২০২৫ সালটা ভালো গেল না শিল্পা শেঠির। মাথার ওপরে ৬০ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ। তার ওপর প্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর বিকৃত ছবিতে সয়লাব সমাজমাধ্যম। নিজেকে আর নিরাপদ ভাবতে পারছেন না তিনি। এ কারণেই নিজের নিরাপত্তা চেয়ে এবার আদালতের দ্বারস্থ শিল্পা। তাঁর অভিযোগ, বিনা অনুমতিতে তাঁর চেহারা, কণ্ঠস্বর, অঙ্গভঙ্গি নকল করে অজস্র ছবি, বই, ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। সেসব ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে নানা ওয়েব প্ল্যাটফর্মে। এর ফলে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন বিপর্যস্ত। তাঁকে নিয়ে ভুল বার্তা পৌঁছে যাচ্ছে সাধারণের কাছে। শিল্পা এর তীব্র বিরোধিতা করেছেন। এর পরই পুরো বিষয়কে ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও মর্মান্তিক’ আখ্যা দেন মুম্বাই হাই কোর্ট। দ্রুত এ ধরনের ছবি, ভিডিও মুছে ফেলার নির্দেশ দেন বেশ কিছু সমাজমাধ্যম এবং ডিজিটাল ওয়েবসাইটকে। বিচারপতি অদ্ভেদ শেঠনা শিল্পার দায়ের করা অভিযোগের শুনানি চলাকালীন বলেন, যে কোনো ব্যক্তি, নারী অথবা পুরুষকে এভাবে প্রকাশ্যে হেনস্তা করা যায় না। বিনা অনুমতিতে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন প্রকাশ্যে আনা দণ্ডনীয় অপরাধ। আদালতে অভিযোগ জানানোর সময় বেশ কিছু বিকৃত ছবির স্ক্রিনশট পেশ করেছিলেন শিল্পা। সেসব উল্লেখ করে বিচারপতির দাবি, ‘কারও ব্যক্তিজীবনকে প্রকাশ্যে এনে তাঁকে বিকৃত করার কোনো অধিকার নেই। যেসব ওয়েবসাইট বা প্ল্যাটফর্ম এ অন্যায় করেছে, তাদের অবিলম্বে সবকিছু মুছে ফেলতে হবে।’