সারাদেশের ন্যায় কুড়িগ্রামেও আজ রবিবার মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০১০ সালের পর থেকে মাধ্যমিক স্তরে এই বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধ ছিল। দীর্ঘ ১৫ বছর পর পুনরায় পরীক্ষা চালু হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের ছাপ লক্ষ্য করা গেছে।
কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি উপজেলায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দাখিল মাদরাসা, কারিগরি বিদ্যালয় ও ইবতেদায়ী মাদরাসা মিলিয়ে এবছর মোট বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছিল ৬ হাজার ৩৩৭ জন। এর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ৩৪২ জন।
জেলার ৯টি কেন্দ্রে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী ছিল ৪ হাজার ৯৬ জন, যার মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ১৪৯ জন। মাধ্যমিক স্তরে মোট পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ছিল ১ হাজার ৬৪৯ জন এবং ছাত্রী ছিল ২ হাজার ২৯৮ জন।
কুড়িগ্রাম সদরের মধ্য কুমরপুর গার্লস স্কুলের পরীক্ষার্থী আরিফা খাতুন বলেন, বৃত্তি পরীক্ষা দিয়ে আমি খুবই আনন্দিত। এ পরীক্ষার মাধ্যমে আমাদের মেধা যাচাই হবে। এজন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
অভিভাবক শ্রী হরিচন্দ্র সরকার বলেন, দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন হয়নি। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
যাত্রাপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মীর আবুল কাসেম রনি বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। আশা করি ২-৩ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে।
কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসার সফিকুল ইসলাম জানান, অত্যন্ত সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজকের এই শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