শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:১০, রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ২০:০০, রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫

‘ফেসবুক মার্কা সরকারের পদে পদে ভুল, মাসুল দিচ্ছে জনগণ’

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
‘ফেসবুক মার্কা সরকারের পদে পদে ভুল, মাসুল দিচ্ছে জনগণ’

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, বর্তমান সরকারকে সবাই ফেসবুক মার্কা সরকার হিসেবে অভিহিত করছেন। এই সরকারের যত হুম্বিতম্বি, যত হাঁকডাক সবকিছুই ফেসবুকের মাধ্যমে হয়। এবং এই সরকার যা কিছু করে, ফেসবুকে যে আওয়াজ তোলা হয় এবং যার মাধ্যমে ভয় দেখানো হয়। তো এই যে ফেসবুক মার্কা সরকার, সেই সরকারের এই যে দুরবস্থা, সেই দুরবস্থা কীভাবে হলো?

সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রথম কারণ হলো- এই সরকারের যে একটা আইনগত ভিত্তি সেই আইনগত ভিত্তি নিয়ে প্রথম দিন থেকেই একটা তর্ক-বিতর্ক হচ্ছে। এই সরকার কি তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা এই সরকার কি একটা ইন্টারিয়াম সরকার? বলা হচ্ছে এই ধরনের কোনো কথা অর্থে আমাদের সংবিধান, আইন-আদালত কিংবা আমাদের যে প্রথা রয়েছে সে প্রথার মধ্যে এগুলো রয়েছে কি না।

তারপর এই সরকারের পেছনে জনসমর্থন কত ভাগ? কত পারসেন্ট? দেশের প্রধানতম রাজনৈতিক যে দলগুলো রয়েছে তারা কিভাবে সরকারকে গুরুত্ব দিচ্ছে, মূল্যায়ন করছে, সরকারকে সহযোগিতা করছে এবং রাষ্ট্রের যে প্রশাসন যন্ত্র রয়েছে সেগুলোর সঙ্গে সরকারের যে সংযোগ, সরকারের যে বন্ধুত্ব সেটা কেমন হচ্ছে? 

সব মিলিয়ে যখন এই সরকার ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের ৮ তারিখে ক্ষমতায় এসেছিল বা শপথ নিয়েছিল। সেদিন থেকে বিতর্ক যে এটা সাংবিধানিক সরকার না অসাংবিধানিক সরকার? বিপ্লবী সরকার, নাকি গণতান্ত্রিক সরকার? এটি কি যাকে বলা হয় গণ-অভ্যুত্থানের সরকার নাকি একটা পশ্চিমাদের চাপিয়ে দেওয়া জোর জবরদস্তিমূলক সরকার?

রনি বলেন, তো এই ধরনের নানা রকম কুটচাল কুটবিতর্কে সরকার কখনোই তাদের পক্ষে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে পারেনি। কেন পারেনি? এর কারণ সরকার যে কাজকর্মগুলো করেছে বা করে চলেছে তার একটিও জনগণের বিশ্বাস, আস্থা এবং ভালোবাসার কারণে হয়নি। কিংবা জনগণের কল্যাণে এযাবতকালে কোনো ঘটনা ঘটানো হয়েছে বা সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেখানে ব্যাপক মাত্রায় জনগণের যে জনমত সেটি প্রতিফলিত হয়েছে। 
বরং সরকার যা কিছু করছে, যা কিছু বলছে বা এমন কিছু সিদ্ধান্ত যা একটার পর একটা জনমনে অস্বস্তি তৈরি করছে। ক্রমশ এদেশের যে ভূখণ্ড সেই ভূখণ্ড থেকে জনগণের আস্থা, বিশ্বাস এবং ভালোবাসা থেকে সরকারকে ক্রমশ দূরে অনেক অনেক দূরে নিয়ে যাচ্ছে।

ফলে এই সরকারকে আমরা পথে ঘাটে মাঠে দেখতে পাই না। এ সরকারের কণ্ঠস্বর আমাদের যে বাংলা সাহিত্য কৃষ্টি কালচারের সঙ্গে কখনো সুর মিলায় না। তারা এসে জাতীয় সংগীত পরিবর্তন করার কথা ভাবল। সংবিধান ছুড়ে ফেলার কথা বলল। তারপর পুরো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস।

এটিকে নতুন করে আবার রিসেট বাটনে চাপ দিয়ে একটা আধুনিক বাংলাদেশের কথা বলা হলো। যা কিনা শুরু হবে ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের পাঁচ তারিখ থেকে। এইরকম একটা প্রস্তাবনা দিয়ে তারা যে সারা বাংলাদেশে সংস্কারের একটা ধুও তুলেছে এটি কালের বিবর্তনে মানুষের মন মস্তিষ্কে রীতিমতো বিষক্রিয়া তৈরি করেছে। এখন আপনি যদি কারো কানের কাছে গিয়ে ১০-১২ বার বলেন, সংস্কার সংস্কার সংস্কার কিংবা সংস্কারের জনক ইউনূস ইউনূস ইউনূস কিংবা সংস্কারের জনক আলী রীয়াজ আলী রীয়াজ আলী রীয়াজ। কিংবা আলরিয়াস এবং বদিউল আলম মজুমদার ভাই ভাই ভাই ভাই। এই কথাগুলো শোনার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মনোমস্তিষ্ক এক ধরনের গোসসা চলে আসবে। আমাদের এই বাংলায় গত দীর্ঘদিন ধরে কতগুলো নাম কতগুলো মুখ যেমন ধরুন জনাব আসিফ নজরুল সাহেব কিংবা ধরুন সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এই নামগুলো এবং মুখগুলো খুবই জনপ্রিয় ছিল।

কিন্তু বর্তমান সরকারের কবলে পড়ে এখন তাদের অবস্থা এমন হয়ে গেছে যে তারা অনেক জায়গাতে মবের শিকার হচ্ছেন। তাদেরকে আটকে রাখা হচ্ছে। তাদেরকে নিয়ে নানা রকম কথাবার্তা বলা হচ্ছে। যেটা তাদের সারাজীবনের অর্জনকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে। তো যেটা বলছিলাম যে এইভাবে নানা রকম কর্মকাণ্ড সেই কর্মকাণ্ড ইতিবাচক নেতিবাচক জনকল্যাণ বা জনবিরোধী এ সব মূল্যায়ন করার কোনো সুযোগই জনগণ পাচ্ছে না। জনগণ কেবলই বলে যাচ্ছে সব খারাপ। সব খারাপ সব খারাপ।

তো এই সব খারাপের কারণে কী হচ্ছে? সরকারে যারা কর্তাব্যক্তি আপনজন প্রিয়ভাজন বিপ্লবী সৈনিক তারা এখন জনারণ্যে মানে জনগণের যে অরণ্য রয়েছে যেখানে জনসমাবেশ হয় যেখানে জনগণ থাকে ব্যাপক মাত্রায় সেখানে তারা নির্ভয়ে নিশ্চিন্তে নির্ভাবনায় একাকি যেতে পারছেন না। তাদেরকে রাষ্ট্রীয় যে পুলিশ সেনাবাহিনী বিজিবি র‌্যাব তারপরে সোয়াত নামে যে একেবারে খুব অত্যাধুনিক পুলিশ বাহিনী গঠন করা হয়েছে তার সঙ্গে রয়েছে ডগ স্কোয়াড। সেই ডগ স্কোয়াড নিয়ে তাদেরকে যেতে হচ্ছে বিভিন্ন জায়গাতে। এর বাইরে একাকি আকাশের চাঁদ দেখার সুযোগ তাদের নেই। তারকা গণনার সময় তাদের নেই। তারা একটা ইলিয়েশন একটা কল্পনার জগত নিজেদের জন্য তৈরি করে রেখেছে।

জনগণ তাদের সেই যে বিপ্লবী ভাই যারা জুলাই ২১শের বিপ্লব যুদ্ধে যেভাবে ট্যাংকের সামনে, বন্দুকের সামনে জীবনের মায়া ত্যাগ করে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। ঠিক একটি বছর আগে-পরে এখন এই যে বিপ্লবীদের কথা শুনে নতুন বিপ্লবী তারা উত্তাল হয়ে যাচ্ছে, নতুন একটা বিপ্লবের কথা বলা হচ্ছে। এই যে জনসমুদ্র সেই জনসমুদ্রে গোল হয়ে বসার সময় এসেছে। কাছাকাছি এসে ভাগাভাগি করার সময় এসেছে। একে অপরের দুঃখকে ভাগ করে নেওয়ার কথা বলার সময় এসেছে। ঠিক সেই সময়টিতে সরকারের সঙ্গে বিপ্লবীদের সঙ্গে জনগণের সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে।

সাবেক এ সংসদ সদস্য বলেন, দূরত্বের মাঝে এসে একটা কল্পনার শক্তি বাসা বেঁধেছে। এবং সেটি হলো সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক। এই সরকারের হর্তাকর্তা প্রায় সবারই ফেসবুক রয়েছে। সেখানে জনাব ড. মুহাম্মদ ইউনূস, তার যেসব কুশীলব রয়েছেন তারা। যেসব বিপ্লবী যারা রয়েছেন তরুণ এবং যুবক তারা সবাই তাদের যে মনের বেদনা মনের কষ্ট মনের দুঃখ তাদের আশা আকাঙ্ক্ষা আদেশ নির্দেশ সবকিছু তারা ঢেলে দেন কোথায়? ফেসবুকে। লক্ষ লক্ষ শেয়ার লক্ষ লক্ষ লাইক কমেন্ট আর সেটা দেখে তারা মনে করেন যে মাই গড এ কি হলো এত জনসমর্থ নিয়ে পৃথিবীতে কোন সরকার কি গঠিত হয়? কোনো বিপ্লব কি সাধিত হয়েছে? বিপ্লবের একটি বছর পর বিপ্লবের নায়ক মহানায়করা ফেসবুকে যে ঝড় তুলছেন এমন ঝড় কি পৃথিবীর কোথাও ঘটেছে? 

যেটি দিয়ে তারা আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। যেটি দিয়ে তাদের উত্থান হয়েছে, ঠিক সেটি দিয়েই তাদের পতন হবে। আপনি দেখবেন যে হঠাৎ করে বিদেশি গণমাধ্যমে এমন একটা খবর চলে এসেছে বাংলাদেশি গণমাধ্যমে এরকম একটা খবর চলে এসেছে কিংবা সামাজিক মাধ্যমে এরকম একটা খবর তারাই করেছে।

মানে আমাদের করতে হবে না বা বাইরের কাউকে করতে হবে না এই সরকারের কর্তা ব্যক্তিরাই করেছে, বলেছে সেটার প্রতিক্রিয়া ঠিক সেই শেখ হাসিনার রাজাকারের বাচ্চাকাচ্চা বা রাজাকারের নাতিপুতি এই শব্দটা যেভাবে সারা বাংলাদেশকে তোলপড় করে দিয়েছিল ঠিক ওরকম একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যাবে এই ফেসবুকের মাধ্যমে।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ   

এই বিভাগের আরও খবর
‘সবাইকেই তো দেখলাম, এবার জামায়াতকে দেখব’ —কথাটির গোমর ফাঁস করলেন হামিম
‘সবাইকেই তো দেখলাম, এবার জামায়াতকে দেখব’ —কথাটির গোমর ফাঁস করলেন হামিম
কয়েক সপ্তাহে দেশে রাজনৈতিক আবহাওয়া বদলেছে দ্রুত: জিল্লুর রহমান
কয়েক সপ্তাহে দেশে রাজনৈতিক আবহাওয়া বদলেছে দ্রুত: জিল্লুর রহমান
অনেকেই জাতীয় নির্বাচনকে দেখছেন প্রতিশ্রুতির পরীক্ষা হিসেবে: জিল্লুর রহমান
অনেকেই জাতীয় নির্বাচনকে দেখছেন প্রতিশ্রুতির পরীক্ষা হিসেবে: জিল্লুর রহমান
তফসিলের কাউন্টডাউন শুরু হতেই ফুটে উঠছে রাজনৈতিক রোগের পুনরাবৃত্তি
তফসিলের কাউন্টডাউন শুরু হতেই ফুটে উঠছে রাজনৈতিক রোগের পুনরাবৃত্তি
‘মাইনাস টু বা ফোর’ কার্যকর করার সক্ষমতা কারো নেই: রুমিন ফারহানা
‘মাইনাস টু বা ফোর’ কার্যকর করার সক্ষমতা কারো নেই: রুমিন ফারহানা
বাংলাদেশের বর্তমান চিত্রটা ভয়াবহভাবে স্পষ্ট : জিল্লুর রহমান
বাংলাদেশের বর্তমান চিত্রটা ভয়াবহভাবে স্পষ্ট : জিল্লুর রহমান
প্রশাসনের একটি বড় অংশ জামায়াতের দখলে: রুমিন ফারহানা
প্রশাসনের একটি বড় অংশ জামায়াতের দখলে: রুমিন ফারহানা
হান্নান মাসউদকে নিয়ে যা বললেন নীলা ইসরাফিল
হান্নান মাসউদকে নিয়ে যা বললেন নীলা ইসরাফিল
শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়েছে : রুমিন ফারহানা
শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়েছে : রুমিন ফারহানা
জোর করে ঐকমত্য চাপিয়ে দেওয়া যায় না : রুমিন ফারহানা
জোর করে ঐকমত্য চাপিয়ে দেওয়া যায় না : রুমিন ফারহানা
১৩ নভেম্বর কী হবে, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দেশবাসী : জিল্লুর রহমান
১৩ নভেম্বর কী হবে, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দেশবাসী : জিল্লুর রহমান
ঘি খেতে চাইলে চামচ দিয়ে ভদ্রভাবে খান : ডা. সায়ন্থ
ঘি খেতে চাইলে চামচ দিয়ে ভদ্রভাবে খান : ডা. সায়ন্থ
সর্বশেষ খবর
বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অলিম্পিক ডে উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত
অলিম্পিক ডে উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত

৫ মিনিট আগে | জাতীয়

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

১২ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩

২১ মিনিট আগে | নগর জীবন

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

২২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও
স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও

২৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের
ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব

৩০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি
সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি

৩৬ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন
মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২
কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি
নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

৫০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

৫৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা
বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ
মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান
ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদে এবার মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদে এবার মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গেল বেলজিয়াম
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গেল বেলজিয়াম

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বনানীতে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে আহত
বনানীতে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে আহত

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের ৩১ শহরে ‘রইদ’
যুক্তরাষ্ট্রের ৩১ শহরে ‘রইদ’

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?
স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?
দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান
আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা?
ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ দেখায় জয় পেয়েছিল জাপান, এবারও কি ব্রাজিল হারবে?
শেষ দেখায় জয় পেয়েছিল জাপান, এবারও কি ব্রাজিল হারবে?

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত
প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাম মন্দিরে দানের কোটি কোটি রুপি আত্মসাৎ, ভারতজুড়ে তোলপাড়
রাম মন্দিরে দানের কোটি কোটি রুপি আত্মসাৎ, ভারতজুড়ে তোলপাড়

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক