শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ১০:১৮, বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ার নীল অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা

ড. শরীফুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
ইন্দোনেশিয়ার নীল অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা

সমুদ্রের ডাক, নতুন ভাবনার সূচনা

সমুদ্রের দিকে তাকালে এক অদ্ভুত শক্তির অনুভূতি জাগে-অসীম, উদার, আবার কখনো কঠোর। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার আমন্ত্রণে একটি আন্তর্জাতিক কর্মশালায় অংশগ্রহণ উপলক্ষে জাকার্তা ও বালি সফর আমার কাছে শুধু একটি আন্তর্জাতিক ভ্রমণ নয়-এটি হচ্ছে ইতিহাস, অর্থনীতি ও ভবিষ্যতের এক সমন্বিত পাঠ। জাকার্তার ব্যস্ত নগরজীবন এবং বালির নান্দনিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভিতর দিয়ে আমি যেন প্রত্যক্ষ করলাম কীভাবে একটি দেশ তার অতীতের ঔপনিবেশিক ইতিহাসকে অতিক্রম করে সমুদ্রভিত্তিক অর্থনীতির শক্তিতে নতুন পরিচয় গড়ে তুলছে। ইন্দোনেশিয়া আজ যে ‘ব্লু ইকোনমি’ বা নীল অর্থনীতির পথে এগোচ্ছে, তা আমাদের বাংলাদেশের জন্যও এক মূল্যবান দিকনির্দেশনা হতে পারে।

ঔপনিবেশিক অতীত থেকে আত্মনির্ভরতার শিক্ষা

ইন্দোনেশিয়ার ইতিহাস বহুস্তরবিশিষ্ট। শতাব্দীর পর শতাব্দী এটি ছিল বিভিন্ন সালতানাত ও সামুদ্রিক বাণিজ্যকেন্দ্রের সমাহার। কিন্তু ১৭ শতাব্দী থেকে ডাচ্ উপনিবেশবাদীরা ‘ডাচ ইস্ট ইন্ডিজ’ নামে এই অঞ্চলকে নিয়ন্ত্রণে আনে। তাদের ‘কাল্টিভেশন সিস্টেম’ (Cultivation System) কৃষকদের বাধ্য করত নগদ ফসল উৎপাদনে, যা ইউরোপীয় বাজারে রপ্তানি হতো। পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশদের স্বল্পমেয়াদি শাসন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানি দখল-সব মিলিয়ে ইন্দোনেশিয়ার সমাজ ও অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে। ১৯৪৫ সালে স্বাধীনতা ঘোষণা এবং ১৯৪৯ সালে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা অর্জনের মাধ্যমে দেশটি নতুন যাত্রা শুরু করে। এই দীর্ঘ ঔপনিবেশিক অভিজ্ঞতা ইন্দোনেশিয়াকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছে। নিজস্ব সম্পদ, বিশেষ করে সামুদ্রিক সম্পদের ওপর সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

জাকার্তা : নীতিনির্ধারণ ও বিনিয়োগের কেন্দ্র

জাকার্তায় পৌঁছে প্রথমেই চোখে পড়ে এক কর্মচঞ্চল মহানগরী, যেখানে নীতিনির্ধারণ, গবেষণা ও বিনিয়োগের সমন্বয়ে সামুদ্রিক সম্পদকে ঘিরে গড়ে উঠছে নতুন অর্থনৈতিক কাঠামো। জাকার্তায় লক্ষ্য করেছি কীভাবে সরকার, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাত একত্রে কাজ করছে। সরকারি প্রতিষ্ঠান, গবেষণা সংস্থা এবং বেসরকারি খাত-সবাই একসঙ্গে কাজ করছে একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে। সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, লাইসেন্সিং সহজীকরণ এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তারা একটি আধুনিক মেরিটাইম অর্থনীতি গড়ে তুলছে। ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে সামুদ্রিক ও মৎস্য খাতে ইন্দোনেশীয় রুপিতে বিনিয়োগ প্রায় ২ দশমিক ৩৮ ট্রিলিয়নে পৌঁছেছে। যা এই খাতের দ্রুত বিকাশের প্রমাণ। এখানে ‘ব্লু ইকোনমি’ শুধু একটি ধারণা নয়, বরং বাস্তবায়িত একটি কৌশল।

