?
স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?
দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান
আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা?
ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ দেখায় জয় পেয়েছিল জাপান, এবারও কি ব্রাজিল হারবে?
শেষ দেখায় জয় পেয়েছিল জাপান, এবারও কি ব্রাজিল হারবে?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত
প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাম মন্দিরে দানের কোটি কোটি রুপি আত্মসাৎ, ভারতজুড়ে তোলপাড়
রাম মন্দিরে দানের কোটি কোটি রুপি আত্মসাৎ, ভারতজুড়ে তোলপাড়

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্প
এবার ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি কেপ ভার্দে-সৌদি আরব
নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি কেপ ভার্দে-সৌদি আরব

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের প্রক্সি ও ক্ষেপণাস্ত্র সমস্যার সমাধান চায় উপসাগরীয় দেশগুলো
ইরানের প্রক্সি ও ক্ষেপণাস্ত্র সমস্যার সমাধান চায় উপসাগরীয় দেশগুলো

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ড্রোন হামলা, জাতিসংঘের উদ্ধারকাজ স্থগিত
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ড্রোন হামলা, জাতিসংঘের উদ্ধারকাজ স্থগিত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক