শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৪৭, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ২১:৩৯, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬

জুলাই যোদ্ধাদের জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে আরেকটি ডিপার্টমেন্ট তৈরি করবে বিএনপি

চব্বিশের শহীদ ও আহতদের প্রতি রাষ্ট্রের অবশ্যই দায়িত্ব রয়েছে: তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
চব্বিশের শহীদ ও আহতদের প্রতি রাষ্ট্রের অবশ্যই দায়িত্ব রয়েছে: তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর আগে যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিল, তখন ‘মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ তৈরি করা হয়, যা ১৯৭১ সালে যারা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন—অর্থাৎ এক কথায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের কল্যাণ দেখভাল করে থাকে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের মানুষের সমর্থনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আগামী দিনে সরকার গঠনে সক্ষম হলে, এই শহীদ পরিবার যারা আছেন, জুলাই যোদ্ধা যারা আছেন—জুলাই আন্দোলনের যারা শহীদ পরিবার বা যোদ্ধা আছেন—তাদের যে কষ্টের কথাগুলো যে কজন মানুষ তুলে ধরেছেন—এই কষ্টগুলোকে যাতে আমরা কিছুটা হলেও সমাধান করতে পারি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রবিবার এক মতবিনিময়ে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর ফার্মগেট-খামারবাড়ি এলাকায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে এ মতবিনিময় সভা হয়।  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এতে বিএনপির অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমানও।

তারেক রহমান বলেন, যাকে আমরা হারিয়ে ফেলেছি তাকে তো আমরা ফিরিয়ে আনতে পারব না, কিন্তু যারা পেছনে রয়ে গিয়েছেন সেই পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধাগুলো যাতে দেখভাল করতে পারি—এই মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে। কারণ ওনারাও একজন মুক্তিযোদ্ধা, আপনারাও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেই গণ্য। ৭১ সালে এদেশের মানুষ, মুক্তিযোদ্ধারা এদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য জীবন দিয়েছিলেন, এদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যোদ্ধারা ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন; ঠিক একইভাবে চব্বিশে যে যোদ্ধারা যুদ্ধ করেছেন তারা স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার যুদ্ধ করেছেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অর্জিত হয়েছিল ৭১ সালে, তাকেই আবার রক্ষা করা হয়েছে ২০২৪ সালে। সেজন্যই মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আমরা আরেকটি ডিপার্টমেন্ট তৈরি করব যাদের দায়িত্ব হবে এই মানুষগুলোর দেখভাল করা, ইনশাআল্লাহ।

তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হাজার হাজার মানুষ গুম হয়েছে, খুন-অপহরণের শিকার হয়েছে। এরকম অনেকগুলো পরিবারের সাথে গতকাল আমার কথা হয়েছে, দেখা হয়েছে। অসংখ্য অগণিত পরিবার সব হারিয়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছে। শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও ১৪শ এরও বেশি মানুষ শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন ৩০ হাজারের মতন মানুষ। এই ৩০ হাজারের মতন মানুষের মধ্যে এমন কিছু মানুষ আছেন যাদের সংখ্যা ৫০০ এর মতন—যাদের কারো এক চোখ অথবা কারো দুচোখই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। পঙ্গু হয়েছেন অনেকে। জুলাই অভ্যুত্থানে যেভাবে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে— দেড় হাজারের মতন মানুষকে যে হত্যা করা হয়েছে—এটিকে এক বাক্যে স্রেফ আমরা একটি ‘গণহত্যা’ বলতে পারি।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা বিভিন্নভাবে আহত হয়েছেন, তাদের অনেকেই আজকের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন, আমাদের সামনে বক্তব্যও রেখেছেন কেউ কেউ। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী আহতদের যারা বক্তব্য রেখেছেন তাদের কষ্টের কথাগুলো আমরা শুনেছি। প্রিয় ভাইয়েরা, আপনাদের কারণেই, আপনাদের সাহসী ভূমিকার কারণেই—যারা শহীদ হয়েছেন, যারা আহত হয়েছেন—আপনাদের সাহসী ভূমিকার কারণেই ফ্যাসিবাদী চক্র শুধু রাষ্ট্রক্ষমতা নয়, বরং এদেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট আমি আপনাদের ভূমিকার কথা স্মরণ করে একটি বক্তব্য রেখেছিলাম। সেই বক্তব্যে আমি বলেছিলাম—বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র শহীদ আবু সাঈদ, মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ, কলেজ ছাত্র ওয়াসিম আকরাম, মাদ্রাসা ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন, স্কুল ছাত্র রিফাত হোসেন, কুমিল্লার আইনজীবী আবুল কালাম, চুয়াডাঙ্গার রাজমিস্ত্রি উজ্জ্বল হোসেন, নোয়াখালীর দোকান কর্মচারী আসিফ, বরগুনার ওষুধ কোম্পানির সেলসম্যান আল আমিন, পাবনার গাড়িচালক আরাফাত হোসেন, মিরপুরের গুলিববিদ্ধ ২২ বছর বয়সী মুত্তাকিম, দোকান কর্মচারী আতিকুল, অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তামিমের মতন অনেকের হাত কিংবা পা কেটে ফেলতে হয়েছে। গণহত্যা থেকে ছয় বছরের শিশু রিয়া গোপও রেহাই পায়নি সেদিন। এক বক্তব্যে হয়তো আমরা সকলের নাম বলতে পারব না—এত মানুষ শহীদ হয়েছেন, এত মানুষ আহত হয়েছেন। ফ্যাসিবাদ শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এদেশের স্বাধীনতা প্রিয়, গণতন্ত্রকামী প্রত্যেকটি সেক্টরের প্রতিটি শ্রেণিপেশার মানুষ সেদিন রাজপথে নেমে এসেছিল। সেদিনের যত ছবি উঠেছে, ক্যামেরায় বন্দি যত ছবি উঠেছে—প্রত্যেকটি ছবি এই কথাটিরই সাক্ষ্য দেয়। ২০২৪ সালের আন্দোলন কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর নয়।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, এই আন্দোলন ছিল সত্যিকার অর্থেই অধিকারহারা গণতন্ত্রকামী মানুষের গণআন্দোলন। একারণেই আমি বলি—১৯৭১ সাল ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, ২০২৪ সালের আন্দোলন ছিল দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। সুতরাং ২০২৪ সালকে যদি সুসংহত করতে হয়, তাহলে এদেশের সকল নারী-পুরুষ তথা প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অবশ্যই প্রয়োজন। যারা স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলনকে দলীয় স্বার্থ রক্ষার আন্দোলনে পরিণত করতে চায়, তাদের সম্পর্কে স্বাধীনতা প্রিয় গণতন্ত্রকামী মানুষকে অবশ্যই সজাগ থাকা জরুরি।

তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী ধারাবাহিক আন্দোলন এবং ২০২৪ সালে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে বীর শহীদ এবং আহত ও হতাহতদের প্রতি রাষ্ট্রের অবশ্যই দায়িত্ব রয়েছে। একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি সেই দায়িত্ব অনুভব করে, যার কথা একটু আগে আমি এবং আজকের অনুষ্ঠানের সভাপতি সাহেব উল্লেখ করেছেন আপনাদের সামনে। জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে অবশ্যই পর্যায়ক্রমিকভাবে আমরা আমাদের সেই দায়িত্ব, সেই অঙ্গীকার, সেই প্রতিশ্রুতি আপনাদের সামনে এবং দেশের মানুষের সামনে ইনশাআল্লাহ পূরণ করব।

তারেক রহমান আরও বলেন, আমরা যদি একটি নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হই আগামী দিনে—তাহলে এভাবেই শোক সমাবেশ আর শোকগাঁথা চলতে থাকবে। সুতরাং আর শোকগাঁথা বা শোক সমাবেশ নয়, বরং গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামীর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয়গাথা রচনা করবে ইনশাআল্লাহ।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ 
 

এই বিভাগের আরও খবর
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু
স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন
স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন
মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা
মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা
১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন
১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন
তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
আরেক মামলায় গ্রেফতার সাবেক এমপি মমতাজ
আরেক মামলায় গ্রেফতার সাবেক এমপি মমতাজ
বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী
বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী
দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী
দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী
চারদিনে হাইকোর্টে ২০ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির দৃষ্টান্ত
চারদিনে হাইকোর্টে ২০ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির দৃষ্টান্ত
নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুলসহ ৪ জনের জামিন মঞ্জুর
নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুলসহ ৪ জনের জামিন মঞ্জুর
সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৯ জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৯ জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

২ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি
রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি

৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা
নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা

৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

৬ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ
ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ

১০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা

১১ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা
বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা

১৪ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি
তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে
একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে

২০ মিনিট আগে | অর্থনীতি

‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা
‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা

২১ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার
বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার

২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন
স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন

৩১ মিনিট আগে | জাতীয়

নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার
নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার

৩৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা
মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

৪৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০
যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন
১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন

৫৮ মিনিট আগে | জাতীয়

৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন
৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮
আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬
রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক
যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক
রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি
চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?
দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা
ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা
১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?
‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ
নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!
বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে
বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা
মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন
সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার
ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ
যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা
খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়
‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?
পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!
মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!
'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’
ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার
স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা
বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো
সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু
তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন
রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন
হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না
দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার

প্রথম পৃষ্ঠা

নেইমার কি খেলবেন
নেইমার কি খেলবেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান
বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান

পেছনের পৃষ্ঠা

বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ
বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ

পেছনের পৃষ্ঠা

চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি
চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের
অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের

পেছনের পৃষ্ঠা

নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?
শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?

শোবিজ

এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স
এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের
নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি

সম্পাদকীয়

প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট

সম্পাদকীয়

মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড
মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড

মাঠে ময়দানে

ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর
ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়
ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়

নগর জীবন

হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা
হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক
সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

জাকির হোসেন আর নেই
জাকির হোসেন আর নেই

শোবিজ

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

মিশা সওদাগর
মিশা সওদাগর

শোবিজ

চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর
চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর

প্রথম পৃষ্ঠা

সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে
ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে

দেশগ্রাম

তিনি কে?
তিনি কে?

শোবিজ

শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন
শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন

পেছনের পৃষ্ঠা