শিরোনাম
প্রকাশ: ২০:৫৩, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ক্যান্সার প্রতিরোধে রাষ্ট্রের অভিভাবকত্ব ও বিশ্ব ক্যান্সার দিবস ২০২৬-এর প্রতিপাদ্য

ডা. মোহাম্মদ মাসুমুল হক
অনলাইন ভার্সন
ক্যান্সার প্রতিরোধে রাষ্ট্রের অভিভাবকত্ব ও বিশ্ব ক্যান্সার দিবস ২০২৬-এর প্রতিপাদ্য

৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ক্যান্সার দিবস। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে এবারের প্রতিপাদ্য-‘United by Unique’। প্রতিটি নাগরিকের শারীরিক বৈশিষ্ট্য, পরিবেশগত ঝুঁকি এবং আর্থ-সামাজিক অবস্থান আলাদা বা ‘অনন্য’ (Unique)। কিন্তু এই ভিন্নতা সত্ত্বেও নাগরিকের জীবন রক্ষার প্রশ্নে রাষ্ট্রকে হতে হবে ‘ঐক্যবদ্ধ’ (United)। ক্যান্সার প্রতিরোধ কেবল ব্যক্তিগত সচেতনতায় সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি বিশাল রাষ্ট্রীয় কর্মযজ্ঞ। একজন ক্যান্সার প্রতিরোধ বিশেষজ্ঞ হিসেবে আমি মনে করি, ক্যান্সার প্রতিরোধ ও কন্ট্রোলের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের অভিভাবকত্ব এবং আধুনিক জনস্বাস্থ্য নীতি এখন সময়ের দাবি।

১. সচেতনতা বৃদ্ধি : কেবল প্রচার নয়, সুনির্দিষ্ট কর্মপন্থা

ক্যান্সার প্রতিরোধের প্রথম ধাপ হলো গণসচেতনতা। তবে এটি কেবল বিশেষ দিবসে সীমাবদ্ধ না রেখে বছরব্যাপী সুনির্দিষ্ট কর্মপন্থার আওতায় আনতে হবে। রাষ্ট্রকে এমন একটি জাতীয় পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে, যেখানে সমাজের সর্বস্তরে ক্যান্সারের ঝুঁকি ও প্রতিরোধ সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মত তথ্য পৌঁছানো নিশ্চিত করা হবে। সচেতনতাকে অভ্যাসে পরিণত করার জন্য একটি সমন্বিত ‘কমিউনিকেশন স্ট্র্যাটেজি’ রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে আসা প্রয়োজন।

২. স্ক্রিনিং কভারেজ বৃদ্ধি ও ওরাল ক্যান্সার অন্তর্ভুক্তি 

বাংলাদেশে বর্তমানে জরায়ুমুখ এবং স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিংয়ের সুযোগ থাকলেও এর পরিধি বা কভারেজ অত্যন্ত সীমিত। অধিকাংশ নারীই এখনো এই সেবার আওতার বাইরে। রাষ্ট্রকে এই স্ক্রিনিং কার্যক্রমকে প্রান্তিক পর্যায়ের প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিক পর্যন্ত বিস্তৃত করতে হবে। একই সাথে, আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে ‘ওরাল ক্যান্সার’ বা মুখগহ্বরের ক্যান্সারের হার আশঙ্কাজনকভাবে বেশি। অথচ স্ক্রিনিং কার্যক্রমে এটি এখনো সেভাবে গুরুত্ব পায়নি। তামাক ও জর্দা ব্যবহারের কারণে সৃষ্ট এই ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা খুবই সহজ। তাই রাষ্ট্রীয় স্ক্রিনিং প্রটোকলে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সারের পাশাপাশি মুখগহ্বরের (ওরাল) ক্যান্সারকে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা এখন সময়ের দাবি।

৩. চিকিৎসার বিকেন্দ্রীকরণ ও দক্ষ জনবল সৃষ্টি

ক্যান্সার চিকিৎসার বড় একটি অন্তরায় হলো এর রাজধানী কেন্দ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থা। ঢাকার বাইরে কিছু বিভাগীয় শহরে ক্যান্সার সেবা থাকলেও চাহিদার হিসাবে খুবই অপ্রতুল। আর তাই, সময়মতো যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ায় অনেক প্রান্তিক রোগীরা চিকিৎসার মাঝপথেই হাল ছেড়ে দেন। রাষ্ট্রকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভাগীয় পর্যায়ে ক্যান্সার চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোর পূর্ণাঙ্গ বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। তবে কেবল অবকাঠামো নির্মাণই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ জনবল। ক্যান্সার চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানদের জন্য উচ্চতর প্রশিক্ষণের নিয়মিত ও গঠনমূলক রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ থাকতে হবে। বিশেষজ্ঞ জনগণ আর আধুনিক সেবা যখন দোরগোড়ায় থাকবে, তখনই সাধারণ মানুষের সুফল ভোগ করতে পারবে।

