শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:২২, সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২১

বিদ্যাসাগরের চোখ

শামীম আজাদ
অনলাইন ভার্সন
বিদ্যাসাগরের চোখ

বিদ্যাসাগরের চটিজুতা নিয়ে গল্প আছে। গল্প আছে আছে গান্ধীজীর কৌপীন নিয়েও। এ নিয়ে তাঁরা নিজেরা বহুবার প্রত্যাখ্যাত, বিদ্রূপ কিংবা নানান প্রশ্নের সম্মুখীনও হয়েছেন। তাদের কাছ থেকে এর উত্তর এবং ব্যাখ্যাও আমাদের অজানা নেই। আর তাতে দু’জনেরই স্বাজাত্য চেতনা, স্বজাতির অবস্থান, আবহাওয়া এবং ব্যক্তি হিসেবে তাঁদের নিজস্ব উপলব্ধিই কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।

লক্ষ্য করুন, এ দু’টোই হল তাঁদের বহিরঙ্গের -পোশাকের অংশ বা অনুষঙ্গ। কিন্তু কথা সেটা না। কথা হল, আমি বিদ্যাসাগরের ব্যাপারে তাঁর তালতলার চটিজোড়াকে চোখের পর্যায়ে নিয়ে আসতে চাই। কিভাবে? তা’হলে আরেকটু বিস্তৃত পরিসরে যেতে হবে। আর সেখানে গেলেই দেখতে পাবো নারীর সত্ত্বার চিহ্নায়ণে বিদ্যাসাগরের দৃষ্টি। 

এখন বলছি পাদুকা বা জুতা নিয়ে। এ এমনই অনুষঙ্গ যে সামান্য অস্বস্তিও অগ্রাহ্য করা যায় না। গায়ের জামা, কোট, মোজা, মাফলার একটু উনিশ কুড়ি হলেও চালিয়ে দেয়া যায়। কিন্তু জুতো? কষ্মিন কালেও নয়। তাই অন্যের জুতো পরে হাঁটলেই যা লাগে পায়ে যে না খুলে ফেলা পর্যন্ত নিস্তার হয় না। অন্যভাবে বলা যায় অন্যের জুতো পায়ে পরলে তবেই তাকে বোঝা যায়। এ থেকেই হয়তো ইংরেজিতে একটা প্রবাদ তৈরি হয়েছে। তা হল ‘পুট ইয়োরসেলফ ইন সামবডি এলসেস স্যু’জ অর প্লেস’ তবেই বুঝবে আসল কথা। কারণ এতে পুরো প্রেক্ষিতটাই বদলে যায়।

সত্যি শোষণকারী যদি একবার শোষিতের স্থানে গিয়ে দাঁড়াতো তাহলেই সে পালটা পৃথিবীর দুঃখ বা সুখ বুঝতে পারতো। আমি বলতে চাই বিদ্যাসাগরের বাহ্যিক জুতোজোড়া তাল তলারচটি হলেও তাঁর আসল চটিজোড়া ছিল নারীর। তিনি নারীর জুতোয় হেঁটেছিলেন বলেই দেখতে পেয়েছিলেন নারীর সত্ত্বা-পুরুষের অগোচরে থেকে যাওয়া বাকি অর্ধেক পৃথিবী।

বিদ্যাসাগর সম্পর্কে মাইকেল মধুসূদন লিখেছিলেন, ‘তাঁর মধ্যে রয়েছে প্রাচীন ঋষির প্রতিভা ও প্রজ্ঞা, ইংরাজের সতেজ কর্মশক্তি এবং বাঙালি মায়ের হৃদয়।’ লক্ষ্য করুন বাঙালি মায়ের হৃদয় শব্দটি। এর উপলব্ধি কি সুন্দর ইতিবাচক ভাবে উঠে এসেছে বাংলা সাহিত্যে নব জাগরণের কবির ভাষ্যে। আমরা জানি একজন নারী জীবন ও জগতে কেবল নিজস্বার্থ চিন্তা করে না। সংসারের সবার কথা ভেবেই এমনকি কখনো বৃহত্তর সংকট এড়াবার নিজে অতি অল্প খেয়ে, অতি অল্প দেখে, অতি অল্প সময় ঘুমিয়ে- অনেক বেশি দিয়ে পরিয়ে ও মুড়িয়ে যায় বাকিদের।

তাদের নিজেদের বৃদ্ধি, আরাম, শুশ্রূষা, বিশ্রাম, সাধ সবই আড়ালে থেকে যায়। কী যে আড়ালে থেকে যায় বা কোথায় কোথায় তাহাদের ব্যথা তাহা জানার একমাত্র উপায় হল তাদের স্থানে দাঁড়িয়ে জীবন দেখা। আমি বলতে চাই বিদ্যাসাগর নারীর জুতোতে নিজেকে গলিয়ে তাই পর্যবেক্ষণ করেছেন বলেই নারীর সত্ত্বা চিহ্নায়নে সমর্থ হয়েছিলেন।

কি সেই সত্ত্বা? নারীর কোমলতা, মাতৃত্ব, পারঙমতা? না। নারী হিসেবে পুরুষের মত যে তার রয়েছে সমান এক মানব সত্ত্বা। যেখানে ন্যায্যতার কথা বলতে হয়। আমি তথাকথিত নারীবাদীদের মত সমতার কথা বলি না। বলি ন্যায্যতার কথা। বলি নারী ও পুরুষের ভিন্নতাই সুন্দর। সেটা স্বীকার করে তাদের ভিন্ন ভিন্ন শক্তির শুভপরিণয়েই জগতের কাজগুলোর সহজ সুরাহা সম্ভব। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সেই মর্মে কাজ করেছেন। সেই মর্মে পুরুষ হয়েও নারীসুলভ মন নিয়ে, মাতৃহৃদয় নিয়ে তিনি ‘জনহিতকর’, ‘জনকল্যাণের’ জন্য কাজ করেছেন।

তিনি তখনকার সমাজ থেকে এত নিন্দা কাঁটায় বিদ্ধ হয়েছেন যে বিশ্বকবি যথার্থই বলেছিলেন যে, যাঁরা মহাপুরুষ ‘বাহিরের অগৌরব তাঁদের অন্তরের সেই সম্মানের টীকাকেই উজ্জ্বল করে তোলে– অসম্মানই তাঁদের পুরস্কার।’ বিধবাবিবাহ আইন প্রণয়ন, বহুবিবাহ রোধ ও বাল্য বিবাহ বন্ধ করতে গিয়ে তিনি বহু মানুষের ব্যঙ্গ, বিদ্রূপ, প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়েছেন। তাঁকে বিদ্রূপ করে কবিতা লেখা হয়েছে।

বঙ্কিমচন্দ্রের মতো সাহিত্যিকও বিভিন্ন লেখালেখির মাধ্যমে বিদ্যাসাগরের বিধবাবিবাহ আন্দোলনের বিরোধিতা করছেন। বিষবৃক্ষ উপন্যাসের সূর্যমুখী চরিত্রের মাধ্যমে বিধবাবিবাহ আন্দোলনকে কটাক্ষ করছেন তীব্র ভাষায়। শরৎচন্দ্র তাঁর গল্পে উপন্যাসে কিছু কিছু আচার ও বিধবার সৌন্দর্য এমন ভাবে তুলে ধরেছেন যে তাতে আকর্ষিত না হবার উপায় থাকে না। শুনেছি স্বামী বিবেকানন্দও নাকি বিধবাদের ব্যাপারে ইতিবাচক কথাই বলে গেছেন। ব্রিটিশ সিভিল সার্ভিস মানে ‘সুশীল সেবাদানকারী সংস্থার’ বিচারক ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র। এমনকি তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যে প্রকরণগত দিক থেকে আধুনিক উপন্যাসের জনক সেই তিনি কি করে লিখেন, ‘যে বিধবার বিবাহের ব্যবস্থা দেয়, সে যদি পণ্ডিত তবে মূর্খ কে?’ 

