শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:২৮, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

জুলাই যোদ্ধারা কেন পথ হারাল?

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
জুলাই যোদ্ধারা কেন পথ হারাল?

মাত্র ১৬ মাস আগে যারা ছিলেন বাংলাদেশের আইকন, যাদের একনজর দেখার জন্য মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করত, তাদের নিয়ে আজ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন। একসময় যাদের দেখে দেশের নিপীড়িত মানুষ আশায় বুক বেঁধেছিল, ভেবেছিল এদের হাতেই গড়ে উঠবে নতুন বাংলাদেশ, ৫৪ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে। যারা আশা করেছিল, এক বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে এদের নেতৃত্বে-তারা আজ আশাহত। কারণ জুলাই যোদ্ধারা নিজেরাই এখন বিভক্ত, পথহারা। কেন এমন হলো?

২০২৪ সালে যাদের নেতৃত্বে আমরা পেয়েছিলাম নতুন বাংলাদেশ। অসীম সাহস আর দৃঢ় প্রত্যয়ে যারা লড়াই করে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল। যারা অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছিল, সেই বীর তরুণদের কথা বলছি। তারা কেন আজ বিভ্রান্তির চোরাবালিতে আটকে গেল?

আমাদের তারুণ্যের দ্রোহ কি আবারও ব্যর্থ হলো? যেমন হয়েছিল ১৯৭১-এ মহান মুক্তিযুদ্ধের পর?

’২৪-এর বীরদের আজকের অবস্থা বুঝতে হলে আমাদের ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে তরুণদের ইতিহাস জানতে হবে। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় আমাদের স্বাধীনতা। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ছিল তরুণদের বীরগাথা। এ দেশের তরুণরাই ভাষার জন্য জীবন দিয়েছিল। তরুণদের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছিলাম মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার। ’৫২ থেকে ’৭১- আমাদের মুক্তির সংগ্রামের প্রতিটি ধাপেই ছাত্র-তরুণরা নেতৃত্ব দিয়েছিল। বিজয়ের পর সবাই আশা করেছিল তরুণরা অস্ত্র জমা দিয়ে দেশ গড়ার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়বে। কিন্তু সেটা হয়নি। তরুণদের একটি অংশ মুক্তিযুদ্ধের পর বিপথগামী হয়ে যায়। নানা রকম অপরাধে জড়িয়ে পড়ে তারা। তরুণদের এই বিভ্রান্তি বাংলাদেশকে বিভক্ত করেছিল। মহান স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে পারেনি। তরুণদের এক অংশের হঠকারিতা এবং বাড়াবাড়িতে মানুষ হতাশ হয়েছিল তখন।

’২৪-এর গণ অভ্যুথানের পরও ঠিক একই রকম অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। জুলাই বিপ্লবের পর গত বছরের ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্র্বর্তী সরকার। শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে এ সরকারে তিনজন ছাত্র প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন, এটাই ছিল জুলাই বিপ্লবের পর সবচেয়ে বড় ভুল। উপদেষ্টা হওয়ার জন্য যে অভিজ্ঞতা প্রয়োজন তা তাদের ছিল না। গত ১৬ মাসে অন্তর্র্বর্তী সরকারের কার্যক্রম বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ছাত্র উপদেষ্টাদের কারণে সরকার বিভিন্ন সময় বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে। বিশেষ করে আসিফ মাহমুদ এবং মাহফুজ আলম বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। এ দুই উপদেষ্টার কারণে জুলাই যোদ্ধাদের ব্যাপারে মানুষের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, কী পরিবর্তন হলো? ছাত্র উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে যখন দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে, তখন মানুষ কেবল হতাশ হয়নি, ক্ষুব্ধও হয়েছে। অনেকেই বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে সবাই একই রকম হয়ে যায়। ছাত্র উপদেষ্টারা নিজেদের দুর্নীতির অভিযোগ থেকে মুক্ত রাখতে পারেননি। শুধু ছাত্র উপদেষ্টা কেন? জুলাই আন্দোলনের অনেক সম্মুখসারির নেতা ও কর্মীর বিরুদ্ধে বদলি, তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে। জেলা প্রশাসক পদায়নে দুর্নীতি, পাঠ্যপুস্তক ছাপায় দুর্নীতিসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সামনের সারিতে থাকা তরুণদের বিরুদ্ধে। এসব কতটা সত্য আর কতটা মিথ্যা তা পরের বিষয়, সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করে যে শিক্ষার্থীরা নিজেদের দুর্নীতিমুক্ত রাখতে পারেনি। এ সময় দেশজুড়ে চাঁদাবাজি, মামলা বাণিজ্য এবং মব সন্ত্রাসে জড়িয়ে যায় আন্দোলনে জড়িতদের নাম। সারা দেশে সংগঠিত এসব ঘটনা জুলাই বিপ্লবের নায়কদের ইমেজ ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। জুলাই আন্দোলনের সূর্যসন্তানদের নিয়ে যখন নানা ধরনের প্রশ্ন এবং সমালোচনা ঠিক তখনই তারা নতুন রাজনৈতিক দলের ঘোষণা দেয়। সাধারণ মানুষ এ রাজনৈতিক উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করেনি। জনগণের মধ্যে এরকম ধারণা তৈরি হয় যে, এই তরুণরা প্রচলিত রাজনীতির দুষ্টচক্র থেকে বের হতে পারেনি। রাজনীতি-ক্ষমতা- দুর্নীতি- এই পুরোনো বৃত্তেই তারা বন্দি হয়ে পড়েছে। এ সময় জুলাই আন্দোলনের সম্মুখযোদ্ধাদের বেশভূষা, জীবন-যাপনে অলৌকিক পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পুরোনো ও নতুন ছবি নিয়ে শোরগোল পড়ে। হঠাৎ করেই তাদের বিলাসী জীবনের অর্থের উৎস নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। এসব কিছুর কারণে দ্রুত কমতে থাকে তাদের জনপ্রিয়তা। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে তাদের রাজনৈতিক দল এনসিপির ওপর। উমামা ফাতেমার মতো অনেকেই এনসিপির সঙ্গে যুক্ত হননি। ফলে রাজনৈতিক দল গঠনের মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনের মূল শক্তি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন বিভক্ত হয়ে যায়।

এনসিপি গঠিত হওয়ার পর থেকেই অন্তর্র্বর্তী সরকারের আনুকূল্য ও পৃষ্ঠপোষকতা পেতে শুরু করে। নিবন্ধিত হওয়ার আগেই সরকার দলটিকে প্রধান তিনটি রাজনৈতিক দলের একটি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। প্রধান উপদেষ্টা যেকোনো রাজনৈতিক সংকটে তিনটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলার সংস্কৃতি তৈরি করেন। বিএনপি এবং জামায়াত নিঃসন্দেহে এখন প্রধান দুই দল। কিন্তু এই দুই দলের সঙ্গে এনসিপিকে ডাকা শুরু হলে তাদের অনেকেই কিংস পার্টি হিসেবে ভাবতে শুরু করে। এ ভাবনা চূড়ান্ত রূপ পায়, যখন এনসিপির প্রতীক নিয়ে সরকার আইন পরিবর্তন করে। নিবন্ধনের জন্য দলটি শাপলা প্রতীক দাবি করে। কিন্তু শাপলা তালিকায় না থাকায় নির্বাচন কমিশন তা প্রত্যাখ্যান করে। এরপর এনসিপি রীতিমতো জেদ ধরে। অবশেষে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রতীক তালিকায় শাপলা কলি যুক্ত করা হয়।

এনসিপি গঠিত হওয়ার পর তাদের দল চালানোর জন্য অর্থের উৎস নিয়ে যেমন প্রশ্ন উঠেছে, তেমনি প্রশ্ন উঠছে তাদের আদর্শ নিয়েও। তাদের রাজনীতির নতুনত্ব কী? এ প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি। নির্বাচনে দলটির এদিক-ওদিক ছোটাছুটি তাদের আদর্শহীনতাকেই প্রকট করে তুলেছে। প্রথমে তারা বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চেয়েছিল। কিন্তু তা হয়নি। এর প্রধান কারণ বিএনপির অনীহা। বিএনপি এনসিপির ব্যাপারে আগ্রহ দেখায়নি একাধিক কারণে। প্রথমত, বিএনপির মতো একটি বড় দলে নিজেদের প্রার্থীর অভাব নেই। দলটির অনেক যোগ্য প্রার্থী মনোনয়নবঞ্চিত হয়েছেন শরিকদের সঙ্গে আসন সমঝোতার কারণে। দ্বিতীয়ত, বিএনপি তিনবার ক্ষমতায় থাকা দল, ভোটের রাজনীতি দলটি খুব ভালো বোঝে। ভোটের মাঠে যে এনসিপির মূল্য কম এটা বুঝেই তারা এনসিপিকে এড়িয়ে গেছে। এনসিপি নিজেরাও বুঝতে পারে তাদের জনপ্রিয়তা আর ’২৪ সালের আগস্টের মতো নেই। দলটির রাজনৈতিক পরিপক্বতার অভাবের কারণে দেখা যায় মতবিরোধ। এই মতবিরোধ চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি জোট গঠন নিয়ে।

আসন সমঝোতা ও জামায়াতের সঙ্গে জোটের বিষয়ে বিভক্তি দেখা দিয়েছে এনসিপিতে। জামায়াতের সঙ্গে জোটের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় দলটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নেতা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলছেন, ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে জামায়াতের সঙ্গে জোট করার সিদ্ধান্ত হবে দেশের জনগণের সঙ্গে গাদ্দারি। এতে আপত্তি জানিয়ে নাহিদ ইসলামকে চিঠি দিয়েছেন এনসিপির ৩০ নেতা। তার ওপর জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে চাচ্ছেন না এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম ও তাজনুভা জাবিন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা ও নাহিদা সারোয়ার নিভা।

যুগ্ম সদস্যসচিব মুশফিক উস সালেহীন, এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল হক ও যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ।

জোট প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার পর এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা। এমন ঘোষণা দিয়ে শনিবার রাতে তিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সমঝোতায় গেলে এনসিপিকে কঠিন মূল্য চুকাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন।

গতকাল সকালে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কার্যত এনসিপির ভাঙনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারুণ্যের আরেকটি সম্ভাবনার মৃত্যু হলো। তরুণরা সম্ভাবনা জাগিয়েও নিজেদের আলাদা প্রমাণ করতে পারল না। তারা পথ হারাল।  রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, সবচেয়ে ভালো হতো জুলাই আন্দোলনের পর যদি এই তরুণরা ক্লাসরুমে ফিরে যেত। জাতির বিবেক হয়ে থাকত। যখনই রাজনৈতিক দলগুলো ভুল করত তখন তাদের ভুল ধরিয়ে দিত। শিক্ষাজীবন শেষ করে ধীরে ধীরে তারা রাজনীতিতে জড়িত হতো। কিন্তু শুরুতেই তাদের রাজনীতির শর্টকাট পথ দেখানো হয়েছে। উপদেষ্টা বানিয়ে, টাকা বানানোর সহজ উপায় দেখিয়ে দিয়ে, রাজনৈতিক দল গঠনে উদ্বুদ্ধ করে তাদের বিপথে নিয়ে গেছে একটি গোষ্ঠী। আর সেকারণেই পথ হারিয়েছে জুলাই আন্দোলনের সূর্যসন্তানরা।

এই বিভাগের আরও খবর
পরমাণু পরিদর্শক পাঠাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘না’
পরমাণু পরিদর্শক পাঠাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘না’
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমেছে ২৩ শতাংশ
বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমেছে ২৩ শতাংশ
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা জাতির জন্য ব্যর্থতা
নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা জাতির জন্য ব্যর্থতা
ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে পিস্তল বিক্রি!
ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে পিস্তল বিক্রি!
মেসিই সর্বকালের সেরা
মেসিই সর্বকালের সেরা
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
সংসদ অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় কাজ নেই
সংসদ অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় কাজ নেই
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে হাদি হত্যাসহ তিন ইস্যু
সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে হাদি হত্যাসহ তিন ইস্যু
সর্বশেষ খবর
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

২ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি
রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি

৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা
নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা

৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

৬ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ
ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ

১০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা

১১ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা
বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা

১৪ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি
তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে
একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে

২০ মিনিট আগে | অর্থনীতি

‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা
‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা

২১ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার
বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার

২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন
স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন

৩১ মিনিট আগে | জাতীয়

নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার
নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার

৩৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা
মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

৪৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০
যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন
১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন

৫৮ মিনিট আগে | জাতীয়

৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন
৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮
আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬
রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক
যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক
রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি
চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?
দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা
ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা
১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?
‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ
নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!
বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে
বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা
মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন
সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার
ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ
যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা
খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়
‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?
পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!
মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!
'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’
ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার
স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা
বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো
সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু
তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন
রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন
হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না
দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার

প্রথম পৃষ্ঠা

নেইমার কি খেলবেন
নেইমার কি খেলবেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান
বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান

পেছনের পৃষ্ঠা

বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ
বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ

পেছনের পৃষ্ঠা

চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি
চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের
অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের

পেছনের পৃষ্ঠা

নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?
শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?

শোবিজ

এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স
এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের
নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি

সম্পাদকীয়

প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট

সম্পাদকীয়

মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড
মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড

মাঠে ময়দানে

ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর
ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়
ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়

নগর জীবন

হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা
হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক
সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

জাকির হোসেন আর নেই
জাকির হোসেন আর নেই

শোবিজ

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

মিশা সওদাগর
মিশা সওদাগর

শোবিজ

চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর
চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর

প্রথম পৃষ্ঠা

সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে
ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে

দেশগ্রাম

তিনি কে?
তিনি কে?

শোবিজ

শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন
শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন

পেছনের পৃষ্ঠা