বালি : পরিবেশ ও অর্থনীতির সমন্বয়

অন্যদিকে বালি যেন প্রকৃতি ও অর্থনীতির এক নিখুঁত সংমিশ্রণ। পর্যটন, মৎস্য, প্রবাল প্রাচীর সংরক্ষণ, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সবকিছু মিলিয়ে এক ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়নের উদাহরণ, যেখানে সমুদ্র শুধু অর্থনীতির উৎস নয়, বরং সংস্কৃতি ও পরিবেশের অংশ। প্রবাল প্রাচীর সংরক্ষণ, টেকসই পর্যটন এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ-সব মিলিয়ে বালি একটি সফল ব্লু ইকোনমি মডেল। বালির উপকূলীয় এলাকায় দেখা যায় কীভাবে স্থানীয় জনগণ পরিবেশ রক্ষা করেই জীবিকা নির্বাহ করছে। এখানে সমুদ্র শুধু আয়ের উৎস নয়, বরং সংস্কৃতি ও জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখানে ‘উন্নয়ন বনাম পরিবেশ’ নয়, বরং ‘উন্নয়নসহ পরিবেশ’-এই ধারণাটিই কার্যকর।

নীল অর্থনীতি : এক সুতোয় বাঁধা দুই জগৎ

একদিকে কর্মচঞ্চল রাজধানী, অন্যদিকে প্রকৃতির কোলে গড়ে ওঠা শান্ত দ্বীপ্ত এই দুই ভিন্ন জগৎ এক সুতোয় বাঁধা, আর সেই সুতোটির নাম ‘নীল অর্থনীতি’। ইন্দোনেশিয়ার নীল অর্থনীতির মূল শক্তি তিনটি স্তম্ভে দাঁড়িয়ে আছে-সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার, উদ্ভাবনী প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং শক্তিশালী নীতিনির্ধারণ। বিশেষ করে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনায় তারা যে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করছে, তা প্রশংসনীয়। মাছের প্রজনন মৌসুমে কঠোর নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ মাছ ধরার বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা এবং আধুনিক মনিটরিং সিস্টেম-সব মিলিয়ে তারা একটি সুসংগঠিত ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।

বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনার দিগন্ত

বাংলাদেশের জন্য এখানেই রয়েছে বড় শিক্ষা। বঙ্গোপসাগর আমাদের জন্য এক বিশাল সম্ভাবনার দ্বার খুলে রেখেছে। কিন্তু সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে আমাদেরও প্রয়োজন সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়ন। ইন্দোনেশিয়ার অভিজ্ঞতা দেখায়, সঠিক নীতিমালা ও বিনিয়োগ থাকলে সমুদ্র অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে।

বিশেষ করে মৎস্য খাতে বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখতে পারে। যেমন স্টক মূল্যায়ন, কোটা নির্ধারণ এবং ট্রেসেবিলিটি সিস্টেম চালু করা। এতে করে একদিকে যেমন উৎপাদন বাড়বে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির সুযোগও বৃদ্ধি পাবে।

পর্যটন খাতেও রয়েছে বিশাল সম্ভাবনা। বালির মতো যদি আমরা আমাদের কক্সবাজার, সেন্ট মার্টিন বা সুন্দরবনকে পরিবেশবান্ধব পর্যটনের মাধ্যমে উন্নয়ন করতে পারি, তাহলে তা দেশের অর্থনীতিতে নতুন গতি আনতে পারে। তবে এজন্য প্রয়োজন পরিকল্পিত উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা।

বিনিয়োগ, অংশীদারত্ব ও টেকসই উন্নয়ন

ইন্দোনেশিয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP)। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করে তারা বড় বড় বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশেও এই মডেলটি আরও শক্তিশালীভাবে প্রয়োগ করা যেতে পারে, বিশেষ করে সামুদ্রিক অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রি এবং রপ্তানি খাতে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-নীল অর্থনীতি মানে শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয়, বরং টেকসই উন্নয়ন। পরিবেশ রক্ষা ছাড়া এই উন্নয়ন কখনোই দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। ইন্দোনেশিয়া এই বিষয়টি গভীরভাবে অনুধাবন করেছে এবং তাদের প্রতিটি উদ্যোগে সেই প্রতিফলন দেখা যায়।