তাঁর নানান জন হিতকর কাজের মধ্যে নারীর হিত তথা সমাজের হিতই প্রধান ছিল। তিনি ‘জন’ শব্দের মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয়ের হিত বুঝতেন। নারীর হিত হলেই তবে জনহিত হবে একথা মনে করতেন। পরবর্তী সময়ে মুসলমান মেয়েদের অন্তঃপুর থেকে সে কারণেই বাইরে আনার চেষ্টা করেন রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন। বেগম রোকেয়া বলতেন, এক পায়ে মানুষ বেশিদূর এগিয়ে যেতে পারবে না, পারে না। মানুষের এগিয়ে যাবার জন্য দু’টো পা’ই সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নারী ও পুরুষ সমাজ দেহের দুই পা। 

নারীও মানুষ এবং সেদিক থেকে দেখে তিনি তাদের মানবাধিকার, বোধ ও মনের স্বরূপ সমাজের কালো মুখ গহ্বর থেকে টেনে বাইরে নিয়ে আসেন। কি সেই সত্ত্বা? নারীর কোমলতা, মাতৃত্ব, পারঙমতা? না। নারী হিসেবে পুরুষের মত তার মানব সত্ত্বা। যেখানে ন্যায্যতার কথা বলতে হয়। আমি তথাকথিত নারীবাদীদের মত সমতার কথা বলি না। বলি ন্যায্যতার কথা। বলি নারী ও পুরুষের ভিন্নতাই সুন্দর। সেটা স্বীকার করে তাদের ভিন্ন ভিন্ন শক্তির শুভপরিনয়েই জগতের কাজগুলোর সহজ সুরাহা সম্ভব।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সেই মর্মে কাজ করেছেন। সেই মর্মে পুরুষ হয়েও নারীসুলভ মন নিয়ে, মাতৃহৃদয় নিয়ে তিনি ‘জনহিতকর’, ‘জনকল্যাণের’ জন্য কাজ করেছেন। সমাজের চোখের গেরোগুলো খুলে দিতে সচেষ্ট হয়েছেন। নারীর প্রতি কোন পক্ষপাত তার ছিলনা। তাঁর চোখে ছিল সমাজ স্বচ্ছ চশমা। সে ও আজ থেকে দুইশত বছর আগে ভাবা যায়! যায় না।

নারীর কোন নিজস্ব সত্ত্বা আছে তা উনবিংশ সময়ের সমাজের মানুষের বোধের মধ্যেই ছিলনা।মানুষ যা দেখে বেড়ে ওঠে তাতে অসংগতি সাধারণত দেখতে পায় না। আরও পায় না যদি না তার নিজের জীবন যাপনে কোন বিঘ্ন না ঘটায়।  উপরন্তু এই বিধবাদের বিয়ে না হওয়া, পুরুষের বহু বিবাহ করা, বাল্য বিবাহ সবই সমাজের পুরুষের যৌন সুবিধা, সেবা প্রাপ্তি, সম্পত্তি লাভ পুরুষের বাড়তি লাভ ও সুবিধা করে দিচ্ছিল। তাতে নারীর মনে ও মানসিকতায়, তার দেহে, তার অর্থনৈতিক সংস্থানে, স্বাস্থ্যে, মানুষ হিসাবে তার অধিকারে কি প্রভাব, প্রতিফল, অন্যায় হচ্ছে তা বিদ্যাসাগরই উঠিয়ে আনেন। প্রশ্ন বিদ্ধ করেন।

পুরুষের দ্বারা পরিচালিত সমাজে পুরুষ সত্তা ও তার চাহিদা স্বীকৃত।  তা থেকেই বর্বর সহমরণ প্রথা ছিল যা বন্ধ করার জন্য মূল কাজ ও আন্দোলন করেন রাম মোহন রায়। একটি বিদেশী শাসকের জন্য যা অগ্রহণীয় ছিল নিজ সমাজের  সুবিধাভোগী পুরুষ নেতাদের কাছে তা ছিলনা।

