শিরোনাম
প্রকাশ: ০৩:১৮, শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

রাজধানীতে এক বছরে ৬৪৩ বেওয়ারিশ লাশ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
রাজধানীতে এক বছরে ৬৪৩ বেওয়ারিশ লাশ

২০২৫ সালে বিভিন্ন এলাকা থেকে উদ্ধার করা ৬৪৩টি লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে রাজধানীর বিভিন্ন কবরস্থানে দাফন ও সৎকার করা হয়েছে। এর মধ্যে রায়েরবাজারে ৪৬১ জন এবং জুরাইন কবরস্থানে ১৭৫ জনের লাশ দাফন করা হয়। পোস্তগোলা শ্মশানে অন্য ধর্মের সাতজনের লাশ দাহ করা হয়। সেই হিসাবে প্রতি মাসে প্রায় ৫৪ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির লাশ দাফন ও সৎকার করা হয়। গড়ে প্রতিদিন দাফন ও সৎকার করা হয় প্রায় দুজনের লাশ। আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

এদিকে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৬ মাসে দেশে মোট চার হাজার ৭৩২টি হত্যা মামলা রেকর্ড করা হয়েছে বলে পুলিশ সদর দপ্তরের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে জানা গেছে।

আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ৫৭০ লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়। সে অনুযায়ী ২০২৫ সালে ৭৩টি বেশি লাশ দাফন করা হয়।

অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন সামনে রেখে সংঘাতের ঘটনা বেড়েছে। যত্রতত্র লাশ উদ্ধার হচ্ছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য বলছে, দেশের বিভিন্ন থানায় প্রতি মাসে গড়ে প্রায় আড়াই হাজার অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করা হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জে সবচেয়ে বেশি লাশ উদ্ধার করা হয়। গত বছর নদী থেকে ৪৪০ মরদেহ উদ্ধার হলেও ১৪১ জনের পরিচয় এখনো শনাক্ত হয়নি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার উপকমিশনার মোহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, উদ্ধার করা লাশের পরিচয় শনাক্ত করা না গেলে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দাফনের জন্য আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামকে হস্তান্তর করা হয়। তবে এ ক্ষেত্রে ধরাবাঁধা সময়সীমা নেই। কারণ লাশ দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষণ করার সুযোগ নেই।

মানবাধিকার সাংস্কৃতিক সংগঠন (এমএসএফ) বলছে, ২০২৫ সালে খুব অল্পসংখ্যক অজ্ঞাতপরিচয় লাশ শনাক্ত করা সম্ভব হলেও বাকি লাশের পরিচয় অজ্ঞাতই থেকে যাচ্ছে। অজ্ঞাতপরিচয় লাশের পরিচয় উদ্ধারে অপারগতায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও এমএসএফের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ৬৪১টি অজ্ঞাতপরিচয় লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এমএসএফ বলেছে, এসব লাশ উদ্ধারের তথ্য জানিয়ে দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। পরিচয় উদ্ধার করে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের কর্তব্য।

২০২৫ সালে আঞ্জুমানের মাসিক পরিসংখ্যান : আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের মাসিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের জানুয়ারিতে ৫১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৪৪ জন, মার্চে ৫৭ জন, এপ্রিলে ২৯ জন, মেতে ৫৩ জন, জুনে ৬০ জন, জুলাইয়ে ৭০ জন, আগস্টে ৪৫ জন, সেপ্টেম্বরে ৫৯ জন, অক্টোবরে ৭২ জন, নভেম্বরে ৬৯ জন এবং ডিসেম্বর মাসে ৩৪ জনের লাশ দাফন করা হয়।

এর বাইরে পোস্তগোলা শ্মশানে ফেব্রুয়ারিতে তিনজন, মার্চে একজন, জুলাইয়ে একজন, অক্টোবরে একজন এবং নভেম্বর মাসে একজনকে দাহ করা হয়। সেই হিসাবে জানুয়ারিতে রায়েরবাজার কবরস্থানে ৫১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৪১ জন, মার্চে ৫৬ জন, এপ্রিলে ২৯ জন, মেতে ৫৩, জুনে ৬০ জন, জুলাইয়ে ৫০ জন, আগস্টে ২৩ জন, সেপ্টেম্বরে ২৩ জন, অক্টোবরে ৪০ জন, নভেম্বরে ২৮ জন এবং ডিসেম্বর মাসে সাতজনকে দাফন করা হয়।

আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম সূত্র বলছে, ২০১০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১৫ বছরে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম ১৪ হাজার ৮৭৬ জনের মরদেহ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করেছে।

আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের দাফনসেবা কর্মকর্তা কামরুল আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কোনো মরদেহ পুলিশের ক্লিয়ারেন্স ছাড়া আমরা কখনোই বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করতে পারি না। আমরা লাশ বহনের জন্য কোনো খরচ নিই না। আমাদের নিজস্ব গাড়িতেই সেগুলো নিয়ে সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত কবরস্থানে দাফন করে থাকি।’

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর ভাষ্য : মানবাধিকার সংস্থার একাধিক কর্মকর্তা বলেন, পুলিশ বা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মনে করে, শুধু লাশ উদ্ধার করেই তাদের দায়িত্ব শেষ। শুধু উদ্ধার করা লাশের পরিচয় শনাক্ত করাই নয়, তার সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পন্ন করে এসব লাশ আত্মীয়-পরিজনের কাছে পৌঁছে দেওয়া এসব বাহিনীর কাজ।

দেশের বিভিন্ন জেলার নদীগুলো যেন অপরাধীদের অপরাধকর্ম ধামাচাপা দেওয়ার ডাম্পিং স্টেশনে পরিণত হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই দেশের কোনো না কোনো নদীতে হত্যার পর গুমের উদ্দেশে ফেলা হচ্ছে লাশ।

নৌ পুলিশের তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ ও পরিচয় শনাক্ত করা না যাওয়ায় বেশির ভাগ হত্যা মামলার কূল-কিনারা করা যায় না।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) একজন কর্মকর্তা বলেন, যখন কোনো ব্যক্তি নিখোঁজ হয়, প্রথমে পরিবারকে থানাসহ সংশ্লিষ্ট জায়গায় জানাতে হয়; কিন্তু পরিবার অনেক সময় পাঁচ থেকে সাত দিন পর থানায় জিডি করে। এ ক্ষেত্রে মামলার তদন্ত ভালোভাবে করা হয় না। মূলত এসব কারণে অনেক লাশ নিখোঁজ থেকে যায়।

পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আবু ইউসুফ বলেন, সাধারণত পচে যাওয়া লাশের আঙুলের ছাপ মেলানো যায় না। ছিন্নমূল ও ভবঘুরে মানুষের এনআইডি না থাকায় তাদের লাশ শনাক্ত করতে সমস্যা তৈরি হয়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘বিশ্বের উন্নত দেশগুলোয় সবারই শনাক্তকরণের জন্য নিজস্ব পরিচিতি আছে, ফলে পুলিশ ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে দ্রুত লাশের পরিচয় শনাক্ত করে ফেলে। আমাদের দেশে দুর্বল দিক হলো ছোট-বড় সবার জন্য কেন্দ্রীয় কোনো ডেটাবেইস না থাকায় অনেক লাশের ওয়ারিশ খুঁজতে গিয়ে হিমশিম খায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।’

তিনি বলেন, একটি দক্ষ তদন্ত টিমে একজন ম্যাজিস্ট্রেট, সিআইডি অফিসার, তদন্ত কর্মকর্তা, লিয়াজোঁ অফিসার, প্যাথলজিস্ট এবং একজন ডাক্তার থাকেন। বাংলাদেশে এ প্রক্রিয়ায় তদন্ত টিম গঠিত হয় না। তা ছাড়া ক্রাইম সিন এরিয়াকে সুরক্ষিত করতেও সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়, প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণের অপ্রতুলতা তদন্তে ব্যাহত হয়

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সড়ক, নদী ও খাল থেকে বেওয়ারিশ লাশ উদ্ধারের পর বিভিন্ন হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। মর্গে পরিচয় নিশ্চিত না হলে সেই লাশ ‘বেওয়ারিশ’ হিসেবে দাফন করা হচ্ছে কবরে।

সর্বশেষ রাজধানীর পল্লবীর ডোবা এবং তুরাগের লেক থেকে দুই ব্যক্তির অর্ধগলিত ভাসমান লাশ উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ। গতকাল পর্যন্ত তাঁদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তাঁদের বয়স আনুমানিক ৩৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হবে। গত মঙ্গলবার বিকেলে তাঁদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শামছুর রহমান বলেন, পল্লবীর একটি ডোবায় একজনের লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। এরপর ওই লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। হত্যার পর তাঁর লাশ ডোবায় ফেলা হতে পারে। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। নিহতের পরিচয় পাওয়া না গেলে বেওয়ারিশ হিসেবে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামে দাফনের জন্য পাঠানো হবে।

নৌ পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুসারে, গত বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশজুড়ে অন্তত ৩০১ জন নারী-পুরুষ ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২০৯ জনের পরিচয় জানা গেছে, বাকি ৯২ জন এখনো ‘অজ্ঞাতপরিচয়’। গত বছর নদী থেকে অন্তত ৪৪০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১৪১ জনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। মরদেহ উদ্ধারের পর এ বছর বিভিন্ন থানায় অন্তত ৪১টি হত্যা মামলা করা হয়েছে। গত বছর মামলা করা হয়েছিল ৫৩টি।

স্থানীয় থানাগুলো লাশের ছবি ও তথ্য সংরক্ষণ করলেও পরিচয় শনাক্ত না হলে তিন দিন পর ময়নাতদন্ত শেষে লাশগুলো আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নৌপুলিশ প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি কুসুম দেওয়ান বলেন, নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার হলে পরিচয় শনাক্ত করাই তদন্ত এগিয়ে নেওয়া ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

সৌজন্যে : কালের কণ্ঠ

বিডি প্রতিদিন/কেএ

এই বিভাগের আরও খবর
রমজান আমাদের কল্যাণভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অনুপ্রেরণা দেয় : প্রধান উপদেষ্টা
রমজান আমাদের কল্যাণভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অনুপ্রেরণা দেয় : প্রধান উপদেষ্টা
রামপুরায় গুলি ও হত্যা: হাবিবসহ ৫ আসামির রায় ৪ মার্চ
রামপুরায় গুলি ও হত্যা: হাবিবসহ ৫ আসামির রায় ৪ মার্চ
নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গাড়ি
নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গাড়ি
বিকালে প্রেস ব্রিফিংয়ে আসছেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল
বিকালে প্রেস ব্রিফিংয়ে আসছেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল
রোজায় ট্রাকসেলের মাধ্যমে যেসব পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি
রোজায় ট্রাকসেলের মাধ্যমে যেসব পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ ছিল: রাশিয়া
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ ছিল: রাশিয়া
‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ আসলে কী?
‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ আসলে কী?
এমপিদের শপথ পড়ানোর চিঠি আজই পেতে পারে কমিশন: ইসি আনোয়ারুল
এমপিদের শপথ পড়ানোর চিঠি আজই পেতে পারে কমিশন: ইসি আনোয়ারুল
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা
মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নিয়ে অনুমাননির্ভর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান
মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নিয়ে অনুমাননির্ভর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান
গ্রহণযোগ্য নির্বাচনকে স্বাগত জানাল ফ্রান্স, তারেক রহমানকে অভিনন্দন
গ্রহণযোগ্য নির্বাচনকে স্বাগত জানাল ফ্রান্স, তারেক রহমানকে অভিনন্দন
হাবিবসহ ৫ আসামির রায় কবে, জানা যাবে আজ
হাবিবসহ ৫ আসামির রায় কবে, জানা যাবে আজ
সর্বশেষ খবর
রমজান আমাদের কল্যাণভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অনুপ্রেরণা দেয় : প্রধান উপদেষ্টা
রমজান আমাদের কল্যাণভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অনুপ্রেরণা দেয় : প্রধান উপদেষ্টা

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

চীনই আসল হুমকি: তাইওয়ান
চীনই আসল হুমকি: তাইওয়ান

৩৭ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাইবান্ধায় কারাবন্দি আওয়ামী লীগের সভাপতি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু
গাইবান্ধায় কারাবন্দি আওয়ামী লীগের সভাপতি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

৫৪ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

হালুয়াঘাটে বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রাণবন্ত সাহিত্য আড্ডা
হালুয়াঘাটে বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রাণবন্ত সাহিত্য আড্ডা

৬ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

যুবদল নেতার দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ, জামায়াতের দুই নেতা গ্রেফতার
যুবদল নেতার দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ, জামায়াতের দুই নেতা গ্রেফতার

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মিয়ানমার জান্তার ওপর চাপ বাড়াতে নতুন বিল পাস করল যুক্তরাষ্ট্র
মিয়ানমার জান্তার ওপর চাপ বাড়াতে নতুন বিল পাস করল যুক্তরাষ্ট্র

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিলেটের সড়কে ঝরল আরেক প্রাণ
সিলেটের সড়কে ঝরল আরেক প্রাণ

১৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

নওগাঁয় খাসির মাংসের নামে ‘কুকুরের মাংস’ বিক্রির অভিযোগ
নওগাঁয় খাসির মাংসের নামে ‘কুকুরের মাংস’ বিক্রির অভিযোগ

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মা-বাবাকে খুন করতে দা কেনেন শুভ, ছেলেকে হত্যা করে ৯৯৯-এ কল বাবার
মা-বাবাকে খুন করতে দা কেনেন শুভ, ছেলেকে হত্যা করে ৯৯৯-এ কল বাবার

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ ভারতকেই নিতে হবে: বিবিসির প্রতিবেদন
বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ ভারতকেই নিতে হবে: বিবিসির প্রতিবেদন

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩২ আসনে ভোট পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য
৩২ আসনে ভোট পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য

৩০ মিনিট আগে | রাজনীতি

রামপুরায় গুলি ও হত্যা: হাবিবসহ ৫ আসামির রায় ৪ মার্চ
রামপুরায় গুলি ও হত্যা: হাবিবসহ ৫ আসামির রায় ৪ মার্চ

৩১ মিনিট আগে | জাতীয়

'কোথাও যাচ্ছি না, আমার শেকড় এই মাটিতেই'
'কোথাও যাচ্ছি না, আমার শেকড় এই মাটিতেই'

৩২ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

মাদুরোকে ধরতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ‘ক্লড’-এর ব্যবহার করেছিল মার্কিন সেনা, দাবি রিপোর্টে
মাদুরোকে ধরতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ‘ক্লড’-এর ব্যবহার করেছিল মার্কিন সেনা, দাবি রিপোর্টে

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসহায় খোদেজা বেগমের পাশে দাঁড়াল বসুন্ধরা শুভসংঘ
অসহায় খোদেজা বেগমের পাশে দাঁড়াল বসুন্ধরা শুভসংঘ

৪২ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ফরিদপুর-৪ আসন: যেন ‘পাথরে ফুল ফোঁটালেন’ বিএনপির বাবুল
ফরিদপুর-৪ আসন: যেন ‘পাথরে ফুল ফোঁটালেন’ বিএনপির বাবুল

৪৩ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

তিন বছরের মধ্যেই চলে যাবেন ট্রাম্প, ইউরোপকে ডেমোক্র্যাটদের আশ্বাস
তিন বছরের মধ্যেই চলে যাবেন ট্রাম্প, ইউরোপকে ডেমোক্র্যাটদের আশ্বাস

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গাড়ি
নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গাড়ি

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় গৃহবধূ নিহত, সড়ক অবরোধ
সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় গৃহবধূ নিহত, সড়ক অবরোধ

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সন্ধ্যায় শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তারেক রহমান
সন্ধ্যায় শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তারেক রহমান

৫৭ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বিকালে প্রেস ব্রিফিংয়ে আসছেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল
বিকালে প্রেস ব্রিফিংয়ে আসছেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোজায় ট্রাকসেলের মাধ্যমে যেসব পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি
রোজায় ট্রাকসেলের মাধ্যমে যেসব পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বর্ণবাদী ভিডিও বিতর্কে ‘রাজনীতির শালীনতা হারাচ্ছে’: ওবামা
ট্রাম্পের বর্ণবাদী ভিডিও বিতর্কে ‘রাজনীতির শালীনতা হারাচ্ছে’: ওবামা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ ছিল: রাশিয়া
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ ছিল: রাশিয়া

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে আটোরিকশা-বাইক সংঘর্ষে ব্যবসায়ী নিহত
মুন্সীগঞ্জে আটোরিকশা-বাইক সংঘর্ষে ব্যবসায়ী নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ আসলে কী?
‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ আসলে কী?

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বরগুনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
বরগুনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমি আপনার রাস্তাটি করে দেব ‘মা’, এটা আমার দায়িত্ব: এস এম জিলানী
আমি আপনার রাস্তাটি করে দেব ‘মা’, এটা আমার দায়িত্ব: এস এম জিলানী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে ইট বোঝাই ট্রলি চাপায় বৃদ্ধ নিহত
গোপালগঞ্জে ইট বোঝাই ট্রলি চাপায় বৃদ্ধ নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এক লাখের বেশি ভোটে জয়ী ৩১ প্রার্থী, কোন দলে কত
এক লাখের বেশি ভোটে জয়ী ৩১ প্রার্থী, কোন দলে কত

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সর্বাধিক পঠিত
কর্মস্থলে ফিরতে ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুর
কর্মস্থলে ফিরতে ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুর

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির যোগদান অনিশ্চিত
যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির যোগদান অনিশ্চিত

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলে হান্নান মাসউদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারালেন বাবা
ছেলে হান্নান মাসউদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারালেন বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ
তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগের পেশায় ফিরে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা: আলী রীয়াজ
আগের পেশায় ফিরে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা: আলী রীয়াজ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরাসরি খামেনির সাথে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প?
সরাসরি খামেনির সাথে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নিয়োগ বাতিল
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নিয়োগ বাতিল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'একটা লোকও ভোট দিল না'
'একটা লোকও ভোট দিল না'

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিশৃঙ্খলা করায় ৫ কর্মীকে পুলিশে দিলেন নবনির্বাচিত এমপি
বিশৃঙ্খলা করায় ৫ কর্মীকে পুলিশে দিলেন নবনির্বাচিত এমপি

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রবিবার ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাবেন তারেক রহমান
রবিবার ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাবেন তারেক রহমান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতাকর্মীদের যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির
নেতাকর্মীদের যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে মিষ্টি পাঠালেন মমতা
তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে মিষ্টি পাঠালেন মমতা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান, রাশিয়া ও চীনের বৈঠক, আলাপ কি নিয়ে?
ইরান, রাশিয়া ও চীনের বৈঠক, আলাপ কি নিয়ে?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শপথের পর সংসদ সদস্যরা কী কী সুযোগ সুবিধা পান
শপথের পর সংসদ সদস্যরা কী কী সুযোগ সুবিধা পান

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মনোনয়ন না পেলেও সংসদে পৌঁছালেন সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী
মনোনয়ন না পেলেও সংসদে পৌঁছালেন সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জনগণকে কনভিন্স করাটাই আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং: তারেক রহমান
জনগণকে কনভিন্স করাটাই আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং: তারেক রহমান

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজিজ খান, এস আলমের ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন
আজিজ খান, এস আলমের ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

তুলির মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ব্যারিস্টার আরমান
তুলির মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ব্যারিস্টার আরমান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ কার্ডটাই ব্যবহার করছে ইরান?
শেষ কার্ডটাই ব্যবহার করছে ইরান?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অতিরিক্ত দায়িত্বে সিরাজ উদ্দিন মিয়া
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অতিরিক্ত দায়িত্বে সিরাজ উদ্দিন মিয়া

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা-১৬ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি আমিনুলের
ঢাকা-১৬ আসনে পুনর্নির্বাচনের দাবি আমিনুলের

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা: তারেক রহমান
জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা: তারেক রহমান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে ‘নো হ্যান্ডশেক’ প্রশ্নে যা বললেন সূর্যকুমার
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে ‘নো হ্যান্ডশেক’ প্রশ্নে যা বললেন সূর্যকুমার

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানে ভয়ংকর হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন বাহিনী
ইরানে ভয়ংকর হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন বাহিনী

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র, আসলে কি ঘটছে?
নতুন আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র, আসলে কি ঘটছে?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খামেনির সঙ্গে সরাসরি বসে কথা বলতে ইচ্ছুক ট্রাম্প
খামেনির সঙ্গে সরাসরি বসে কথা বলতে ইচ্ছুক ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয়ের পর খালেদা জিয়ার স্মৃতির বেদনায় কাঁদলেন ডা. জাহিদ
বিজয়ের পর খালেদা জিয়ার স্মৃতির বেদনায় কাঁদলেন ডা. জাহিদ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
মন্ত্রিত্বের আলোচনায় সিলেটের সাত নেতা
মন্ত্রিত্বের আলোচনায় সিলেটের সাত নেতা