সমুদ্রের ঢেউয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্ন

এই সফরে এসে আমার মনে হয়েছে, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শুধু আমাদের নদী বা ভূমিতে সীমাবদ্ধ নয়; এর একটি বড় অংশ লুকিয়ে আছে আমাদের সমুদ্রে। যদি আমরা সঠিক পরিকল্পনা, শক্তিশালী নীতি এবং সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারি, তবে নীল অর্থনীতি আমাদের উন্নয়নের এক নতুন অধ্যায় রচনা করতে পারে। সমুদ্রের ঢেউ যেমন কখনো থেমে থাকে না, তেমনি সম্ভাবনার পথও কখনো থেমে থাকে না। দরকার শুধু সেই ঢেউয়ের ছন্দ বুঝে এগিয়ে যাওয়ার সাহস, আর সেই সাহসই আমাদের আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারে। ইন্দোনেশিয়ার ইতিহাস আমাদের শেখায়, ঔপনিবেশিক শোষণের শিকার একটি দেশও যদি সঠিক নীতি, পরিকল্পনা ও নেতৃত্ব পায়, তবে সে তার প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারে। যদি আমরা ইন্দোনেশিয়ার মতো নীল অর্থনীতিকে গুরুত্ব দিই, তবে বাংলাদেশও একদিন দক্ষিণ এশিয়ার একটি শক্তিশালী সামুদ্রিক অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে-যেখানে উন্নয়ন হবে টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ভবিষ্যৎমুখী।

♦ লেখক : সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (ফিশারিজ); সার্ক কৃষি কেন্দ্র, ফার্মগেট, ঢাকা, বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরও খবর
এখনো হাম
এখনো হাম
মেসি সর্বকালের সেরা
মেসি সর্বকালের সেরা
তোমাকে ভালোবাসি ইয়া হোসাইন
তোমাকে ভালোবাসি ইয়া হোসাইন
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বন্যার শঙ্কা
বন্যার শঙ্কা
প্রধানমন্ত্রীর সফর
প্রধানমন্ত্রীর সফর
মহররমের নফল ইবাদত
মহররমের নফল ইবাদত
অনন্য সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনন্য সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
মানসিক চাপ কমান সুস্থ থাকুন
মানসিক চাপ কমান সুস্থ থাকুন
শিল্প-সাহিত্যপ্রেমী আবদুস সাদেক
শিল্প-সাহিত্যপ্রেমী আবদুস সাদেক
কান্নায় মোড়ানো অতীত
কান্নায় মোড়ানো অতীত
সর্বশেষ খবর
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

২ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি
রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি

৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা
নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা

৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

৬ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ
ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ

১০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা

১১ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা
বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা

১৪ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি
তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে
একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে

২০ মিনিট আগে | অর্থনীতি

‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা
‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা

২১ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার
বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার

২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন
স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন

৩১ মিনিট আগে | জাতীয়

নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার
নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার

৩৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা
মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

৪৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০
যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন
১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন

৫৮ মিনিট আগে | জাতীয়

৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন
৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮
আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬
রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক
যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক
রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি
চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?
দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা
ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা
১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?
‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ
নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!
বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে
বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা
মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন
সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার
ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ
যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা
খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়
‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?
পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!
মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!
'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’
ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার
স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা
বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো
সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু
তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন
রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন
হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না
দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার

প্রথম পৃষ্ঠা

নেইমার কি খেলবেন
নেইমার কি খেলবেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান
বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান

পেছনের পৃষ্ঠা

বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ
বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ

পেছনের পৃষ্ঠা

চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি
চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের
অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের

পেছনের পৃষ্ঠা

নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?
শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?

শোবিজ

এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স
এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের
নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি

সম্পাদকীয়

প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট

সম্পাদকীয়

মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড
মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড

মাঠে ময়দানে

ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর
ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়
ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়

নগর জীবন

হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা
হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক
সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

জাকির হোসেন আর নেই
জাকির হোসেন আর নেই

শোবিজ

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

মিশা সওদাগর
মিশা সওদাগর

শোবিজ

চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর
চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর

প্রথম পৃষ্ঠা

সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে
ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে

দেশগ্রাম

তিনি কে?
তিনি কে?

শোবিজ

শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন
শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন

পেছনের পৃষ্ঠা