স্বামীই পরমার্থ প্রথা- মানে তুমি যদি সতী হও স্বামী ছাড়া তোমার কোন জীবন নেই। এযে স্বামী নয় আরেকজন মানুষ যিনি একজন নারীর মতই দেহ ও মনে সুখ সুবিধা লাভের সমান অধিকারী- তা তিনি বোঝেন কিন্তু নারীকে বুঝতে দেননি। ছেলে-শিশুদের সে অর্থেই বড় করে তোলা হয়েছে। অধিকাংশ নারী এতে সে কি থেকে বঞ্চিত হল তাহাও উপলব্ধির সুযোগ দেয়া হয়নি। এর সবই তিনি আঁচ ও আন্দাজ করতে পেরেছিলেন। 

কথা হল এসব কথা কি বিদ্যাসাগরের কালে যারা তার বিরোধিতা করেছেন তারা তা বুঝেন নি বা উপলব্ধি করতেন না? খুব করতেন। কর্তৃত্বটা চলে যাবার আশংকায়  তা চাইতেন না। এরকম সময়  সমাজের অনেক নামকরা মানুষ প্রতিক্রিয়াশীলদের  পক্ষে  না গেলেও বিপক্ষে যান নি। বিদ্যাসাগরের এই নারী কল্যাণ বিষয়ে কাজ করার জন্য গেল গেল সমাজ রসাতলে গেল বলে তাঁর প্রাণনাশেরও হুমকি দেওয়া হয়েছে। বছরের পর বছর মা’কে দেখতে যেতে না পেরে কেঁদেছেন। এমন কি মানুষের সামনেও। এতে তার পৌরুষত্ব খর্ব হচ্ছে ভাবেন নি। 

যে সমাজে স্বাভাবিক ব্যর্থতা, কানা, অপারগতা লুকিয়ে পুরুষকে শক্তিশালি ও মহত দেখানোর জন্য বাল্যকাল থেকে শিক্ষা দেয়া হয় – তিনি তার বিপরীতে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেন,’এদেশের উদ্ধার হতে বহু বিলম্ব আছে। পুরনো স্বভাব ও প্রবৃত্তির মানুষের চাষ উঠিয়ে দিয়ে, সাত পুরু মাটি তুলে ফেলে, নতুন মানুষের চাষ করতে পারলে, তবে যদি এদেশের ভালো হয়।’

বাংলাদেশে হিজাব নেকাব ও নানান অনুশাসনে ও ধর্ষণে ধর্ষণে নারীকে যেভাবে আবার বাক্সবন্দী করে পেছনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তা দেখে আমার আশ্চর্য লাগে। ভাবতে বাধ্য হই যে দু’শো বছর পরেও  আমাদের দেশ ও সমাজের প্রকৃতি বদলে নি। তিনি তাই এখনো প্রাসঙ্গিক। তিনি ঈশ্বরবাদী, বস্তুবাদী, বেদান্তবাদী, অজ্ঞেয়বাদী এমনকি নারীবাদীও নন। তিনি মানবতাবাদী। তিনি বক্তৃতা ও গালভরা তত্ত্ব  বলেন নি। 

তিনি সামগ্রিকভাবে মানবকল্যাণের নিমিত্তে উদয়াস্ত কাজ করতে গিয়ে যেখানে যেখানে অপূর্ণতা দেখেছেন সেখানেই কাজ করে গেছেন। বিদ্যাসাগর সমাজের চোখের গেরোগুলো খুলে দিতে সচেষ্ট হয়েছেন। নারীর প্রতি কোন পক্ষপাত তার ছিলনা। তাঁর চোখে ছিল সমাজ স্বচ্ছ চশমা। সে ও আজ থেকে দুইশত বছর আগে ভাবা যায়! যায় না।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৯ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন