শিরোনাম
প্রকাশ: ২০:৪৬, বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫

প্রসবঘরটি হোক আস্থার জায়গা

অধ্যাপক ডা. রওশন আরা বেগম
অনলাইন ভার্সন
প্রসবঘরটি হোক আস্থার জায়গা

মাতৃবান্ধব ঘরটি হোক প্রতিটি ‘মা’র জন্য একটি আস্থার জায়গা। তৃণমূল থেকে শহর পর্যন্ত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি সব পর্যায়ে ‘মা’দের জন্য প্রসবঘরটি বাধ্যতামূলক করতে হবে। স্বাভাবিক প্রসব ব্যর্থ হলে অপারেশনে যাবেন।

এবারের বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের মাতৃস্বাস্থ্যের ওপর স্লোগানটি ছিল-‘জন্ম হোক সুরক্ষিত-ভবিষ্যৎ হোক আলোকিত’। ‘জন্ম সুরক্ষিত হোক’ একজন মায়ের জন্য এটি তার মৌলিক অধিকার, এ অধিকার আমরা কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পারছি! একজন নারীর জীবনে কয়েকটি ধাপ তাকে পার করতে হয়- সবচেয়ে কঠিন ধাপটি হলো মা হওয়ার সময়টি। তিনি মা হতে কখন চাইবেন, হতে পারবেন কি না, সময় হয়েছে কি না, জটিলতা কতখানি-সব জানার অধিকার তার আছে কিন্তু এ প্রাক-সময়টি আমরা কখনই আমাদের স্বাস্থ্য কার্যক্রমের মাঝে প্রাধান্য দিই না, চৎব-ঈড়হপবঢ়ঃরড়হধষ ঈড়ঁহংবষরহম (প্রসব-পূর্ববর্তী) আলোচনার জন্য একটি ধাপ অবশ্যই নারীর জীবনে জরুরি এবং বিশেষ সময়।

প্রসব-পূর্ববর্তী আলোচনার জন্য অবশ্যই প্রতিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একটি স্লোগান হওয়া উচিত-‘২০ বছরের আগে মা হবেন না, ৩৫-এর পর সন্তান জন্মদান থেকে বিরত থাকুন’। তার সঙ্গেই মা হওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার আগেই আপনি/আপনারা দুজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এগুলো নিয়ে আমরা অনেকেই কথা বলি না অথবা কম বলি, কিন্তু এ কথাগুলোই পরবর্তী সব জটিলতা থেকে মাকে রক্ষা করতে পারে। প্রসব-পূর্ববর্তী আলোচনার পরই মাকে প্রসবকালীন মা কোথায় যাবেন, কীভাবে দেখাবেন এবং শেষ পর্ব অর্থাৎ প্রসবটি তার কোথায় কবে সেটির গুরুত্ব দিতে হবে। সমীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশে ৪৫.৪ লাখ নারী (১৫-৪১ বয়সের) প্রজনন ক্ষমতার অধিকারী, তার মধ্যে ২০১৫-২০১৯ বছরে প্রায় ৫.৩৩ লাখ মা গর্ভধারণ করেন। ২.৬০ লাখ অপরিকল্পিত গর্ভধারণ করেন এবং ১.৫৮ লাখ গর্ভপাত হয়ে যায়।

বয়স অনুযায়ী ২০২৩ এ ১৫-১৯ এর মধ্যে ১ হাজারে ৭৩ জন গর্ভবতী হন। ১৮-এর নিচেই গর্ভধারণ করেন ৪৩%। একজন নারী গর্ভধারণ করবেন এবং সুস্থ বাচ্চা জন্ম দেবেন, দেওয়ার সুযোগ পাবেন এটি তার মৌলিক অধিকার, কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখতে পাই যখনই একজন নারী গর্ভধারণ করেন তখন তিনি তার ইচ্ছে অনুযায়ী একজন চিকিৎসক দেখাতে পারবেন কি না তার জন্য তাকে অনুমতির জন্য অপেক্ষা করতে হয় সংসার কর্তাদের কাছে। এখানে অনেকটা বিলম্ব হয় তার প্রথম ধাপের চিকিৎসা। এর পরের ধাপেই আসে নিকটস্থ কার কাছে যাবেন, কীভাবে যাবেন, বাহন কী হবে, যেখানে যাবেন সেই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কেউ আছেন কি না এবং সেখানে যথাযথভাবে ডেলিভারি সম্পন্ন করার ব্যবস্থা আছে কি না! এভাবেই আমাদের ‘মা’দের জন্য আমরা অনেক বিলম্ব করি, করে যাচ্ছি। বাংলাদেশে এখনো সন্তান গর্ভে আসার পর মাত্র একবার ভিজিটে আসেন ৮৩% এবং চারবার আসেন ৪৪% শতাংশ। এর মধ্যে মানসম্মত চিকিৎসা প্রদান করা হয় মাত্র ২১%। এই অবস্থার মধ্যেই আমরা চাই আমাদের প্রতিটি গর্ভবতী মা নিশ্চিন্তে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আসবেন এবং আস্থার একটি প্রসবঘর পাবেন, সেখানে তাকে সহায়তা করবেন মিডওয়াইফ, প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক- প্রসবের চিহ্ন নির্ধারণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি রাখতে হবে-যেমন মিডওয়াইফ ছাড়াও তাকে সঙ্গ দেবেন তার একজন আত্মীয়।

প্রসবঘরটি হবে খোলামেলা, আলো-বাতাস প্রবেশ করে, কিন্তু তার প্রাইভেসি (গোপনীয়তা) ঠিক রাখতে হবে, ডেলিভারির সব সরঞ্জাম থাকবে, রক্তক্ষরণ বন্ধ করার এবং খিঁচুনির চিকিৎসার সব জিনিস হাতের কাছেই থাকবে, মিডওয়াইফ বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত হতে হবে। মাতৃবান্ধব এই ঘরটি হোক প্রতিটি ‘মা’র জন্য একটি আস্থার জায়গা। তৃণমূল থেকে শহর পর্যন্ত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি সব পর্যায়ে ‘মা’দের জন্য প্রসবঘরটি বাধ্যতামূলক করতে হবে। অনেক বেসরকারি ক্লিনিক আছে যেখানে আউটডোর থেকে সোজা ‘মা’কে সিজারের জন্য অপারেশন থিয়েটারে পাঠানো হয়। প্রসবঘরটি হবে ‘মা’র জন্য প্রাথমিক পরীক্ষার ঘর, এখানে স্বাভাবিক প্রসব ব্যর্থ হলে তিনি অপারেশনে যাবেন। বাংলাদেশে এখনো ৩৫% শতাংশ প্রসব হয় বাড়িতে, মাত্র ১৮ শতাংশ প্রসব হচ্ছে সরকারি প্রতিষ্ঠানে, ২% হচ্ছে এনজিওদের প্রতিষ্ঠানে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ওজিএসবির সহায়তায় প্রসবঘরের ওপর এবার তৃতীয় অধ্যাদেশ বইটি সরবরাহ করছেন। আমরা ওজিএসবির প্রতিটি সদস্যসহ নার্সিং মিডওয়াইফ সবাই যদি দায়িত্ব নেই তবে প্রসবঘরটি ‘মা’র জন্য একটি আস্থার জায়গা করতে পারবে এবং বাধ্যতামূলক সরকারি আদেশ থাকতে হবে। সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে প্রসবঘরটিকে প্রাধান্য দিয়ে আদেশ জারি করতে হবে।

একজন গর্ভবতী ‘মা’র মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান রেখে আসুন আমরা প্রসবঘরটিকে একটি আস্থার জায়গায় পরিণত করি। পরিণত করি মাতৃবান্ধব ও ভরসার স্থান হিসেবে।

লেখক : প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান (প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগ), হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট, ওজিএসবি।

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
বেশি আলু খেলে গ্যাসের সমস্যা হয়?
বেশি আলু খেলে গ্যাসের সমস্যা হয়?
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোক হেলথকেয়ারে মতবিনিময় সভা
স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোক হেলথকেয়ারে মতবিনিময় সভা
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ শিশুর মৃত্যু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ শিশুর মৃত্যু
এইডস রোগীও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন
এইডস রোগীও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন
একদিনে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু
একদিনে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার জনের মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু
সর্বশেষ খবর
রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট
রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট

১ সেকেন্ড আগে | ক্যাম্পাস

দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

২ মিনিট আগে | জাতীয়

কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা
কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা

২১ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম
মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম

২৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি
হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি

২৯ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৫৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার
দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের
অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও
স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের
ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি
সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন
মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২
কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি
নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা
বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ
মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান
ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সর্বাধিক পঠিত
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?
দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?
স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান
আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা?
ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত
প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক