শিরোনাম
প্রকাশ: ২২:২০, সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা

অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহ
অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা

বর্তমান একুশ শতকের পরিবর্তিত বাস্তবতায় ভূ-রাজনীতি এখন রূপ নিয়েছে ভূ-অর্থনীতিতে। যুদ্ধবিগ্রহ, পরাশক্তিগুলোর বাণিজ্য যুদ্ধ এবং মহামারি-পরবর্তী পৃথিবীতে গ্লোবাল সাপ্লাই চেইন বা বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা অত্যন্ত দ্রুতগতিতে রূপ বদলাচ্ছে। এই পরিবর্তনশীল এবং চরম প্রতিযোগিতামূলক বৈশ্বিক সমীকরণে সামান্য বিচ্যুতির কারণেও একটি দেশের অর্থনীতি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। ঠিক এই ভূ-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটেই সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম মালয়েশিয়া সফরটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এশীয় শতাব্দীর এই সন্ধিক্ষণে এটি বাংলাদেশের ‘লুক ইস্ট’ বা পূর্বমুখী অর্থনৈতিক কূটনীতির একটি যুগান্তকারী টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে।

আশির দশকে মালয়েশিয়ার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর অর্থনৈতিক নির্ভরতা কমিয়ে এশিয়ার অভ্যন্তরীণ শক্তির ওপর ভরসা করতে ‘লুক ইস্ট পলিসি’ বা পূর্বমুখী নীতি গ্রহণ করেছিলেন। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নত প্রযুক্তি, কঠোর কর্মসংস্কৃতি এবং শিল্পায়নের সফল মডেলকে নিখুঁতভাবে নিজেদের দেশের উপযোগী করে বাস্তবায়ন করার মাধ্যমেই মালয়েশিয়া একসময় নিজেকে বিশ্বমঞ্চে ‘এশিয়ান টাইগার’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছিল।

বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্য এই নীতির অর্থ হলো আসিয়ানভুক্ত উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর সাথে নিজেদের সংযোগকে আরও গভীর ও সুসংহত করা। মালয়েশিয়া যেভাবে জাপানি পুঁজি ও প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে নিজেদের দ্রুত শিল্পায়ন ঘটিয়েছিল, বাংলাদেশকেও ঠিক একই কৌশল অবলম্বন করতে হবে। মালয়েশিয়ার উদ্বৃত্ত পুঁজি, হাই-টেক অবকাঠামোগত অভিজ্ঞতা এবং বিশ্ববাজারে বাণিজ্যের দীর্ঘ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের স্বার্থে কীভাবে সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়, তা এই সফরের অন্যতম প্রধান কৌশলগত লক্ষ্য হওয়া উচিত।

বাংলাদেশের সাথে মালয়েশিয়ার বন্ধন ঐতিহাসিক। ধর্ম, সংস্কৃতি ও আবহাওয়ার মিলসহ দেশ দুটির মধ্যে রয়েছে এক অকৃত্রিম ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ১৯৭২ সালে মালয়েশিয়াই প্রথম আমাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়েছিল। তবে বর্তমান সময়ের বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে সেই সম্পর্ককে একটি সুনির্দিষ্ট ও সুদূরপ্রসারী ‘কৌশলগত অংশীদারিত্বে’ রূপান্তর করার মোক্ষম সময় এসেছে। এই রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে হলে আমাদের মালয়েশিয়ার বর্তমান সামষ্টিক অর্থনীতির ভেতরের চিত্রটি অনুধাবন করতে হবে। আশির ও নব্বইয়ের দশকে চমৎকার প্রবৃদ্ধি অর্জন করলেও মালয়েশিয়া বর্তমানে সামষ্টিক অর্থনীতির একটি বহুল চর্চিত ফাঁদ, যা ‘মধ্যম আয়ের ফাঁদ’ নামে পরিচিত, তা এড়ানোর জন্য তীব্র লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। চীনের গ্লোবাল ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের বিশাল উত্থান এবং পাশেই ইন্দোনেশিয়া বা ভিয়েতনামের মতো শক্তিশালী ও সস্তা শ্রমের অর্থনীতির কারণে মালয়েশিয়ার স্থানীয় উৎপাদন খাত বিশ্ববাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়েছে।

জাপানি অর্থনীতিবিদ কানামোরির বিখ্যাত ‘ফ্লাইং গিজ প্যারাডাইম’ বা উড়ন্ত হাঁসের তত্ত্ব অনুযায়ী, একটি অগ্রসর অর্থনীতি যখন প্রযুক্তিগতভাবে ওপরের ধাপে উন্নীত হয়, তখন তার শ্রমঘন শিল্পগুলোকে অপেক্ষাকৃত কম মজুরির ও বিশাল জনসংখ্যার দেশে স্থানান্তর করতে হয়। মালয়েশিয়ার জনসংখ্যা মাত্র সাড়ে তিন কোটির কাছাকাছি এবং তাদের সমাজ ব্যবস্থা দ্রুত বয়স্ক হওয়ার দিকে এগোচ্ছে, যার ফলে তাদের পক্ষে এখন আর সস্তা শ্রমের ওপর ভিত্তি করে শিল্প টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। নিজেদের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং গ্লোবাল সাপ্লাই চেইনে টিকে থাকতে তাদের এখন এমন একটি স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার প্রয়োজন, যার বিশাল তরুণ জনবল ও একটি বড় অভ্যন্তরীণ বাজার রয়েছে। অন্যদিকে মালয়েশিয়ার উদ্বৃত্ত পুঁজি ও উচ্চ প্রযুক্তি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। অর্থনীতির জনক অ্যাডাম স্মিথ ও পরবর্তীকালে ডেভিড রিকার্ডো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের যে চমৎকার ভিত্তি দাঁড় করিয়েছিলেন, সেই ‘কম্পারেটিভ অ্যাডভান্টেজ’ বা তুলনামূলক সুবিধার তত্ত্বের আলোকেই দুই দেশের এ সমীকরণটি সম্পূর্ণ নিখুঁত। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংহতির মূল কথাই হলো একে অপরের শূন্যস্থান পূরণ করা। মালয়েশিয়ার বিপুল পুঁজি, উন্নত প্রযুক্তি, দক্ষ ব্যবস্থাপনা, হাই-টেক অবকাঠামো এবং বিশ্ববাজারে প্রবেশের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার বিপরীতে বাংলাদেশের রয়েছে ১৮ কোটি মানুষের বিশাল ও ক্রমবর্ধনশীল ভোক্তা বাজার, জনমিতিক লভ্যাংশ এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একটি অত্যন্ত কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরে সামষ্টিক অর্থনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি হলো দ্বিপাক্ষিক ‘মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি’ (এফটিএ)। ২০২৬ সালে এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই চুক্তি বাংলাদেশের পোশাক, ওষুধ ও কৃষিপণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি আসিয়ান ব্লকে ‘সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার’ হতে কূটনৈতিক মাস্টারস্ট্রোক হিসেবে কাজ করবে। অন্যদিকে, রপ্তানিতে তৈরি পোশাকের এককেন্দ্রিকতা কাটাতে মালয়েশিয়ার সেমিকন্ডাক্টর (পেনাং) শিল্পের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হতে পারে। বৈশ্বিক চিপ প্যাকেজিংয়ের ১৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণকারী মালয়েশিয়ার এই শ্রমঘন হাই-টেক শিল্পের একাংশ বাংলাদেশের স্পেশাল ইকোনমিক জোনে স্থানান্তর করা গেলে প্রযুক্তি খাতের চেহারা বদলে যাবে। এর পাশাপাশি জ্বালানি, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতাসহ বিশ্বব্যাপী ৩.৩ ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল বাজার ধরতে মালয়েশিয়ার সহায়তায় যৌথ উদ্যোগ গঠন এই সফরের অন্যতম অগ্রাধিকার।

মানবসম্পদ ও জনযোগাযোগের ক্ষেত্রে এই সফর প্রবাসী কর্মীদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ করতে হবে। শ্রমবাজারের অদৃশ্যমান সিন্ডিকেট ভেঙে একটি স্বচ্ছ ও ডিজিটালাইজড জি-টু-জি (G2G) কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য হওয়া উচিত। এর মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রবাহ মসৃণ করার পাশাপাশি সনাতনী অদক্ষ শ্রমিকের পরিবর্তে মালয়েশিয়ার আইটি, নার্সিং ও হাই-টেক খাতের জন্য দক্ষ বা ‘হোয়াইট-কলার’ জনশক্তি রপ্তানিতে জোর দিতে হবে। অন্যদিকে, দেশের শিল্পায়ন অব্যাহত রাখতে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় কোম্পানি ‘পেট্রোনাস’র সাথে দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি সরবরাহ চুক্তি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে তাদের বিনিয়োগ আকর্ষণ করা গেলে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা অনেকটাই সুসংহত হবে।

কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। মাহাথির মোহাম্মদের নেতৃত্বে মালয়েশিয়া শিল্পোন্নত দেশে পরিণত হলেও বর্তমানে তাদের বিপুল পরিমাণ উর্বর কৃষি জমি পতিত অবস্থায় রয়েছে। মালয়েশিয়া থাইল্যান্ডের সফল ‘অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রিয়াল’ মডেল অনুসরণ করে এবং বাংলাদেশের দক্ষ শ্রম ও প্রাতিষ্ঠানিক কৃষি অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তাদের বিশাল পতিত জমিকে একটি বৈশ্বিক কৃষি রপ্তানি হাবে রূপান্তর করতে পারে। থাইল্যান্ডের কৃষি সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হলো তাদের কঠোর ‘গ্লোবাল গ্যাপ’ সার্টিফিকেট, সমন্বিত সাপ্লাই চেইন ও স্মার্ট ফার্মিং। এই সমীকরণে মালয়েশিয়াকে তাদের সারাওয়াক, সাবাহ বা কেদাহ রাজ্যের বিশাল পতিত জমিকে ‘বিশেষ অর্থনৈতিক কৃষি অঞ্চল’ ঘোষণা করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারের বিশেষায়িত সংস্থা বা শীর্ষস্থানীয় এগ্রো-কর্পোরেট ও স্বাধীন উদ্যোক্তারা স্থানীয় জমির মালিকদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে যৌথ উদ্যোগে এই পতিত জমিগুলো দীর্ঘমেয়াদে লিজ নিতে পারে।

আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সরবরাহ করবে মালয়েশিয়া, আর বাংলাদেশ থেকে পাঠানো হবে সাধারণ কৃষি শ্রমিকের পাশাপাশি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন কারিগরি ইনস্টিটিউট থেকে পাস করা ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ও দক্ষ যুবকদের নিয়ে গঠিত ‘স্মার্ট ফার্মিং স্কোয়াড’। উৎপাদিত ফসলের মাঠপর্যায়ের গ্রেডিং, সর্টিং এবং প্রাথমিক প্রক্রিয়াকরণ ও যৌথ ব্র্যান্ডিংয়ে প্রধান ভূমিকা রাখবে বাংলাদেশিরা। মালয়েশিয়া যদি বিশ্বমানের ফাইটোস্যানিটারি ও হালাল সার্টিফিকেশন ল্যাব তৈরি করে, তবে আধুনিক যন্ত্রপাতি দ্বারা উৎপাদিত পণ্য সরাসরি ইউরোপ, আমেরিকা এবং বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের বিশাল হালাল খাদ্যের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধায় প্রবেশ করতে পারবে। এই মহাপরিকল্পনা সফল করতে হলে দুই দেশের মধ্যে একটি ‘কৌশলগত কৃষি অংশীদারিত্ব চুক্তি’ স্বাক্ষর করতে হবে।

ঐতিহ্যগত এই খাতগুলোর পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিস্তারকারী ক্ষেত্র হতে পারে স্বাস্থ্য, উচ্চশিক্ষা এবং পর্যটন খাত। প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ উন্নত চিকিৎসার খোঁজে বিদেশে পাড়ি জমায়, যার ফলে দেশের একটি বিশাল অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা বাইরে চলে যায়। এই চিকিৎসা পর্যটন ও অর্থপাচার রোধ করতে মালয়েশিয়ার বিশ্বমানের হাসপাতাল এবং উন্নত চিকিৎসাসেবা খাতের অভিজ্ঞতাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসতে হবে। মালয়েশিয়ার শীর্ষস্থানীয় হেলথকেয়ার গ্রুপগুলোর বিনিয়োগ ও যৌথ অংশীদারিত্বে যদি বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের বিশেষায়িত চিকিৎসা অবকাঠামো ও হাসপাতাল গড়ে তোলা যায়, তবে দেশের ভেতরেই সাধারণ মানুষ সাশ্রয়ী মূল্যে আধুনিক চিকিৎসা পাবে এবং বিদেশে রোগী যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা ও প্রবণতা কমে যাবে।

একইভাবে, শিক্ষা খাতেও এক নতুন দিগন্তের সূচনা করা সম্ভব। বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার মেধাবী শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে চলে যাচ্ছে, যা এক ধরনের মারাত্মক মেধাপাচার বা ‘ব্রেন ড্রেন’ তৈরি করছে। এই সংকট উত্তরণে মালয়েশিয়ার স্বনামধন্য ও আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শাখা ক্যাম্পাস বাংলাদেশে স্থাপনের জন্য বিশেষ নীতিগত প্রণোদনা এবং লজিস্টিক সহায়তা প্রস্তাব করা যেতে পারে। বাংলাদেশে মালয়েশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা স্থাপিত হলে স্থানীয়ভাবে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করা যাবে, যা একদিকে মেধাপাচার রোধ করবে এবং অন্যদিকে বৈশ্বিক বাজারের উপযোগী এক বিশাল দক্ষ ও প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন স্থানীয় জনশক্তি তৈরিতে প্রধান ভূমিকা রাখবে।

পর্যটন শিল্পের ক্ষেত্রেও মালয়েশিয়ার সাফল্য বাংলাদেশের জন্য অনুকরণীয়। বিশ্বের অন্যতম সেরা পর্যটনবান্ধব দেশ হিসেবে মালয়েশিয়ার যে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং আতিথেয়তা শিল্পের দক্ষ ব্যবস্থাপনা রয়েছে, তা বাংলাদেশের কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, সুন্দরবন, বান্দরবনের মতো অবারিত সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে এবং আধুনিক বিনোদন ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণে মালয়েশিয়ার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও বিনিয়োগকে কাজে লাগানো প্রয়োজন। মালয়েশিয়ার শীর্ষস্থানীয় হোটেল ও রিসোর্ট চেইনের উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ বিনিয়োগ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ ট্যুরিজম জোন প্রতিষ্ঠা করা গেলে তা আমাদের পর্যটন খাতের চেহারা বদলে দেবে। ভৌগোলিক নৈকট্য, সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং গভীর সাংস্কৃতিক বোঝাপড়ার কারণে এই খাতগুলোতে যৌথ উদ্যোগ ও অংশীদারিত্ব গ্রহণ করা আসিয়ানভুক্ত অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে মালয়েশিয়ার সাথে অনেক বেশি বাস্তবসম্মত এবং উভয় দেশের জন্যই অত্যন্ত অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক ও ফলপ্রসূ হবে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরটিকে ভবিষ্যৎমুখী এক দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপে রূপ দিতে হবে। বাংলাদেশের এখন আর সাহায্য বা অনুদানের দিকে তাকিয়ে থাকলে চলবে না। আমাদের এমন একটি ব্যবসাবান্ধব ইকোসিস্টেম এবং লজিস্টিক অবকাঠামো তৈরি করতে হবে যেখানে মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলো নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থেই বিনিয়োগ করতে এগিয়ে আসবে। মালয়েশিয়ার ‘লুক ইস্ট পলিসি’ এবং বাংলাদেশের ভিশনারি অর্থনৈতিক লক্ষ্যগুলোকে যদি এক সুতোয় গাঁথা যায়, তবে ঢাকা-কুয়ালালামপুর সম্পর্ক দ্বিপাক্ষিক গণ্ডিতে না থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং অনুকরণীয় অর্থনৈতিক করিডোর তৈরি করবে।

লেখক : পরিচালক, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
সর্বশেষ খবর
রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি
রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি

১ সেকেন্ড আগে | ক্যাম্পাস

নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা
নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা

৫ সেকেন্ড আগে | অর্থনীতি

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

১ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ
ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ

৫ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা

৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা
বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা

৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা

১১ মিনিট আগে | নগর জীবন

তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি
তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে
একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে

১৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা
‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা

১৬ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

১৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার
বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার

১৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন
স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার
নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা
মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

৩৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০
যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু

৪৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন
১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন

৫৩ মিনিট আগে | জাতীয়

৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন
৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮
আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬
রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক
যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক
রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি
চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫০ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের তাপমাত্রা
৫০ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের তাপমাত্রা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?
দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা
ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা
১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?
‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!
বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ
নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে
বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা
মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন
সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার
ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ
যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা
খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়
‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?
পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!
মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!
'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’
ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার
স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা
বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো
সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু
তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন
হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন
রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না
দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার

প্রথম পৃষ্ঠা

নেইমার কি খেলবেন
নেইমার কি খেলবেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান
বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান

পেছনের পৃষ্ঠা

বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ
বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের
অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের

পেছনের পৃষ্ঠা

চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি
চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি

পেছনের পৃষ্ঠা

নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?
শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?

শোবিজ

এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স
এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের
নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি

সম্পাদকীয়

প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট

সম্পাদকীয়

মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড
মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড

মাঠে ময়দানে

ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর
ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়
ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়

নগর জীবন

হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা
হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক
সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

জাকির হোসেন আর নেই
জাকির হোসেন আর নেই

শোবিজ

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

মিশা সওদাগর
মিশা সওদাগর

শোবিজ

চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর
চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর

প্রথম পৃষ্ঠা

সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে
ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে

দেশগ্রাম

তিনি কে?
তিনি কে?

শোবিজ

শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন
শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন

পেছনের পৃষ্ঠা