শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:১৮

বাফুফে নির্বাচনে ৫ অধিনায়ক

বাফুফে নির্বাচনে ৫ অধিনায়ক

কাজী সালাউদ্দিন

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রথম অধিনায়ক ছিলেন জাকারিয়া পিন্টু। এরপরই নেতৃত্ব পান কাজী সালাউদ্দিন। ১৯৭৫ সালে তিনি মারদেকা কাপে জাতীয় দলের অধিনায়ক হন। তারা নেতৃত্বে টুর্নামেন্টে জাতীয় দল চরম ব্যর্থতার পরিচয় দেয়। প্রতিপক্ষের কাছে বিশাল ব্যবধানে হারে। বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে সালাউদ্দিনই সবচেয়ে কম বয়সে জাতীয় দলের নেতৃত্ব পান। কিন্তু হতাশায় তার অধিনায়ত্ব স্মরণীয় হতে পারেনি। একবারই সালাউদ্দিন জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দেন।

 

ইমতিয়াজ সুলতান জনি

১৯৮৫ সালে ইমতিয়াজ সুলতান জনির নেতৃত্ব ঢাকা আবাহনী ফেডারেশন কাপ ও লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়। সে বছরই ঢাকায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সাফ গেমসে ফুটবলে জাতীয় দলের অধিনায়ক হন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে প্রথমে গোল করে বাংলাদেশ এগিয়ে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে ভারত সমতা ফেরালে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে আর কেউ গোল করতে পারেনি। টাইব্রেকারে হেরে বাংলাদেশ রূপা জেতে।

 

শেখ মো. আসলাম

১৯৮৭ সালে আবাহনীর নেতৃত্ব পাওয়ার আগে শেখ মো. আসলাম জাতীয় দলের অধিনায়ক হন। সেবার ইন্দোনোশিয়ায় জার্কাতায় আমন্ত্রণমূলক ফুটবল টুর্নামেন্ট হয়। বাংলাদেশ আসরে সুবিধা করতে না পারলেও আসলামের পারফরম্যান্স দর্শকদের মুগ্ধ করে। তারই গোলে বাংলাদেশ হারায় ফিলিপাইনকে। ম্যাচসেরার পুরস্কার পান আসলামই। টুর্নামেন্টে থাকা অবস্থায় হংকং আসলামকে অফার দেয় লিগ খেলতে। আসলাম সেই অফার গ্রহণ করেননি।

 

ইলিয়াস হোসেন

১৯৮৮-৮৯ মৌসুমে নিয়মিত সেরা একাদশে সুযোগ না পেলেও ইলিয়াস হোসেনই ছিলেন মোহামেডানের নিয়মিত অধিনায়ক। ১৯৮৯ সালে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হয় সাফ গেমস। ফুটবলে জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দেন ইলিয়াস। ফাইনালে একচেটিয়া দাপট দেখালেও দুর্ভাগ্যক্রমে স্বাগতিক পাকিস্তানের কাছে ০-১ গোলে হেরে যায়। গোলটিও ছিল বিতর্কিত। অফসাইড তারপর আবার গোলরক্ষক কাননকে ধাক্কা মেরে গোল করে পাকিস্তান।

 

আরিফ হোসেন মুন

আরিফ হোসেন মুন জাতীয় দলের অধিনায়ক হবেন তা ছিল ভাবনার বাইরে। দলে একাধিক তারকা থাকার পরও ১৯৯৩ সালে ঢাকা অনুষ্ঠিত সাফ গেমসে জাতীয় দলে আর্মব্যান্ড পরেন মুন। প্রত্যাশা ছিল প্রথমবারের মতো গেমসে সোনা জিতবে বাংলাদেশ। অথচ ঘরের মাঠেও চরম হতাশা। সোনা জেতা তো দূরের কথা সেবার বাংলাদেশ সেমিফাইনালই উঠতে পারেনি। নেপাল দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় ভারতকে হারিয়ে। এমন ব্যর্থতা মেনে নিতে পারেনি ফুটবলপ্রেমীরা।


আপনার মন্তব্য