শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৩৮, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ১৩:৪৮, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

নতুন পে স্কেল : মরার ওপর খাঁড়ার ঘা

বিশেষ প্রতিনিধি
অনলাইন ভার্সন
নতুন পে স্কেল : মরার ওপর খাঁড়ার ঘা

দেশে যখন নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে, এক মাসের কম সময়ের মধ্যে একটি নতুন নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করবে, ঠিক সেই সময় ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি মৌলিক নীতিনির্ধারণী পদক্ষেপ নিয়েছে। গত বুধবার সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে জাতীয় বেতন কমিশন। তবে গ্রেড (ধাপ) রাখার কথা বলা হয়েছে আগের মতোই ২০টি। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত হচ্ছে এবার ১ঃ৮, যা এত দিন ছিল ১ঃ৯.৪। সর্বনিম্ন ধাপে বেতন কাঠামো ৮ হাজার ২৫০ থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। আর সর্বোচ্চ ধাপে বেতন কাঠামো নির্ধারিত ৭৮ হাজার থেকে বাড়িয়ে সুপারিশ করা হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। 

সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন ২৩ সদস্যের বেতন কমিশন বুধবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বেতন-ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ সংবলিত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এ সময় অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী, অর্থসচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদারসহ কমিশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধান উপদেষ্টা প্রতিবেদন গ্রহণ করে বলেছেন, এটি একটি মস্ত বড় কাজ। মানুষ বহুদিন ধরে এর জন্য অপেক্ষা করছে। আউটলাইন দেখে বুঝলাম, এটি খুবই সৃজনশীল কাজ হয়েছে।

কমিশন প্রধান জাকির আহমেদ খান প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় বলেছেন, সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হলে ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার দরকার পড়বে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের ব্যয় হচ্ছে ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।

দ্বিতীয় ধাপে বর্তমানে মূল বেতন ৬৬ হাজার টাকা। এটি বাড়িয়ে ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা সুপারিশ করা হয়েছে। এভাবে তৃতীয় ধাপে ৫৫ হাজার ৫০০ থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ১৩ হাজার, চতুর্থ ধাপে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ, পঞ্চম ধাপে ৪৩ হাজার থেকে ৮৬ হাজার, ষষ্ঠ ধাপে ৩৫ হাজার ৫০০ থেকে ৭১ হাজার, সপ্তম ধাপে ২৯ হাজার থেকে ৫৮ হাজার, অষ্টম ধাপে ২৩ হাজার থেকে ৪৭ হাজার ২০০, নবম ধাপে ২২ হাজার থেকে ৪৫ হাজার ১০০, দশম ধাপে ১৬ হাজার থেকে ৩২ হাজার, ১১তম ধাপে ১২ হাজার ৫০০ থেকে ২৫ হাজার, ১২তম ধাপে ১১ হাজার ৩০০ থেকে ২৪ হাজার ৩০০, ১৩তম ধাপে ১১ হাজার থেকে ২৪ হাজার, ১৪তম ধাপে ১০ হাজার ২০০ থেকে ২৩ হাজার ৫০০, ১৫তম ধাপে ৯ হাজার ৭০০ থেকে ২২ হাজার ৮০০, ১৬তম ধাপে ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২১ হাজার ৯০০, ১৭তম ধাপে ৯ হাজার থেকে ২১ হাজার ১০০, ১৮তম ধাপে ৮ হাজার ৮০০ থেকে ২১ হাজার, ১৯তম ধাপে ৮ হাজার ৫০০ থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার ৫০০ টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। 

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বেসামরিক সরকারি চাকরিজীবীদের নিয়ে প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর এখন সামরিক ও বিচার বিভাগের জন্য আলাদা বেতন কমিশন চূড়ান্ত করা হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, প্রধানমন্ত্রী/প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এবং জ্যেষ্ঠ সচিবদের জন্য ২০ ধাপের বাইরে একটি ধাপ তৈরি করবে অর্থ বিভাগ, যা পরে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে। নির্বাচনের ঠিক আগে সরকারের এই পদক্ষেপ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। 

প্রথমত, যে মৌলিক প্রশ্নটি সামনে এসেছে, তা হলো নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর সরকার এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে কিনা। গণতন্ত্রের একটি চিরায়ত রীতি হলো নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই সরকারের কাজকর্ম রুটিন কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে যায়। সরকারের একমাত্র কাজ হয়, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। এই সরকার নির্বাচিত সরকারও নয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার এখন সরকারের নেই বলেই মনে করেন আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা। একটি নির্বাচিত সরকার এসেই কেবল এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

দ্বিতীয়ত, সরকারি চাকরিতে এভাবে ঢালাও বেতন বৃদ্ধি অর্থনীতিতে প্রচণ্ড নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এই বেতন বৃদ্ধি বেসরকারি খাতে বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি করবে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেসরকারি খাতেও বেতন বৃদ্ধির চাপ সৃষ্টি হবে। গত দেড় বছরে বেসরকারি খাতের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। অনেক কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তারা তাদের প্রতিষ্ঠান চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। রফতানি আয় কমেছে। ভালো প্রতিষ্ঠানও ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না। নেই নতুন বিনিয়োগ। এ রকম অবস্থায় বেতন বৃদ্ধি বেসরকারি খাতের জন্য অসম্ভব ব্যাপার। এই বেতন বৃদ্ধির চাপে বেসরকারি খাতের অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটে শিল্প উৎপাদন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় অনেক কারখানায় উৎপাদন কমানো বা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে এবং প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে। এ অবস্থায় উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ হারাচ্ছেন। ফলে শিল্প সম্প্রসারণ স্থবির হয়ে পড়ছে। বিনিয়োগ না বাড়ায় নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হচ্ছে না। পাশাপাশি উচ্চ সুদহার, নীতিগত অনিশ্চয়তা ও আমদানি ব্যয়ের চাপ বেসরকারি খাতের সংকটকে আরও গভীর করছে। এই অবস্থায় সরকারের সিদ্ধান্ত বেসরকারি খাতকে এক গভীর অনিশ্চয়তার দিকে নিয়ে যাবে।

এই বেতন বৃদ্ধির ফলে সবচেয়ে চাপে পড়বে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প খাত। পোশাক খাতের এমনিতেই বেহাল দশা। এর মধ্যে এই পে স্কেল পোশাক খাতের শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির প্রেক্ষাপট তৈরি করবে। বেতন বৃদ্ধির জন্য আন্দোলন শুরু হবে পোশাক শিল্প এলাকায়। ধুঁকতে থাকা গার্মেন্টস শিল্প অস্তিত্বের সংকটে পড়বে। শুধু পোশাক খাত নয়, শ্রমঘন প্রতিটি শিল্প খাতে সৃষ্ট হবে অস্থিরতা এবং শ্রমিক অসন্তোষ। শিল্প উদ্যোক্তারা এ রকম প্রতিকূল পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেবেন?

তৃতীয়ত, এই পে স্কেল বাজারে জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি করবে। গবেষণায়, দেখা গেছে, প্রতিবার পে স্কেল ঘোষণার পর তিন দফায় বাজারে দাম বৃদ্ধি পায়। প্রথম ধাপে বাড়ে যখন পে স্কেল ঘোষণা করা হয় (যেটা বুধবার করা হয়েছে)। দ্বিতীয় ধাপে বাড়ে যখন এটা কার্যকর করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। আর তৃতীয় ধাপে বাড়ে যখন নতুন পে স্কেল অনুযায়ী বেতন পাওয়া শুরু হয়। 

অর্থনৈতিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিবার পে স্কেলের সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ে শতকরা ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ। আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, এবারের পে স্কেলের কারণে জিনিসপত্রের দাম দ্বিগুণের বেশি হবে। এমনিতেই নিম্নআয়ের মানুষ থেকে মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ বাজারে গিয়ে আর্তনাদ করেন। জিনিসপত্রের দাম এখনই অস্বাভাবিক, বেশিরভাগ মানুষেরই নাগালের বাইরে। এর ওপর এই সিদ্ধান্ত বাজার পরিস্থিতি ভয়াবহ করে তুলবে। সরকার গত দেড় বছরে মুদ্রাস্ফীতি সামাল দিতে পারেনি। দেশে এখন মুদ্রাস্ফীতি ৮ শতাংশের বেশি। নতুন পে-স্কেল চালু হলে মুদ্রাস্ফীতি ২০ থেকে পঁচিশ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।

চতুর্থত, সরকারের রাজস্ব আয় কমেছে উদ্বেগজনক হারে। চলতি বছরে ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম রাজস্ব আয় হয়েছে। সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বেতনসহ নির্বাহী খরচ মেটাচ্ছে। সরকারের রাজস্ব আয়ের পরিস্থিতিতে এই সুপারিশ বাস্তবায়নের সক্ষমতা নেই। অতিরিক্ত এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকা কোথা থেকে আসবে, সেই বিষয়েও কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি এই সুপারিশে। রাজস্ব বাড়াতে গিয়ে যদি অযৌক্তিকভাবে ভ্যাটের মতো পরোক্ষ কর বাড়ানো হয়, তাহলে তার প্রভাব সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর পড়বে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যে সাধারণ মানুষের পক্ষে বাড়তি করের বোঝা নেওয়ার সুযোগ নেই। 

ঘুস-দুর্নীতি কমানো এবং সরকারি কাজে গতি আনার যুক্তিতে অতীতেও বেতন-ভাতা বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এসব সমস্যার খুব একটা সমাধান হয়নি। অনির্বাচিত বা অন্তর্বর্তী সরকার এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে পরবর্তী সরকারের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করবে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত সংকটে থাকা অর্থনীতিতে মরার ওপর খাঁড়ার ঘা।

বিডি প্রতিদিন/কেএ

এই বিভাগের আরও খবর
সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইইউর রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইইউর রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
বিচার বিভাগ কি সত্যিই স্বাধীন হলো?
বিচার বিভাগ কি সত্যিই স্বাধীন হলো?
ভোটের দিন চলবে মেট্রোরেল, বাড়বে ট্রেনের সংখ্যা
ভোটের দিন চলবে মেট্রোরেল, বাড়বে ট্রেনের সংখ্যা
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, দেখুন তালিকা
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, দেখুন তালিকা
ভোটের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া, জানাল অধিদপ্তর
ভোটের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া, জানাল অধিদপ্তর
কুয়াশা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
কুয়াশা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
মেয়াদ কম থাকায় কোনো বিনিয়োগ আসেনি: জ্বালানি উপদেষ্টা
মেয়াদ কম থাকায় কোনো বিনিয়োগ আসেনি: জ্বালানি উপদেষ্টা
২৪৪ জন কর্মকর্তাকে সহকারী কমিশনার পদে পদায়ন
২৪৪ জন কর্মকর্তাকে সহকারী কমিশনার পদে পদায়ন
মুসলিম বিশ্বকে শিক্ষায় আরও বেশি বিনিয়োগ করতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
মুসলিম বিশ্বকে শিক্ষায় আরও বেশি বিনিয়োগ করতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে বন্দর ইজারা চুক্তি করছে না অন্তর্বর্তী সরকার: বিডা চেয়ারম্যান
ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে বন্দর ইজারা চুক্তি করছে না অন্তর্বর্তী সরকার: বিডা চেয়ারম্যান
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে থাকবে গোয়েন্দা নজরদারি : প্রেস সচিব
৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে থাকবে গোয়েন্দা নজরদারি : প্রেস সচিব
সর্বশেষ খবর
সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইইউর রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইইউর রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবে গেছে চট্টগ্রামমুখী পণ্যবোঝাই জাহাজ, ১৬ বাংলাদেশি নাবিক উদ্ধার
থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবে গেছে চট্টগ্রামমুখী পণ্যবোঝাই জাহাজ, ১৬ বাংলাদেশি নাবিক উদ্ধার

২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অভিষেকের অপেক্ষায় ফুটবলের দেশ ইতালি
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অভিষেকের অপেক্ষায় ফুটবলের দেশ ইতালি

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফেব্রুয়ারিতে আকাশে দেখা মিলবে বিরল ধূমকেতু
ফেব্রুয়ারিতে আকাশে দেখা মিলবে বিরল ধূমকেতু

৪৪ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

বিএনপি ক্ষমতায় এলে মেয়েদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে: জুবাইদা রহমান
বিএনপি ক্ষমতায় এলে মেয়েদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে: জুবাইদা রহমান

৪৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান
দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

এবারের ভোট হবে কারা মানুষের পাশে থাকে, সেটি দেখার ভোট: তারেক রহমান
এবারের ভোট হবে কারা মানুষের পাশে থাকে, সেটি দেখার ভোট: তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

এশিয়ার এই ফুল বিজ্ঞানীদের ভাবনায় ফেলেছে
এশিয়ার এই ফুল বিজ্ঞানীদের ভাবনায় ফেলেছে

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নরসিংদীতে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা
নরসিংদীতে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার
ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিচার বিভাগ কি সত্যিই স্বাধীন হলো?
বিচার বিভাগ কি সত্যিই স্বাধীন হলো?

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোটের দিন চলবে মেট্রোরেল, বাড়বে ট্রেনের সংখ্যা
ভোটের দিন চলবে মেট্রোরেল, বাড়বে ট্রেনের সংখ্যা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেস থেকে জবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মেস থেকে জবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ভীত নয় ইরান
মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ভীত নয় ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঘূর্ণি জাদুতে আইরিশদের ডুবিয়ে শ্রীলঙ্কার শুভসূচনা
ঘূর্ণি জাদুতে আইরিশদের ডুবিয়ে শ্রীলঙ্কার শুভসূচনা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চাঁদপুরে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থনে জেলা মহিলা দলের সমাবেশ
চাঁদপুরে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থনে জেলা মহিলা দলের সমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ব্যতিক্রমী স্লোগানে বিএনপি প্রার্থী মাজেদ বাবুর প্রচারণা
ব্যতিক্রমী স্লোগানে বিএনপি প্রার্থী মাজেদ বাবুর প্রচারণা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

‘সব ভোটকেন্দ্রে’ সেনা মোতায়েনের দাবি মুফতি ফয়জুল করিমের
‘সব ভোটকেন্দ্রে’ সেনা মোতায়েনের দাবি মুফতি ফয়জুল করিমের

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কুমিল্লা-৫ আসন : আগে ভোট, পরে কেন্দ্র পাহারার নির্দেশ
কুমিল্লা-৫ আসন : আগে ভোট, পরে কেন্দ্র পাহারার নির্দেশ

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নোয়াখালীতে হাতপাখার জনসভায় মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনের অঙ্গীকার
নোয়াখালীতে হাতপাখার জনসভায় মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনের অঙ্গীকার

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, দেখুন তালিকা
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, দেখুন তালিকা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লা-৭ আসনে দেয়াল ঘড়ি প্রতীকের সমর্থনে গণমিছিল
কুমিল্লা-৭ আসনে দেয়াল ঘড়ি প্রতীকের সমর্থনে গণমিছিল

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিএনপি প্রার্থী রনির আহ্বানে গাজীপুরে ক্রিকেটার তামিম
বিএনপি প্রার্থী রনির আহ্বানে গাজীপুরে ক্রিকেটার তামিম

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ধর্মঘটে ফের অচল চট্টগ্রাম বন্দর
ধর্মঘটে ফের অচল চট্টগ্রাম বন্দর

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ধর্ম ব্যবসায়ীদের ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান ধানের শীষ প্রার্থীর
ধর্ম ব্যবসায়ীদের ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান ধানের শীষ প্রার্থীর

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কর্মসংস্থানের মাধ্যমে গ্রামভিত্তিক অর্থনীতি শক্তিশালী করা হবে : প্রিন্স
কর্মসংস্থানের মাধ্যমে গ্রামভিত্তিক অর্থনীতি শক্তিশালী করা হবে : প্রিন্স

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যৌন হয়রানির প্রতিবেদনে অসন্তুষ্ট জাহানারা
যৌন হয়রানির প্রতিবেদনে অসন্তুষ্ট জাহানারা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপের সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধি দলের বৈঠক
কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপের সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধি দলের বৈঠক

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

খুলনা–৩ এ চালু হলো ফ্রি ওয়াইফাই জোন
খুলনা–৩ এ চালু হলো ফ্রি ওয়াইফাই জোন

৪ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

সুবর্ণচরের পানির সংকট ও সড়ক সমস্যার সমাধানকে অগ্রাধিকার দেবে বিএনপি
সুবর্ণচরের পানির সংকট ও সড়ক সমস্যার সমাধানকে অগ্রাধিকার দেবে বিএনপি

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সর্বাধিক পঠিত
আশিক চৌধুরীর বিনিয়োগের ফাঁপা বেলুন!
আশিক চৌধুরীর বিনিয়োগের ফাঁপা বেলুন!

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পাকিস্তানকে রাজি করাতে বাংলাদেশকে কেন ডাকলো আইসিসি?
পাকিস্তানকে রাজি করাতে বাংলাদেশকে কেন ডাকলো আইসিসি?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা যেসব যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা যেসব যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকা থেকে ভাইয়ের জন্য ভোট চাইতে এলেন সিনেটর শেখ রহমান
আমেরিকা থেকে ভাইয়ের জন্য ভোট চাইতে এলেন সিনেটর শেখ রহমান

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ক্ষমতায় গেলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের
ক্ষমতায় গেলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে নতুন নির্দেশনা
১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে নতুন নির্দেশনা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বেতন কমিশন নিয়ে কমিটি গঠন করল সরকার
বেতন কমিশন নিয়ে কমিটি গঠন করল সরকার

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বুলবুল কী করবেন লাহোরে আইসিসি-পিসিবি বৈঠকে?
বুলবুল কী করবেন লাহোরে আইসিসি-পিসিবি বৈঠকে?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে সিইসির কাছে নারী নেত্রীদের আবেদন
জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে সিইসির কাছে নারী নেত্রীদের আবেদন

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

এবার নতুন বিপদের মুখে আইসিসি
এবার নতুন বিপদের মুখে আইসিসি

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডা. না হয়েও পদবি ব্যবহার করায় জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ
ডা. না হয়েও পদবি ব্যবহার করায় জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের ছুটি
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের ছুটি

১৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ঢাকার ৬ স্থানে আজ তারেক রহমানের জনসভা
ঢাকার ৬ স্থানে আজ তারেক রহমানের জনসভা

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রেকর্ড গড়ে আফগানিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু নিউজিল্যান্ডের
রেকর্ড গড়ে আফগানিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু নিউজিল্যান্ডের

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সোমবার ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি
সোমবার ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ দিন বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং
৪ দিন বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং

৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ, তেহরানে একাই হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ, তেহরানে একাই হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌদি প্রবাসীদের সুখবর দিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা
সৌদি প্রবাসীদের সুখবর দিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭৩৪৫ কোটি টাকার ঝুঁকিতে আইসিসি
৭৩৪৫ কোটি টাকার ঝুঁকিতে আইসিসি

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোটগ্রহণ শেষে যেভাবে ফলাফল তৈরি হয়
ভোটগ্রহণ শেষে যেভাবে ফলাফল তৈরি হয়

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে আইসিসির কাছে যাওয়ার খবর প্রত্যাখ্যান পিসিবি’র
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে আইসিসির কাছে যাওয়ার খবর প্রত্যাখ্যান পিসিবি’র

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বেআইনিভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে: এইচআরডব্লিউ
ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বেআইনিভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে: এইচআরডব্লিউ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১,৭১৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু : শিক্ষা মন্ত্রণালয়
১,৭১৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু : শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলবার সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণা : ইসি সচিব
মঙ্গলবার সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণা : ইসি সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এপস্টাইন কেলেঙ্কারিতে নাম থাকায় ফ্রান্সের সাবেক মন্ত্রী জ্যাক ল্যাংয়ের পদত্যাগ
এপস্টাইন কেলেঙ্কারিতে নাম থাকায় ফ্রান্সের সাবেক মন্ত্রী জ্যাক ল্যাংয়ের পদত্যাগ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার সকালে
প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার সকালে

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

২০৫০ সালের মধ্যে কয়েক মিলিয়ন বিড়াল নির্মূলের পরিকল্পনা নিউজিল্যান্ডের
২০৫০ সালের মধ্যে কয়েক মিলিয়ন বিড়াল নির্মূলের পরিকল্পনা নিউজিল্যান্ডের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের
‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

১৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কমেছে স্বর্ণের দাম, আজ থেকে কার্যকর
কমেছে স্বর্ণের দাম, আজ থেকে কার্যকর

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
বাউফলে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ নলছিটিতে যোগদান নিয়ে হাঙ্গামা
বাউফলে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ নলছিটিতে যোগদান নিয়ে হাঙ্গামা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবে ১০ ফ্যাক্টর
জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবে ১০ ফ্যাক্টর

খবর

মাঠে সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্য
মাঠে সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্য

প্রথম পৃষ্ঠা

নারীর নিরাপত্তায় আচরণবিধি থাকা উচিত প্রতিটি দলে
নারীর নিরাপত্তায় আচরণবিধি থাকা উচিত প্রতিটি দলে

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন ৫০ শতাংশ মানুষ
নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন ৫০ শতাংশ মানুষ

প্রথম পৃষ্ঠা

সেনা হেফাজতে যুবকের মৃত্যু
সেনা হেফাজতে যুবকের মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা

চর্যাপদ থেকে শুরু করে ভাষা বিবর্তিত হয়ে আসছে
চর্যাপদ থেকে শুরু করে ভাষা বিবর্তিত হয়ে আসছে

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা
নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা

সম্পাদকীয়

ধর্মঘটে অচল বন্দর পিছু হটেছে সরকার
ধর্মঘটে অচল বন্দর পিছু হটেছে সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

শেষ মুহূর্তে তুঙ্গে প্রচার
শেষ মুহূর্তে তুঙ্গে প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রকৃতিতে বসন্তের ছোঁয়া
প্রকৃতিতে বসন্তের ছোঁয়া

পেছনের পৃষ্ঠা

আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন
আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন

নগর জীবন

ঢাকা হবে নিরাপদ মহানগরী
ঢাকা হবে নিরাপদ মহানগরী

প্রথম পৃষ্ঠা

গুম খুন নিয়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য
গুম খুন নিয়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন আহসান হাবীব
পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন আহসান হাবীব

নগর জীবন

অস্বীকার করেননি বুবলী শাকিব নিশ্চুপ
অস্বীকার করেননি বুবলী শাকিব নিশ্চুপ

শোবিজ

বইপ্রেমী কিশোর
বইপ্রেমী কিশোর

প্রাণের ক্যাম্পাস

সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

টিআইবির প্রতিবেদন বাস্তবতাবিবর্জিত
টিআইবির প্রতিবেদন বাস্তবতাবিবর্জিত

প্রথম পৃষ্ঠা

দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান
দুয়ারে কড়া নাড়ছে রমজান

সম্পাদকীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও আলোচনার আশা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও আলোচনার আশা ইরানের

পূর্ব-পশ্চিম

২৬০০ বন্দির মধ্যে পোস্টাল ভোট দিলেন ২০৪ জন
২৬০০ বন্দির মধ্যে পোস্টাল ভোট দিলেন ২০৪ জন

নগর জীবন

নাইজেরিয়ায় তিন দিনব্যাপী হামলায় ৫১ জন অপহৃত, নিহত ৩
নাইজেরিয়ায় তিন দিনব্যাপী হামলায় ৫১ জন অপহৃত, নিহত ৩

পূর্ব-পশ্চিম

দেড় বছরের লড়াই শেষে জুলাই যোদ্ধা আশরাফুলের মৃত্যু
দেড় বছরের লড়াই শেষে জুলাই যোদ্ধা আশরাফুলের মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা

শেষ সময়ে উত্তপ্ত ভোটের মাঠ
শেষ সময়ে উত্তপ্ত ভোটের মাঠ

নগর জীবন

নির্বাচনি নাটক ‘ঢাকা ২৬’
নির্বাচনি নাটক ‘ঢাকা ২৬’

শোবিজ

অজ্ঞান করে অটোরিকশা ছিনতাই চালকের মৃত্যু
অজ্ঞান করে অটোরিকশা ছিনতাই চালকের মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা

যুক্তরাজ্য থেকে জরিপ জাহাজ কিনছে নৌবাহিনী
যুক্তরাজ্য থেকে জরিপ জাহাজ কিনছে নৌবাহিনী

পেছনের পৃষ্ঠা