৪. ক্যান্সার কন্ট্রোল পলিসির আধুনিকায়ন 

আমাদের দীর্ঘদিনের স্থবির ও পুরনো ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ নীতিমালাকে আমূল সংস্কারের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত করার এখনই সময়। আগামীর বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের প্রয়োজন একটি সুসংহত ‘৩৬০-ডিগ্রি ক্যান্সার কন্ট্রোল মডেল’। এই আধুনিকায়নের মূল চালিকাশক্তি হবে ‘ডেটা-নির্ভর পরিকল্পনা’ এবং ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’র (AI) নিপুণ সমন্বয়। একটি কেন্দ্রীয় সমন্বিত কাঠামোর আওতায় বা এক ছাতার নিচে ক্যান্সার স্ক্রিনিং, উন্নত রোগ নির্ণয়, টেলি-মেডিসিন এবং পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এমনভাবে একীভূত করতে হবে, যাতে প্রযুক্তির সেতুবন্ধনে বিশেষজ্ঞ সেবাগুলো সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় অনায়াসেই পৌঁছে যায়। মূলত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এবং তথ্যনির্ভর নীতিনির্ধারণই হবে আমাদের আগামীর আধুনিক ও মানবিক ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মূল ভিত্তি।

৫. আইন প্রয়োগ ও পরিবেশ সুরক্ষা

ক্যান্সার সৃষ্টিকারী প্রধান দুটি কারণ হলো তামাক এবং অনিরাপদ খাদ্য। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং খাদ্যে ভেজাল ও দূষণ রোধে রাষ্ট্রের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি হাজার হাজার জীবন বাঁচাতে পারে। এটি কেবল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ নয়, বরং আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা।

৬. আর্থিক সুরক্ষা ও মানবিক রাষ্ট্র

ক্যান্সার চিকিৎসায় ‘আউট অফ পকেট এক্সপেন্ডিচার’ বা উচ্চ ব্যক্তিগত ব্যয় আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদ, যা প্রতি বছর অসংখ্য পরিবারকে নিঃস্ব করে দিচ্ছে। অর্থের অভাবে কোনো নাগরিকের চিকিৎসা যেন বন্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব। আর এই আর্থিক বিপর্যয় রুখতে একটি টেকসই ও বাস্তবসম্মত ‘জাতীয় ক্যান্সার স্বাস্থ্য বীমা’ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।

২০২৬ সালের বিশ্ব ক্যান্সার দিবস আমাদের একটি সুযোগ করে দিয়েছে নতুন করে পথ চলার। ‘United by Unique’ এর মূল কথা হলো বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য। আমাদের নাগরিকদের ঝুঁকি ও জীবনযাত্রা যতই ভিন্ন হোক না কেন, রাষ্ট্রের সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি হতে হবে অটল এবং অভিন্ন। একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী ক্যান্সার কন্ট্রোল পলিসি বাস্তবায়নের মাধ্যমেই আমরা আগামীর একটি সুস্থ ও সবল বাংলাদেশ গড়ার পথে এগিয়ে যেতে পারব। আমাদের সম্মিলিত ঐক্যই হোক ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরোধ।

লেখক : ক্যান্সার প্রতিরোধ ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠাতা, ক্যান্সার অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
বেশি আলু খেলে গ্যাসের সমস্যা হয়?
বেশি আলু খেলে গ্যাসের সমস্যা হয়?
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোক হেলথকেয়ারে মতবিনিময় সভা
স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোক হেলথকেয়ারে মতবিনিময় সভা
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ শিশুর মৃত্যু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ শিশুর মৃত্যু
এইডস রোগীও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন
এইডস রোগীও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন
একদিনে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু
একদিনে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার জনের মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু
সর্বশেষ খবর
বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অলিম্পিক ডে উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত
অলিম্পিক ডে উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

২১ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩

২৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৩০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও
স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও

৩২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের
ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের

৩২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব

৩৮ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি
সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি

৪৫ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন
মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২
কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি
নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

৫৮ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা
বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ
মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান
ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদে এবার মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদে এবার মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গেল বেলজিয়াম
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গেল বেলজিয়াম

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বনানীতে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে আহত
বনানীতে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে আহত

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের ৩১ শহরে ‘রইদ’
যুক্তরাষ্ট্রের ৩১ শহরে ‘রইদ’

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?
স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?
দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান
আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা?
ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ দেখায় জয় পেয়েছিল জাপান, এবারও কি ব্রাজিল হারবে?
শেষ দেখায় জয় পেয়েছিল জাপান, এবারও কি ব্রাজিল হারবে?

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত
প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাম মন্দিরে দানের কোটি কোটি রুপি আত্মসাৎ, ভারতজুড়ে তোলপাড়
রাম মন্দিরে দানের কোটি কোটি রুপি আত্মসাৎ, ভারতজুড়ে তোলপাড়

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক