শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

আস্থা থাকা না-থাকা

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
প্রিন্ট ভার্সন
আস্থা থাকা না-থাকা

মানুষ বিশ্বাস ছাড়া বাঁচে না। এমনকি অবিশ্বাসও তো বিশ্বাসই এক প্রকারের। তবে এটাও সাধারণত দেখা যায় যে ইহজাগতিক ব্যবস্থায় মানুষের আস্থা যতই কমে, পারলৌকিকতা ও প্রতারণায় বিশ্বাস ততই বাড়ে। আস্থা হারিয়ে কেউ চলে যায় ধর্মের দিকে, কেউ বা প্রতারণা-অভিমুখে। প্রতারকদের একাংশ যে ধার্মিক সাজে না, এমনও নয়। বৃদ্ধি পায় আলস্য এবং নেশাগ্রস্ততা। নেশা অবশ্য নানা প্রকারের হয়, হয়ে থাকে।

ছেলেবেলার একটি দৃশ্য আমি কখনো ভুলব না। ঢাকা শহরে ব্যবসাবাণিজ্যের তখনকার প্রধান কেন্দ্র চকবাজারের পাশেই আমাদের বাসা ছিল, বেগমবাজারে। যেতে-আসতে প্রায় রোজই আমার অনিষ্পলক চোখ দুটি পড়ত গিয়ে শর্ষের তেলের একজন আড়তদারের ওপর। তাঁর শরীর-স্বাস্থ্য, বসবার ভঙ্গি, চোখমুখের নিস্পৃহতা সবকিছুর ভিতর থেকেই একটা অলৌকিক আভা ছিল। যেন তিনি এ-জগতের নন, ভিন্নালোকের। অথচ খুবই ইহজাগতিক ছিলেন তিনি। নেতা ছিলেন ঢাকা শহর মুসলিম লীগের। বড় রকমেরই। তার চেয়েও বড় সত্য এই যে সেকালেই শর্ষের তেলের সঙ্গে তিনি মবিল মেশাতেন। জানত সবাই। কিন্তু বড়ই নির্বিকার ছিলেন, দেখেছি আমি। আমার বাবার প্রধান বিনোদন ছিল বাজার করা। বাজার থেকে শর্ষের তেল আনতেন যখন, আমার মনে জিজ্ঞাসা জাগত বিষ কিনে আনেননি তো, যে বিষ ওই আপাত ধার্মিক ভদ্রলোক বেশ করে মিশিয়ে দিয়েছেন তেলের সঙ্গে। এখন বুঝতে পারি ভদ্রলোক নির্ভেজালরূপে বিশ্বাসী ছিলেন। বিশ্বাস ছিল পুলিশ তাঁকে ধরবে না, তাঁর টাকা আছে। তদুপরি তিনি মুসলিম লীগের লোক। বিশ্বাস ছিল পুলিশে ধরলেও আদালত তাঁকে ছেড়ে দেবে, ওই একই কারণে। সেই বয়সে আমি আমার নিত্য দেখা ওই লোকটিকে খুবই ঘৃণা করতাম-ভয় করতাম বোধ করি আরও অধিক। ওই বিশ্বাসীকে আমি এখনো দেখতে পাই। মানসচক্ষে। কিন্তু পরে বুঝেছি-তিনি একা ছিলেন না, অনন্য নন, অনেকের একজন। এরা আস্থাহীন ইহজাগতিক ব্যবস্থায়। এরা বিশ্বাসী প্রতারণায় এবং আবরণ নেয় ধর্মের। সেকাল গেছে চলে, একালে অনেক কিছু বদলেছে, উন্নতি ঘটেছে বহু ক্ষেত্রে, কিন্তু আস্থা জিনিসটা মোটেই বাড়েনি, বরঞ্চ কমেছে। আস্থার বড়ই দুর্দশা এই স্বাধীন বাংলাদেশে। ওই যে বিশেষ দুটি ক্ষেত্রে যাদের ওপর নাগরিকদের জীবনমরণ, উন্নতি অবনতি অনেকাংশে নির্ভর করে; সেই পুলিশ এবং আদালতের ওপর নির্ভরশীলতা ভিতর থেকেই ক্ষয় হয়ে এসেছে।

পুলিশ এ দেশে কখনোই সাধারণ মানুষের বন্ধু ছিল না। এই বাহিনী সৃষ্টিই করা হয়েছিল মানুষকে রাজনৈতিকভাবে নিপীড়ন করার জন্য। সেই নিপীড়ন ব্রিটিশ আমলে ঘটেছে, পাকিস্তান আমলে অব্যাহত থেকেছে, বাংলাদেশ আমলেও বিশেষ কমেনি। ঘুষ নেওয়া তো আছেই, পুলিশ সন্ত্রাসীরূপেও আত্মপ্রকাশ করেছে। অপরাধের শিকার হলে মানুষ অনেক ক্ষেত্রে থানায় যায় না এই ভয়ে যে সেখানে গেলে দ্বিতীয়বার বিপদে পড়বে। মূলত দুর্ভাগ্যজনক বাস্তবতা হচ্ছে তারা চোর-ডাকাতকে যতটা না ভয় করে, পুলিশকে ভয় করে তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি। কারণ আছে।

মানুষ বিশ্বাসআদালতে ন্যায়বিচার পাওয়া যাবে না। এই ধারণাও পুরোনো। সেখানে টাউটদের রাজত্ব ছিল, টাউটদের দৌরাত্ম্য আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আইন ও বিচারে এভাবে আস্থা হারালে মানুষ যাবেটা কোথায়? কোথায় খুঁজবে আশ্রয়? খোঁজে ধর্মের কাছে। নিরাপত্তা হারানোর প্রাথমিক কারণটা অবশ্য রয়েছে অন্যত্র। রয়েছে অর্থনীতিতে। সেখানে দেখা যাচ্ছে অল্প কিছু মানুষ উপরে উঠছে অধিকাংশ মানুষকে দলিতমথিত বিধ্বস্ত করে। এই পীড়িত মানুষের জন্য কোনো ইহজাগতিক আশ্রয় নেই, তাই তারা আঁকড়ে ধরে অলৌকিক শক্তিকে, সাহায্য চায়, ক্ষতিপূরণ আশা করে। পরীক্ষায় নকল এ দেশে চিরকালই হতো, কিন্তু সাম্প্রতিককালে পরীক্ষায় যে হারে নকল হয়েছে, তেমনটি আগে এভাবে ঘটেনি। কারণ কী? মূল কারণ হচ্ছে আস্থার অভাব। নকলে কেবল যে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছে তা নয়, অভিভাবকরাও নৈতিক ও বৈষয়িক সমর্থন জানাচ্ছে। না, এ-ব্যাপারে সবারই এক রাঁ-আমাদের ছেলেমেয়েদের অধিকার দিতে হবে। তাদের এই দাবির পেছনে যে মনোভাবটি কাজ করছে সেটা হলো দেশের সর্বত্র নকল হচ্ছে, আমাদের ছেলেমেয়েরা বঞ্চিত হবে কেন? আর অভিভাবকরা যখন পরীক্ষার্থীদের সহযোগী হয়, নকল সরবরাহ করে, পাহারা দেয়, নকল ধরলে ধাওয়া করে, তখন নকল থামাবে কে? থামানো যাচ্ছে না। আমাদের পরীক্ষাব্যবস্থায় সৃষ্টিশীলতাকে উৎসাহিত করার ব্যাপারটা কখনোই ছিল না। এখনো নেই। পরীক্ষায় মেধার পরীক্ষা হয় না, পরীক্ষা হয় মুখস্থ করার শক্তির। সৃষ্টি করবে না, ভাববে না, না-বুঝে মুখস্থ করবে, তারপর পরীক্ষার খাতায় যা তুমি সংগ্রহ করেছ কিন্তু ভুলেও হজম করনি তা উদ্গিরণ করে দেবে এবং এই কর্মকাণ্ডে কার কতটা দক্ষতা সেটার প্রমাণ দিয়ে নম্বর ও সার্টিফিকেট নিয়ে ঘরে চলে যাবে। এই ছিল ব্যবস্থা। বলা বাহুল্য ওই ব্যবস্থা বদলায়নি। বিদেশি পর্যবেক্ষকরা আমাদের এই স্মরণশক্তিকে বিস্ময়কর বলেছেন। এই দক্ষতাটাও তো আসলে নকলেরই। মনে রাখার নকলটা প্রচ্ছন্ন, কাগজ দেখে নকল করাটা প্রত্যক্ষ; এটাই পার্থক্য। প্রত্যক্ষটা নিন্দনীয় বলে গোপনটা যে প্রশংসনীয় তা নিশ্চয়ই নয়।

এ ক্ষেত্রে অনাস্থা যার ওপর প্রকাশ পাচ্ছে, সেটা হচ্ছে শ্রমশীলতা। আমাদের দেশে শ্রম অত্যন্ত অবহেলিত এবং অবমূল্যায়িত। শ্রমজীবী মানুষ বংশানুক্রমে, জন্মজন্মান্তরে পরিশ্রম করে। করতেই থাকে এবং দরিদ্র থাকে। তারা চাষা ও কুলি, তাদের মর্যাদা দেবে কে? শ্রমের সাহায্যে কেউ ওপরে ওঠে না। ওঠে প্রতারণা ও চাটুকারিতায়। যেজন্য শ্রমের ওপর কেউ আস্থা রাখে না। স্বাধীনতা এ ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনেনি, অবনতি ছাড়া। এবং এটাও স্বাভাবিক যে প্রতারক ও চাটুকাররা পরস্পরের প্রতি আস্থা রাখে না, বিশ্বাসও রাখে না। মানুষের অনেক গুণ, এমনকি অন্য প্রাণীর গুণাবলিও তার মধ্যে রয়েছে; যেমন কুকুরের গুণ। কুকুর বড়ই প্রভুভক্ত এবং পরস্পরের প্রতি হিংস্র। অন্য প্রাণীকে সহ্য করবে, কিন্তু নিজের প্রজাতির অন্য কাউকে দেখামাত্র শোরগোল শুরু করে দেবে। বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রভুভক্তি যেমন দেখা যায়, তেমনি দেখা যায় মারাত্মক রকমের কলহপ্রবণতা। প্রভুর প্রতি আস্থা রাখলেও প্রতিবেশীকে ঘৃণা করে।

ভেজাল বাড়ছে। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর বহু গুণ বেড়ে গেছে। কেউ ধরা পড়ছে না, ধরা পড়লেও শাস্তি হচ্ছে না, আস্থা বাড়ছে টাকার শক্তিতে। টাকায় সবকিছুই কেনা যায়। বড় বড়, এমনকি প্রাতঃস্মরণীয় ব্যক্তিরাও টাকার ক্রয়সীমার বাইরে নন। ন্যায়বিচার না পেলেও নিজের পক্ষে বিচার কেনা যায়, চিকিৎসা তো প্রকাশ্যে ও পরিপূর্ণরূপেই পণ্যে পরিণত।

সবকিছু মিলিয়ে সত্য ওই একটাই, মানুষের বিশ্বাস নেই নিরাপত্তায় ও সুবিচারে। আস্থা নেই শ্রমে, শিক্ষা কিংবা চিকিৎসায়। কেউ তার নিজের দায়িত্ব পালন করেন না। বিপন্ন জীবনানন্দ দাশ আবহমান ভাঁড়কে দেখেছিলেন গাধার পিঠে-বসা; ভাঁড় এখন সর্বত্র, তবে প্রায় কেউই গাধার পিঠে নেই। তারা রয়েছে বিভিন্ন পদে, গুরুত্বপূর্ণ সব আসনে। আর এটা বললে মোটেই মিথ্যা বলা হবে না যে বেমানান ভাঁড় হোন কিংবা অতিসুচতুর দুর্বৃত্ত হোন, গুরুত্বপূর্ণ লোকদের মধ্যে এমন মানুষ খুব কমই রয়েছেন যারা বাংলাদেশের কোনো ভবিষ্যৎ রয়েছে বলে বিশ্বাস করেন।

দুই. আস্থাহীনতার এই যে নটে গাছ, এ কেন মুড়ালো-তার তথ্যানুসন্ধান করলে দেখা যাবে যে মূল কারণ নেতৃত্বের ব্যর্থতা। জাতীয় জীবনে এমন কোনো স্তর নেই যেখানে নেতৃত্ব সফল হয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হলো রাজনৈতিক নেতৃত্বের। রাষ্ট্র হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। নিয়ন্ত্রণ তারই হাতে, আদর্শ সেই স্থাপন করে।

নির্বাচিত সরকার এসেছে বটে, কিন্তু প্রকৃত গণতন্ত্র আসেনি। গণতন্ত্রের জন্য নির্বাচন দরকার কিন্তু নির্বাচন থাকা মানেই গণতন্ত্র থাকা নয়। নির্বাচিত সরকারও স্বৈরাচারী হতে পারে বৈকি, যদি তার স্বচ্ছতা না থাকে, না থাকে জবাবদিহি এবং সর্বোপরি অভাব ঘটে দেশবাসীর স্বার্থ দেখার মনোভাব। অতীতে আমরা মাঝেমধ্যে নির্বাচিত সরকার পেয়েছি সত্যি, কিন্তু সত্যিকার গণতান্ত্রিক সরকার পাইনি। এবং যাকে গণতন্ত্র বলা হয়েছে তা আসলে দেখা গেছে টাকার থলির গণতন্ত্র। লোকেরা টাকার জোরে নির্বাচিত হয়েছে এবং নির্বাচিত হয়ে নিজেদের টাকার থলিকে আরও ভরপুর ও মোটা করেছে। টাকার জোর না থাকলে দলীয় মনোনয়ন পাওয়াই অসম্ভব, নির্বাচিত হওয়া তো অনেক দূরের কথা। যারা নির্বাচিত হন নির্বাচন কমিশনকে তাঁরা জানান যে খরচ করেছেন ৩ লাখ, আসলে খরচ করেন ৩ কোটি। ওই টাকা কোথা থেকে এলো তা জানা যায় না, জানতে কেউ চায়ও না। তবে এটা সর্বসাধারণের জানা থাকে অবশ্যই যে ৩ কোটি অচিরেই ৩০ কোটিতে পরিণত হবে। শ্রমের কারণে এই স্ফীতি ঘটবে না, ঘটবে লুণ্ঠনের কারণে। টাকা পাওয়া ও বৃদ্ধি করা সবটাই অলৌকিক, ঐন্দ্রজালিক। কেউ ধনী হয় চোরাচালান করে, কেউ ব্যাংক দখল করে, কেউ ঘুষ খেয়ে, কেউ বা রাজনীতি করে। কিন্তু রাজনীতিকদের কাজটাই সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক। কেননা তাঁরা হচ্ছেন নেতা, তাঁরাই আদর্শ, তাঁরা যে আদর্শ স্থাপন করেন, তারই অনুসরণ চলে, সর্বস্তরে। তাঁদের আশ্রয় ও সমর্থ না-পেলে অন্যরা অচল হতো, সাহসই করত না দুর্নীতির পথে পা বাড়াতে।

একটা নতুন নির্বাচিত সরকার দুই মাস হলো রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে। তারা দীর্ঘ তিক্ত অভিজ্ঞতার পথ পাড়ি দিয়ে এসেছে। ফলে তাদের কাছ থেকে অতীতের সরকারগুলোর বিচ্যুতি, ব্যর্থতা, দুর্নীতি-দুঃশাসনের পুনরাবৃত্তি কেউ প্রত্যাশা করে না। আশা করে-দুর্নীতিমুক্ত সমাজ, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, মানবিক মর্যাদা এবং প্রকৃত গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করার মহান ব্রত গ্রহণ করবে নতুন সরকার। জনগণ সেটাই বিশ্বাসও করে। কারণ বিশ্বাস ছাড়া বাঁচে না মানুষ।

♦ লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
হামে শিশুমৃত্যু
হামে শিশুমৃত্যু
পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প
পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প
জিলহজের প্রথম দশকের আমল
জিলহজের প্রথম দশকের আমল
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
শিক্ষা নিয়ে গবেষণা
শিক্ষা নিয়ে গবেষণা
টেস্টে পাকিস্তান বধ
টেস্টে পাকিস্তান বধ
পবিত্র কাবার মর্যাদা
পবিত্র কাবার মর্যাদা
সৌর বিদ্যুতে জ্বালানির সমাধান
সৌর বিদ্যুতে জ্বালানির সমাধান
ফ্রান্সে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যা বাড়ছে
ফ্রান্সে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যা বাড়ছে
শুভেন্দুর কাঁটাতার ও আমাদের দেশপ্রেম
শুভেন্দুর কাঁটাতার ও আমাদের দেশপ্রেম
ক্যাম্পাসে উত্তেজনা
ক্যাম্পাসে উত্তেজনা
সর্বশেষ খবর
সিলেটে শিশু হত্যায় অভিযুক্তের বাড়িতে হামলা
সিলেটে শিশু হত্যায় অভিযুক্তের বাড়িতে হামলা

এই মাত্র | চায়ের দেশ

ফটিকছড়িতে মানুষের মাথার খুলি উদ্ধার
ফটিকছড়িতে মানুষের মাথার খুলি উদ্ধার

৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাগুরায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ
মাগুরায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসেও শুন্য হাতে ফিরে গেল চীনা যুবক
প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসেও শুন্য হাতে ফিরে গেল চীনা যুবক

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ময়মনসিংহে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ জনের মৃত্যু
ময়মনসিংহে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ জনের মৃত্যু

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভ্যানচালক হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ
ভ্যানচালক হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চলতি মাসে এসেছে ১৪টি তেলবাহী জাহাজ, আরও আসছে ৫টি
চলতি মাসে এসেছে ১৪টি তেলবাহী জাহাজ, আরও আসছে ৫টি

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

সিলেট বিভাগে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক
সিলেট বিভাগে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাষ্ট্র পুনর্গঠনে জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন : আ স ম‌ রব
রাষ্ট্র পুনর্গঠনে জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন : আ স ম‌ রব

১৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

তুচ্ছ ঘটনায় মোংলায় সংঘর্ষ, প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৭
তুচ্ছ ঘটনায় মোংলায় সংঘর্ষ, প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৭

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় পলাতক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার
কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় পলাতক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সমস্যা যখন জনপ্রিয়তা, পরিচয় লুকিয়ে সাধারণ মানুষের ভিড়ে অস্কারজয়ী অভিনেতা
সমস্যা যখন জনপ্রিয়তা, পরিচয় লুকিয়ে সাধারণ মানুষের ভিড়ে অস্কারজয়ী অভিনেতা

২৩ মিনিট আগে | শোবিজ

শনিবার চাঁদপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সফরসূচিতে যা যা থাকছে
শনিবার চাঁদপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সফরসূচিতে যা যা থাকছে

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

গোপালগঞ্জ রিপোর্টার্স ফোরামের ২৯ সদস্যের নতুন কমিটি
গোপালগঞ্জ রিপোর্টার্স ফোরামের ২৯ সদস্যের নতুন কমিটি

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৫৭ হাজার ৫২৬ জন হজযাত্রী
সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৫৭ হাজার ৫২৬ জন হজযাত্রী

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

জাপানের উত্তরাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প
জাপানের উত্তরাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসুন্ধরা শুভসংঘের দেওয়া সেলাই মেশিনে বদলাবে ২০ পরিবারের জীবন
বসুন্ধরা শুভসংঘের দেওয়া সেলাই মেশিনে বদলাবে ২০ পরিবারের জীবন

৩৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

নেত্রকোনায় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু
নেত্রকোনায় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লোকসানে তামাক পুড়িয়ে শপথ কৃষকের, ‘আর কখনো এই বিষ চাষ করব না’
লোকসানে তামাক পুড়িয়ে শপথ কৃষকের, ‘আর কখনো এই বিষ চাষ করব না’

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের দ্বিতীয় টেস্টে কেমন থাকবে সিলেটের আবহাওয়া
বাংলাদেশ-পাকিস্তানের দ্বিতীয় টেস্টে কেমন থাকবে সিলেটের আবহাওয়া

৫১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়, জাতির আত্মপরিচয়: সংস্কৃতিমন্ত্রী
সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়, জাতির আত্মপরিচয়: সংস্কৃতিমন্ত্রী

৫২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের
ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুন্দরবনে অস্ত্রসহ ৩ বনদস্যু আটক
সুন্দরবনে অস্ত্রসহ ৩ বনদস্যু আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার, গ্রেফতার ২
বগুড়ায় চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার, গ্রেফতার ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রেমিট্যান্স প্রবাহে স্বস্তি, রিজার্ভ এখন ৩৪.৩২ বিলিয়ন ডলার
রেমিট্যান্স প্রবাহে স্বস্তি, রিজার্ভ এখন ৩৪.৩২ বিলিয়ন ডলার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে ৫ জনের মৃত্যু, নড়েচড়ে বসছে প্রশাসন
গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে ৫ জনের মৃত্যু, নড়েচড়ে বসছে প্রশাসন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্কুলের পাশাপাশি সন্তানদের খেলার মাঠেও সময় দিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী
স্কুলের পাশাপাশি সন্তানদের খেলার মাঠেও সময় দিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

স্মরণীয় বিশ্বকাপের আগে ধাক্কা খেল জর্ডান
স্মরণীয় বিশ্বকাপের আগে ধাক্কা খেল জর্ডান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দিনাজপুরে ধান কাটার শ্রমিকের সংকট, চরম বিপাকে কৃষক
দিনাজপুরে ধান কাটার শ্রমিকের সংকট, চরম বিপাকে কৃষক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা কিংস চ্যাম্পিয়ন
বসুন্ধরা কিংস চ্যাম্পিয়ন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড নিয়ে সতর্কবার্তা বাংলাদেশ ব্যাংকের
ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড নিয়ে সতর্কবার্তা বাংলাদেশ ব্যাংকের

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ
ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বাসঘাতকদের হুঁশিয়ারি দিল ইরান, কারা সেই বিশ্বাসঘাতক?
বিশ্বাসঘাতকদের হুঁশিয়ারি দিল ইরান, কারা সেই বিশ্বাসঘাতক?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুক্তরাষ্ট্র পতনশীল দেশ’, চীনের প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের জবাবে যা বললেন ট্রাম্প
‘যুক্তরাষ্ট্র পতনশীল দেশ’, চীনের প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের জবাবে যা বললেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লাগেজে মাংস-শাকসবজি, কানাডায় বাংলাদেশি যাত্রীদের গুনতে হলো জরিমানা
লাগেজে মাংস-শাকসবজি, কানাডায় বাংলাদেশি যাত্রীদের গুনতে হলো জরিমানা

৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পকে স্পষ্ট যে অবস্থান জানাল চীন
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পকে স্পষ্ট যে অবস্থান জানাল চীন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সভাপতি-সম্পাদকসহ ১৩ পদে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের জয়
সভাপতি-সম্পাদকসহ ১৩ পদে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের জয়

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ ১৫ মে
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ ১৫ মে

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান
নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার
ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

২৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৯ জেলায় নতুন এডিসি নিয়োগ
৯ জেলায় নতুন এডিসি নিয়োগ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা ফ্রান্সের, বাদ পড়লেন যারা
বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা ফ্রান্সের, বাদ পড়লেন যারা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে কারণে পাকিস্তানের কিছু নাগরিককে বহিষ্কার করছে আমিরাত
যে কারণে পাকিস্তানের কিছু নাগরিককে বহিষ্কার করছে আমিরাত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘চুক্তি না হলে ইরান ধ্বংস হবে’ চীনে বসে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
‘চুক্তি না হলে ইরান ধ্বংস হবে’ চীনে বসে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরিমার্জন হচ্ছে ২০২৭ সালের পাঠ্যবই, ফিরছে প্রকৃত ইতিহাস: এনসিটিবি চেয়ারম্যান
পরিমার্জন হচ্ছে ২০২৭ সালের পাঠ্যবই, ফিরছে প্রকৃত ইতিহাস: এনসিটিবি চেয়ারম্যান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা যাবে না ‘টিউশন ফি’
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা যাবে না ‘টিউশন ফি’

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইলেন ট্রাম্প, মিলল না স্পষ্ট আশ্বাস
ইরান ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইলেন ট্রাম্প, মিলল না স্পষ্ট আশ্বাস

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন সফরে এখন পর্যন্ত কী কী পেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
চীন সফরে এখন পর্যন্ত কী কী পেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বিক্রয় ডট কম’ কিনে নিলো নাইজেরিয়ার ‘জিজি’
‘বিক্রয় ডট কম’ কিনে নিলো নাইজেরিয়ার ‘জিজি’

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চার দিন ৪ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির আভাস
চার দিন ৪ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির আভাস

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের আগে একদিনের সরকারি ছুটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি
ঈদের আগে একদিনের সরকারি ছুটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন দায়িত্বে মাহমুদউল্লাহ
নতুন দায়িত্বে মাহমুদউল্লাহ

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চেতনা বিক্রি করতে করতে আমরা নিজেরাই বিক্রি হয়ে গেছি: চিফ হুইপ
চেতনা বিক্রি করতে করতে আমরা নিজেরাই বিক্রি হয়ে গেছি: চিফ হুইপ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ হাজার বছর আগে তৈরি রহস্যময় দ্বীপ, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা
৫ হাজার বছর আগে তৈরি রহস্যময় দ্বীপ, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা

১২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর সভা
যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর সভা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছুটির দিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, দুর্ভোগ
ছুটির দিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, দুর্ভোগ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন
বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেন মৌনি রায়
বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেন মৌনি রায়

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

প্রথম পৃষ্ঠা

শর্টকাটে বড়লোক!
শর্টকাটে বড়লোক!

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক
চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক

প্রথম পৃষ্ঠা

সড়ক যেন বিভীষিকা
সড়ক যেন বিভীষিকা

পেছনের পৃষ্ঠা

জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?
জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস
জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

কুমার নদের করুণ দশা
কুমার নদের করুণ দশা

পেছনের পৃষ্ঠা

আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের
আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের

পেছনের পৃষ্ঠা

রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা
রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’
আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’

মাঠে ময়দানে

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে

সম্পাদকীয়

বাঁচানো গেল না গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমিকে
বাঁচানো গেল না গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমিকে

প্রথম পৃষ্ঠা

আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী
আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী

পেছনের পৃষ্ঠা

ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ
ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা
ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা

নগর জীবন

বাবার পর মারা গেল তিন ভাইবোন
বাবার পর মারা গেল তিন ভাইবোন

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু
২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু

দেশগ্রাম

মমতাকে উদ্দেশ করে চোর স্লোগান
মমতাকে উদ্দেশ করে চোর স্লোগান

প্রথম পৃষ্ঠা

পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি

পেছনের পৃষ্ঠা

ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১
ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১

দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রতিটি ঘরে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনা
দেশের প্রতিটি ঘরে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনা

নগর জীবন

কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান
কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান

নগর জীবন

ধানমন্ডিতে বসুন্ধরা টয়লেট্রিজের পণ্য বিক্রি উদ্বোধন
ধানমন্ডিতে বসুন্ধরা টয়লেট্রিজের পণ্য বিক্রি উদ্বোধন

নগর জীবন

গণভোটের রায়সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা
গণভোটের রায়সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব

সম্পাদকীয়

আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসির ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা
আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসির ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা

নগর জীবন

গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!
গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!

দেশগ্রাম

দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’
দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’

শোবিজ