নগর জীবন

সহিংসতা ঠেকাতে কঠোর নির্দেশনা
সহিংসতা ঠেকাতে কঠোর নির্দেশনা

পেছনের পৃষ্ঠা

গালিগালাজ মানুষ আশা করেনি
গালিগালাজ মানুষ আশা করেনি

প্রথম পৃষ্ঠা

শপথ অনুষ্ঠানে মোদি-শাহবাজকে আমন্ত্রণের চিন্তা
শপথ অনুষ্ঠানে মোদি-শাহবাজকে আমন্ত্রণের চিন্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

মন্ত্রিসভায় আসছেন কারা
মন্ত্রিসভায় আসছেন কারা

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাচ্ছে ভারতীয় নতুন হাইকমিশনার
বাংলাদেশ পাচ্ছে ভারতীয় নতুন হাইকমিশনার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

৩০ আসনে শপথ স্থগিত চায় জামায়াত
৩০ আসনে শপথ স্থগিত চায় জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানের ও গ্রহণযোগ্য
নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানের ও গ্রহণযোগ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

‘আ.লীগ পুনর্বাসনের শর্তে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে’
‘আ.লীগ পুনর্বাসনের শর্তে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে’

নগর জীবন

ভোট দেওয়ায় তালাক পাওয়া গৃহবধূর দায়িত্ব নিল বিএনপি
ভোট দেওয়ায় তালাক পাওয়া গৃহবধূর দায়িত্ব নিল বিএনপি

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশ ছাড়লেন বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ
দেশ ছাড়লেন বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ

পেছনের পৃষ্ঠা

সহিংসতা প্রতিশোধ নয়, ঐক্য
সহিংসতা প্রতিশোধ নয়, ঐক্য

প্রথম পৃষ্ঠা

কে হচ্ছেন নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী
কে হচ্ছেন নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী

মাঠে ময়দানে

নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা ইউরোপীয়দের
নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা ইউরোপীয়দের

পেছনের পৃষ্ঠা

এক গ্রামে তিন এমপি
এক গ্রামে তিন এমপি

নগর জীবন

নতুন সরকারের সামনে কঠিন পথ
নতুন সরকারের সামনে কঠিন পথ

প্রথম পৃষ্ঠা

দায়িত্বশীল বিরোধী দল হবে জামায়াত
দায়িত্বশীল বিরোধী দল হবে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

এনসিপির আট নেতা-নেত্রী আলোচনায়
এনসিপির আট নেতা-নেত্রী আলোচনায়

পেছনের পৃষ্ঠা

মঙ্গলবার সকালে এমপি বিকালে মন্ত্রীদের শপথ
মঙ্গলবার সকালে এমপি বিকালে মন্ত্রীদের শপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

২১ মামলায় বিচার চলছে ৪৫৭ জনের
২১ মামলায় বিচার চলছে ৪৫৭ জনের

পেছনের পৃষ্ঠা

ডা. শফিক ও নাহিদের বাসায় যাবেন তারেক
ডা. শফিক ও নাহিদের বাসায় যাবেন তারেক

প্রথম পৃষ্ঠা

১১-দলীয় জোট সংসদের ভিতরে-বাইরে একসঙ্গে কাজ করবে
১১-দলীয় জোট সংসদের ভিতরে-বাইরে একসঙ্গে কাজ করবে

নগর জীবন

নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছেন শেখ মানিক
নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছেন শেখ মানিক

নগর জীবন

ছয়বারের এমপি জি এম সিরাজ
ছয়বারের এমপি জি এম সিরাজ

নগর জীবন

ভালোবাসা ও বসন্ত একাকার
ভালোবাসা ও বসন্ত একাকার

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও গণভোটের গেজেট প্রকাশ
নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও গণভোটের গেজেট প্রকাশ

প্রথম পৃষ্ঠা

চব্বিশ-পরবর্তী বাংলাদেশ ভীতসন্ত্রস্ত নয়
চব্বিশ-পরবর্তী বাংলাদেশ ভীতসন্ত্রস্ত নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন দল প্রধানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন
তিন দল প্রধানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচ কেন্দ্রের ভোট বাতিল, ফলাফল স্থগিতের দাবি
পাঁচ কেন্দ্রের ভোট বাতিল, ফলাফল স্থগিতের দাবি

নগর জীবন